"খানকী" শব্দটি, - বাংলায় বহুল প্রচলিত বেশ কয়েকটির অশ্লীল শব্দের মধ্যে অন্যতম। আশ্চর্য্যের বিষয় এই যে এই মধ্যেও এক ধরণের ইসলামী ক্রূরতা লুকিয়ে আছে।
'বাংলাভাষায় অপশব্দের উদ্ভব' নিয়ে একটি লিটলম্যাগাজিন পড়েছিলাম। তাতে 'বেশ্যার' অপশব্দ 'খানকী'র একটি চমকপ্রদ ব্যাখা ছিল। বাংলায় মুসলিম যুগে বহুশক্তিশালী হিন্দু সামন্ত রাজা শেষদিন পর্যন্ত ছিলেন। এদের কোনমতেই ধর্মভ্রষ্ট করা যায়নি। সেইকারনে মুসলিম সুফিরা একটি চমৎকার ফন্দি আঁটেন। তারা তাদের মসজিদ সংলগ্ন অতিথিশালায় বা খানকায় একদল ধর্মভ্রষ্ট ( সম্ভবত জোর করে তুলে আনা ) হিন্দু নারীকে আটকে রাখতেন যৌনদাসী হিসাবে। হিন্দু সম্ভ্রান্ত বংশীয়রা, পীর-ফকির বা আউলিয়াদের সাথে দেখা করতে গেলে তাদের খানকায় আপ্যায়ন করা হত। অবশ্যই তাদের কোননা কোন ভাবে যৌনদাসীদের সাথে সঙ্গমে লিপ্তও করানো হত।
ওই ব্যক্তিদের প্রলোভিত করে মানসিক ভাবে দুর্বল করা ছিল ওই নারীদের কাজ। শেষ পরিনতি তাদের মুসলমান হওয়া এবং ওই ব্যক্তির সাহায্যে এলাকা দখল। সংক্ষেপে, দার-উল-ইসলামের বিস্তার।
সেই থেকে আজও কুখ্যাত খানকাহ্র সেই সমস্থ নারীরা সমাজে 'খানকী' বলে ঘৃণিতা হন।
এমন কিছু মুসলমান মহিলা আজও এই সমাজে আছেন, যারা খুবই শয়তান। "লাভ জেহাদে"র আড়ালে, ছলনার আশ্রয় নিয়ে হিন্দু পুরুষের মগজধোলাই করার চক্রান্তে এরা সদাই লিপ্ত। এই সব শয়তানির কুহকে মোটেই পড়া চলবে না। আমরা হিন্দু। এটাই আমাদের একমাত্র পরিচয়। কোন লজ্জা বা হীন চিন্তা নয়। মানবতা, সাম্য, স্বাধীনতা সবকিছুর চূড়ান্তই হল হিন্দুত্ববাদ। হিন্দু মানে মানবতাবাদীই শুধু নয়, বিশ্বব্রহ্মান্ডবাদী। অর্থাৎ এই জগতসংসারের একান্ত আত্মীয়। তাই বন্ধুত্ব করার আগে অবশ্যই ভাবতে হবে, যার সাথে মিলিত হলে ইহকাল পরকাল উভয় কালই ধ্বংস, তেমন 'খানকী'কে বন্ধু হিসাবে গ্রহন করা যায়না কি! অবশ্যই যায়।
শর্ত...... খানকীবাজী ছাড়তে হবে।
..... সামান্য পরিমার্জিত এই লেখাটি শ্রী জয় রাজে'র .....
আমাদের জানা উচিত এই জাতি বিদ্দেষের উতস কোথায়? প্রথমত হিন্দুরা ধর্ম পালন একেবারেই করে না খুবই কম। কারো বাড়ি থেকে ১টা বেদ ও খুজে পাবেন না। গীতা পেতে পারেন,তাও কম।। কিন্তু প্রত্যেকটি মুসলমানের বাড়ি থেকে আপনি কোরান আর হাদিস পাবেনই। কারা তারা ধর্মপালন করে। হিন্দুরা তাদের ধর্ম অনুসারে খুব কমই চলে, তাই হিন্দুদের কাজ কর্মে ধর্ম বিষয় বেশী দেখতে পাবেন না। উল্টো দিকে মুসলমানদের ক্ষেত্রে ভিন্ন কিন্তু। তারা কোরানের প্রত্যেকটি অক্ষর মেনে চলে বা মানার চেস্টা করে, কিছু লোক অবশ্যই করে না কিন্তু তার % কত? খুবই কম। কোনো মুসলমান পাড়ায় গেলেই দেখতে পাবেন দল দল নামাজ পড়তে চলেছে। ।
ReplyDeleteআবার আসি এই ধর্মবিদ্দেষ কারা তৈরী করল? উত্তর নিসন্দেহে ধার্মিক মুসলমানরা। তা আপনি কোরান পড়লেই দেখতে পাবেন। কোরানে প্রত্যেক পাতায় পাতায় অমুসলিমদের উদ্দেষ্যে বিষ উগড়ে দেওয়া আছে।
কয়েকটি আয়াত আমি বলছি যে কটি মনে পড়ছে এখন।
প্রথমে জানা দরকার মুসলমান বা মোমিন কেঃ
সূরা আনফালের ২ ও ৩ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে-
إِنَّمَا الْمُؤْمِنُونَ الَّذِينَ إِذَا ذُكِرَ اللَّهُ وَجِلَتْ قُلُوبُهُمْ وَإِذَا تُلِيَتْ عَلَيْهِمْ آَيَاتُهُ زَادَتْهُمْ إِيمَانًا وَعَلَى رَبِّهِمْ يَتَوَكَّلُونَ (2) الَّذِينَ يُقِيمُونَ الصَّلَاةَ وَمِمَّا رَزَقْنَاهُمْ يُنْفِقُونَ (3)
"বিশ্বাসী মোমিন তো তারাই যাদের হৃদয় আল্লাহকে স্মরণ করার সময় কম্পিত হয় এবং যখন তার আয়াত তাদের নিকট পাঠ করা হয় তখন তা তাদের বিশ্বাস বৃদ্ধি করে এবং তারা তাদের প্রতিপালকের উপরই নির্ভর করে।" (৮:২)
"তারা যথাযথভাবে নামাজ পড়ে এবং আমি যা দিয়েছি তা থেকে দান করে।" (৮:৩)
অর্থাৎ যিনি কোরানে সম্পূর্ন বিশ্বাস করেন তিনিই মুমিন বা মুসলমান। ভালো কথা। এবার দেখি কোরান কি অমুসলিমদের সাথে বন্ধুত্বের ব্যাপারে,
সুরা নিসা, আয়াত ১৪৪-
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَتَّخِذُواْ الْكَافِرِينَ أَوْلِيَاء مِن دُونِ الْمُؤْمِنِينَ أَتُرِيدُونَ أَن تَجْعَلُواْ لِلّهِ عَلَيْكُمْ سُلْطَانًا مُّبِينًا (144
হে ঈমানদারগণ! তোমরা কাফেরদেরকে বন্ধু বানিও না মুসলমানদের বাদ দিয়ে। তোমরা কি এমনটি করে নিজের উপর আল্লাহর প্রকাশ্য দলীল কায়েম করে দেবে?
আরো দেখুন-
সুরা ইমরান, আয়াত ১১৮
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُواْ لاَ تَتَّخِذُواْ بِطَانَةً مِّن دُونِكُمْ لاَ يَأْلُونَكُمْ خَبَالاً وَدُّواْ مَا عَنِتُّمْ قَدْ بَدَتِ الْبَغْضَاء مِنْ أَفْوَاهِهِمْ وَمَا تُخْفِي صُدُورُهُمْ أَكْبَرُ قَدْ بَيَّنَّا لَكُمُ الآيَاتِ إِن كُنتُمْ تَعْقِلُونَ (118
হে ঈমানদারগণ! তোমরা মুমিন ব্যতীত অন্য কাউকে অন্তরঙ্গরূপে গ্রহণ করো না, তারা তোমাদের অমঙ্গল সাধনে কোন ক্রটি করে না-তোমরা কষ্টে থাক, তাতেই তাদের আনন্দ। শত্রুতাপ্রসুত বিদ্বেষ তাদের মুখেই ফুটে বেরোয়। আর যা কিছু তাদের মনে লুকিয়ে রয়েছে, তা আরো অনেকগুণ বেশী জঘন্য। তোমাদের জন্যে নিদর্শন বিশদভাবে বর্ণনা করে দেয়া হলো, যদি তোমরা তা অনুধাবন করতে সমর্থ হও।
পরিস্কার বলা রয়েছে মুসলমান ব্যাতীত কাউকে বন্ধু হিসাবে গ্রহন না করার জন্য।।
এবার বলুন যে মুসলমান হবে, অর্থাৎ কোরানে বিশ্বাসী হবে সে কি করে একজন হিন্দুকে বন্ধু বলে মনে করবে? কোরানে তা করতে বারন করা রয়েছে। অতএব, কোরান অনুসারে কোনো মুসলমানেরই কোনো হিন্দুর সাথে বন্ধুত্ব রাখা উচিত নয়।। তাই কোনো মুসলমান কোনো হিন্দুকেই কখনই প্রকৃত বন্ধুভাবে না, সে সেই হিন্দুটার উদারতার, কোরান সম্পর্কে অজ্ঞতার ফায়দা নেয়। কারন মুসলমান ছেলে/মেয়েটি জানে এই নিরীহ সাদা সিধে মানুষ হিন্দু টি কোরান সম্পর্কে অজ্ঞ, তাই ফায়দা লুটে নাও।
এবার আসি পরের কথায়, আমরা যখন কোরান পড়ে দেখলাম, হিন্দুদের বাচার কোনো অধিকার নেই, ( কোরান - সুরা ৯: আয়াত ৫) তখন আমরা কি করব বলুন, আমাদের এই মুসলমান বিদ্দেষ কিন্তু আমাদের ধর্ম অনুসারে নয়, অন্যের কথা জানিনা, আমি মোটেও ধার্মিক নই, পাক্কা অধার্মিক মাল। আমাদের এই মুসলমান বিভাজন কিন্তু কোরান জানার পর, কারন সেখানে হিন্দু (অমুসলমান) হওয়ার কারনে আমাদের বাচার অধিকার দেওয়া হয়নি, তাহলে উপায় কি?? এই হিন্দু সমাজ কে সংঘবন্ধ করে বাচার অধিকারের জন্য লড়াই করা, তাই নয় কি?
ReplyDeleteখানকীর ছেলে তুই
ReplyDelete