Wednesday, 24 June 2015

আমি কেমন করে ভুলতে পারবো "বিধান" থাকতে আমার শ্যামাপ্রসাদ বিনা চিকিৎসায় মরে গেল!!!!

"আমি কেমন করে ভুলতে পারবো "বিধান" থাকতে আমার শ্যামাপ্রসাদ বিনা চিকিৎসায় মরে গেল!!!! " ----------------------------------------------------------------------------------- শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মৃতদেহ যখন তাঁর যুবক শিষ্য শ্রী অটল বিহারী বাজপেয়ি সহ আরো অনেকে দমদম এয়ারপোর্ট থেকে তাঁর ভবানীপুরের বাড়িতে আনলেন তখন ২৪ শে জুন বুধবার ১৯৫৩ সাল ভোরের আলো ফুটেছে।আশ্চর্য আজকেও বুধবার ২৪ শে জুন কিন্তু ২০১৫! শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর এই শেষ ছবিটা আজকের দিনে অর্থাৎ ২৪ শে জুন বুধবার ১৯৫৩ তে তোলা তাঁর কলকাতার ভবানীপুরের বাড়িতে।তাঁর মরদেহ তাঁর বাড়িতে ঢুকতেই সবার আগে তাঁর বুকের উপর ঝাঁপিয়ে পরলেন তাঁর ৮২ বছর বয়সী বৃদ্ধা মাতা যোগমায়া দেবী।(উনার নামেই কোলকাতার গড়িয়াহাটের যোগমায়া দেবী কলেজ যেখান থেকে রাজনীতি করে উঠে এসেছেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী)। কারো সাধ্য হোলনা উনার কান্না থামানোর।গতকাল অর্থাৎ ২৩ শে জুন ১৯৫৩ এর সকাল ১০ টা থেকে এই খবর শোনার পরে উনি একফোঁটা জলও মুখে তোলেন নি।উনি শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কাঁদতে লাগলেন।কিছুক্ষনপরে তৎকালীন পশ্চিমবাংলার রাজ্যপাল মাননীয় এইচ . সি. মুখার্জী এলেন সস্ত্রীক দেখতে।উনি শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর শিক্ষক ছিলেন এবং অনেক বছর তাঁকে পড়িয়েছেন। রাজ্যপালকে যোগমায়া দেবী কাঁদতে কাঁদতে বললেন,"আমি কেমন করে ভুলতে পারবো বিধান থাকতে(তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডাঃ বিধান রায়) আমার শ্যামাপ্রসাদ বিনাচিকিৎসায় মরে গেল??আমার কাছে যদি শ্যামাপ্রসাদের অসুখের কোনো খবর থাকতো তবে আমি কি ভারতবর্ষের সব থেকে বড় ডাক্তার (বিধান রায়) বিধানকে ডেকে চিকিৎসা করাতাম না?" এই বলে তিনি আবার শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মৃতদেহের বুকের উপর অজ্ঞান হয়ে গেলেন।এর পর ১১ টার সময় যখন শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর মরদেহ কেওরাতলা মহাশ্মশান ঘাটের দিকে হাজার হাজার অশ্রুসজল লোকের শোভাযাত্রার মাঝে রওনা দিল তখনও যোগমায়া দেবী শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীকে আঁকড়ে ধরে অজ্ঞান হয়ে ছিলেন।তাঁর পর উনার আনকনশাস শরীরটা শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর থেকে আলাদা করা হল একটু জ্ঞান এলো উনার মাতার। বীর ছেলের শেষ যাত্রার দিকে অশ্রুসজল চোখে ৮২ বছরের বৃদ্ধা মাতা ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকলেন অসহায়ের মতন।মাত্র ৫২ বছর বয়সে শেষ করে দেওয়া হল "ক্যালকুলেটেড মেডিক্যাল মার্ডার করে স্বাধীন ভারতের তৎকালীন সব থেকে বড় বীর শ্রদ্ধেয় ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীকে" শেষ যাত্রা এগিয়ে চলল হাজার হাজার অশ্রুসজল মানুষকে সঙ্গে নিয়ে কেওরাতলা মহাশ্মশান ঘাটের দিকে - আমি নিজেও আর পারছিনা।এখন সকাল ১১.৩২ মিনিট বুধবার ২৪ শে জুন ২০১৫।হ্যাঁ ঠিক এই সময়ই তো উনার শেষ যাত্রা চলছিল এই দিনে এই তারিখে ১৯৫৩ সালে।যার জন্য আমি এই বাংলায় আছি সেই বীরের এই পরিনতি হয়েছিল মাত্র ৫২ বছর বয়সে-- আমারও চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে -আমার কম্পিউটারের মনিটার ঝাপসা হয়ে আসছে-আমার চোখের জলে আমার লেখার কী বোর্ড ভিজে যাচ্ছে - আমি আর পারছিনা--------------- হে হিন্দু বীর অশ্রুসজল চোখে তোমাকে জানাই শত কোটি প্রণাম.......... তোমাকে যে মোল্লা আর ওদের দালালরা মিলে হত্যা করেছিল কাউকে ছাড়ব না।প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এখনো আমরা লক্ষ-কোটি স্বয়ংসেবক বেচে আছি.......... ‪#‎ জয়শ্রীরাম‬ হিন্দুরাষ্ট্র ভারত মাতা কি জয়।। ‪#‎ RSS

No comments:

Post a Comment