বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে হুমায়ন আজাদের অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ
"পাক সার জমিন সাদ বাদ"-- পর্ব ২৩
------------------------------------------------------------
পর্ব যত বাড়ছে হিন্দুদের নারীদের উপর ইসলামি জিহাদের বর্বরতার কাহিনী ততই বাড়ছে। তাই পড়ুন, ইসলামি জিহাদ বিষয়ে আগাম সতর্ক হোন...
-----------------------------------------------------
দেশের দশটা জায়গা জুড়ে আজ ও আগামীকাল আমাদের কর্মকান্ড; একযোগে আমরা কাজ করবো দিনাজপুর, ঠকুরগাও, নারায়নগঞ্জ, ব্রাহ্মনবাড়িয়া,সিলেট, বরিশাল, ভোলা, মাইজাদি, লালমনিরহাট আর আমার মদিনাতুন্নবি অঞ্চলে- একসঙ্গে আমরা জিহাদ শুরু করবো।
আমাদের আজকের দিনটির নাম দিয়েছি আমরা ‘ওমর দিবস’, আগামী কালের নাম ‘আলি দিবস’। দুটি পবিত্র দিবস। ওমর দিবসে আমরা ভৈরবের নাম বদলে রাখব ‘ওমরপুর’, আলি দিবসে শ্যামাসিদ্ধির নাম বদলে রাখবো ‘আলিগঞ্জ’, বদলে দেবো সব কিছু।
দিবস দুটি আর জায়গা দুটির নাম আমার মাথা থেকে বেরোয় নি।
বেরিয়েছে আমার দুই-নম্বর জিহাদি মোঃ হাফিজুদ্দিনের মগজ থেকে; আমি ক্রমশ ওর থকে একটু একটু করে সাবধান হচ্ছি, খুনে আর নামকরনে ওর অলৌকিক প্রতিভা রয়েছে, যা আমাকে মুগ্ধ ও ভীত করে। ওর কোনো সম্ভবত জিনের সম্পর্ক আছে, যেটি খুবই শক্তিশালী, যেটি অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে। একদিন ও আমাদের ওসামা বিন লাদেন হয়ে উঠতে পারে, তখন ও আমাকে কানা মোল্লা উমর করে রাখবে না, আমাকে কফের বলে আমার মাথায় বুলেট ঢুকাবে।
আমাকে সাবধান হতে হবে।
আমি অবশ্য সাবধান, সাম্যবাদ ও সর্বহারা করে করে আমাকে সাবধান হতে হয়েছে; এখন জামাই জিহাদে ইছলাম করতে এসে আমাকে আরো সাবধান হতে হচ্ছে। হোলি টেরর আনহোলি টেররের থেকে ভয়ঙ্কর।
জিহাদি হাফিজুদ্দিনটা একটু বেতমিজ, মুখে চমৎকার চাপদাড়ি, স্বাস্থ্যটাও ভালো; একাই দু-তিনটি দোকান ভাঙতে পারে্ কয়েকটিতে আগুন লাগাতে পারে, গুলি চালাতে পারে, ‘আল্লহু আকবর’, ‘আলি জুলফিক্কার’ বলে ছুরি ঢোকাতে পারে; ফিরে এসে একটির পর একটি এক্স এক্স এক্স দেখতে পারে, সবই ইন্ডিয়ান ও বড়ো দুধ ওর পছন্দ, চাকরানিটাকে ডেকে এনে অর্যাল-ভ্যাজাইনাল করতে প্রে, তারপর উঠে গিয়েই মধুর স্বরে ওয়াজ করতে পারে, ফতোয়া দিতে পারে।
ও একটি সাংঘাতিক প্রতিভা,আমি তার প্রতিভায় মুগ্ধ ও সন্ত্রস্ত।
‘ওমর দিবস’ এ আমরা কি করবো, সেটা আমি আলোচনা করি।
আলোচনা করতে বাধ্য হই, মোঃ হাফিজুদ্দিনের সাথে- আগের সন্ধ্যায় মগরেবের নামাজটা সেরে, একটা এক্স এক্স এক্স দেখতে দেখতে একটু ব্ল্যাক লেবেল একটু সিভস রিগ্যাল খেতে খেতে। এই কাজটাও মোঃ হাফিজুদ্দিন পারে বেশ, আমাকে সহজেই ছাড়িয়ে যায়, ঢকঢক করে পানি ছাড়াই গিলে ফেলে, তখন ওকে অলৌকিক মনে হয়; ওর দাড়ি আর সুরমা মাখা চোখ দেখে এটা কেউ বুঝবে না, আমিই অনেক সময় বুঝতে পারিনা।
দাড়ি অবশ্য আমিও রেখেছি, তবে আমার দাড়িটা ওর দাড়ির মত কিছুতেই লম্বা হচ্ছে না, তাই মাঝে মাঝে আমি দাড়ীগুলো টানি; এটা আমাকে একটা হীনম্নন্যতা বোধ দেয়, কিন্তু এটা আমি ওকে বুঝতে দিই না।
No comments:
Post a Comment