Wednesday, 12 August 2015

পাক সার জমিন সাদ বাদ -- পর্ব ২৬

এক অনন্য সাধারন বামপন্থি 'হুমায়ূন আজাদ' এবং বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ "পাক সার জমিন সাদ বাদ"-- পর্ব ২৬ ------------------------------------------------------------জিহাদ কি? জিহাদের স্বরুপ কি? জানতে চান? তাহলে অবশ্যই পড়ুন, ইসলামি জিহাদ বিষয়ে আগাম সতর্ক হোন... ----------------------------------------------------- আমরা সব এলাকার নেতারাই থাকি মাদ্রাছায়। এখানে নদীর পারে লম্বা একটি মাদ্রাছা করে দিয়েছে আমাদের দলেরই এক অহান সেবক আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারি, ইছলাম আর পাকিস্তান যার প্রিয় ধন, যে গার্মেন্টস, কন্ট্রাক্টরি, এনজিও, সোনা ও অন্যান্য সোনার থেকে দামি জিনিশ চোরাচালানি করে কোটি কোটি টাকা করেছে; প্রত্যেক বছরই হজে যায়, আমি গেছি একবার। মাদ্রাছাটির নাম মাদ্রাছা-ই-মদিনাতুন্নবি; সে অবশ্য জান্নাতবাসিনী মায়ের নামেই এটির নাম রাখতে চেয়েছিল, কিন্তু আমার পরামর্শে সে এই নামটি রাখে, রেখে ধন্য হয়। সে অবশ্য নিজের টাকায় মাদ্রাছা করেনি, লিবিয়া, ইরাক ও সৌদি এনজিও থেকে টাকা পেয়েছে, এটা আমি জানি, আল কায়েদার টাকা পেয়েছে কি না জানি না; যতো টাকা পেয়েছে ততোটা খরচ করেনি, আমাকে বেশ কিছু দিয়েছে, এখানকার অন্যরা জানে না, তাই সে আমাকে মান্য করে। মাদ্রাছার সঙ্গেই আছে মসজিদ, সেটিও কোরবান আলি ব্যাপারিই করেছে। এতো পরহেজগার, ইমানদার ও পাক স্তান প্রিয় লোক কমই আছে। ব্ল্যাক লেবেল, ব্যালেনটাইন, সিভাস রিগেলের সাপ্লাইটাও সাধারনত সেই দেয়, এক্স এক্স এক্স সেই নিয়ে আসে, আমার সঙ্গে পান করতে করতে এক্স এক্স এক্স দেখতে তার ভালো লাগে; তার পছন্দ আবার ব্যাংককের মেয়েগুলো, তার মতে মেয়েগুলোকে চেপে ভর্তা বানালেও তারা বাধা দেয় না, তারা রসোগোল্লার মতো নরম, জিভের নীচে রেখে চিপলে রস বেরোয়। সে একটু মিশকিলে পড়েছিল, সেটা থেকে আমি বাঁচিয়েছি। বুড়ো বিবিটাকে তালাক দিয়ে সে একটি মডার্ন যুবতী বিবি নিতে চেয়েছে, বুড়ো বিবিটার মস্তান ছেলেটি, মুহাইমেন বিন কোরবান, তা মেনে নিতে রাজি হয় নি, তাই কোরবান আলি ব্যাপারি একটু মছিবতে পড়েছিলো। আমি মস্তানটিকে রাজি করিয়েছি, কোটি পাঁচেক লেগেছে তাতে; আমারও কিছু থেকেছে। আমায় চাইতে হয়নি, আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারি নিজেই আমার পায়ের কাছে রেখে গেছে, যা রেখে গেছে তিনলক্ষ বছর সাম্যবাদ করলেও আমি চোখে দেখতে পেতাম না। জিহাদ আমাকে দিচ্ছে আর দিচ্ছে, আল্লার রহমতে আরও দেবে। মর্ডান বিবিটা বি.এ পাশ, আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারির ফার্মে গিয়েছিল চাকরির জন্যে; মিস লাইলাতুল, আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারির মুখোমুখি চেয়ারে বসতেই কোরাবান আলি ব্যাপারি উত্তেজনা বোধ করে, তার ঠোঁট আর ব্রেস্টের উচ্চতা আলহজ কোরাবান আলি ব্যাপারিকে ছহবতের জন্য উত্তেজিত করে। এটা শয়তানের কাজ; পুরুষ আর মেয়েলোক কাছাকাছি বসলে শয়তান কাজ করবেই, এসে মাঝখানে বসবেই, কোরবান আলির ফার্মেও শয়তান গন্ধম ফল নিয়ে হাজির হয়। আলহজ কোরবান আলি ব্যাপারির ফার্মে কোনো মেয়েলোক আজ করে না, এটা নিয়মবিরুদ্ধ, কিন্তু মিস লাইলাতুলকে কে সে একটি চাকুরি দিতে চায়। কোরবান আলি ব্যাপারি জিজ্ঞেস করে, ‘আপনের নামটা আমার কাছে পাক মনে অইতেছে, আপনে কি বোরখা হিজাব পইর্যা আসতে পারবেন মিস লাইলাতুল?’ লাইলতুল বলে, ‘তা পারবো, ইনশাল্লা’। কোরবান আলি বলে, ‘তাইলে তুমি আজই কামে জয়েন কইর্যা হালাও, রাহমানির রাহিম চায় তুমি এইখানে কাম কর’। লাইলাতুল বিস্মিত হয়, বলে, ‘আজই?’ কোরবান আলি, ‘দেরী করনের কাম কি?’ লাইলাতুল কদর ওই দিনই কাজে যোগ দেয় ১৫০০০ টাকা বেতনে।

No comments:

Post a Comment