সাংবাদিক প্রবীর সিকদার সীমা লঙ্ঘন করেছেন। তাই তাকে ডিবি পুলিশ কোন মামলা ব্যতিরিকেই ধরে নিয়ে গিয়েছেন এবং তার বিরুদ্ধে ৫৭ ধারায় মামলা হয়েছে বা তার প্রস্তুতি চলছে। আমরা দেখি তিনি কী কী বিষয়ে সীমা লঙ্ঘন করলেন।
১. প্রবীর সিকদার রাজাকার, অস্ত্র ব্যবসায়ী, ধনকুবের ও শেখ সেলিমের বেয়াই মুসা বিন শমসের-এর বিরুদ্ধে লিখেছেন।
২. প্রবীর সিকদার এলজিআরডি মন্ত্রী ও শেখ হাসিনার বেয়াই খন্দকার মোশারেফ হোসেন-এর আয়ত্ত্বে (দখল বলছি না) থাকা একটি হিন্দু বাড়ির মালিকের খোঁজ চেয়েছেন।
আমরা দেখতে পাই সাংবাদিক প্রবীর সিকদার শেখ পরিবারের দুই রত্ন প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা এবং তারই ফুফাত ভাই শেখ সেলিমের বেয়াই মুসা বিন শমসের-এর বিরুদ্ধে লিখেছেন। বেয়াই খুব আদরের একটা সম্পর্ক। সুতরাং বেয়াইদের বিরুদ্ধে লেখা স্পষ্টতই সীমা লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে।
আইজিপি ব্লগারদের সীমা লঙ্ঘন করতে নিষেধ করেছিলেন। করলে তার পরিণতি যে কুপিয়ে হত্যা, তা আপনারা দেখেছেন, আরো দেখবেন। কিন্তু এতো বড় সীমা লঙ্ঘন করার পরেও প্রবীর সিকদারকে কিন্তু কুপিয়ে হত্যা করা হয় নি। তাঁকে কেবল গ্রেফতার করা হয়েছে, মামলা ইস্যু হয়েছে বা হবে। এটা সরকারের মহানুভবতা।
আবার প্রবীর সিকদারের হাত-পা আগেই ভাঙ্গা। এখন তিনি ক্রাচে ভর দিয়ে চলেন। তাঁর হাত-পা এর আগে মুসা বিন শমসের-এর লোকজনই ভেঙে দিয়েছিলো। এ জন্যও সরকারের মায়া হতে পারে। মহানুভব মহামহিম সরকারের মহানুভবতায় আসুন আমরা 'জয় বাংলা' বলে আগে বাড়ি। Sannyasi Ratan
No comments:
Post a Comment