এক অনন্য সাধারন বামপন্থি 'হুমায়ূন আজাদ' এবং বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন নিয়ে তার অমর কালজয়ী সৃষ্টিঃ
"পাক সার জমিন সাদ বাদ"-- পর্ব ২৫
------------------------------------------------------------জিহাদ কি? জিহাদের স্বরুপ কি? জানতে চান? তাহলে অবশ্যই পড়ুন, ইসলামি জিহাদ বিষয়ে আগাম সতর্ক হোন...
-----------------------------------------------------
আমার মোবাইল বেজে উঠে, ঢাকা থেকে আমার বড়ো খলিফা।
খলিফা বলেন, ‘কাইল হইব ইছলামের জিহাদের, আমাগো পাকিস্তানের জইন্যে একটা বড়ো দিন, সেইভাবে কাজ করবা, ডরাইও না, আল্লার রহমত তোমাগো উপরে আছে’।
আমি বলি, ‘হুজুর, ডরানের কোনো কারনই নাই, আল্লার রহমতে দেখবেন কালকে আমরা বক্তিয়ার খলজি কেও ছাড়িয়ে গেছি, পরের দিন পত্রিকা ভরে আমরাই থাকবো, ইনশাল্লা’।
খলিফা বলেন, ‘মাশাল্লা, থানার সঙ্গে আমরা কতা বইল্যা রাখছি, আর পাওয়ালফুল তিন চারডা মিনিষ্টারগো সঙ্গেও কতা বলছি, তারা একসঙ্গে আমাগো দলেই জয়েন করব, এইখনেও ভিতরে ভিতরে আমাদের লগেই আছে; আর আমাগো প্যট্রন এমবেছেডারগো লগেও কতা কইছি, ডোনারগো সঙ্গেও কতা বলছি, তারাও তোমাগো দিকে তাকাই আছে’।
আমি বলি, ‘আমরা সব ট্যাকটিক্স ঠিক করে ফেলেছি, আল্লার রহমতে চিন্তা নেই, ইনশাল্লা কালকে দেখবেন। হুজুর আপনি মেইন পার্টিরে বোঝাইবেন’।
খলিফা বলেন, ‘মেইন পার্টিরে বুজাইতে হইব না, তারাই এইখন আমাগো কাছে বুজতেছে। যেইর লিগা ফোন করলাম সেই কথাটা শোনো, ঘন্টা দুয়েকের মইদ্যে তোমার কাছে বিশ তিরিশ জন ট্রেনিং পাওয়া জিহাদি যাইব, তাগো তালেবানের ট্রেনিং আছে আপগানিস্তানে ছিল এক বচ্চর, তাগো পাঠাই দিছি, লগে দশ লাক টাকাও দিছি তোমারে দেওয়ার জইন্যে’।
আমি বলি, ‘আলহামদুলিল্লা,সোভানাল্লা’।
খলিফা বলেন, ‘মনে রাইখ্যো আমাদের মিডল-ইষ্টের ভাইগো আমেরিকার ইহুদিরা শ্যাষ কইর্যা দিতেছে, সেই জন্য এইখানে নতুন মিডল-ইষ্ট বানাইতে হইব, আমাগো ডোনাররা তোমাগো দিকে চাইয়া আছে’।
আমি বলি, ‘ইনশাল্লা, কাল আর পরশু হবে আমাদের দিন; আমেরিকারে বুঝাই দিবো জিহাদ কাকে বলে। অগো অ্যাম্বেসিটাকে একদিন জ্বালিয়ে দিতে হবে’।
খলিফা বলেন, ‘সেইডা পরে হইব, অখন আমেরিকারে খেপানো আক্কেলের কাম হইব না, তা তো তুমি বুঝ’।
আমি বলি, ‘হুজুর, আমাদের দোয়া করবেন’।
খলিফা বলেন, ‘তোমাআর জইন্যে দয়া রইল, আইজ রাইতে ছুরা ইয়াছিন পাঁচবার পইর্যো; আল্লা হাফেজ’।
মোঃ হাফিজুদ্দিনের সঙ্গে আলোচনা করি, কিন্তু আমরা জিহাদের ও পার্টির নিয়ম মেনে চলি, নেতার উপর আর কোনো কথা নেই, তাই আমি যা বলবো তাই হবে। কৌশল আমি আগেই ঠিক করে রেখেছি, তাতে জিহাদি মোঃ হাফিজুদ্দিনের কৌশল গুলিও আছে, আর আমার নিজের কৌশলগুলো।
কা্লকের দিনটাকে জিহাদের শ্রেষ্ঠ দিন করে রাখতে হবে, যাতে বছর বছর তা আমরা পালন করতে পারি, আমাদের চিরস্মরণীয় শহিদও দরকার।
আমাদের এম-১৬, রাইফেলগুলো, পিস্তলগুলো, গ্রেনেডগুলো, দা ও শরকিগুলো ঠিক আছে, কয়েকশো বোমা প্রস্তুত আছে; কে কী করবে তাও ঠিক করা আছে। তীক্ষ্ণ ক্ষুরগুলোও আছে, ওগুলো গোখরোর জিভের মতো, ভেতরের দাঁতের মতো, কিন্তু কাজ করে মনোরম ভাবে; হাত আর পায়ের রগ কাটে নিশব্দে, আমাদের রয়েছে একদল দক্ষ ক্ষৌরকার। আমাদের জিহাদিরা সব মুহম্মদ বিন কাশিম, বক্তিয়ার খলজি, তারিক, ওসামা লাদেন, তাদের উপর আমার ভরসা আছে; যাকে যা কাজ দিয়েছি, তা ঠিল তারা করবে। এইটাই পছন্দ আমার জামাঈ জিহাদে ইছলামের।
No comments:
Post a Comment