Saturday, 3 October 2015

পাপাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে স্পেশাল পোস্ট।সবাই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন

**পাপাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে স্পেশাল পোস্ট।সবাই শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন** ১৯২১ সালে দক্ষিণ ভারতে ভয়াবহ হিন্দুনিধন দাঙ্গা শুরু হয়।এই দাঙ্গা মপলা বিদ্রোহ নামে পরিচিত।মূলত এই দাঙ্গার মধ্য দিয়ে ব্রিটিশ ভারতে হিন্দু-মুসলিম বিভেদ ভয়াবহ আকার ধারণ করে।হিন্দু বিরোধী এই মপলা বিদ্রোহের বর্ণনা দিতে গিয়ে ইতিহাসবিদ বেনিঙ্গা লিখেছেন,"...কূপগুলো হিন্দুদের ছিন্নভিন্ন লাশে ভরে যায়;অন্তসত্ত্বাহিন্দু নারীদের পেট চিরে ভ্রূণ বের করে আগুনে পুড়িয়ে দেয় জিহাদীরা;শিশুদেরকে তাদের মায়ের কোল থেকে ছিনিয়ে নিয়ে হত্যা করা হয়;ছেলের সামনে মাকে ও পিতার সামনে মেয়েকে গণধর্ষণ করা হয়।হিন্দুদের লক্ষাধিক বাড়িঘর ধ্বংস সহ একশত এর অধিক মন্দির ধ্বংস ও অপবিত্র করা হয়।মন্দিরে গো হত্যা করা হয় এবং গরুর নাড়ীভুড়ি দেবমূর্তির গলায় ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।" রবিনসন উল্লেখ করেছেন,মুসলমানদের এই বিদ্রোহে আনুমানিক ৫০ হাজার হিন্দু নিহত হন। এই বর্বর ঘটনার পর তথাকথিত 'মহাত্মা' আসলে পাপত্মা গান্ধী বলেন,"আমি কলকাতায় ছিলাম।খবর পেলাম খোদাভীরু মুসলিম বিদ্রোহীদের হাতে কয়েকজন হিন্দু মারা গেছে।আমি মনে করি না এই সামান্য ঘটনায় হিন্দু- মুসলিম ঐক্য বিনষ্ট হবে।" এসব ঘটনা বিবেচনা করেই নাথুরামজী এই বন্দুকটির সদ্ব্যবহার করেছিলেন।আর তারপর আদালতে দিয়েছিলেন এক বীরোচিত জবানবন্দি যা আজও আমাদের প্রতিটি হিন্দুকে উদ্বুদ্ধ করে।সেই জবানবন্দির একটি চুম্বক অংশ- "আমি বলতে চাই যে,আমি এমন এক ব্যক্তির প্রতি গুলিবর্ষণ করেছি যার নীতি ও কার্যকলাপ কোটি-কোটি হিন্দুর দুঃখ-দুর্দশা ও ধ্বংস ডেকে এনেছে।দেশে এমন কোন আইন নেই যার আওতায় এমন এক অপরাধীর বিচার হতে পারে।তাই আমি নিজেই তার প্রতি মৃত্যুবাণ নিক্ষেপ করেছি।" শুনলাম গান্ধীর বধকারী নথুরাম গডসেজীর ভাস্কর্য বসানো হবে।শুধু ভাস্কর্য নয়,নথুরামজীকে মরণোত্তর ভারতরত্ন দেওয়া উচিত। ‪#হরহরমহাদেব‬ হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।। আমরা সত্য বলতে বিন্দু পরিমাণ কাউকে পরোয়া করি না। ‪#RSS‬

No comments:

Post a Comment