Saturday, 4 July 2015

বাংলাদেশী বংশদ্ভূত বৃটিশ পরিবারটি’র অবশেষে সিরিয়া যাবার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে

বাংলাদেশী বংশদ্ভূত বৃটিশ পরিবারটি’র অবশেষে সিরিয়া যাবার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই পরিবারটিকে নাকি সিরিয়া যাবার মত কোন আলামত তাদের পরিচিতরা বুঝতেও পারেনি। পরিবারটির ছবি টিভি ও ইন্টারনেটে দেখে অবশ্য খুব বেশি একটা অবাক হওয়ার মত কিছু মনেও হয়নি। আলামত অবশ্যই ছিল। পুরুষগুলোর গোফহীন সুন্নতি দাড়ি ও হিজাবী মহিলা পরিবারটি সম্পর্কে আমাদের আগাম খানিকটা বরং ধরণাই দেয়। এরচেয়ে তিউনিশিয়ার ছেলেটি যে সি-বিচে গুলি চালিয়ে হত্যা চালিয়েছে তাকেই পূর্বানুমান করাই বেশি কঠিন ছিল। লেবাসে ও শিক্ষায় তার বন্ধুরাও বিভ্রান্ত হয়েছিলো। অবশ্য তার পাঞ্জাগাণা নামাজ আদায়ের অভ্যাসের কথা তার স্বজনরা জানিয়েছেন। এ থেকে পরিস্কার, মুসলিমদের মধ্যে যারা ধার্মীক, সিরিয়াস ধর্মকর্ম পালন করেন তাদের মধ্যে জিহাদী সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাসের সমর্থক হওয়ার সম্ভাবণা থাকে। কেউ আবার মনে করবেন না যেন যে আমি বলতে চাচ্ছি- নামাজী হলেই, নবীর সুন্নত ও ইসলামী পর্দা মানলেই কেউ জিহাদী-সন্ত্রাসী হয়ে যায়। আমি আসলে বলতে চাচ্ছি সেই পুরোনো সত্যটিই,- সব মসলিমই জঙ্গি না, তবে সব জঙ্গিই মুসলিম! বাংলাদেশে অপরিচিত তো বটেই খুব ঘনিষ্ঠ বা বহুদিনের পুরোনো বন্ধুটি, যে কথায় কথায় “আলহামদুরিল্লাহ” আর “ইনশাল্লাহ” বলে, মুখে মুখে হারাম-হালাল খুঁজে বেড়ায়, নবীর নাম নেয়ার সময় ঘটা করে “নবী করিম (সা:)” বলে সম্বধন করে, দাঁড়িয়ে পানি খায় না, আজানের সময় দুহাতের বুড়ো আঙ্গুলে চোখে চুমু খায়, আল্লাকে অতিরিক্ত ভক্তির চোটে “আল্লাহ রাব্বুল আলামীন” বলে গদগদ হয়- তাদের সম্পর্কে খুব সাবধান! নিজের অনলাইনের অবাধ লেখালেখি, আমাদের মত “উগ্র নাস্তিকতা” না হোক, সিম্পলি উদার ধর্মীয় অবস্থানের কারণে তাদের কাছে নিজের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এদের কেউ কেউ যে আনসারুল্লাহ বা আইএসে যোগ দেয়নি তার কোন নিশ্চিয়তা নেই। কাজেই সাধু সাবধান! …

No comments:

Post a Comment