ফেসবুকে স্টেস্টাসের কারনে শহিদ পরিবারের ছেলে যখন জেলে তখন সংবিধান সাংঘোর্সিক খবর যা তুলে ধরলাম দৈনিক কালের কন্ঠ পত্রিকার একটি রিপোর্ট। সবাইকে পড়ার অনুরোধ করে মতামত দিতে বলছি।
'ধর্মনিরপেক্ষতাবলতে কোনো
কল্যাণমূলক মতবাদ পৃথিবীতে নেই।
ধর্মনিরপেক্ষতা ধর্মহীনতার নামান্তর।
ধর্মকে ধ্বংস করার কৌশল হিসেবে
রচিত একটি অপতন্ত্র। এটি ইসলামী ধর্ম
বিশ্বাসের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।' আলিম
(একাদশ) শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য
রচিত 'ইসলামী পৌরনীতি' বইয়ের
৩৮৭ নম্বর পৃষ্ঠায় লেখা অনুচ্ছেদের
একাংশে বলা হয়েছে এসব কথা।
মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের সর্বশেষ
সিলেবাস অনুযায়ী আল-বারাকা
প্রকাশনী বইটি প্রকাশ করেছে। এতে
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড,
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক
বোর্ডের (এনসিটিবি) অনুমোদনের
সিলও আছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ
প্রতিবেদনেই মাদ্রাসা শিক্ষায়
ধর্মান্ধতা ও উগ্রবাদের বীজ বপনের এই
চিত্র ফুটে উঠেছে। গত বছরের ১৫ মে
ফাউন্ডেশন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এ-
সংক্রান্ত প্রতিবেদন জমা দেয়।
বিশেষজ্ঞ আলেম, মুফতি, মুফাসসির ও
মুহাদ্দিস সমন্বয়ে গঠিত ২১ সদস্যের
কমিটি প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।
ইসলামিয়া কুতুবখানা রচিত আলিম
শ্রেণির 'ইসলামী পৌরনীতি' বইয়ের
৩৬২ নম্বর পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে 'মানব
রচিত বাতিল ব্যবস্থাকে উৎখাতের
চেষ্টার নামই হলো ইসলামী আন্দোলন।
এই আন্দোলন সকল নবী-রাসূলের
আন্দোলন।' পর্যালোচনা কমিটি মনে
করছে, এসব লেখায় শিক্ষার্থীদের
মধ্যে ইসলামের বিষয়ে যুদ্ধ বা
জিহাদের মনোভাব জাগ্রত করার
চেষ্টা করা হয়েছে।
এভাবে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড ও
এনসিটিবির অনুমোদিত বেশির ভাগ
বইয়ে জামায়াতের দর্শন, মওদুদীবাদ ও
ইসলামপন্থী উগ্রবাদ বিস্তারের
চেষ্টা করা হয়েছে সুকৌশলে। বছরের
পর বছর এ চেষ্টা সফল হয়েছে সবার
অগোচরে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে
পড়েছে ইসলামি উগ্রবাদ। ইসলামিক
ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে
জামায়াতি ও মওদুদী দর্শনযুক্ত বই
অবিলম্বে বাজার থেকে প্রত্যাহারসহ
সাত দফা সুপারিশ করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, শিক্ষায়
জঙ্গিবাদের আগ্রাসনের কারণেই
সরকার ও প্রশাসনের ব্যাপক তৎপরতার
মধ্যেও উগ্রবাদী জঙ্গিগোষ্ঠীর কর্মী-
সমর্থক বাড়ছে। মেধাবী তরুণরাই এখন
জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে।
সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশ ও র্যাবের
গোয়েন্দারের অভিযানে যেসব জঙ্গি
ধরা পড়ছে, তাদের বেশির ভাগই
মেধাবী ছাত্র।
আবার জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও
প্রতিকারের জন্য মসজিদের ইমামদের
প্রশিক্ষণ দিয়ে সচেতনতার কাজে
উদ্বুদ্ধ করছে সরকার। জঙ্গিবাদ বিষয়ে
দেশব্যাপী সচেতনতা তৈরিতে দুটি
আলাদা কমিটিও আছে। কালের
কণ্ঠের অনুসন্ধানে দেখা গেছে,
প্রশিক্ষণ ও ভাতা নিলেও বেশির ভাগ
ইমাম জঙ্গিবাদ বিষয়ে সচেতনতামূলক
বয়ান (বক্তব্য) করছেন না। কিছু এলাকায়
ইমামদের বিরুদ্ধে উগ্রবাদী বক্তব্য
দেওয়ার অভিযোগও পাওয়া গেছে।
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকারে
গঠিত জাতীয় কমিটি স্থানীয়
পর্যায়েও কমিটি গঠন করে দিয়েছে।
তবে এসব কমিটি গঠনের মধ্যেই
সীমাবদ্ধ তাদের কার্যক্রম।
কালের কণ্ঠের অনুসন্ধানে দেখা
গেছে, জঙ্গিবাদের বিষয়ে
সচেতনতার জন্য কোনো ধরনের তথ্যই
অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি মাদ্রাসা
শিক্ষায়। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের
পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, শুধু উগ্রবাদ
প্রচার নয়, মাদ্রাসার পাঠ্য বইয়ে
মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে উপেক্ষা করে
ভুল ও আংশিক ইতিহাস লেখা হয়েছে।
এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের
মহাপরিচালক এবং জঙ্গিবাদ
প্রতিরোধ ও প্রতিকার কমিটির সদস্য
সামীম মোহাম্মদ আফজাল কালের
কণ্ঠকে বলেন, 'শিক্ষার নামে
কোমলমতি শিক্ষার্থীদের
জামায়াতি ও মওদুদী দর্শন পড়িয়ে
উগ্রবাদী করার যে চেষ্টা তার চিত্র
আমাদের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।
সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হলে
দেশ ও জাতি জঙ্গিবাদ থেকে রেহাই
পাবে। এ জন্য বেশ কিছু উদ্যোগও
নেওয়া হয়েছে। আমরা ধর্ম
মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে
কোথায় ত্রুটি আছে বের করতে পারি।
তবে বাস্তবায়ন করতে হবে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়সহ অন্যসব কর্তৃপক্ষকে।'
সূত্র জানায়, গত বছরের ৯ এপ্রিল
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে
তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী
আসাদুজ্জামান খান কামালের
সভাপতিত্বে জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ
এবং প্রতিকার কমিটির সভা হয়। তাতে
সিদ্ধান্ত হয়, কওমি ও আলিয়া
মাদ্রাসার যেসব পাঠ্যপুস্তকে ধর্ম অথবা
ইতিহাস বিকৃত করে তথ্য প্রকাশ করা
হয়েছে, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের
মহাপরিচালক সেগুলো
সুনির্দিষ্টভাবেস্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে
সুপারিশসহ জানাবেন। সে অনুযায়ী
আলিয়া মাদ্রাসার বেশির ভাগ
পাঠ্যপুস্তক ও গাইড বই পরীক্ষা-
নিরীক্ষার পর গত বছরের ১৫ মে
ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মন্ত্রণালয়ে
প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। এতে বলা
হয়, জামায়াত-শিবিরেরছত্রছায়ায়
গড়ে ওঠা ১০টি প্রতিষ্ঠান বিতর্কিত
বইগুলো প্রকাশ করেছে। এগুলো হচ্ছে
আল-ফাতাহ পাবলিকেশন্স, আল-
বারাকা প্রকাশনী, পাঞ্জেরী
প্রকাশনী, কামিয়াব প্রকাশনী, আল
মদিনা প্রকাশনী, মিল্লাত প্রকাশনী,
ইমতেহান প্রকাশনী, ইসলামিয়া
কুতুবখানা, মাদ্রাসা লাইব্রেরি ও
আল-আরাফা প্রকাশনী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মাদ্রাসা
শিক্ষা বোর্ডের ভারপ্রাপ্ত
চেয়ারম্যান এ কে এম ছায়েফ উল্ল্যাহ
কালের কণ্ঠকে বলেন, 'ইসলামিক
ফাউন্ডেশনের প্রতিবেদনে আলিম
শ্রেণির যেসব বইয়ের কথা বলা হয়েছে,
সেগুলো বোর্ডের অনুমোদিত নয়। এসব
বইয়ের উগ্রবাদ ও জঙ্গিবাদ উসকে
দেওয়ার ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
আমাদের অবহিত করেছে। আমরা
খোঁজ
ReplyDeleteনিয়ে দেখেছি, প্রকাশকদের নাম-
ঠিকানাও সঠিক নয়। বইয়ে ব্যবহৃত
বোর্ডের অনুমোদনের সিলও ভুয়া। এসব
বইয়ের ব্যাপারে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে
সতর্ক করা হয়েছে। প্রয়োজনে
প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে আমরা
অভিযানও চালাব।'
বইগুলো এত দিন ধরে বাজারে আছে,
শিক্ষার্থীরা সেগুলো পড়ছে-
আপনারা এ ব্যাপারে জানতেন না? এ
প্রশ্নের জবাবে এ কে এম ছায়েফ
উল্ল্যাহ বলেন, অতীতে যাঁরা
বোর্ডের দায়িত্বে ছিলেন, তাঁরা
এসব খতিয়ে দেখেননি, তাই এগুলো
অতীতে ধরা পড়ে নাই।
পুলিশ ও র্যাবের হিসাবে দেখা
গেছে, গত পাঁচ বছরে রাজধানীতে
নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত
তাহরীরের সাড়ে সাত শতাধিক
কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে,
যাদের মধ্যে ৭০০ জনই ছিল কলেজ,
বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ছাত্র।
র্যাব ২৪০ জন হিযবুত তাহরীর সদস্যকে
আটক করে, যার মধ্যে ২১০ জনই ছাত্র ছিল।
জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলাটিম ও
হুজিসহ অন্য সংগঠনগুলোর আটক কর্মীদের
মধ্যে অর্ধেকই ছাত্র বলে জানিয়েছেন
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম
কমিশনার মনিরুল ইসলাম বলেন, 'এখন
মেধাবী ছাত্রদের টার্গেট করছে
জঙ্গিরা। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া
ছাত্ররা ধর্মীও অনুভূতির আবেগে
সহজেই জঙ্গিদের টোপ গিলছে। তারা
মেধাবী ও উচ্চ শিক্ষিত হলেও
ইসলামের ইতিহাস ও মর্ম সম্পর্কে সচেতন
নয়। তারা নিজেকে এই কাজে
নিয়োজিত করে সফল মনে করছে।'
বয়ানে নেই নজরদারি : রাজধানীর
তেজগাঁও এলাকার পশ্চিম
নাখালপাড়ার বেলাল মসজিদে জুমার
নামাজ পড়েন স্থানীয় বাসিন্দা
সিদ্দিকুর রহমান। বয়ানের ব্যাপারে
জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'এসব
নিয়ে ইমাম সাহেব সরাসরি কোনো
কথা বলেন না। উল্টো তাঁর সব বয়ানেই
'ইসলামের জন্য জিহাদ করতে হবে';
'ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র রুখতে হবে'
এমন কথা থাকে। তবে এ ব্যাপারে ওই
মসজিদের ইমাম আলহাজ আজিজুল হক
বলেন, 'জিহাদের ব্যাপারে উৎসাহ
জোগানোর মতো বক্তব্য দিই না।
জঙ্গিবাদ স্পর্শকাতর বিষয় বলে বয়ানে
আনতে সাহস পাই না আমি। এটা ঠিক,
জিহাদের ব্যাপারে অনেকেরই
পরিষ্কার ধারণা নাই। আমার সীমিত
জ্ঞানে বোঝানোর চেষ্টা করি।'
ইমাম হিসেবে কোনো প্রশিক্ষণ
পাননি বলেও জানান আজিজুল হক।
স্থানীয় মসজিদগুলোয় নজরদারি আছে
কি না, জানতে চাইলে তেজগাঁও
থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন,
'জঙ্গিবাদ বিষয়ে আমাদের নজরদারি
আছে সবখানেই। তবে প্রশিক্ষিত
ইমামরা কী বলছেন, সেটা তদারকির
দায়িত্ব আমাদের দেওয়া হয়নি।'
রাজধানীর আরো কিছু মসজিদ এবং
ঢাকার বাইরের মসজিদের মুসল্লি, ইমাম
ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে
পাওয়া গেছে একই রকম তথ্য।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের হিসাবমতে
(২০০৮), সারা দেশে মসজিদের সংখ্যা
দুই লাখ ৫০ হাজার ৩৯৯টি। এর মধ্যে
ঢাকা জেলায়ই আছে পাঁচ হাজার
৭৭৬টি। ২০০৯ সালে জঙ্গি প্রতিরোধ ও
প্রতিকারে কমিটি গঠনের পর
সচেতনতার বিষয়ে পর্যালোচনা করে
কমিটি। এতে দেখা গেছে, ইসলাম
ধর্মকে ব্যবহার করে, ভুল বুঝিয়ে মানুষের
ধর্মীয় অনুভূতিকে জাগ্রত করে জঙ্গি
সংগঠনগুলো তাদের সদস্য বৃদ্ধি করছে। ওই
সময়ই আলেম ও ধর্মীয় নেতাদের
মাধ্যমে সচেতনতার কাজ শুরুর চিন্তা
করা হয়। সূত্র জানায়, গত বছরের জুন পর্যন্ত
৮০ হাজার ৯৮৪ জন ইমামকে ৪৫ দিনের
নিয়মিত প্রশিক্ষণ দিয়েছে ইসলামিক
ফাউন্ডেশন। বিভিন্ন মেয়াদে আরো
৮৪ হাজার ৩০৩ জন ইমামকে প্রশিক্ষণ
দেওয়া হয়। একই কর্মসূচির আওতায় প্রায়
পাঁচ লাখ সচেতনতামূলক বই ও লিফলেট
বিতরণ করে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক
ও জাতীয় কমিটির সদস্য সামীম
মোহাম্মদ আফজাল বলেন, 'আমরা
ইমামদের ট্রেনিং দিয়ে দিচ্ছি। তবে
দেশের দুই লাখ ৬০ হাজার মসজিদে
কারা, কী বয়ান করছেন তা দেখা সম্ভব
হয় না। আলেমদের শিক্ষায় অনেক
ঘাটতি আছে। অনেকেই কোরআন-
হাদিসের আলোকে কথা বলেন না।
এসব কথিত আলেম গত দুই যুগ ধরে দেশের
জনগণকে অন্ধকারের দিকে নিয়ে
যাচ্ছেন। মাদ্রাসা শিক্ষার নামে
কোমলমতি সন্তানদের জামায়াত আর
জঙ্গি বানানোর চেষ্টা চলছিল।
আমরা এগুলো শনাক্ত করেছি। আমরা
জনগণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে পারি।
তবে এসব বিষয়ে ব্যবস্থা নেবে শিক্ষা
মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য
প্রশাসন।'
জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ এবং প্রতিকার
কমিটির স্থানীয় পর্যায়ের
কমিটিগুলো চলছে ইসলামিক
ফাউন্ডেশনেরই তত্ত্বাবধানে।
স্থানীয় পর্যায়ে সচেতনতার কাজ
পর্যবেক্ষণ করে ওই কমিটির প্রতি মাসে
কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রতিবেদন
পাঠানোর কথা রয়েছে। তবে প্রশিক্ষণ
ছাড়া সব কার্যক্রমই চলছে নামমাত্র। এ
বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের
পরিচালক (ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি)
মুহাম্মদ তাহের হোসেন কালের কণ্ঠকে
বলেন, 'প্রতিটি প্রশিক্ষণেই ইমামদের
সচেতনতার বিষয়ে বলা হয়। তারা
বয়ানে কোরআন-হাদিসের আলোকে
কিভাবে বলবেন, তা তাদের দেওয়া
বইয়ে লেখাও আছে।
এসব প্রশিক্ষণ
ReplyDeleteইমামদের সচেতন করে তুলেছে। তবে
তাঁরা কী বয়ান দিচ্ছেন, তা সব সময়
আমাদের পক্ষে মনিটরিং করা সম্ভব
নয়।' কমিটির বিষয়ে জানতে চাইলে
তিনি বলেন, 'সারা দেশে আমাদের
প্রতিনিধিরা কমিটির মাধ্যমে
রিপোর্ট পাঠায়। তবে সেটা নিয়মিত
ও পর্যাপ্ত তা বলব না। এটা লোকাল
প্রশাসনেরই দেখার কথা।'
এ বিষয়ে পুলিশ সদর দপ্তরের এক
শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে
বলেন, 'আমাদের প্রত্যেক জেলার
এসপিরা একটি নামমাত্র রিপোর্ট
দেন। তবে সেখানে সব তথ্য সন্তোষজনকই
থাকে। কারণ একটি থানার ২০-২৫ জন
পুলিশের পক্ষে গোটা এলাকার শত শত
মসজিদে নজরদারি করা সম্ভব নয়।
এখানে সিভিলের লোকজনের
সহায়তা নেই। তাই আমাদের লোকজনও
উদাসীন।' Kartik Krishna Roy