Monday, 6 July 2015

শ্রদ্ধেয় শ্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১১৫ তম জন্মজয়ন্তি পালন .... ও 'নমো মঞ্চের' প্রসঙ্গিকতা...।।

শ্রদ্ধেয় শ্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১১৫ তম জন্মজয়ন্তি পালন .... ও 'নমো মঞ্চের' প্রসঙ্গিকতা...।। (অনেক বড় একটি লেখা, কিন্তু সবার পড়া বিশেষ দরকার। পড়লে, - অনেক কিছু জানতে পারা যাবে...) আজ এই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যস্থপতি ইতিহাসের পাতায় চিরবিস্মৃত স্বর্গীয় শ্রী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১১৫ তম জন্মজয়ন্তি....। সাধারণ ভাবে আমরা সবাই জানি যে ১৯৪৭'র ১৫ই আগস্ট ভারতবর্ষ বিভক্ত হয়ে যেদিন গঠিত হল ভারত ও পাকিস্তান, সেইদিনই জন্ম নিল পশ্চিমবঙ্গ। বঙ্গ প্রদেশ ভাগ হয়ে তৈরী হল পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব পাকিস্তান। ... কিন্তু না, ভারতবর্ষ ভাগ হলেই যে বাংলাও ভাগ হবে এমনটা নিশ্চিত ছিল না। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান (৫৬%) চেয়েছে পুরো বাংলাটাই। কম্যুনিস্টরা পাঞ্জাব ভাগাভাগির পক্ষে হলেও পুরো বাংলা পাকিস্তানকে দেবার পক্ষে। এমনকি ৪৬-এর রায়টের হিন্দু গণহত্যার নেতা বাংলার প্রধানমন্ত্রী শহিদ সুরাবর্দী আর মুসলিম লীগের নেতা আবুল কাসেম স্বাধীন বাংলার গল্প ফাঁদলেন, তার বড় সমর্থক শরৎচন্দ্র বসু – নেতাজী সুভাষ বসুর দাদা। শরৎচন্দ্র বসুর কলকাতা গণহত্যার নায়ক শহীদ সুরাবর্দীর সঙ্গে যুক্ত বাংলা স্থাপনের ভয়ংকর আত্মঘাতী ভাবনাকেও হিন্দু বাঙালি ন্যূনতম গুরুত্ব দেয় নি। যাই হোক বাঙালি ৫০০ বছরের ইসলামি শাসন দেখেছে, একেবারে সাম্প্রতিক ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৬-এর মুসলিম লীগের শাসন দেখেছে – ফলে তারা আর সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমান শাসনের ভয়াবহ ভবিষ্যতের পথে চলতে রাজী ছিল না। অমুসলমান বাঙালি চাইল একটি নিরাপদ আশ্রয়। আর এই গুরু দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। শেষ পর্যন্ত বাংলার কংগ্রেস দলও সমর্থন করল শ্যামাপ্রসাদের ভাবনা – পশ্চিমবঙ্গের প্রতিষ্ঠা। ১৯৪৭-এ ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আইন অনুসারে বাংলা ও পাঞ্জাব ভাগের ব্যবস্থা হল। যেহেতু বঙ্গীয় আইনসভা ভারত বা পাকিস্তানে যুক্ত হবার ব্যাপারে একমত ছিল না ফলে ১৯৪৭ সালের ২০ জুন বঙ্গীয় আইনসভা ভেঙে তৈরি হল পূর্ববঙ্গ আইনসভা ও পশ্চিমবঙ্গ আইনসভা। মুসলমান প্রধান অঞ্চল নিয়ে হল পূর্ববঙ্গ ও অমুসলমান প্রধান অঞ্চল নিয়ে হল পশ্চিমবঙ্গ।পশ্চিমবঙ্গ আইনসভার সমস্ত অ-মুসলিম সদস্যরা, এমনকি কম্যুনিস্টরাও ভাঙাচোরা পশ্চিমবঙ্গের স্বপক্ষেই ছিলেন। ঐ দিনেই পশ্চিমবঙ্গ আইনসভার অবিভক্ত বঙ্গের অমুসলমান বিধায়করা ৫৮-২১ ভোটে বাংলাভাগের পক্ষে ও পাকিস্তানে যোগদানের বিপক্ষে ভোট দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ গঠন সুনিশ্চিত করেন। তৈরী হয় পশ্চিমবঙ্গ ও তার আইনসভা এবং বঙ্গীয় নবজাগরণের আলোকে আলোকিত, বহুত্ববাদী ও জাতীয়তাবাদী জনসাধারণের জন্য ১৯৪৭ সালের ২০শে জুন এইভাবেই পশ্চিমবঙ্গের জন্ম হয়। অর্থাৎ ২০শে জুন – এই ঐতিহাসিক দিনটিই আমাদের পশ্চিমবঙ্গের জন্মদিন। কিন্তু কয়জন মানুষ তা জানেন? পশ্চিমবঙ্গ কেবল একটি স্থান নয়, এটি বাঙালির মুক্ত অস্তিত্বের ভাবনা। স্বর্গীয় ভারতকেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মানস সন্তান। কে এই শ্যামাপ্রসাদ? যিনি দেশের যতখানি অংশকে পাকিস্থানে যাবার হাত থেকে বাঁচান যায়, তার জন্য সমস্থ শক্তি একত্রিত করে ঝাঁপিয়েছিলেন। কারন তিনি জানতেন, ক্ষমতার জন্য মরীয়া কংগ্রেস নেতারা সারা বাংলা, এমনকি আসামকে পর্যন্ত পাকিস্থানের গ্রাসে তুলে দিতে দ্বিধা করবেন না। ওদিকে কম্যুনিস্টরা মহা উৎসাহে জিন্নার বক্তব্যকে সমর্থন করেছিল। তারা বলেছিল, “ মুসলমানেদের জন্য আলাদা রাষ্ট্রের ব্যাবস্থা করা উচিত। তাদের পার্টি থেকে দাবী করা হয়েছিল, “The Pakistan is a just, progressive and national demand.” তাই মূলত তাঁরই আপ্রান প্রয়াসের ফলে বাংলার এক তৃতীয়াংশ ভারতের অন্তর্ভুক্ত রাখা সম্ভব হয়েছিল এবং তাকে রক্ষা করতে পেরেছিলেন ডঃ মুখার্জী। এই ভাবে তিনি জিন্নার – স্বপ্নের অখণ্ড পাকিস্থানকেই বিভক্ত করে দিলেন... “ Jinnah partitioned India and I partitioned Pakistan” – এই দম্ভোক্তি হয়তো তার পক্ষেই মানানসই। আর এভাবেই জিন্না-সুরাবর্দী-মাউন্টব্যাটেন-বারোজের দুরভিসন্ধিমূলক স্বাধীন যুক্তবঙ্গের পরিকল্পনাও তিনিই বানচাল করে দিয়েছিলেন। কিন্তু প্রথম দিকে এই ড.মুখার্জি’ই ভারত বিভাজনের তীব্র বিরোধী ছিলেন। ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪১ সালে তিনি বলেন, মুসলিমরা যদি ভারত বর্ষের বিভাজন চায় তবে ভারতের সকল মুসলিমদের উচিত তাদের তল্পিতল্পা গুটিয়ে পাকিস্তান চলে যাওয়া। আজ তাঁর অর্থাৎ ভারত কেশরী ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বা ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর ১১৫তম জন্মদিবস । ১৯০১ সালের ৬ই জুলাই কলকাতায় এক উচ্চ সামাজিক মর্যাদাসম্পন্ন ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা স্যার আশুতোষ মুখার্জী ও মাতা শ্রীমতী যোগমায়া দেবীর কাছ থেকে তিনি কিংবদন্তিতুল্য পাণ্ডিত্য ও ঐকান্তিক জাতীয়তাবাদী চেতনা উত্তরাধিকারসূত্রে লাভ করেন। তাঁরা তাঁকে ‘পবিত্র ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন’-যাপনে অনুপ্রাণিতও করেন। ১৯২১ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে সম্মান পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান দখল করার পর শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ভারতীয় ভাষায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর তিনি ১৯২৪ সালে বি.এল পরীক্ষায় বিশ্ববিদ্যালয়েসর্বোচ্চ স্থান লাভ করেন। ছাত্র থাকাকালীন সময় থেকে শ্যামাপ্রসাদ তাঁর ভাইস-চ্যান্সেলরপিতাকে শিক্ষা পরিকল্পনা প্রণয়নে সহায়তা করেন। এই মহান ভারতীয় পন্ডিত ও জাতীয়তাবাদী নেতাই প্রথম হিন্দু জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক দল ভারতীয় জন সংঘ গঠন করেন। ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা যুগাচার্য্য স্বামী প্রনবানন্দজীর ছিলেন আশীর্বাদধন্য। তিনি ছিলেন হিন্দু মহাসভার সভাপতি এবং জওহরলাল নেহেরুর প্রথম ক্যাবিনেটের একজন দায়িত্বপূর্ণ মন্ত্রকের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রীও বটে। জম্মু-কাশ্মীরের৩৭০ নং ধারা নিয়ে নেহুরু মন্ত্রিসভার সাথে মতবিরোধ দেখা দিলে তিনি, মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন। পরবর্তিতে তিনি দক্ষিণপন্থি প্রজা পরিষদ গঠন করে “এক প্রজাতন্ত্রের মধ্যে আরেকটা প্রজাতন্ত্র থাকতে পারে না” এই দাবি নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। ১৯৫৩ সালের ১১ই মে শ্যামাপ্রসাদকে গ্রেপ্তার করে জেলবন্দি করা হলে অবশেষে তিনি বন্দি থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে যে নেহেরুর ষড়যন্ত্রে নিহত হতে হয় নি,... এ কথাও গ্যারান্টি দিয়ে কা

2 comments:

  1. কারও পক্ষে বলা সম্ভব নয়।
    গতবছর, ৬ জুলাই এই দিনেই লৌহপুরুষ ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ১১৪তম জন্মদিবস উপলক্ষে তাঁকে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছেন যে, এখনও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ই সমগ্র দেশের প্রেরণা। ওই দিন নরেন্দ্র মোদী তাঁর সম্পর্কে বলতে গিয়ে তিনি আরও বলেন যে, "দেশের প্রতি ওঁর অবদান অমূল্য। মানুষের সেবা করাই ছিল শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের লক্ষ্য। তিনি সব সময় যুবসমাজকে উপযুক্ত শিক্ষাদীক্ষা দেওয়ার কথা বলতেন। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ বাস্তবায়নে আমাদের কাজ করে যেতে হবে”।
    না,.... উপযুক্ত কথাই বলেছেন মোদীজী।
    পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্ব সত্যিই আজ গভীর সংকটের মুখে। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন ডঃ শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের ধর্মীয় মৌলবাদ প্রসূত রাজনৈতিক বিছিন্নতাবাদের নাগপাশ থেকে উদারবাদী, বহুত্ত্ববাদী ও নবজাগরণের আলোকে আলোকিত জনগোষ্ঠীকে রক্ষা করতে যে পশ্চিমবঙ্গের জন্ম দিয়েছিলেন তার মৃত্যু আজ নিকটে। পশ্চিমবঙ্গে নারীর মান সম্মান ও মানুষের জীবন আজ বিপন্ন। নেই কোন উন্নয়ন, না আছে পরিষেবা। আছে শুধু অভাব আর হাহাকার।
    না এটা কোন ভোটের প্রচার নয়। এটা আপনার বাড়ির মা বোনের সম্মানের প্রশ্ন। আজ আপনিই ভাবুন আপনি রামমোহন বিদ্যাসাগরের বাংলা চান না ত্বহা সিদ্দিকী, নুরুর বরকতীর বাংলা চান। রামমোহন বিদ্যাসাগরের বাংলা চান তো কালবিলম্ব না করে দিকে দিকে সচেতনতা গড়ে তুলুন। আসুন শুরু করা যাক এক পবিত্র সংগ্রাম। ধর্মীয় মৌলবাদের নাগপাশ থেকে মুক্তির সংগ্রাম, বঙ্গীয় নবজাগরণের আলোকে একটি বহুত্ববাদী পশ্চিমবঙ্গের জন্য।
    পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্বের একটি প্রধান শর্ত অ–মুসলিম জনসংখ্যার প্রাধান্য। ১৯৩৭ থেকে ১৯৪৭ এই দশ বছর বাংলার মুসলমান গরিষ্ঠ জোট সরকারের শাসনের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও তিরিশ বছরে একের পর এক দাঙ্গা ও নোয়াখালীর বিভীষিকাময় গণহত্যা বাঙালী হিন্দুকে পাকিস্তানে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে নিরুৎসাহী করে দেয়। মনে রাখতে হবে পশ্চিমবঙ্গ কোন হিন্দু ধর্মীয় রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে অ–মুসলিমপ্রধান রাজ্য হতে চায় নি, চেয়েছে একটি ধর্মনিরপেক্ষ বহুত্ববাদী গণতান্ত্রিক দেশের অংশ হতে। এই চাওয়াটি যে যথেষ্ট সঙ্গত হয়েছিল তা আমাদের প্রতিবেশী ও বিশ্বের মুসলমান প্রধান দেশগুলির উদাহরণ দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যায়।
    পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্বের দ্বিতীয় প্রধান শর্ত – অমুসলমান বাঙালি জনগোষ্ঠীর মুক্ত চিন্তার সমাজ যা ইসলামি শাসনে বাংলায় লুপ্ত হয়েছিল। আজ আবার ইমামদের পশ্চিম বাংলার মঞ্চে মঞ্চে শাসক দলের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ১৯৪৬-এর বাংলার মত উগ্র বিচরণ, মাদ্রাসা শিক্ষার রমরমা, দেগঙ্গা ক্যানিঙয়ে হিন্দু জনগোষ্ঠীর উপর ভয়ংকর আক্রমণ, কামদুনি কাটোয়া সহ বিভিন্ন স্থানে হিন্দু নারীদের ধর্ষণ – পশ্চিমবঙ্গকে আবার ১৯৪৬-এ ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অমুসলমান বাঙালি জনগোষ্ঠীর মুক্ত চিন্তার সমাজ আজ হাঁটু গেড়ে মেনে নিচ্ছে তসলিমা নাসরিন কে বিতাড়িত করবার ইসলামি ফতোয়া।
    পশ্চিমবঙ্গ মুসলমান-প্রধান হয়ে গেলে পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্বেরই কোন প্রয়োজন থাকে না। যেমন কমুনিস্ট শাসন উঠে গেলে পূর্ব জার্মানির অস্তিত্বের আর প্রয়োজন থাকেনি বা কমুনিস্ট শাসন উঠে গেলে দুই কোরিয়া এক হয়ে যাবে একদিনেই। মুসলিম-প্রধান রাজ্য হলে কি হয় তার কিছু দেশীয় নিদর্শন আমাদের হাতের কাছেই আছে। মুসলমান-প্রধান পাকিস্তান থেকে প্রায় সব হিন্দুই বিতাড়িত। মুসলমান-প্রধান পূর্ব পাকিস্তান / বাংলাদেশ হিন্দু জনসংখ্যা ৩০ শতাংশ থেকে কমে ৯ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। ভারতে মুসলমান-প্রধান কাশ্মীর উপত্যকা থেকে সব হিন্দু বিতাড়িত।
    এমত অবস্থায় এগিয়ে এসেছেন, এই বাঙলারই হিন্দুত্ববাদী মোদী-শাহ ভাবপরম্পরার প্রতি শ্রদ্ধাশীল কিছু অকুতোভয় মানুষ......। জেহাদি আগ্রাসনের হাত থেকে এই বাংলার তথা সারা দেশের মাটিকে রক্ষা করার শপথ নিয়ে শ্রদ্ধেয় হিন্দুবীর স্বর্গত শ্রী শ্যামাপ্রসাদের পথকে পাথেয় করে 'প্রতিবাদ- প্রতিরোধ ও প্রতিশোধ'এর লক্ষে আজ ৬ই জুলাই উত্তম মঞ্চ থেকে, ঘোষিত হতে চলেছে তারই পঞ্চজন্য ....
    আর তার একমাত্র উদ্দেশ্য হোলো, নরেন্দ্র মোদির হাত শক্ত করা, এবং দেশবিরোধী কিছু বিদেশীশক্তি যে ভাবে মোদীজীর স্বার্থের পরিপন্থী কাজ করে চলেছেন, সর্বান্তকরণে তার বিরোধিতা করা। আর সেই কারনেই এই কাজের প্রথম পদক্ষেপ হল মোদীজীর নেতৃত্বে বঙ্গ- বিজেপির উত্থান ও দ্বিতীয় পদক্ষেপ হল টি এম সি মুক্ত বাংলা । এবং তৃতীয়ত অবশ্যই এর সঙ্গে জুড়ে যাওয়া প্রসঙ্গ, ১৯৪৭’র ২০শে জুন তৈরি হওয়া ভারতীয় অঙ্গরাজ্য ও বাঙালী হিন্দুর শেষ ঠিকানা পশ্চিমবঙ্গ স্থাপনার

    ReplyDelete
  2. মুখ্য উদ্দেশ্যগুলি মাথায় রেখে ভবিষ্যতের কর্মপন্থা নির্ধারণ করা।
    এ সব কারনেই তাই আজ তৈরি হতে চলেছে, ভারতীয় জনতা পার্টির ফেলে আসা অতীত কর্মপদ্ধতি ও আদর্শকে অন্তরে রেখে, এক মাত্র সর্বভারতীয় নেতা হিন্দুহৃদয়সম্রাট শ্রী দামোদর ভাই নরেন্দ্র মোদীর কঠোর ও বজ্র কঠিন আদর্শে অনুপ্রানিত .........."মোদীমঞ্চ".........
    ..... কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অধ্যাপক শ্রী মোহিত রায় এবং ডঃ দীনেশ চন্দ্র সিংহ।

    ReplyDelete