মুসলিম ভাইয়েরা মনে কষ্ট নিবেন না।এই পোস্টটা আপনাদের জন্য নয়।এই পোস্টটা সমগ্র ভারতবাসীর জন্য।যারা ভারতীয় সংস্কৃতি 'একাদশী উপবাস' কে হেয় করে আরবীয় ইফতারকে আকড়ে ধরছে সেইসব হিন্দুদের উদ্দেশ্যে সত্য প্রকাশ করছি।তারপরও যদি কোন মুসলিম ভাই মনে কষ্ট পান তবে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।যাই হোক এবার মূল কথাটা লিখছি-
রোজা প্রমান করে-
কুরান আল্লাহর বানী না,মুহাম্মদের লেখা।
রোজা আরো প্রমান করে-
মুহাম্মদ আল্লাহর নাবী না-আল্লাহ নাই।
প্রমান দিচ্ছি-
কুরানে আছে-রোজা পালনে-"সূর্যোদয়থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে।" [সূরা বাকারাঃ১৮৭
নাম্বার আয়াত]
-এ আয়াত তাঁর লেখা যাঁর মক্কার বাইরে-পৃথিবীর বক্রতা এবং দিন-রাত সংঘটিত হওয়ার বৈজ্ঞানিক নিয়ম সম্বন্ধে কোন
ধারনা ছিল না।পৃথিবীর আকৃতি ও বসবাসকারী মানুষ সম্পর্কে যিনি অবগত ছিলেন না।
যিনি এ আয়াত নাজিল করেছেন তিনি যদি আল্লাহ হতেন-জানতেন পৃথিবীর সকল স্থানে-একই সময় সূর্য্য ওঠে ও অস্ত
যায় না।তিনি আরো জানতেন-আমাদের এখানে যেমন-সূর্য ওঠে রাত দেড়টায়-ডোবে রাত সাড়ে এগার টায়-২২ ঘন্টা দিন।(নরওয়ে)
মুহাম্মদের এ অজ্ঞানতার আরো প্রমান-হাদীস সহি বুখারি (৫৪৪:২১)।-সেখানে বলা হয়েছে যে-"রাতের বেলা সূর্য স্রষ্টার আরশের নিচে বিশ্রাম নেয়।"
আরো প্রমান-কুরানের আয়াতে-"আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি,যাতে আপনি মক্কা ও তার আশ-পাশের লোকদের সতর্ক করেন এবং সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে ....।" [সূরা আশ-শুরা ৪২:৭]
"এ কোরান এমন গ্রন্থ,যা আমি অবতীর্ন করেছি;বরকতময়,পূর্ববর্তী গ্রন্থের সত্যতা প্রমাণকারী এবং যাতে আপনি মক্কাবাসী
ও পাশ্ববর্তীদেরকেভয় প্রদর্শন করেন।" [সূরা আন আম ৬:৯২]
"আমি একে আরবী ভাষায় কোরআন রূপে অবতীর্ণ করেছি,যাতে তোমরা বুঝতে পার।" [সূরা ইউসূফ ১২:২]
তাহলে প্রশ্ন-কোরান মতে আমার ভাষা কি আরবি?কুরানের উপরোক্ত আয়াত সমূহ প্রমান করে-রোজা শুধু মক্কাবাসী তথা আরবীয়দের জন্য।-সার্বজনীনবিশ্বের সকল মানুষের জন্য নয়।কুরান সার্বজনীন বা সব মানুষের জন্য প্রযোজ্য-অনুসরনীয় গ্রন্থ নয়।
কুরান যদি সৃষ্টিকর্তার হত-তাহলে রোজা পালনে "সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের" বিধান থাকত না।যেমনটা আমাদের কোন উপবাসে নেই ফলে উপবাস পৃথিবীর সকল প্রান্তেই প্রযোয্য।
রোজায়-মানুষকে অযৌক্তিক অন্ধ বিশ্বাসের কাছে আত্মসমর্পন করতে দেখে কষ্ট পাই।
তাছাড়া আমরা কদিন আগে রোজার আপকারিতা নিয়ে একটা বিশ্লষণধর্মী লেখা পোস্টও করেছিলাম জানেন।দেখুন এখানে- https:// www.facebook.com /bengalrss/ photos/ pb.7073612727102 89.-2207520000. 1435961464./ 804920276287721/ ?type=3&src=http s%3A%2F %2Ffbcdn -sphotos-f-a.ak amaihd.net%2Fhp hotos- ak-xaf1%2 Fv%2Ft1.0-9%2F1 0666020_8049202 76287721_577549 729209921425_n. jpg%3Foh%3D420f 15e832e6c3beecc ad5d2969d7e60%2 6oe%3D5612BC37% 26__gda__%3D144 3941449_6a2d8d6 011122c7e5e21e3 b12abb3e6f&size =320%2C282&fbid =80492027628772 1
হিন্দু শাস্ত্র বলে সন্ধ্যায় কোন রকম খাদ্য গ্রহণ করা যাবে না।এসময় মহাজাগতিক কিছু অশুভ শক্তি তথা নিকৃষ্ট প্রজাতিই কেবল খাদ্য গ্রহণ করে।আর এদিকে বিজ্ঞান বলে-সূর্য যখন অস্ত যায় তথা সন্ধ্যা হয় তখন সূর্যের আল্ট্রা-ভায়োলেট কিছু ক্ষতিকর রশ্মি অতি সহজেই বায়ুমন্ডল ভেদ করে পৃথিবীপৃষ্ঠে প্রবেশ করে।আর এসময় খাদ্য গ্রহণ করলে তা দেহের জন্য ক্ষতিকর হয়।
তাই সকল হিন্দু তথা ভারতীয়কে বলব-আসুন সবাই আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতিকে আকড়ে ধরি ইফতার বয়কট করি।মসলমান ভাইয়েরা মনে কোন কষ্ট পেলে ক্ষমা করবেন।আমরা জাস্ট সত্যটা প্রকাশ করলাম।এটা আমরা দায়িত্ব মনে করি।
জয় হিন্দ।
হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।
# RSS
No comments:
Post a Comment