Monday, 10 August 2015

বলো কি নন্দলাল ...??

মাকুতত্ত্ব ( ভারতের মার্ক্সবাদ ) অনুযায়ী ভারতের যে যে স্থানে জঙ্গীবাদ, বিচ্ছিন্নতাবাদ আন্দোলন চলছে, সেই স্থান গুলিকে স্বাধীনতা দিয়ে দেওয়া দরকার। তারমানে ... তারা পরাধীন! প্রথমত: একটা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরাধীন কথাটা যুক্তিযুক্ত নয়। দ্বিতীয়ত: জঙ্গীরা, বিচ্ছিনতাবাদীরাশুধু মাত্র নিজ ধর্মালম্বীদের বাসস্থান বানাতেই অন্য ধর্মালম্বীদের মেরে কেটে জন্মস্থান থেকে তাড়িয়ে দিলেও, তা জায়েজ বা বৈধ হয় কোন যুক্তিতে? যেহেতু কোন আন্দোলনই পারফেক্ট হয় না, ... তাই কি এই সুড়সুড়ি?? ঠিক আছে, ... তাই যদি হয়, তবে.... উপরোক্ত তত্ত্ব অনুযায়ী হিন্দুরাও ভারতে থেকে অন্য ধর্মালম্বীদের বিশেষ করে দ্বিতীয় সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের সেবকদের মেরে কেটে তাড়িয়ে দিতে পারে। ভারতের অস্তিত্ব ও নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার অধিকার তাদের রয়েছে। কারন অন্য ধর্মালম্বীরা সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে ভারত ভেঙে নতুন নতুন ধর্মীয় রাষ্ট্রের জন্ম দিতে চাইছে। ঠিক যেমনটা পূর্বেও হয়েছে। কারনটা খুব সোজা ভারত মাতাকে তারা জন্মভূমিই মনে করে না, তাই ভাগ করে আনন্দ পায়। তাই মাকুতত্ত্ব অনুযায়ীই... হিন্দুরা তাদের দেশমাতা, সভ্যতা, সংস্কৃতি রক্ষার্থেই বিধর্মী হত্যা, বিতাড়নের অধিকারী। কারন নাহলে তাদের স্বাধীনতা বিপন্ন, অস্তিত্ত্ব বিপন্ন! এরপর মাকুরা ভেবে দেখুক তারা কোন আগুন নিয়ে খেলছে, দাঙ্গা, রক্তপাত, অস্থিরতা কারা চাইছে! আসলেই ভারতবর্ষে সেকু-মাকুর মুখোশ ধারীরাই সাম্প্রদায়িকতাটাকে বেশি লালন করে। কিন্তু তারা যেহেতু সংখ্যালঘু থুরি দ্বিতীয় সংখ্যাগরীষ্ঠ ধর্মগোষ্ঠীকে উস্কানি দেয়, সেহেতু তারা সেকুলার হয়ে যায়। এদের এই সেকুলারিজম তত্ত্ব এমন একটা পর্যায়ে চলে গেছে, যে এরা এখনও পাকিস্থান বা বাংলাদেশকেও সংখ্যালঘুর দেশ হিসাবে দেখে। কৃতজ্ঞতাঃ সুমন মন্ডল....

No comments:

Post a Comment