Tuesday, 7 June 2016

আল্লার ওয়াদা এবং এক (ঢাকাইয়া) অমুসলিমের ইসলাম গ্রহনের শর্ত :

Uttam Kumar Das আল্লার ওয়াদা এবং এক (ঢাকাইয়া) অমুসলিমের ইসলাম গ্রহনের শর্ত : কোরানে আল্লা ওয়াদা করে বলেছে যে, ইসলাম গ্রহন করলে বেহেশতে যা চাওয়া হবে তাই পাওয়া যাবে (কোরান ৭৬/১৪-১৯)। তাহলে আমি যদি বেহেশতে যাইয়া আয়েশাকে চাই, আল্লা কি তা আমারে দিবো ? মুহম্মদ আবার ক্ষেপবো না তো ? কারণ, মুহম্মদ নামের এই ছোটলোকটার প্রতি আমার কোনো বিশ্বাস নাই। সে নিজে প্রায় পার্ট টাইম+ফুল টাইম, প্রায় ২ ডজন (১) বিয়া কইরা অন্যদের বলে ৪টার বেশি বিয়া করতে পারবা না । আর এখন বাস্তব যা অবস্থা তাতে ১টার বেশি বিয়া করাই যাইতেছে না। আবার মুহম্মদ কইছে, দাসীদের সাথে সেক্স করতে পারবা (কোরান- 4/24)। কিন্তু বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, ঐদিকে নজর দিলে বাসাত থিকা বউ রাস্তায় বাইর কইরা দিবো। এমন কি বউ পোলা মিল্যা খুনও কইরা ফেলবার পারে। তাই আল্লার কাছে আমার আরজ, আয়েশারে যদি আমাকে দ্যান, তাইলে ইসলামে ঈমান আনবার চিন্তা-ভাবনা করবার পারি। কারণ, এই মহিলাডার জন্য আমার দরদ আছে। সে ৯ বছর বয়সে (বুখারি, ৫/৮/২৩৬) ৩০ জন পুরুষের সেক্সপাওয়ারআলা (বুখারি, ১/৫/২৬৮) মুহম্মদের দ্বারা ধর্ষিতা হইছে। এরপর যখন তার যৌবন দেখা দিতে শুরু করেছে তখন মুহম্মদ ১১ টারে ঠিকমতো সময় দেওয়ায় আয়েশা ভাগে কম পাইছে (বুখারি, ১/৫/২৬৮) । আর যখন তার পূর্ণ যৌবন মানে ১৮ বছর বয়স (বুখারি, ৫/৫৮/২৩৬), তখন মুহম্মদ পটল তুলছে। তার আগে এই ছোটলোকটা আয়াত নামাইয়া আয়েশা সহ তার অন্য সতীনদের বিয়া ব্যান কইরা গেছে (কোরান-33/53)। এজন্যি আয়েশার লাগি আমার পরাণ কান্দে। দুনিয়ায় হে তো কোনো সুখ পায় নাই। বেহেশতে গিয়া যদি তারে এট্টু সুখ দিতে পারি। আমি কথা দিতাছি আয়েশারে পাইলে আমি আর অন্য কোনো হুর নিমুনা। পুরা সময় আমি আয়েশারেই দিমু। কারণ, আমি তো আর মুহম্মদ না, যে নিজের ভালোবাসা ১৩টারে ভাগ কইরা দিমু (বুখারি, ১/৫/২৬৮), আর কানিকটা রাখমু দাসীগুলার জন্য ! আমার ক্যারাক্টার এত খারাপ না। জয় হিন্দ। উপরে যেসব রেফারেন্স দিয়েছি, সেগুলো দেখে নিন নিচে : (১)মুহম্মদ এনসাইক্লোপিডিয়া, সিরাহ ফাউন্ডেশন, লল্ডন, ভলিউম ২, পৃষ্ঠা-২০৫ = মুহম্মদের ২২ জন স্ত্রীর মধ্যে ৪ জন রক্ষিতা ছিলো, আরো ৭ জনের সাথে বিয়ের কথাবার্তা হলেও বিয়ে হয় নি। কোরান- ৪/২৪ = সে সব মহিলাও তোমাদের প্রতি হারাম যারা কারো বিবাহাধীন রয়েছে, অবশ্য সে সব স্ত্রী লোক এর বাইরে, যারা যুদ্ধে তোমাদের হস্তগত হবে। এখানে, যারা যুদ্ধে তোমাদের হস্তগত হবে- এর মানে হচ্ছে, যুদ্ধ থেকে ধরে আনা মহিলা, যারা ইসলামে গনিমতে মাল হিসেবে পরিচিত। বন্দী হওয়ার পর এরা ক্রীতদাস হিসেবে পরিচিতি পেতো, ধর্ষণ শেষে এদেরকে বাজারে বিক্রি করে দেওয়া হতো। মুহম্মদ ও তার আল্লা এটা জানতো না যে, পৃথিবীতে এক সময় দাস প্রথা থাকবে না, আর ইসলামের বিধান মেনে আইএস মতো যদি কেউ দাস ব্যবসা শুরু করে তাহলেও তারা যে শুধু যথেষ্ট সমালোচিত হবে তাই নয়, তাদেরকে কোনো দেশ সমর্থনও করবে না। সভ্যতার উন্নতির সাথে সাথে পৃথিবী থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত হয়েছে, কিন্তু এই ক্রীতদাস প্রথার পরিবর্তিত রূপ শ্রমদাস প্রথা এখন চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে। এই শ্রমদাস প্রথায় যেসব মেয়ে বাসা-বাড়িতে কাজ করে তাদের বলে দাসী। দাসী যেহেতু ক্রীতাদাসীরই নব্যরূপ এবং ইসলামে যেহেতু্ ক্রীতদাসীর সাথে সেক্স করা জায়েজ, তাই বর্তমানের গৃহদাসীদের সাথেও সেক্স করা জায়েজ বলে মুসলিমরা মনে করে। সৌদি আরব সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে যেসব মেয়ে বাসার কাজের জন্য গিয়েছিলো, পার্সোনালি তাদের কাছ থেকে শুনে দেখবেন, কিভাবে তারা পিতা-পুত্রের হাতে রাত দিন ধর্ষিতা হয়েছে। এই আক্ষেপ থেকেই এক মেয়ে বলেছিলো, আমরা হই দাসী, আর ওরা ভাবে যৌনদাসী। এই ভাবনা আসলে ওদের নয়, ইসলামের। বুখারি, ১/৫/২৬৮ = মুহম্মদের ছিলো ৩০ পুরুষের যৌনশক্তি। বুখারি, ৫/৮/২৩৬ = নবীজী আয়েশাকে ছয় বছর বয়সে বিয়ে করেন এবং নয় বছর বয়সে মিলনের মাধ্যমে বিয়ের পূর্ণতা আনেন।

1 comment:

  1. সহি বুখারি, ৫/৫৮/২৩৬ = আয়েশা (রাঃ) বর্ণনা করেছেন যে রাসুলুল্লাহ (দঃ) যখন তাকে বিয়ে করেন, তখন তার বয়স ছিল ছয় বছর, এবং বউ হয়ে তিনি যখন তার (রাসুলের) ঘরে যান তখন তার বয়স ছিল নয় বছর, এবং তার পুতুলগুলি তার সাথে ছিল; এবং যখন তিনি (রাসুল) ইন্তেকাল করেন তখন তার বয়স ছিল আঠার বছর।
    কোরান-33/53 = নবীর অবর্তমানে তার স্ত্রীদেরকে বিয়ে করা তোমাদের জন্য জায়েজ নয়।
    বুখারি, ১/৫/২৬৮ = মনবীজী দিনে এবং রাতে পর্যায়ক্রমে ১১ জন বিবির সাথে সংগম করতেন।
    কোরান ৭৬/১৪-১৯ = বেহেশ্‌তে থাকবে বৃক্ষছায়া ও যাবতীয় ফলমুল, যা চাইবে তাই পরিবেশন করা হবে রৌপ্য-স্ফটিকের পাত্রে; আরও পান করতে দেওয়া হবে যাঞ্জাবিলের মিশ্রিত সালসা এবং সালসাবীল নামে এক ঝর্ণা; তাদের কাছে ঘুরাফেরা করিবে বিক্ষিপ্ত মুক্তার ন্যায় চির কিশোর বালকগণ (গেলমান)।

    ReplyDelete