ব্রেকিং নিউজ!
-মহাভারতের অশ্বত্থামা এখনও বেঁচে আছেন-
------------------------------
------------------
অর্জুন দ্বারা কর্ণ এর মৃত্যুর পরে দুর্যোধন অশ্বত্থামাকে সেনাপতি নিয়োগ করেন। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ এ যখন দুর্যোধন সহ কৌরবদের সবাই মারা যায় তখন শেষ সময় এ এসে অশ্বত্থামা দুর্যোধনকে বলেন কি করলে দুর্যোধন মৃত্যু কালে খুশিতে মৃত্যু বরণ করতে পারবেন। আর তার উত্তরে দুর্যোধন বলেন তিনি পাণ্ডবদের বংশকে নিঃচিহ্ন করে দেখতে চান। তার মিত্রের কথা রক্ষার জন্য অশ্বত্থামা সাথে সাথে পাণ্ডবদের শিবিরে গমন করেন। আর প্রথমে ধৃষ্টদ্যুম্ন কে দেখা মাত্র তাকে হত্যা করেন। তারপরে অশ্বত্থামা দ্রৌপদীর পুত্রদের, শিখণ্ডী ও অন্যান্য পাণ্ডব বীরদের হত্যা করেন। উল্লেখ্য, এই সময় পঞ্চপাণ্ডব, কৃষ্ণ গঙ্গাতীরে অবস্থান করছিলেন। তারপরে অশ্বত্থামা ব্রহ্মশির অস্ত্র প্রয়োগ করলে সেটা গিয়ে উত্তরার গর্ভে থাকে সন্তান এর উপর গিয়ে পড়ে। অশ্বত্থামা এর এইরুপ কাজ থেকে শ্রীকৃষ্ণ তাকে এইরুপ অভিশাপ দেন যে কখনো অশ্বত্থামার মৃত্যু হবে না। অশ্বত্থামা চাইলেও কোনদিন মৃত্যুবরণ করতে পারবেন না। আজীবন অমর থাকবেন। ............................................. ................................................
প্রায় ৫ হাজার বছর বয়সী এক বুড়োর বাস উত্তরপ্রদেশের মন্দিরে। শুনলেই এক কথায় যে কেউ নাকচ করে দিতে পারেন এ কথা। কিন্তু এ কথা সত্যি প্রমাণ করতে জি নিউজের এক বিশেষ দল পাড়ি জমিয়েছিল ইউপি-র লিলোথিনাথ মন্দিরে। পাশাপাশি অভিযান চালানো হয় শিবরাজপুর ও খেরেশ্বর মন্দিরেও। প্রতিটি মন্দিরেই ভক্তেরা সাফ জানিয়েছে দিয়েছেন, হ্যাঁ, এই মন্দিরগুলিতেও খোঁজ মেলে তাঁর। অর্থাৎ, পাঁচ হাজার বছরের বুড়ো মানুষটির। মানুষ, নাকি তিনি লেজেন্ড? তাঁর কথা শুনলেই দু হার জোড় করে প্রণাম করেন তামাম ইউপির মানুষ।
এই বুড়ো আসলে মহাভারতের অশ্বত্থামা। স্থানীয় প্রতিটি মন্দিরে তিনি রোজ সকালে পুজো দেন। ঈশ্বরকে জল-মিষ্টি খাওয়ান। প্রতিদিন এই উপাচার পালন করেন তিনি। এমনকী, মন্দিরের দরজা বন্ধ থাকলেও এই বুড়ো ভক্তের নিয়মের লঙ্ঘণ হয় না। জি নিউজের সাংবাদিকেরা স্থানীয় ডাক্তার, শিক্ষক, পূজারিদের সঙ্গে কথা বলে এই তথ্য জানতে পেরেছেন।
No comments:
Post a Comment