Wednesday, 12 August 2015

মুম্বাইতে ভয়ংকর বিষ্ফোরন ঘটায় দাউদ ইব্রাহিম

মুম্বাইতে ভয়ংকর বিষ্ফোরন ঘটায় দাউদ ইব্রাহিম এবং তার দলবল ১৯৯৩সালের ১২ই মার্চ,শুক্রবার,,ঠিক তার এক সপ্তাহ পর আর এক জিহাদী, ততকালীন কমিউনিষ্ট সরকারের স্নেহ ধন্য সাট্টাবাজ রশিদ খান চেষ্টা করে কলকাতায় ঐ ধরনের বিষ্ফোরন ঘটাতে! কিন্তু বিধিবাম!আগেই অর্থাৎ ১৬ই মার্চ ঘটে যায় অঘটন, বিষ্ফোরনের প্রস্তুতি পর্বেই ভয়ানক বিষ্ফোরনে উড়ে যায় রশিদ খানের নিজের বৌবাজারের দুটি বাড়ি!!নাহলে আরও কতবড় সর্বনাশ হোতো কে জানে?? এই ঘটনায় শতাধিক নিহত হয়,, কিন্তু জ্যোতি বাবুর সরকার মাত্র ৬৯ জনের হিসাব দিয়েছিলেন,,এখন দেখা যাক কে এই রশিদ খান? কলকাতার বুকে সব সাট্টার ঠেকের পান্ডা ছিল এই রশিদ খান,তার a.c হোটেলে বিশ্রাম নিতে আসতেন ততকালীন বামফ্রন্ট নেতা,মন্ত্রীরা,,,যারা কলকাতা চেনেন,তারা নিশ্চই জানেন,এই বৌবাজার থেকে লালবাজারের দুরত্ব খুব ই কম,,,পুলিশের নাকের ডগায় বসে এই কুকর্ম চালাত সে,,,কিন্তু যার সমাজবিরোধী বাহিনী সরকার কে সাহায্য করে বিরধীদমনে, তার গায়ে হাত দেবার সাহস কার হবে? কত বড় ষড়যন্ত্র,বানানোহয়েছিল,অযোধ্যারবদলা নিতে,,সেই ফাইল আজ ও বন্ধ,,বামফ্রন্টচলে গিয়েও তো লাভ হয় নি,,মমতা ব্যানার্জীর সরকার তো জিহাদী পালনের সরকার,,তাই ফাইল বন্ধই আছে। রশিদ খান জেলে,মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে,,, তার ফাসির জন্য কেউ রাস্তায় নামে নি,,,অথচ হেতাল পারেখ হত্যা মামলায় দোষী ধনঞ্জয়ের ফাসির দাবীতে মুখ্যমন্ত্রীর স্ত্রী মীরা ভট্যাচার্য কিন্তু রাস্তায় মিছিল করেছেন, বর্তমান তৃনমূল সরকারের বদান্যতায় আজ ও ওই জিহাদীরা প্রবল বিক্রমে বিক্রম চালাচ্ছে,,,ইমামভাতা থেকে শুরু করে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, ওবিসি দের জন্য সংরক্ষন প্রায় পুরটাই ছিনিয়ে নিয়ে ওই জিহাদীদের মন রাখতে ব্যাস্ত মমতা ব্যানার্জীর সরকার।আজো পুলিশ অফিসার তাপস চৌধুরির খুনী মুন্না,,দাপট নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে!!!রশিদখানকে মুক্ত করাতেও মুখ্যমন্ত্রী অগ্রনী,,হয়তো এই রশিদ খান ই মুক্ত হয়ে পুনরায় এই সরকার গঠনে সাহায্য করবে বর্তমান সরকার কে,,,ঝাঁপিয়ে পরবে জাতীয়তা বাদী হিন্দুদের উপর,,,সময়ের প্রতিক্ষা................... Abonee Datta

No comments:

Post a Comment