১) হিন্দু কি একটি নষ্ট জাতি।
(২) ধ্বংসই কি হিন্দুর একমাত্র গন্তব্য।
প্রিয় সনাতনের পরম বন্ধু ভাই-বোনেরা,
আমি নিজে কোন পরম ভক্ত বা স্বিদ্ধ পুরুষ নই।
নই কোন নামি দামী ধর্ম নেতা।
সমালোচনায় আকন্ঠ নিমজ্জিত হতে আমার কোন ভয় নেই।
যাহারা ঈশ্বরের পরম ভক্ত,
তাদের কি সমালোচনা করতে পারি ক্ষুদ্র পাপি আমি ?
তবু পুন্যের নেশা আমার নেই,
পাপ থেকে মুক্তির নেশা আমার নেই।
বরং সকল সনাতন হিন্দুর সম্মিলিত
পাপের সমুদ্রের অতলে তলিয়েযেতে
আমার আপত্তি নেই একতিল মাত্র,
যদি হিন্দু সমাজ তার ক্ষয়ীষ্ণু শক্তিকে
পদাঘাত করে সত্য-ন্যায়ের প্রতিষ্ঠায়- ঝাঁপিয়ে পরে ততোধিক হিংস্রতায়।
যদি হিংস্র ধর্মিয় মতবাদের বিনাশ সাধনে হিংস্রতা প্রয়োগে পাপ হয়,
সে পাপের পূর্নপ্রাপ্তি কেবলই আমার,
পুন্যের যে টুকুন সব তাদের নিজেদের।
ওরে অন্ধ সনাতন হিন্দুর বাচ্চারা,১০
পুন্যের লোভে মালা টপ-টপাস ?
তোর মন্দির থাকে না, তোর সমাজ থাকে না,
তোর মায়ের জাত থাকে না,
তো ভিটে-মাটি থাকে না, তোরা পুন্যি মারাস ?
আর কতকাল এই মালা টিপে,
লাল সালু পেচানো সাস্ত্রে চুমা দিয়ে,
গুরুর এটো-কাঁটা খেয়ে, আর গঙ্গা স্নানে পুন্য মারাবী ?
আমি আমার রক্তের সপথে, সকল সাস্ত্রের দোহাই দিয়ে বলছি,
পৃথিবীর তাবত্ সনাতনের পাপের বোঝা আমার।
সম্মিলিত অন্তহীন পাপের গর্ভে হারিয়ে যেতে আমার কোন রকম দ্বিধা নেই।
কেউ আমার জন্যে ঈশ্বরের কাছে এক ফোঁটা
চোখের জল ফেলার প্রয়োজন নেই। আমার শুধুই কাম্য,
তোরা সনাতনের "সত্য-ন্যায়ে"র আলো ফুটিয়ে তুলতে,
ধর্ম নামক হিংস্র পশুত্ত্বের হাত থেকে মানব সভ্যতাকে বাঁচাতে,
হিংস্রতাকে মানব সভ্যতাথেকে বিষর্জন দিতে,
এইবার ততোধিক হিংস্রতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে,
ধর্ম নামের বিস্তারনশীল হিংস্রতার বিলুপ্তি ঘটা।
আমার এই আহ্বান, মানবিক গুন সম্পন্ন,
মানবিক সচেতন সকল মানুষের প্রতি।
বিজ্ঞানের ভাষায়ঃ (১) "Servibal for the feetest" "
যোগ্যতমের উর্ধ্বতন" অর্থাৎ একমাত্র যোগ্য তম টিকে থাকবে।
(২) "Every action has an equal and opposite reaction"
সকল ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত ক্রিয়া আছে।
(সমান ও বিপরীত ক্রিয়ায় সাম্যতা আসে।
অর্থাৎ আরোপিত ক্রিয়া বা শক্তি বিদুরিত হয়।
(৩) বেদের ভাষাঃ "সমং সমতি"।
বেদের এই তত্ত্ব থেকে বিজ্ঞানের তত্ত্ব
"Every action has an equal and opposite reaction" ।
বিপরীত ক্রিয়া ব্যাতীত কোন অপকর্ম কোন কালে বন্ধ হয়নি,
এবং ভবিষ্যতেও হবে না , ইহা বিজ্ঞানের ধ্রুব সত্য।
ইহা ধর্মের সত্য।
বিজ্ঞান ও ধর্মের মধ্যে কোন বিভেদ নেই।
মালা টিপে, কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলে, হরি হরি বলে, মুক্তি অসম্ভব।
মালা টেপা, কৃষ্ণ কৃষ্ণ বলা, হরি হরি বলার অর্থ,
শুধু কৃষ্ণের সাথেই আছি, শুধু হরির সাথেই আছি,
সেই থাকা কি কেবলই মুখে মুখে? না অন্তরে বাহিরে কাজে ও কর্মে।
এছাড়া আপন মুক্তির স্বার্থপরতা
যেখানে, কৃষ্ণ বলো, হরি বলো, শিব বলো,
কালি বলো, দূর্গা বলো- কোন রুপ কি সে ডাকে শারা দিবেন ?
ব্যাক্তি সাধক কি নিজের স্বার্থে ঈশ্বরকে খুশি করতে পারেন ?
ঈশ্বর কি স্বার্থ পরতা পছন্দ করেন ?
আছে কি এমন নজির ?
অবতার রুপে ঈশ্বরকি এমন শিক্ষাই দিয়েছেন ?
ঈশ্বর সেই সাধকের ডাকেই সারা দেন,
যিনি তার সমগ্র সৃষ্টির সান্তি চান,
যিনি সত্য-ন্যায়ের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন।
স্বার্থ যাহার কাছে বিষতুল্য।
অতিতে যাহারা স্বাধন মার্গে ব্রতি ছিলেন,
তাহারা কি স্বার্থের পরকাষ্টা দেখিয়েছেন ?
বিভিন্ন সময়ের বিভিন্ন সাধন পথের বিবেচনা করুন।
অবতারের আচরন বিবেচনা করুন।
কোন সামাজিক অবস্থায় কোনটা প্রকৃত সাধপথ,
তার নিদর্শন কি ঈশ্বর দেখান নাই ?
আপনারা শিব সাধক, কালি সাধক, দূর্গার সাধক,
কৃষ্ণের সাধক; আপনারা কি সে রুপের,
সে সাধনের নির্দেশ পথ দেখতে পান নাই।
কিসের সাধন করেন আপনারা ধিক আপনাদের।
আপনারা সনাতনের কলংক।
সনাতনতো সকল সময় "সত্য-ন্যায়"কে টিকিয়ে রাখার যুদ্ধ শিখায়।
নিজেকে উৎস্বর্গ করতে শিখায়।
শ্রীকৃষ্ণ তার বংশকে পর্যন্ত উৎস্বর্গ করেছে।
আপনারা কি চোখে ঠুঁসি পরে আছেন ?
শিবের কর্ম দেখুন, কালির কর্ম দেখুন, দূর্গার কর্ম দেখুন।
সনাতনের জ্ঞজাল, শোষক শ্রেনী আপনাদের যে বিভেদের বীজ দিয়েছে,
যে আত্মমর্যদাহীন পশু হিসেবে বেঁচে থাকার পদ্ধতি তৈরী করে দিয়েছে,
সেই পথে মর্যদাহীন পশুর মত বাঁচেন, আর ঈশ্বর ঈশ্বর মারান।
এভাবে স্বার্থপর, অন্ধ, নির্বোধ,
আত্মমর্যদা হীন পশু হইয়ে পরে থাকলে ঈশ্বর আপনাদের বাঁচাবে ?
ঈশ্বর কি আপনাদের এই শিক্ষা দিয়েছেন ?
ঘরের নারী নিয়ে যায়, মন্দির ভাঙ্গে, মাটি থেকে উচ্ছেদ করে,
আর আপনারা ঈশ্বর ঈশ্বর মারান, আর পালায়ন করেন।
নিজেরা মরেন, বংশ মরে। হিংস্র পশুরা উল্লাস করে।
ঘুরে দাঁড়ান।
হিংস্রতার প্রতিবাদে হিংস্রতা।
আমি সমস্ত সাস্ত্রের দোহাই দিয়ে বলছি, নিজের রক্ত ছুঁয়ে বলছি,
সনাতনের দোহাই দিয়ে বলছি, সত্য-ন্যায়ের যুদ্ধে যদি কোন পাপ থাকে,
সে সম্মিলিত পাপের সমুদ্রে আমি হারিয়ে যাবার সপথ নিলাম।
পুন্য যহাকিছু আপনাদের অর্জন।
"সত্যম শিবম সুন্দরম"।
No comments:
Post a Comment