মুঘল সুবেদার শায়েস্তা খানেরর অামলে জিনিসপত্রেরর শস্তা দামের কথা অামরা শুনেছি বা বইপত্রে পড়েছি। কিন্তু তখনকার সময়ে বহিরাগত শাসক গোষ্ঠীর জন্যে, সাধারণ মানুষের দারিদ্র্য এমন পর্য়ায়ে পৌছেছিল যে, তাদের ক্রয়ক্ষমতা বলে কিছুই ছিল না।
তখনকার সময়ে ১ টাকায় ৮ মণ চাল পাওয়া গেলেও তা কেনার সামর্থ্য খুব কম মানুষেরই ছিল।
.
১৬৭৬ সালে শায়েস্তা খান সম্পর্কে একজন ইংরেজ বণিক লিখেছেন, "শায়েস্তা খানের কর্মচারীরা সাধারণ মানুষকে এমন শোষণ করত যে, এমনকি গোখাদ্য ঘাসের ব্যবসাও তাদের একচেটিয়া ছিল"।
.
বহিরাগত মুসলিম শাসকরা অামাদের কতটা শোষণ করত তা অন্য একজন ইংরেজ বণিকের লেখা থেকে জানা যায়,"১৩ বছর বাংলার সুবেদার থেকে শায়েস্তা খান যে পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়েছিলেন তা তখনকার বিশ্বে বিরল। তিনি ছিলেন অন্তপক্ষে ৩৮কোটি টাকার মালিক এবং তার দৈনিক অায় ২লক্ষ টাকা।
.
বাংলার বহিরাগত শাসক সম্পর্কে এরকম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ৮ম শ্রেণীর বইয়ে লিপিবদ্ধ ছিল। কিন্তু এখন অার নেই। কিন্তু কেন নেই?
কার নুনুভুতি অাঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে? কেউ কি জান? জানলে বলিও....
No comments:
Post a Comment