Tuesday, 30 June 2015

'পাঁচ' নয় '১৫' ফোড়ন! দেশ যেখানে যৌনব্যবসা বৈধ

এই সময় ডিজিটাল ডেস্ক:দেহ ব্যবসা। 'আদিম রিপু' নিয়ে এই পেশা পৃথিবীর প্রাচীনতম পেশাগুলির মধ্য অন্যতম। অনেকের মতে, দেহ ব্যবসাই প্রাচীনতম। কিন্তু এত দীর্ঘ সময় পেরিয়েও দেহ ব্যবসা সমাজের সবচেয়ে উপেক্ষিত শ্রেণির এই পেশার নাম শুনলেই কানে আঙুল দেয় তথাকথিত 'এলিট'-রা। তাই যৌনপল্লি অনেকের কাছে 'নিষিদ্ধপল্লি'। যাবতীয় সমালোচনা, উপেক্ষা সত্ত্বেও দেহ ব্যবসা বিদ্যমান। কারণ যা-ই হোক। কিছু দেশ এই ব্যবসার উপর আইনি নিষেধাজ্ঞা চাপিয়ে রেখেছে। আবার বিশ্বের অনেক দেশই দেহ ব্যবসাকে আইনি স্বীকৃতি দিয়েছে। আর পাঁচটা সাধারণ পেশার মতোই। আসুন, দেহ ব্যবসা-কে আইনি বৈধতা দেওয়া বিশ্বের সেই ১৫টি দেশের সঙ্গে পরিচিত হওয়া যাক। ১. নিউ জিল্যান্ড নিউ জিল্যান্ডে ২০০৩ সালে দেহ ব্যবসাকে আইনি বৈধতা দেওয়া হয়। সে দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত যৌনকর্মীরা সরকারি স্বাস্থ্য ও শ্রম আইনের আওতায় পড়েন। তাঁরা একই রকম সরকারি সুযোগ-সুবিধা পেয়ে থাকেন, যেরকম অন্যান্য পেশার সঙ্গে যুক্ত কর্মীরা পান। ২.অস্ট্রেলিয়া প্রতিবেশী দেশের মতো অস্ট্রেলিয়ার একটা বড় অংশে দেহ ব্যবসা সম্পূর্ণ আইনস্বীকৃত। যদিও কিছু স্টেটে এই ব্যবসা নিষিদ্ধ। অস্ট্রেলিয়ায় আবার কোঠার মালিক হওয়াটা বেশ জনপ্রিয় একটি পেশা। ৩. অস্ট্রিয়া পৃথিবীর এই প্রাচীন দেশটিতে দেহ ব্যবসা সম্পূর্ণ আইনি। অস্ট্রিয়ায় কেউ দেহ ব্যবসা শুরু করতে চাইলে তাঁকে অবশ্যই বেশ কিছু সরকারি স্বাস্থ্য পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে যেতে হবে। সেই সব পরীক্ষার পাশ করলে, তবেই মিলবে ব্যবসার ছাড়পত্র। সংশ্লিষ্ট দেহ ব্যবসায়ীর বয়স হতে ১৯ বছর বা তার বেশি। ৪. বেলজিয়াম দেহ ব্যবসাকে শুধু আইনি করাই নয়, দেহ ব্যবসায়ীদের সম্পূর্ণ নিরাপত্তা দিতে যৌনপল্লির সব বাড়িতে অন্যান্য অফিসের মতোই রয়েছে ফিঙ্গারপ্রিন্ট প্রযুক্তি ও কি-কার্ডের ব্যবস্থা। ৫. ব্রাজিল লাতিন আমেরিকার এই দেশটিতেও দীর্ঘ দিন আগে থেকেই দেহ ব্যবসা আইন স্বীকৃত। এবং যৌনকর্মীদের অত্যাচার করলে আইনও যথেষ্ট কড়া ব্রাজিলে। ৬. কানাডা কানাডায় যৌনকর্মীদের অবস্থা আপাত বিপজ্জনক। সে দেশে দেহ ব্যবসা আইনি। কিন্তু যৌনতা কেনা ২০১৪ থেকে বেআইনি হয়ে গিয়েছে। ফলে দেহ ব্যবসা ঘিরে সে দেশে একটা বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। ৭.কলম্বিয়া কলম্বিয়ায় দেহ ব্যবসা দীর্ঘ দিন ধরেই আইনি স্বীকৃত। সে দেশে যৌনকর্মীদের নিরাপত্তার জন্য কড়া আইনও রয়েছে। ৮. ডেনমার্ক দেহ ব্যবসা এই দেশেও আইনি। এমনকি যে সব দেহ ব্যবসায়ীরা আর্থিক দিক থেকে পিছিয়ে বা গরিব, তাঁদের আর্থিক সাহায্যও করে ডেনমার্ক সরকার। ৯. ইকুয়েডর অবাধ যৌনতার দেশ ইকুয়েডর। যৌনতা সম্পর্কিত সব কিছুই সে দেশে আইনি। যে কেউ ইকুয়েডরে দেহ ব্যবসা করতে পারেন, বা যৌনপল্লি চালাতে পারেন। কিন্তু এর জেরে ইকুয়েডরে জোর করে দেহ ব্যবসায় নামানোর সমস্যাও প্রবল। ১০. ফ্রান্স ফ্রান্সেও দেহ ব্যবসা সম্পূর্ণ আইনি। তবে ১৯৪৬-এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ঠিক পরেই সে দেশে যৌন ব্যবসা সরকারি ভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। পরে অবশ্য সেই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। ১১. জার্মানি জার্মানিতে ১৯২৭ সাল থেকে দেহ ব্যবসা আইন স্বীকৃত। এবং সে দেশে যৌনপল্লি চালানোর জন্য আলাদা করে স্টেটও রয়েছে। জার্মানিতে দেহ ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্য বিমা আবশ্যিক। তাঁদের কর দিতে হয়। এমনকি অবসরপ্রাপ্ত দেহ ব্যবসায়ীদের পেনশনও রয়েছে। ১২. গ্রিস দেহ ব্যবসায় গ্রিসের মডেলও জার্মান সরকারের মতোই। সেদেশেও যৌনকর্মীরা শ্রম আইনের আওতায় পড়েন। অবসরের পর পেনশনের সুবিধেও রয়েছে। ১৩. ইন্দোনেশিয়া ইন্দোনেশিয়ায় দেহ ব্যবসা শুধু আইনি-ই নয়, সেক্স ট্যুরিজম সে দেশের সরকারের অন্যতম রাজস্ব আয়ের উপায়। তবে অবাধ যৌনতার জেরে ইন্দোনেশিয়ায় জোর করে দেহ ব্যবসায়নামানো বা নাবালিকা অত্যাচার ক্রমেই বাড়ছে। ১৪. নেদারল্যান্ডস দেহ ব্যবসা নেদারল্যান্ডসে খুবই জনপ্রিয়। আইনি স্বীকৃত তো বটেই। যৌনতা নিয়ে নেদারল্যান্ডসে কোনও সামাজিক বাধা নেই। অবাধ যৌনতাই সেদেশের ট্র্যাডিশন। ১৫. বাংলাদেশ অনেকেরই ধারণা বাংলাদেশের মতো তথাকথিত রক্ষণশীল দেশে দেহ ব্যবসা 'তওবা তওবা' বলে কানে আঙুল দেওয়ার মতোএকটা বিষয়। কিন্তু অবাক করা তথ্যটি হল, বাংলাদেশে দেহ ব্যবসা আইনি স্বীকৃত। এবং দেহ ব্যবসা ঘিরে সে দেশে দুর্নীতিও আকাশছোঁয়া। Believe it or not।

জানেন তো ?....

এখনও পর্যন্ত এই পৃথিবীতে প্রতিবছর যত সাপ পিটিয়ে মারা হয়, তার অধিকাংশই কিন্তু নির্বিষ। এমনও কিছু সাপ আছে, যাদের বিষ একটা পিঁপড়ের থেকেও কম। .... আমরা বহুভাবে মানুষকে বুঝিয়েও কিছুই করতে পারছি না...” - আক্ষেপ করলেন, আমার একজন সর্প বিশারদ বন্ধু। আমি বললাম, - "মশাই ... সবই সঙ্গ দোষ! অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ।" - কি রকম? জিজ্ঞেস করলেন বন্ধুটি। - দেখুন মশাই আমি হয়তো আপনার মত সাপের বিষয়টি জানিনা ঠিকই, কিন্তু এমনই অপর এক বিষয়ে আমি অবগত। .... আর তা হল, মুসলমান সম্পর্কে অমুসলমানেদের ক্রমবর্ধমান ধারনার অবনতি। ভালো মন্দ নিশ্চয়ই সেখানেও থেকে থাকবে। কিন্তু এমন দিন হয়তো আর খুব দূরে নেই যে, সাপের মত এদেরও দেখলেই অমুসলমানের দল হাতের কাছে যা কিছু আছে, তাই নিয়ে তাড়া করবে। খুব একটা ভুল বললাম কি ??

জল চুরির অভিযোগ উঠল CPI (M)-এর রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য দীপক সরকারের বিরুদ্ধে

জল চুরির অভিযোগ উঠল CPI (M)-এর রাজ্য সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য দীপক সরকারের বিরুদ্ধে। সে কারণে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার একদা এই দাপুটে নেতার বাড়ির জলের সংযোগ কেটে দিল মেদিনীপুর পৌরসভা। এ সম্পর্কে মেদিনীপুর পৌরসভার জল বিভাগের CIC তথা ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌ রায় বলেন, “আমার ওয়ার্ডের বিধাননগর এলাকার H রো-এর কোনও বাড়িতেই জল ঠিক মতো যাচ্ছে না বলে বেশ কয়েকজন লিখিত অভিযোগ করেছিলেন।। তদন্তে নেমে দেখা যায়, পৌরসভার জল সরবরাহর পাইপ থেকে সরাসরি ৬ ইঞ্চি পাইপের মাধ্যমে দীপক সরকারের বাড়িতে জল নেওয়া হচ্ছে।। এমনকী কোনও ফেরুল নেই।। এই দু’টো বিষয়ই সম্পূর্ণ বেআইনি।। সত্যি সিপিএম ক্ষমতায় থাকুক বা না থাকুক চুরি করতেই হবে।। চোর খুনি ছাড়া লোকে চিনবে কীভাবে সিপিএমদের।। "বৃক্ষ তোমার পরিচয় ফলে"।।

১জুলাই থেকে বদলে যাবে রেলের অনেক নিয়ম

১জুলাই থেকে বদলে যাবে রেলের অনেক নিয়ম । যদি আপনি রেলে যাত্রা করেন তাহলে এই নিয়ম গুলি অবশ্যই জেনে নিন- ১.waiting list এর ঝামেলা শেষ । রেলের তরফ থেকে ট্রেনের যাত্রীদের শুধু Confirm টিকিটই দেওয়া হবে । ২. ১জুলাই থেকে তৎকাল টিকিট Cancel চার্জ ৫০শতাংশ করা হয়েছে ৩. ১জুলাই থেকে তৎকাল টিকিটের সময় কাল পরিবর্তন করা হবে । ১০টা থেকে ১১টা সমস্ত এসি কোচের জন্য এবং ১১টা থেকে ১২টা স্লিপার কোচের জন্য বুকিং করতে পারবেন । ৪. ১জুলাই থেকে রাজধানী,শতাব্দীও দুরন্ততে পেপার টিকিটিং এর ঝামেলা শেষ । আপনার মোবাইল নম্বরে কিংবা ইমেল এ টিকিট পাঠানো হবে । ৫.খুব শীঘ্রই আলাদা আলাদা ভাষাতে টিকিট বুক করা যাবে । আপনি যে কোন ভাষাতেই টিকিট বুক করতে পারেন । ৬.রেলে টিকিটের জন্য প্রায়দিন মারামারি হয় তাই কোচের সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে । ৭.রেলমন্ত্রালয় ১জুলাই থেকে রাজধানী ও শতাব্দীর মতো সুবিধা দিয়ে সমস্ত এক্সপ্রেস ট্রেন চালানো হবে । ৮. ১জুলাই থেকে সমস্ত প্রিমিয়ার ট্রেন বন্ধ করা হবে । ৯. সুবিধা দেওয়ার কারনে টিকিট ফেরতের জন্য ৫০শতাংশ । এসি-২এর জন্য ১০০টাকা,এসি-৩এরজন্য ৯০টাকা ও স্লিপারের জন্য ৬০টাকা চার্জ কাটা হবে । ‪#‎ जब_बड़ेगा_रेल_तब _बड़ेगा_देश‬

K-4 SLBM

K-4 হল ভারতের একটি নিউক্লিয় ওয়ারহেড যুক্ত ব্যালেস্টিক মিসাইল। এটিকে ভারতের নিজেস্ব প্রযুক্তিতে তৈরী INS ARIHANT থেকে লঞ্চড করা হয়। এই K-4 প্রস্তুত করেছে DRDO। এটি 2500 kg নিউক্লিয় বিস্ফোরক বহন করতে পারে। এর রেঞ্জ হল 3500 km। এটিকে একবার লঞ্চড করার পর এটি ক্রুজ মিসাইলের মতো "zig-zag path" অনুসরণ করে। এর ফলে, একবার টার্গেট লক হয়ে গেলে, K-4 তাকেই ধংস করবে তার গতিপথের মাঝে কোন বাধা আসলে এটি নিজে নিজেই তার গতি পথ পরিবর্তন করে। যেহেতু INS ARIHANT একটি পারমানবিক শক্তি চালিত সাবমেরিন তাই এটি পৃথিবীর যে কোন দেশের যে কোন শহর ধংস করতে সক্ষম। K-4 সিরিজের পরের মিসাইল K-5 এর রেঞ্জ হবে 5000 km।

শেষ!!

মুঘল.... সুলতান.... আফগান... তুরকি... আরব....শাসন শেষ!! বাবর.... আকবর....ওরংজেব....টিপু...গজনি ... ঘোরি দের দিন আর নেই!!! কিন্তু তারা,তাদের জারজ সন্তান দের এদেশ এ রেখে গেছে.....!!! সেই দিন আজো দেখছি আমরা......... লাখে লাখে হিন্দু ভাই দের জোর করে মুসলিম বানানো হয়েছে!! আজ কের দিনে দারিয়েও সেই একি ঘটনা....... বিহারের সিওয়ানে জোর করে অন্তত ৮০ টি হিন্দু পরিবার কে মুসলিম বানানোর চেস্টা হচ্ছে!! আমরা সেকুলার সেজে বসে আছি.......আমি ভেবে পাই না এরকম বাচার মানে কি?? পাকিস্তান... বাংলাদেশের কথা বাদ দিলাম.... নিজের দেশে আমাদের হিন্দু ভাই বোন দের এই দশা?? হয় বীরের মত বাচতে হবে নইলে মুসলিম হয়ে যাওয়া ভাল.. .....বীরের মত বাচতে হলে শিবাজী মহারাজ এর মত তলওয়ার ওঠাও.. .....যুদ্ধে নেমে পর.....শত্রু তোমায় ঘিরে ধরেছে!!" এই ঘোর কলিযুগে ধর্ম রক্ষার্থে সবাইকে শ্রি কৃষ্ণ হতে হবে!!!

Toton Ojha

আজ আমি আর অমিত দা ডায়মন্ড হারবারের বাসুল ডাঙলার পঞ্চগ্রাম গিয়েছিলাম। সেখানের হিন্দুদের করুন অবস্থা দেখে এলাম।২৫ টারও বেশি হিন্দু বাড়ি সম্পর্ণ আগুনে পুড়ে মাটির সঙ্ঘে মিশে গিয়েছে এছাড়া ধান ,চাল সব লুট করে নিয়ে চলে গেছে ।ওখানের হিন্দুদের বর্তমান কোনো থাকার জায়গা নেই। তাই তারা এখন খোলা আকাশএর নিছে রাত কাটাচ্ছে।তাদের পাশে কোনো রাজনৈতিক দাদাদের দেখতে পাওয়া যাইনি আজও। তবে ডায়মন্ড হারবারের বিধানসভা নির্বাচিত MLA (দীপক হালদার) দুপুরে খিচুড়ি খাওয়ায় ব্যবস্তা করেছে ওখানের এক মন্দিরে। এলাকায় প্রচুর পুলিশ ও RAF আছে।