Sunday, 16 August 2015

নবী মুহাম্মদের খৎনা কখন হয়, কেউ জানেন কি?

নবী মুহাম্মদের খৎনা কখন হয়, কেউ জানেন কি? চারটি প্রচলিত মত আছে। ১. মুহাম্মদের জন্মগত খত্না ছিল মুসানবি, দাঊদ, ইয়াকুবেরও নাকি জন্মগত খত্না ছিল। জন্মগত খত্না একটি জন্মগত ত্রুটি বলে প্যাগান সংস্কৃতিতে এটিকে অমঙ্গলের চিহ্ন হিসেবে বিবেচনা করা হত। ইহুদিরা অবশ্য একে মঙ্গল চিহ্ন মানে। ২. সম্ভবত, জন্মগত খত্নার বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য দ্বিতীয় মতের জন্ম হয় যে, মুহাম্মদের খত্না করেছিলেন ফেরেশতা জিবরাইল।( গাজাখুরি কথা) ৩. খত্না নিয়ে এই সন্দেহের বিষয়টিকে গ্রহণযোগ্য করার জন্য তৃতীয় একটি মতের জন্ম হয় এবং অনেক মুসলমানদের কাছে এটিই গ্রহণযোগ্য হয়ে ওঠে যে, উনারা পিতামহ আবদুল মুত্তালিব উনার খত্না করিয়েছিলে ন।(আরেকটি মিথ্যা) ৪. মুহাম্মদের খত্না হয়নি, এমনও একটি মত প্রচলিত আছে। পুরো ব্যাপারটাই ছিল নবির বানানো একটা ভুতুড়ে নিয়ন।যেটাকে বিশ্বাস করানোর জন্য নবির এত কায়দা। খত্নাকে মুসলিমরা আল্লাহর নিয়ম বলে বিশ্বাস করে।আল্লাহ কি ইসলামিস্টদের বানাতে কোন ভুল করলো নাকি??তাই ইসলামিস্টরা জন্মের পর সেই ভুল শুধরাচ্ছে।কোরানে আছে আল্লাহ মানুষ বানাতে ভুল করেনি।তাহলে এটা কি আল্লাহর ভুল নাকি মতিভ্রম??? পৃথিবীতে মোট জনসংখা প্রায় ৭২০ কোটি।তার মধ্যে ইসলামিস্ট রয়েছে ১৫৮ কোটি।বাকি রইলো ৫৬২ কোটি।এর মধ্যে কত কোটি পুরুষ তা আপনারাই বিবেচনা করুন। তাহলে বোঝা যাচ্ছে জনসং্খার ৪ ভাগ পুরুষের মধ্যে ১ ভাগ খত্নার মত বর্বর নিয়মটি পালন করে।বাকি ৩ ভাগ পুরুষের কি অসুবিধা হচ্ছে??নাকি তারা পিতা হতে পারছে না?? বিশ্বের বহু দেশেই এই নিয়মকে পাপ হিসিবে ধরা হয়। এই নিয়ম যদি আল্লাহর হত তাহলে কেন ইসলামিস্টদের খত্না করিয়ে পাঠালো না আল্লাহ?? নাকি আল্লাহর কাছে ধারালো কাচি ছিল না?? তাহলে কেন ভন্ড ইসলামিস্টরা আল্লাহর উপর আল্লাহগিরি করে??

No comments:

Post a Comment