Monday, 17 August 2015

গত, ১৫ই আগস্ট ২০১৫

গত, ১৫ই আগস্ট ২০১৫, শনিবার... ভারতবর্ষের ৬৯ তম অধীনতা (স্বাধীনতা) দিবস এবং ঋষি অরবিন্দ ঘোষের ১৪৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে আমার বিনম্র নিবেদনঃ ... ইংরেজ তুমি ফিরে এসো-----, দাসত্বে আমার জন্মগত অধিকার...। (গত ১৫ই আগস্ট প্রথম পর্বের পর... আজ ১৭ই আগস্ট দ্বিতীয় এবং শেষ পর্ব।) ইতিহাসের পাতায় নেহেরু-গান্ধী ঘেঁষা বিভিন্ন ভারতীয় ঐতিহাসিকের দল (বিপান চন্দ্র, রোমিলা থাপার,......ইরফান হাবিব... ইত্যাদি)বিভিন্নভাবে ভারতের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে হিন্দু-মুসলমানের যৌথ আত্মত্যাগের ফানুস উড়াবার চেষ্টা করলেও তৎকালীন বিদেশি ঐতিহাসিকদের বক্তব্য ও বিভিন্ন প্রামান্য দলিল দস্তাবেজ তাদের সেই দাবীর অসারতাই প্রমান করে। আরেকটি ভ্রান্ত ধারনা – গান্ধী সহ ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের আন্দোলনের ফলেই নাকি আমাদের স্বাধীনতা এসেছে। প্রথম কথা স্বাধীনতা কেউ কাউকে স্বেচ্ছায় দেয় না। তা ছিনিয়ে নিতে হয়। আমাদের ক্ষেত্রে তা আদৌ হয় নি। এই কারনেই কম্যুনিস্টরা হয়তো এককালে স্লোগান দিতেন “ এ আজাদি ঝুটা হ্যায় ”। পরিশেষে হিন্দুর বহু আত্মত্যাগের শেষ পর্যায়ে যখন স্বাধীনতা প্রাপ্তির বিষয় টি উজ্জ্বল হয়ে উঠল সেই সময় ব্রিটিশকে বন্ধু বনানোর সুবাদে ১৯৪৪ সালে চৌধুরী রহমত আলীর প্রস্তাবিত পাকিস্থান... মাত্র ১৩ বছরের মধ্যেই আত্মপ্রকাশ করে সব্বাইকে তাক লাগিয়ে দিল। অত্যন্ত তাৎপর্যের বিষয় এই যে,- ১৯৪৭ সালে অবিভক্ত ভারতবর্ষের মুসলমান সম্প্রদায় দ্বিজাতি তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ভারত বর্ষকে তিন খণ্ডে ভাগ করেন। তাদের মূল বক্তব্য ছিল তারা হিন্দুদের সঙ্গে থাকতে পারবেন না, তাদের ধর্ম বোধ আলাদা। – জয় পরাজয় বোধ আলাদা। তাদের আলাদা হোম ল্যান্ড চাই। সেই সময় অবিভক্ত ভারতে মুসলমানের সংখ্যা ছিল ৯ কোটি। জনসংখ্যার অনুপাতে তারা ছিলেন।২৩% আবার এই ২৩% মানুষের মধ্যে ৯৫ % মানুষ সেদিন পাকিস্থান এর পক্ষে মত দিয়ে ছিলেন। মজার বিষয় সেই পাকিস্থান চাওয়া মানুষ গুলোর মধ্যে বেসিরভাগ কিন্তু ভারতেই থেকে গেলেন...... তাহলে তারা ভারত ভাগ চাইলেন কেন? উত্তর টা খুবই সহজ - আরেক টা পাকিস্থান। জিন্না সাহেব প্রায়শই বলতেন - " প্রত্যেক মুসলমানের হৃদয়ে আছে একটা করে পাকিস্থান। জীবদ্দশায় সেটিকে কখনই তার থেকে আলাদা করা সম্ভব নয়"। তখন আরবের তেলের রমরমা ছিল না তাই তাদের হাতে পেট্রোডলারও ছিল না। ছিল না তেমন কোন মারাত্মক অস্ত্র শস্ত্র। শুধুমাত্র লাঠি, ছুরি, তলোয়ার... আর গায়ের জোরেই প্রত্যক্ষ সংগ্রাম (Direct action) করে তারা সেই দিন আমাদের এই দেশ মাতৃকাকে তিন খন্ড করে ফেলে দিল। কোটি কোটি হিন্দু উদ্বাস্তু হল। লক্ষ লক্ষ হিন্দু মেয়ে হল ধর্ষিতা। একটি হিসেব মতে দিল্লীর করোলবাগে একটি হাসপাতালে প্রায় ৭৫,০০০ শিশুকে গর্ভপাত করিয়ে বিনিস্ট করা হয়েছিল সেদিন...! আর আজ আরবের তেলের রমরমা, তার সঙ্গে পেট্রোডলার এর উপচে পড়া ভাণ্ডার, আর ভারতে মুসলিম জনসংখ্যা ? আনুমানিক ২৫ কোটি ছুঁই ছুঁই (ইন্দোনেশিয়ার পর পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম জনসংখ্যার দেশ। যদিও ২০১১ এর আদমশুমারির গানিতিক সম্প্রদায়গত জন বিন্যাসের হার এখনও আমাদের নাগালের বাহিরে। পূর্ববর্তী কংগ্রেস সরকারের কাছে RTI করেও ২০১১ এর মুসলিম জনসংখ্যার হিসেব পাওয়া যায়নি!!!!! ) সার্বিক জনসংখ্যার অনুপাতে প্রায় ৩২%। বর্তমানে তাদের হাতে মারাত্মক ও অত্যাধুনিক অস্ত্র শস্ত্র। বিভিন্ন জেহাদি গ্রুপ - লস্কর ই তৈবা, জয়েস ই মুহাম্মদ, ইন্ডিয়ান মুজাহিদিন, সিমি ......... এর রমরমা। সর্বোপরি পারমানবিক শক্তিধর পাকিস্থানের সক্রিয় উপস্থিতি। এর সঙ্গে আমাদের ভণ্ড সেকুলার রাজনিতিবিদদের নির্লজ্জ মুসলিম তোষণ। লাভ জেহাদ (Love Jihad) এর মাধ্যমে হিন্দু মেয়েদের বিয়ের মাধ্যমে মুসলমান বানানো , অবৈধ মুসলিম অনুপ্রবেশ। মুসলিম বহু বিবাহ, - অনিয়ন্ত্রিত জন্ম হার, লোভ বা ভয় দেখিয়ে ধর্মান্তর এইসব ঘটনার পরে কি মনে হয়? .........???? ১৯৪৭ সালে প্রায় নিঃসহায় ৯ কোটি মুসলমান যদি ভারত কেটে তিন টুকরো করতে পারেন, তবে ২০......?? সালে ২৫ কোটি প্রবল প্রতাপান্বিত মুসলমান, যারা আজও পাকিস্থান,ক্রিকেট খেলায় জিতলে বাজি পোড়ান, TV তে মালা দেন ব্যান্ড পার্টি বের করেন...। ......তারা কি বসে বসে রামধুন গাইবেন?" আর আমরা হিন্দু পাঁঠার দল - নিশ্চিন্তে সেকুলারিজম এর ঢেঁকুর তুলে নানা দল উপদলে বিভক্ত হয়ে পড়ছি। কিন্তু এ ভাবে আর কত দিন......?????? মনে রাখা দরকার আমাদের এই পোড়া গণতন্ত্রের দেশে "সংখ্যাই" হল সবচেয়ে বড় সত্য। এখন আর বাইরের দেশ থেকে কামান বন্দুক নিয়ে ‘নারারে এ তকবির’ ধ্বনি দিতে দিতে কেউ ভারত দখল করতে আসবে না। শুধু সংখ্যা বাড়িয়েই হাঁসতে হাঁসতে ভারতবর্ষ দখল করা সম্ভব। হয়তো স্লোগান উঠবে... “লড়কে লিয়া পাকিস্থান – হাঁসকে লেঙ্গে হিন্দুস্থান”। হিন্দু বন্ধুরা, ------ ধর্মনিরপেক্ষতা ছেড়ে তাই এবার রাজনীতি নিরপেক্ষ হতে শেখো। হিন্দুর হিন্দুত্ব ছাড়া আর অন্য কোন দল হতে পারে না। - এই সত্যকে মানতে শেখ...... একমাত্র প্রতিক্রিয়াশীল ও সংবেদনশীল হিন্দুত্বই তোমাকে বাঁচাতে পারে। আর তুমি বাঁচলে... তবেই বাঁচবে তোমার দেশ......... তোমার ধর্ম। আত্মরক্ষা না হলে ধর্মরক্ষা সম্ভব নয়......।। আর তাই তোমায় আত্মরক্ষা করতে সচেষ্ট হতে হবে... জ্ঞান গরিমায় তুমি মহিমান্বিত হলেও তুমি আজও সম্পূর্ণ আত্মরক্ষার কৌশল আয়ত্ত করতে পারো নি। এমন কি বিপদে পড়লে তোমার জ্ঞানগর্ভ মাথায় দৌড়ে পালানোর মত বুদ্ধি টুকুও আসে না। তাই তোমার ঘরে টিভি ফ্রিজ......... গাড়ি সব রয়েছে। শুধু নেই গরু তাড়ানোর মতো আপাত নিরীহ একটা লাঠি...।। আর তাই নিশ্চিত হও অদূর ভবিষ্যতে বিজাতীয় আরব সাম্রজ্যবাদের দাসত্ব করার জন্যে। তৈরি থেকো পুনরায় আরেকটি অনিশ্চিত ভবিষ্যতের অশনি সংকেতের অপেক্ষায়...। সাবধান... ভাই .... সাবধান...... আমি সেই মহাগর্জন... সেই রননাদ... ভীমহুংকার শুনতে পাচ্ছি... তোমরা কি পাচ্ছো না? আর তাই আবার শরণাপন্ন হতে ইচ্ছে করছে... পশ্চিমী শক্তির কাছে......।। নতজানু হয়ে সকাতর অনুরোধ জানাতে ইচ্ছে করছে...... “দাস খৎ যদি ভাগ্য-লিখন; তবে তোমাকেই অগ্রাধিকার...। ইংরেজ তুমি ফিরে এসো, দাসত্বে আমার জন্মগত অধিকার...”। (সমাপ্ত...)

No comments:

Post a Comment