১৯৭১-এ খুলনায় একটি জুট মিলের কর্মকর্তা ফেরদেৌসী প্রিয়ভাষিণী পাক সেনাবাহিনীর হাতে গণধর্ষণের শিকার হন। যুদ্ধ শেষ হলে এক মহানুভব মানুষ সারা জীবনের বন্ধুত্বের দায় গ্রহণ করলেন ফেরদেৌসীর জন্য। শুরু হলো পুনর্বার জীবনের পথ চলা। হয়তো পাক সেনার হাতে নির্যাতনের ক্ষত ভুলতেই ভাস্কর্য গড়ার মন দিলেন ফেরদেৌসী। তিনিই প্রথম সাহসিকা যিনি প্রকাশ্যে স্বীকার করলেন ’৭১-এ অত্যাচারিত হবার স্মৃতি। এই সাহস ভরসা দিল একাত্তরের অন্য বীরনারীদেরকে। মুখ খুলবার সাহস; তাদের প্রতি ঘটা অত্যাচারের কথা বলার সাহস। কাজেই বাঙলাদেশের প্রতিক্রিয়াশীলরা কোনদিনই পছন্দ করে নি ফেরদেৌসীকে। আর আজ এই শেষ জীবনে এসে আবার টেলিফোনে অকথ্য গালি শুনতে হয় এই ভাস্কর নারীকে- সাথে নগদ নগদ খুনের হুমকি।
একাত্তরের অত্যাচার আজো বয়ে বেড়ানো, এই শিল্পী মাকে কি আমরা রক্ষা করতে পারব?
(পশ্চিম বাঙলার সেক্যুলাররা এখন পাক বাহিনীর পক্ষে যত যুক্তি দেবার দিক! আরো যুক্তি সাজাক তারা ফেরদেৌসীর হুমকিদাতা বা নিলয় নীলের খুনীদের পক্ষে। আমি কাণ পেতে রই)
Courtesy: দোলেনিক্স রেজিয়া
http:// www.banglamail24 .com/news/2015/ 08/08/id /246017/
No comments:
Post a Comment