Monday, 6 July 2015

Netaji নেতাজিকে ভারত থেকে দূর করে দিয়ে তাঁকে মৃত প্রমাণ করতে শয়তান নেহেরুর কূটচাল

*****নেতাজিকে ভারত থেকে দূর করে দিয়ে তাঁকে মৃত প্রমাণ করতে শয়তান নেহেরুর কূটচাল***** নেতাজির মৃত্যুকে প্রতিষ্ঠিত সত্য রূপে প্রচার করতে চেয়েছিলেন নেহরু। কারণ বিবিধ।এমনকী তাঁর মৃত্যুর দু'দুটি ডেথ সার্টিফিকেটও তৈরি করা হয়েছিল।দ্বিতীয় সার্টিফিকেট লেখার জন্যে ডাক্তার তো ইনামও পেয়েছিলেন নেহেরুর থেকে! বিশিষ্ট নেতাজি গবেষক পূরবী রায় এই সময়ে এক সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেছেন।পূরবী রায় বলেছেন,নেহরুর অবদান নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ,সত্যি বলতে যথেষ্ট।প্রশ্ন হল,নেহরু কেন এমনটি করেছিলেন? উত্তরে বলা যেতে পারে যে,নেহরু নেতাজির মৃত্যুকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করতে চেয়েছিলেন এবং নথির প্রকাশ তাঁর এই প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করত।আমাদের কাছে প্রমাণ আছে যে,নেতাজি ১৮ অগস্ট ১৯৪৫ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি।তিনি চলে গিয়েছিলেন সোভিয়েত রাশিয়ায় আশ্রয়ের খোঁজে এবং আশ্রয় তাঁকে দেওয়াও হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বময় নেতা জোসেফ স্তালিন তাঁর অনুগামীদের প্রশ্ন করেছিলেন,'What shall we do with Chandra Bose,where shall we keep him?'সামরিক বাহিনীর আর্কাইভ থেকে প্রাপ্ত এই সংবাদটি প্রকাশ করেন আলেক্সজান্ডার কোলাসনিকভ,১৯৯৬ সালে।তিনি ছিলেন ওয়ারশ চুক্তি-র মেজর জেনারেল।অর্থাত্ এক দিকে আমরা পাচ্ছি এই প্রতিবেদন যা বিমান দুর্ঘটনার বিরুদ্ধে যায়,অন্য দিকে নেহরু উঠে পড়ে লেগেছিলেন নেতাজির মৃত্যু সংবাদ জনসমক্ষে প্রতিষ্ঠিত করতে।এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি দু'দুটি ডেথ রিপোর্ট-এর ব্যবস্থা করেন যার প্রথমটি দেওয়া হয়েছিল সন্ধ্যা সাতটায় আর দ্বিতীয়টি রাত সাড়ে বারোটায়।১৯৪৬ সালে,প্রথমটি জুলাই মাসে,দ্বিতীয়টি অক্টোবর মাসে। রহস্য উদঘাটনের জন্য যে সব কমিশন এখানে গঠিত হয়েছিল সেগুলোর ভিতর একমাত্র মুখার্জি কমিশন-ই বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর তত্ত্বটি খারিজ করে দিয়েছিল।এ বিষয়ে পূরবী রায় বলেন,মৃত্যুর ইতিহাসটি অস্বীকার করলেও মুখার্জি কমিশন ঠিক কী ঘটেছিল তা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি।কী করে বলবে?যেখানে ফাইল এবং নথি হাত আর বিচারের বাইরে?তবে এই কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মনোজকুমার মুখোপাধ্যায় জাপান থেকে ফেরার পর স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছিলেন যে বিমান দুর্ঘটনাটি একটি কল্পনাপ্রসূত আজগুবি ঘটনা যার কোনও সত্যতা নেই।যে দ্বিতীয় ডাক্তার নেতাজির ডেথ সার্টিফিকেট বানিয়েছিলেন এবং সই করেছিলেন তাঁর সঙ্গে মনোজবাবুর কথা হয় এবং এই ডাক্তারই স্বীকার করেন যে ডেথ সার্টিফিকেট লেখার জন্য তিনি ইনাম পান! সুভাষ বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুখার্জি কমিশন যখন কর্মরত তখন বিচারক মুখার্জি একটা বড়ো পার্সেল পেয়েছিলেন,যেটি এসেছিল ভারত ও রাশিয়ার মন্ত্রক এবং দু'দেশের দূতাবাসকে এড়িয়ে।আমি এবং আরও দু'জন গবেষক শোভনলাল দত্তগুপ্ত ও হরি বাসুদেবন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে রাশিয়া থেকে পাঠানো এই নথিগুলি পরীক্ষা করেছিলাম।এবং এই নথিগুলির ভিতর থেকে যে অবধারিত সত্যটি উঠে আসে,তা হল নেতাজি বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি। এই ছিল কংগ্রেসি শয়তান নেহেরুর আসল রূপ

No comments:

Post a Comment