হিন্দুধর্ম বিশ্বের অন্যতম
প্রাচীন ধর্ম তবে
হিন্দু নামটি আধুনিকালের
দেওয়া। এর প্রাচীন নাম
হল সনাতন ধর্ম । আবার এই ধর্ম
বৈদিক ধর্ম নামেও
পরিচিত। এই ধর্ম বেদ এর উপর
ভিত্তি করে
গড়ে উঠেছিল। এ ধর্মত্ত্বের মূল
কথা হল
ঈশ্বরের অস্তিত্বেই সকল কিছুর
অস্তিত্ব এবং
সকল কিছুর মূলেই স্বয়ং ঈশ্বর ।
খ্রীস্টপূর্ব
৫৫০০-২৬০০ অব্দের দিকে যখন
কিনা হাপ্পান যুগ
ছিল ঠিক সেই সময়ই এ ধর্মের
গোড়ার দিক।
অনেকের মতে খ্রীস্টপূর্ব
১৫০০-৫০০
অব্দ । কিন্তু ইতিহাস
বিশ্লেষকদের মতে আর্য
(বা Aryan ) জাতিগোষ্ঠি
ইউরোপের মধ্য
দিয়ে ইরান হয়ে ভারতে
প্রবেশ করে
খ্রীস্টপূর্ব ৩০০০-২৫০০ অব্দের
মধ্যে, তারাই
ভারতে বেদ চর্চা করতে
থাকে এবং তারা সমগ্র
ভারতে তা ছড়িয়ে দেয়।
আর্য জাতিগোষ্ঠিরা অনেক
নিয়ম কানুন মেনে
চলত। তারা চারটি সম্প্রদায়ে
বিভক্ত ছিল এরা হলঃ
ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শুদ্র
। এই
সম্প্রদায়গুলো তৈরি করার
অন্যতম কারণ হল কাজ
ভাগ করে নেওয়া অর্থাৎ এক
এক সম্প্রদায় এর
লোক এক এক ধরনের কাজ
করবে।
অনেকের মতে হিন্দু শব্দটি
আর্যদেরকে
আফগানিস্তানের বাসিন্দা
বা আফগানেরা দিয়েছে
তারা সিন্ধু নদের তীরবর্তী
সনাতন ধর্মের সাধু
সন্ন্যাসিদেরকে হিন্দু বলত,
আর এই ভাবেই হিন্দু
নামটি এসেছে। এই সনাতন
ধর্মের সাধু
সন্ন্যাসিরাই বেদ শ্রুতিবদ্ধ
করেন অর্থাৎ
ধ্যানের মাধ্যমে বেদ আয়ত্ব
করেন। বেদ
কোন একজন সাধু বা সন্ন্যাসীর
লব্ধকৃত নয়,
বেদ হল বহু সাধু সন্ন্যাসীদের
লব্ধকৃত এক
মহান শ্রুতিবদ্ধ গ্রন্থ যা প্রথম
অবস্থায় সবার মনে
মনে ছিল পরে তাকে
লিপিবদ্ধ করা হয়। বেদ
এই লিঙ্কটির মাধ্যমে বেদ
সম্পর্কে আরো
জানতে পারবেন। তখন কার
যুগে এই বেদের
আধিপত্য ছিল ব্যাপক, অর্থাৎ
সমাজের সকল কাজ
বেদের মাধ্যমে চলত কারণ
বেদে সমাজ
চালানো, চিকিৎসা করা,
গণনা করা এমন সব উপাদানই
আছে। এই কারনে তখনকার
সভ্যতাকে বলা হয়
বৈদিক সভ্যতা ।
এই বৈদিক সভ্যতায় অর্থাৎ ঐ
আমলে কোন মূর্তি
পূজা করা হত না। সেই সময়
হিন্দুদের প্রধান
দেবতা ছিলেন ইন্দ্র , বরুণ,
অগ্নি এবং সোম ।
তারা যজ্ঞের মাধ্যমে পূজিত
হত। তখনকার ঈশ্বর
আরাধনা হত যজ্ঞ এবং বেদ
পাঠের মাধ্যমে।
সকল কাজের আগে যজ্ঞ করা
ছিল বাঞ্ছনীয়।
সে আমলে কোন মূর্তি বা
মন্দির ছিল না। ধারনা
করা হয়ে থাকে যে খ্রীস্টপূর্ব
৫০০ থেকে
১০০ অব্দের মধ্যে রামায়ণ এবং
মহাভারত শ্রুতিবদ্ধ
হয়। বর্তমানে এই সমস্ত মহান ধর্ম
গ্রন্থগুলোর লিখিত রূপ হয়েছে।
এই রামায়ণ এবং
মহাভারতে লিপিবদ্ধ আছে
ধর
No comments:
Post a Comment