সবাই বলে যে ভারতের স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল ১৭৫৭ সালে, কিন্তু আমি বলি না কথাটা পুরোপুরি সঠিক নয়। প্রকৃত পক্ষে ভারতের স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়েছিল অনেক আগেই। ১১৯২ সালে তরাইনের দ্বিতীয় যুদ্ধে পৃত্থীরাজ চৌহান মহম্মদ ঘোরীর নিকট পরাজিত হলে ভারতবর্ষের পরাধীনতার প্রথম পর্বের সূচনা হয় এবং এর চূড়ান্ত যবনিকা ঘটে ১৭৫৭ সালের পলাশীর যুদ্ধের মধ্য দিয়ে। দুটি ক্ষেত্রেই ভারতীয়দের ক্ষমতা ও যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও কূটবুদ্ধি ও চক্রান্তের কাছে তারা হেরে যায়। দুটি ক্ষেত্রেই ঘরের শত্রু বিভীষণদের প্রত্যক্ষ মদত ছিলো। ভারতকে আবারো পরাধীন করার চক্রান্তে সামিল হয়েছে আইএস,তালিবান প্রভৃতি আসুরিক শক্তি। মধ্যপ্রাচ্যকে নরকে পরিনত করার পর এই অসুরদের নজর পরেছে পবিত্রভূমি ভারতের দিকে। এই অসুর বাহিনী এবং তাদের অনুচররা ইতিমধ্যেই তাদের কর্মসূচী তৈরি করে ফেলেছে। ঘরের শত্রু বিভীষণের বংশধররা পূর্বের মতোই তাদের সাহায্য করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এবং তারা সেই মাফিক কাজও শুরু করে দিয়েছে। তাই ভারতের স্বাধীনতা আবারও প্রশ্নের মুখোমুখি এসে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যতে যাতে আর কোনো ভাবেই অতীতের ঘটনার মুখোমুখি হতে না হয় সেই জন্য আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। ঘরের শত্রু বিভীষণদের দ্রুত চিহ্নিত করে একে একে খুঁজে বের করতে হবে এবং তাদের চক্রান্তের মুখোশ জনসমক্ষে খুলে দিতে হবে। কারণ আমাদের ভাগ্য রয়েছে আমাদেরই হাতে। ভারত মাতাকে আর কোনোভাবেই পরাধীনতার শিকল পরতে দেওয়া যাবে না। আমাদের ভারত মাতা ইতিমধ্যেই দুইবার পরাধীনতার শিকল পরতে বাধ্য হয়েছেন। অনেক হয়েছে, আর নয়। এবার সময় এসেছে রুখে দাঁড়াবার। সময় এসেছে হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার। সময় এসেছে যুদ্ধ করার। সময় এসেছে পালটা মার দেওয়ার।
No comments:
Post a Comment