Monday, 6 July 2015

হিন্দু সমাজের নেতৃত্ব তুলে দিতে হবে সাহসী যুবকদের হাতে

হিন্দু সমাজের নেতৃত্ব তুলে দিতে হবে সাহসী যুবকদের হাতে৷ মুসলিম দুষ্কৃতিদের অতর্কিত আক্রমণের উপযুক্ত জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি রাখতে হবে বাড়িতে বাড়িতে৷ মল্লিকপুর, সমুদ্রগড় আর পঞ্চগ্রামে হামলার সময় যেভাবে পুলিশ মূক দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে, টুকটুকি মন্ডলের ক্ষেত্রে পুলিশ যেভাবে অপহরণকারীর সাথ দিচ্ছে, তারপর আর তাদের উপরে ভরসা করে নিশ্চিন্ত থাকার অবকাশ নেই৷ নিজেদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিজেদেরকেই করতে হবে৷ তাতে আইনের চোখে অপরাধী হিসাবে গণ্য হলেও এছাড়া আর কোন বিকল্প নেই৷ পরিণামে হয়তো কেস্ খেতে হবে, জেল খাটতে হবে৷ পক্ষান্তরে এই ক্ষতির হাত থেকে বাঁচার জন্য নিষ্ক্রিয় থাকলে সারা জীবনের সমস্ত সঞ্চয় ওরা লুঠ করে নিয়ে যাবে, মা-বোনের ইজ্জত যাবে, বাড়ি পুড়বে - সর্বস্বান্ত হয়ে রাস্তায় নামতে হবে৷ উপরন্তু পুলিশ ফলস্ কেস্ দিয়ে জেলে ঢোকাবে৷ কোন ক্ষতিটা বড়, তার বাস্তবসম্মত বিচার আপনারাই করুন৷ কথাগুলো আপাত দৃষ্টিতে প্ররোচনামূলক বলে মনে হলেও এটাই বাস্তব৷ হিন্দুরা এই পথ অবলম্বন করতে বাধ্য হলে সমাজের ভারসাম্য বিঘ্নিত হবে ঠিকই৷ কিন্তু এছাড়া অন্য কোন পথ নেই৷ যখন অন্যায়, অত্যাচার আইনে পরিণত হয়, তখন প্রতিরোধই হয়ে ওঠে একমাত্র কর্তব্য৷ এক কথায় এই পথকে বলা যেতে পারে - A necessary evil. এই অমঙ্গলের আমন্ত্রণই সমাধানের একমাত্র পথ৷

No comments:

Post a Comment