Friday, 3 July 2015

গুজবে কান দিবেন না

ভাইয়েরা গুজবে কান দিবেন না। কে বা কারা অনলাইনে প্রচার করতে লাগল, স্বামীবাগ ইস্কন মন্দিরে নাকি হামলা হয়েছে? অথচ সেখানে তো জিহাদী কর্তৃক কোন হামলা হয় নি। এমনিতেই মুমিনরা এদেশের সাম্প্রদায়িক হামলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে প্রচার করে। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে অাবার অস্বীকার করে। এরুপ পরিস্থিতিতে এরকম অসত্য ঘটনা প্রচার করে এদেশের সাম্প্রদায়িক হামলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে তারা। এইসব অপপ্রচারকারীদেরখোঁজে বের করে তাদের শাস্তির অাওতায় অানা হোক। এমনিতেই এদেশের মুমিনরা গুজব রটাতে উস্তাদ। সেই ব্রিটিশদের সময় থেকে গুজব রটিয়ে হিন্দুদের ক্ষতি করছে। সেই মুমিনরাই তো গুজব ছড়িয়ে ‪#‎ নোয়াখালী_দাঙ্গা ‬বাধিয়েছিল। বরিশাল দাঙ্গার মত বড় বড় সাম্প্রদায়িক হামলা তো তারা গুজব ছড়িয়েই করেছিল। অামরা কি সেসব ঘটনা ভুলে গেছি? গুজব ছড়িয়ে তারা তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে। অামরা তো জানিই, গুজব না ছড়ালে তারা শান্তি পাবে না। কিন্তু অামরা গুজব রটাতে যাব কোন দুঃখে? এদেশে এমন একটি দিন নেই যেদিন হিন্দু, সংখ্যালঘুদের উপর অন্যায়, অত্যাচার করা হয় না। সেগুলো প্রচার করতে করতেই তো অাপনারা ক্ষান্ত হয়ে যাবেন। কিন্তু অাপনারা বারবার এই স্বামীবাগ ইস্কন মন্দিরকে বারবার টেনে অানছেন কেন? মুমিনরা ভাল করেই জানে, এই একটি ইস্কন মন্দিরে হামলা হলে তা সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে সেই খবরটি পৌছবে। সেজন্যেই মুমিনরা চাইবে না এই মন্দিরে হামলা হোক। তাই বলি, সব গুজব মুমিনরা ছড়ায় না, তবে মুমিনই গুজব ছড়ায়। তাই তাদেরকে গুজবের সাথেই থাকতে দিন। এমনিতেই হিন্দুদের উপর এমন এমন সাম্প্রদায়িক হামলা হয় যা অামরা নিজেরাই বিশ্বাস করতে পারি না। যেমন -পাকিস্তানে মসজিদে পানি পান করা নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বিশ্বাসযোগ্য ছিল না। কিন্তু যখন একটি প্রভাবশালী পত্রিকা সেটি নিয়ে লিখল, তখনই অামরা সেটি বিশ্বাস করি। মুমিনদের মতে, বিশ্বাস ঈমানের অঙ্গ। তাই প্রত্যেক মুমিন বান্দা বড় হুজুরদের কথা বিশ্বাস করে। মনে রাখবেন, বুজুর্গ মোল্লা যদি 'হুক্কা হোয়া, হুক্কা করে' তাহলে মুমিন বান্দারাও 'ক্যায়া হোয়া,ক্যায়া হোয়া' বলতে বলতে সেই মোল্লার দিকেই অগ্রসর হবে। তাই অামাদের জন্যে গুজব ছড়ানো কতটা বিপজ্জনক অার অসম্মান হতে পারে তা অাপনাদের সময় থাকতেই বোঝা উচিত।

No comments:

Post a Comment