বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে হুমায়ন
আজাদের অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ
"পাক সার জমিন সাদ বাদ"-- পর্ব ২৪
------------------------------------------------------------
পর্ব যত বাড়ছে হিন্দুদের নারীদের উপর
ইসলামি জিহাদের বর্বরতার কাহিনী ততই
বাড়ছে। তাই পড়ুন, ইসলামি জিহাদ বিষয়ে আগাম সতর্ক হোন...
------------------------------------------------------------
হাফিজুদ্দিন বলে, ‘কাইলকে দুই চারডা লাশ ফেলতে অইব,মালাউনগো(হিন্দু) পাচ সাতটা দোকানো আগুন লাগাইতে হইব, ওগো দালালগো দোকান বাড়িঘর পুড়তে হইব, আর বিরিজটার পুব দিকটা চুরমার কুইর্যা ফ্যালাতে হইব’।
আমি একটু চমকে উঠি ব্রিজটার কথা শুনে।
ব্রিজটা সব সময়ই আমাকে বিস্মিত করেছে, অনেক দিন মনে হয়েছে, ওটির উপর আমি শুয়ে থাকি, শুয়ে নদী দেখি; নিজেকেই ব্রিজ মনে হয়েছে আমার। এতো বড়ো ব্রিজ কাফেররা কীভাবে বানিয়েছে, সেটা ভেবেও আমি অবাক হয়েছি। একটি দোয়া পড়ে কি আমরা অমন ব্রিজ বানাতে পারি না? হজরত মুসাকে আমার মনে পড়ে, তবে তার রাস্তাটি ছিল ক্ষনস্থায়ী, আর ওইটা ছিল ইহুদিদের জন্য, তাই রাস্তাটিকে আমি একটি অপচয় মনে করি।
আমি বলি, ‘খুন তিনটে চারটে করলেও ক্ষতি নেই, সারা বাজারে আগুন লাগালেও ক্ষতিনেই, তাতেই মাদের জিহাদ সফল হবে, আমরা ইছলামের দিকে পাক স্তানের দিকে বেশি এগিয়ে যাবো, আমাদেরব দলের শক্তি বাড়বে, তবে ব্রিজটা চুরমার করা ঠিক হবে না, মানুষের অসুবিধা হবে’।
মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘মাইনষের কথা ভাবনের সময় এইটা না, এইটা আসিক কামের সময়, পাকিস্তান ভাঙ্গনের জইন্যে যেমন এই বিরিজটা ভাঙছিল, আবার পাকিস্তান বানানোর জইন্য এই বিরিজ ভাঙতে হইব’।
ব্রিজটার জন্য আমার মায়া লাগে; আমি বলি, ‘ব্রিজ ভাঙার সময় পরেও পাবো, আগামীকালই দরকার নেই’।
মোঃ হাফিজুদ্দিন হুইস্কির গেলাশে একটা বড়ো চুমুক দিয়ে, এক্স এক্স এক্স ছবিটার একটি দৃশ্য রিওয়াইন্ড করে বলে, ‘হুজুর, জিহাদি জোশে আপনার দিল আজও ভইর্যা ওথে নাই। তয় আপনের কতার উপরে কতা নাই, কয়ডা ডিনামাইট মাডির নিচে জমা কইর্যা রাকছি, পরে কাজে লাগামু, ইনশাল্লা’।
আমি বলি, ‘মোঃ হাফিজুদ্দিন ব্রিজটা তুমি ভাঙতে চাও, তা খুবই উত্তম। তারপর কি একটি দোয়া পড়ে ওটি বানাতে পাড়বে?’
মোঃ হাফিজুদ্দিন খুব বিব্রত হয়, বলে, ‘হুজুর, এমুন দোয়া অহনও পাই নাই’।
আমি বলি, ‘এমন দোয়া কি নেই?’
মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘হুজুর, আল্লার কিতাবে নিচ্চই আছে, তয় অইডা খুইজ্যা দেকতে অইব’।
আমি বলি, ‘এখনও খোঁজো নি কেন?’
মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘অহন থিকা খুজুম, হুজুর’।
আমি বলি, ‘এতো দেরী করলে কেন?’
মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘দোয়াডা খোজনের কতা মনে আইছিল না, হুজুর’।
আমি বলি, ‘কোন কোন দোকানে আগুন লাগাতে চাও?’
মোঃ হাফিজুদ্দিন বলে, ‘গোডা দশেকের কমে হইব না; কয়ডা মালাউনগো দোকানে আর কয়ডা মালাউনগো দালালগো দোকানে; মালাউনগো আর তাগো দালালগো বাইচ্যা থাকতে দিমু না’।
আমি বলি, ‘বেশ, আলহামদুলিল্লা’।
No comments:
Post a Comment