একজন নব হিন্দুকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিলো,তুমি কেন মুসলিম থেকে হিন্দু হলে?
( শ্রীমতী সারমিন আক্তারের একটি সুন্দর প্রতিবেদনঃ)
এই কথার উত্তরে সে বলেছিল, "ইসলাম মানেই অশান্তি আর হিংসার ধর্ম।" ওখানে একজন ঈশ্বর দেখেছে আর সে যা বলেছে তাই মেনে চলতে হবে নইলে তোমাকে মেরে ফেলা হবে,ওরা ইহকালের জন্য বাঁচে না সব সময় মরার পর কি করবে,কি ভাবে হুর পরী পাবে আর তাদের সাথে কি করবে এই সব ভাবে। ওরা ভগবানকে পেতে চায় না আমি ভগবানকে পেতে চাই আর মানব জীবনে প্রকৃত শান্তির সাথে বাঁচতে চাই। ছোটবেলায় ওরা আমার শিশ্নর আগা কেটে দিয়েছিল সেই যন্ত্রনায় আমি ছটপট করতে করতে অজ্ঞান হয়ে গেলাম, কিছু দিন পর ব্যাথা কমলেও আমার লিঙ্গের সেন্সিটিভিটি পেতাম না মনে হতো একটা নিশ্চল অঙ্গ।
কিছু দিন পর বড় হতে ওরা আমাকে কুরান হাদিস পড়াতে শুরু করলো আমার একদম ভালো লাগত না। নিজের মাতৃভাষা ছেড়ে এক দুবোধ্য ১৪০০ বছর আগের ভাষা আমি পড়তে চাইতাম না,ওরা আমাকে আল্লার ভয় দেখাতো। আমি ভাবতাম আল্লা কতো খারাপ অথচ পাশের হিন্দুদের দেখতাম তারা কি সুন্দর দেবতাদের আরাধনা করে,কি সুন্দর দেখতে সেই দেবতাদের,তারা কতো আনন্দ করে তাদের উৎসবে অথচ আমাদের যখন ঈদ আসত তখন বিকট গন্ধ মেখে নামাজ পড়তে হতো। এক মৌলবিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম ঈদের নামাজ এর মানে কি?? আমরা কেনই বা নামাজ পড়ব??? সে জানিয়ে ছিল কাফেরদের মানে অমুসলিমদের হত্যা করার শক্তি যেন আল্লা দেয় তার জন্য আমরা নামাজ পড়ি। সেই কথা শুনে আল্লাকে আমার একটা বিরাট রাক্ষস বলে মনে হয়েছিলো, অমুসলিমদের প্রতি যার কোনো দয়া নেই। একদিন আমার এক হিন্দু বন্ধু আমাকে একটা গীতা দিলো। গীতা পড়ে আমি অভিভূত হয়ে গেলাম,জীবনের সকল সমস্যার সমাধান রয়েছে এখানে আর রয়েছে সকলকে ভালোবাসার মন্ত্র। ভগবান বলে গেছেন আমার কাছে সকলে সমান এই কথাটা পড়ে আল্লার প্রতি আমার ঘৃণা চলে এলো।
তারপর যখন জানালাম জিহাদের কথা আর বুঝলাম সারা পৃথিবী জুড়ে মুসলিমরা কিভাবে জিহাদ করছে যেমন isis,তালিবান আর প্রত্যেক মুসলমানদের তাদের সমর্থন করাটা ইসলামিক কর্তব্য। হিংসা,হত্যা খুন আর নারীদের ভোগ্য পন্য হিসাবে ব্যবহার সবই দেখলাম ইসলামে। অথচ হিন্দু ধর্মে নারীদের দেবীর স্থান দেওয়া হয়েছে এই দেখে আমি ঠিক করলাম আমি ইসলাম ত্যাগ করে হিন্দু হবো। প্রকৃত শান্তির ধর্ম গ্রহণ করবো। তারা প্রচার করেনা,কিন্তু সনাতন ধর্ম হলো প্রকৃত শান্তির ধর্ম।"
এই দুনিয়াতে সনাতনই হচ্ছে একমাত্র শান্তির ধর্ম! ঈশ্বর তুমি মহান।।
No comments:
Post a Comment