http://channelionline.com/news/details/%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A6%A8%E0%A6%9C%E0%A7%80%E0%A6%AC%E0%A7%80-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%9A%E0%A7%8D%E0%A6%9B%E0%A7%87%E0%A6%A8-%E0%A6%A8%E0%A6%BE-%E0%A6%AA%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AC%E0%A7%80
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Tuesday, 18 August 2015
পেড মিডিয়ার
সেজে গুজে বুকের বোতাম খুলে,ঠোঁটে লিপষ্টিক লাগিয়ে যৌন অঙ্গভঙ্গি দিয়ে যারা ধর্মনিরপেক্ষতারকথা বলে মুসলিম তোষন করে এবং জঙ্গিদের সাহায্য করে তাদের আমরা প্রেশ্যা বলে অভিহিত করি । প্রেশ্যাদের রুচি দেখলেই বোঝা যায় তাই এরা জাপানি তেল কিংবা রকেট ক্যাপসুলকে প্রধান স্পনসরের ভূমিকা দেয় । আজকে Zee নিউজ হিন্দি চ্যানেলে সাংবাদিক সুধীর চৌধুরী প্রেশ্যাদের মুখে ঝামা ঘষে দিল । সুধীর চৌধুরীর দাবী- মিডিয়ার নাম করে বেআইনী ভাবে অর্থ উপার্জন করতে এবং অসত্য খবর পরিবেশন করে জঙ্গিদের মদত দিচ্ছেন প্রেশ্যারা । সুধীর চৌধুরী এবং Zee নিউজকে অসংখ্য ধন্যবাদ "পেড মিডিয়ার" বিরুদ্ধে আওয়াজ ওঠানোর জন্য। সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য
নরেন্দ্র মোদী
অনেকে বলেন নরেন্দ্র মোদী ভালো ভাষন দিতে পারেন, আবার অনেকে বলে 'ভাষন চাই না, রেশন চাই' । রামকৃষ্ণদেব,সারদা দেবী,বিবেকানন্দও তাহলে ভাষন দিতেন? তাহলে আমরা কেন তাদের কাছে রেশন চাইলাম না? আমরা কেন তাদের ভাষনকে অমৃতবানী হিসাবে মেনে নিয়ে জীবনধারন করছি? ভাষন দেওয়ার যোগ্যতা তাদেরই থাকে যাদের শরীরে অলৌকিক শক্তি বর্তমান । রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে একাধিক নেতা আছে কই একটা বাচ্চাকে ছেলেকে ওদের ভাষন শুনতে দিন দেখুক কাঁদবে আর মোদীজীর ভাষন শুনে সেই বাচ্চা মুখে হাসি ফুটবে । মোদীজীর ভাষন আজ বানীতে পরিনত হয়েছে । আর একটা কথা শুনে রাখা ভালো-"সুমধুর ভাষন তাদেরই হৃদয় থেকে বের হয় যারা নিষ্ঠার সাথে দেশের কর্ম করে, আর যারা স্বার্থের জন্য কর্ম করে তারা আবার ভাষনের বিরোধীতা করে" । — সব্যসাচী ভট্টাচার্য্য
বাংলাদেশের হিন্দুদের নিয়ে একটা জনশ্রুতি আছে যে- তাদের এক পা নাকি বাংলাদেশে, আরেক পা নাকি ভারতে।
বাংলাদেশের হিন্দুদের নিয়ে একটা জনশ্রুতি আছে যে- তাদের এক পা নাকি বাংলাদেশে, আরেক পা নাকি ভারতে। কিন্তু বাংলাদেশের হিন্দুদের ভারতবর্ষের প্রতি টান কেনো? কেনই বা তারা এক পা ভারতে দিয়ে রেখেছে? কেউ কি এইসব প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করেছেন?
__________________________________________________
*** বাংলাদেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়াতে এই অভিযোগের সম্মুখীন হতে হয় সব শ্রেণীর হিন্দুকেই.....।কোনোএক সময় বাংলাদেশের স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও নাকি বলেছেন হিন্দুদের দেহ বাংলাদেশ আর মন নাকি ভারতে। বিএনপি ও জামায়েতের অভিযোগ আরও বেশি। দেশমাতৃকার সম্পত্তি হিন্দুরা নাকি ভারতে পাচার করে দিচ্ছে। হিন্দুরা চাকরি করে বাংলাদেশে, কিন্তু টাকা পাঠায় কলকাতায়। এ জন্যই নির্বাচনে জয়ের পরে তারা প্রচণ্ড আগ্রহ নিয়ে হিন্দু তাড়ানোর অভিযানে শুরু করে। 1947 এর আগে এই দেশে হিন্দুদের সবকিছুই ছিল। দেশভাগ হওয়ার পরেও যারা ঐ দেশেই থেকে গিয়েছিল- ভুলটা তারাই করেছিল। ঈশ্বর তাদের দেশপ্রেমের শাস্তি দিয়েছেন অত্যন্ত নির্দয় ভাবে।...........................................................................
1947 সালে "The East Bengal (Emergency) Requisition of Property Act" পাশ হলো । খুলে গেল অনেক মানুষের ভাগ্য। শুরু হলো হিন্দুদের সম্পত্তি দখল করার উৎসব। কোন কোন জায়গাতে সম্পত্তি দখল নিয়ে মুসলিমদের মধ্যেই মারামারি লেগে যায়। কিছু হিন্দু সেই সময় দেশ ছেড়েছিলো। কারন ঐ পূর্ববঙ্গে জায়গা নেই, জমি নেই, চাকরি নেই, খাবে কি ? তারপরও কিছু মানুষ পেটে গামছা বেধে রয়ে গেল। তারা বাংলাদেশকে নিজের দেশ বলে মনে করতো। কিন্তু হিন্দুদের পেটে লাথি মারা শুরু হলো । 1949, 1951, 1952 ও 1957 সালে সরকার মহা উৎসাহ নিয়ে যথাক্রমে "The East Bengal Evacuees (Administrationof Property) Act (VIII of 1949) , The East Bengal Evacuees (Restoration of Possession) Act (XXII of 1951),The East Bengal Evacuees (Administrationof Immovable Property) Act (XXIV of 1951), The East Bengal Prevention of Transfer of Property and Removal of Documents and Records Act of 1952, The Pakistan (Administrationof Evacuees Property) Act (XII of 1957)" আইন পাশ করল। রাতারাতি অনেক হিন্দু পরিনত হল ভুমিহীনে। অনেক হিন্দু মামলা চালাল। কিন্তু যেখানে আইন গুলোই ছিলো সংখ্যালঘুদের সম্পদ লুণ্ঠনের জন্য, সেখানে রাষ্ট্র আর বিচারবিভাগ থেকে ন্যায় বিচার কি করে আশা করা যায় !!! অনেক হিন্দু তার পিতৃপুরুষের ন্যায্য সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত হলো, যে জমিকে তারা নিজের মায়ের মতই ভালোবাসতো। কিন্তু প্রচণ্ড রাগে দুঃখে ক্ষোভে অনেকেই দেশ ছাড়ল। আবার অনেকে সম্পত্তি খুইয়েও নিজের দেশ মনে করেই রয়ে গেলো। 1965 সালে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধ বাধল । যুদ্ধে প্রচন্ড মার খেল পাকিস্তান। ফলে পাকিস্তানের আইউব খান পুরো রাগটা ঝাড়লেন বাংলাদেশের ভূমিহীন হিন্দুদের উপর। সংখ্যালঘু নিষ্পেষণের জন্য তিনি আরও আধুনিক আইন পাশ করলেন। এই আইনে কাওকে শুধুমাত্র "রাষ্ট্রের শত্রু" ঘোষণা করেই তার সকল সম্পত্তি দখল নেওয়া যায় । আইনগুলো ছিল
"East Pakistan Disturbed Persons (Rehabilitation) Ordinance (No 1 of 1964)
The Defence of Pakistan Ordinance (No. XXIII of 6 September 1965)
The Defence of Pakistan Rules of 1965
The Enemy Property (Custody and Registration) Order of 1965
The East Pakistan Enemy Property (Lands and Buildings Administration and Disposal Order of 1966).
The Enemy Property (Continuance of Emergency Provision) Ordinance No. 1 of 1969."।
________________________________________________________________________________
** আগে তো শুধু হিন্দুদের জমি গেছে।
1965 সাল থেকে বসতভিটা নিয়েও টানাটানি শুরু হয়। প্রচণ্ড অপমানিত হয় হিন্দুরা। এতো কষ্ট সহ্য করার পরেও যারা পেটে গামছা বেধে ছিল, রাষ্ট্র তাদের শত্রু ঘোষণা করে বসতবাড়ি দখল করতে শুরু করলো। হিন্দুরা সহজেই বুঝতে পারল যে এই দেশ তাদের জন্য নয়। এই আইনের মাধ্যমে 75% হিন্দুর সকল বাড়ি ঘর বিষয় সম্পত্তি সরকার দখল করতে সমর্থ হলো। যেসব হিন্দু আইনের আশ্রয় নিলো , তাদেরকে সরকার অপরাধী সাব্যস্ত করলো অনেকটা এইভাবে------- ""জিতিন বাবুর কাকাতো ভাই, কলকাতাই থাকেন । তিনি কাকাতো ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ স্থাপনের মাধ্যমে শত্রু রাষ্ট্রের সাথে আঁতাত করার গোপন পরিকল্পনা করছেন। অতএব তার সম্পত্তি সিজ করা হোক।""
__________________________________________________
শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকার মরিয়া হয়ে উঠেছিল কারো কোনো আত্মীয় ভারতে থাকে কিনা তা খুজে বের করার জন্য, যাতে সম্পত্তি দখল করতে অনেক সুবিধা হয়। এরপরে দেশে রাজনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন হলো।
Monday, 17 August 2015
এখানে স্পস্ট কইর্যা লিখা আছেঃ
এখানে স্পস্ট কইর্যা লিখা আছেঃ
অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (আল কুরান ৯:৫)
when the forbidden months are past, then fight and slay the Pagans(non-muslim) wherever you find them, and seize them, beleaguer them, and lie in wait for them in every stratagem (of war); but if they repent, and establish regular prayers and practise regular charity, then open the way for them: for Allah is Oft-forgiving, Most Merciful.(Al quranঃ 9:5)
গান্ধীজীর আদর্শে উদ্বুদ্ধ ছিলেন লাদেন, বলছে অডিও টেপ | 24Ghanta.com
http://zeenews.india.com/bengali/world/osama-bin-laden-was-inspired-by-mahatma-gandhi_130646.html
মোদী UAE তে মসজিদে গেলো তাতে আমাদের দেশের তথাকথিত সেকুলার দের ফাটছে কেনো বুঝলাম না।
মোদী UAE তে মসজিদে গেলো তাতে আমাদের দেশের তথাকথিত সেকুলার দের ফাটছে কেনো
বুঝলাম না।
তাদের মুখে এখন একটাই কথা মোদী ভোট ব্যাঙ্ক
পলেটিক্স খেলছে,
আরে ভাই মোদী যদি ভোট ব্যাঙ্ক এর আশায় থাকত,
তাহলে উনি জামা মসজিদ যেত, টিপু সুলতান মসজিদ যেত, আজমের শরিফ যেত, আরও ভারতে যেসব মসজিদ আছে
সেখানে যেত, UAE মসজিদে গিয়ে উনি কোন ভোট
ব্যাঙ্ক এর আশায় যাবেন? ওখানকার মুসলিমরা
কি ভারতে এসে মোদী কে ভোট দিয়ে যাবে?
আর ভোট ব্যাঙ্ক পলেটিক্স খেললে, উনি আপনাদের মত
ফেজ টুপি পরে ইফতার করত,নামাজ পরত, এসব
করার জন্য ভারতেই বহু মসজিদ আছে।
আরেকটা জিনিষ হল আপনাদের কেনো জ্বলছে?
নাকি এবার আপনাদের আশংকা সত্যি হবে ভাবছেন?
মানে মোদী একটা মসজিদ গিয়েই আপনাদের
ভোট ব্যাঙ্ক এর বারোটা বাজাবে?
তার মানে একটা জিনিষ পরিস্কার, আপনাদের তোষনে মুসলিমরা আর গা লাগাচ্ছেনা।
কারন আপনারা শুধুই যে তোষন করেন আর বাকি
কিছু করেননা এটা আপনারা এবং মুসলিমরা ভাল করে বুঝে গেছে,
আর তাই বলেই মোদী মসজিদ দর্শন নিয়ে এত মাথা
ঘামানো হচ্ছে আপনাদের,
আর আপনারা মাথা ঘামানো ছারা কিছুই করতে
পারবেননা, কাজ তো নেই তাই আর করবেন টাই বা কি?..
মোদী মসজিদ থেকে বের হবার সময় চারিদিকে
মোদী মোদী মোদী আওয়াজ শুনে আপনাদের
গলা শুকিয়ে গেছে আমি জানি।
আচ্ছা আপনাদের কথা বলি, আপনারা কোনদিনও
আপনাদের পাড়ার বাইরে বেড়িয়ে এত জন সমর্থন
পেয়েছেন?
আমি জানি পাননি, আর পাবেনওনা,
কারন আপনারা হলেন মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের নেতা,
আর আমার মোদী সবার নেতা।
তাই হিংসা না করে, ভাবুন মোদী কে কি করে আটকানো যায়,
সমালোচনা করে সময় নষ্ট করেননা,
আপনারা যত বিরোধিতা করবেন
ততই আমাদের পক্ষ্যে মঙ্গল।
জয় মোদীর জয়। Raj Singh
Subscribe to:
Posts (Atom)