বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ এডলফ হিটলারকে একটি বেশিই পছন্দ করে। ফেসবুকে হিটলারের জীবনী সানন্দে প্রকাশ করা হয়। অার বাংলার ছাগুকূলে হিটলার যেন এক অাদর্শের মূর্ত্যমান প্রতীক?
মুমিনরা কখনোই ইহুদীদের পছন্দ করে নি। সেই ১৪শ বছর থেকেই তাদের সাথে মুমিনদের বৈরি সম্পর্ক।
বিংশ শতাব্দি থেকেই ইহুদীরা শিক্ষা-দীক্ষায়,জ্ঞান- বিজ্ঞানে, ব্যবসা-বানিজ্যে, শিল্পে পৃথিবীর অন্য জাতিদের পেছনে ফেলতে শুরু করে। অার তাদের এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা দেখে হিটলারের তা সহ্যই হয় নি। হিটলার ইহুদী বিরুধী রাজনীতি শুরু করে। অার খুব সহজেই জার্মানীর সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তিতে পরিণত হয়। যুদ্ধ অারম্ভ হওয়ার সাথে সাথেই ইহুদীদের বংশ, নির্বংশ করতে নামে। চালায় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইহুদী নিধন। যেমনটা ৭১সালে পাকিস্তানী মুসলিম সৈন্যরা হিন্দু নিধনে নেমে ছিল।
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী
মুসলমানদের চিরশত্রু খ্রিস্টান
মুসলমানদের চিরশত্রু হিন্দু
এখন অারেক চিরশত্রু বৌদ্ধ।
যুগের পর যুগ তারা নতুন শত্রু তৈরি করে এসেছে। তবে 'শত্রুর শত্রু মিত্র হয়' এটা তারা ভাল করেই জানে। অার তাইতো এখনো হিটলার মুসলমানদের কাছে একজন পূজনীয় ব্যক্তি।
+/++/+/+/+/+/+/++/+
ইদানিং ফেসবুকে মুসলিম সেলেব্রেটিরা এদেশের প্রেক্ষাপটে ইহিদীদের সাথে হিন্দুদের তুলনা করে। তারা চায় ইহুদীরা যেভাবে গণহত্যার শিকার হয়েছে তেমনি হিন্দুরাও অাবার এরকম গণহত্যার শিকার হোক। এদেশের মুমিনরা ইহুদীদদের যতটা না ঘৃণা করে তার চেয়ে বেশি ঘৃণা করে হিন্দুদের। তারা হিন্দুদের অগ্রযাত্রা দেখতে চায় না। বারবার হিন্দুদের শারীরিক,মানসিকভাবে অত্যাচার করে।
একসময় অারবের অধিকাংশ জমি ইহুদীদের ছিল, কিন্তু ক্রমাগত মুসলিম অাগ্রাসনে তারা সব জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। অার এখন ইহুদীরা ছোট্ট একটি দেশ পেঢেছে, তাও অনেক রক্ত জড়িয়ে পেয়েছে। ঠিক একই ভাবে হিন্দুরাও মুসলিম অাগ্রাসনে সব সম্পদ হারাচ্ছে। তবুও বারবার ঘুরে দাড়নোর চেষ্টা করছে। মুসলিমরা অামাদের 'সুচাগ্র মেদীও' দিতে চাচ্ছে না। কৌরবদের মত সম্পদ হাতিয়ে নিচ্ছে। অার সেজন্যই তো মহাভারতে পান্ডবরা যুদ্ধের মাধ্যমে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। ঠিক তেমনি ইহুদীরাও নিজেদের সম্পদ পুনঃঅর্জনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অনেকটাই সফল তারা। পান্ডব, ইহুদীদের পথ হিন্দুরা যাতে ঘুরে দাড়াতে না পারে সেজন্যে মুসলিমরা কিন্তু সবরকম ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছে?
*++-++
অার সবশেষ কথা হল, ২০১০ সালে হিন্দুরা ইহুদীদের সমর্থনে সমাবেশ করেছে। 'ইহুদীদের জন্যে হিন্দু অার হিন্দুদের জন্যে ইহুদী ', এই নীতিতে বিশ্বাসী এক প্রজন্মের সৃষ্টি হয়েছে। ই#লাম যদি ক্যানসার হয়, তাহলে ই#দী হবে তার একমাত্র উপশম।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 2 July 2015
তোরা গরুর দুধ খাস , কিন্তু গরুর মাংস কেনো খাস না ?
কৃপা করে পড়ার পর আপনার মতামোত
জানাবেন।
বাংলায় একটা কথা আছে সুখে থাকতে ভুতে কিলায়।
কিছু মূর্খ লোক ধর্ম নিয়ে বারাবারি করে! আগে
নিজে ভাল হন পরে অন্যকে ভাল হতে বলবেন ।
১) অনেক দিন ধরে শুনছি মুসলিমেরা প্রশ্ন করে ।
"তোরা গরুর দুধ খাস , কিন্তু গরুর মাংস কেনো খাস
না ?"
উওর: সোজা উত্তর দিলেই তো হয় যে, গরু মাংস
খাওয়া কোন বুদ্ধিমান মানুষের জন্য সম্পূর্ন
নিষিদ্ধ ।
আপনার মা যখন আপনাকে জম্ম দেয়, তারপর মায়ের
দুধ খেয়ে বেঁচে থাকেন, আপনি কি সে মাকে জবাই করে
তার মাংস খেতে পারবেন ? আর যদি পারেন তাহলে
আপনাদের মায়ের প্রতি কোন ভালবাসা নেই ।
কিন্তু, একটি গাভী শুধু কোন একটি মানব শিশুকেই
দুধ প্রদান করে না , সারা জীবনভর অগণিত
মানুষকে দুধ প্রদান করে বাঁচিয়ে রাখে ।
আর যখন সেই গাভীটি দুধ দেওয়া বন্ধ করে দেয়
তখন হীন চরিত্রের লোকেরা অকৃতজ্ঞের মত সেই
প্রাণীটিকে কশাইখানাতে পাঠায় । এই প্রাণীটির কাছে
সে যে মাতৃঋণে আবদ্ধ, তাঁর প্রতি কোন দয়া
না করে হীনের মত কাজ করে।
২) অনেক দিন ধরে শুনছি মুসলিমেরা দাবি করে,
অতি চুলকানিতে, মূর্খেরা দাবি করে আপনাদের জন্য
গরুর মাংস খাওয়া হারাম করেছে কারন গরু
আপনাদের মা, তাহলে মায়ের চামড়া দিয়ে যে জুতো
বানানো হয় তা কেন পায়ে পরেন???
>>>>>>>উওর: সোজা উওর দিলে পারেন
মুসলিমদের জন্য শূকর হারাম কিন্তু সে শূকরের
মাংস দিয়ে যে ১৮০টিরও বেশি প্রসাধনী, খাবার
ইত্যাদি জিনিস তৈরি করা হয় যেমন, আইসক্রিম ,
লিপস্টিক , টুথপেস্ট, শ্যাম্পু, মোমবাতি, ইনসুলিন,
সিগেরেট ফিল্টার, কাপড় নরম করারকেমিক্যাল ,
পাউরুটি নরম করার উপাদান , জেলাটিন , ওয়াশিং
পাউডার , সাবান, জুতার গ্লু , ফেস ক্রিম , নানা
ধরণের মেডিক্যাল ব্যবহার সামগ্রী , ব্রাশ , বিয়ার
, কীটনাশক , ফ্রুটজুস , বডিলোশন , গ্লিসারিন ,
প্রসাধনী ইত্যাদি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস তৈরি
করা হয়, এগুলো কেন মুসলিমেরা ব্যবহার করে ??
<<<<<<<<<
>>>>> আর আমরা জানি যে চিন্ময় আত্মা
জড়দেহ ত্যাগ করার পর , সেই দেহে আর কোন
অনুভূতি বা চেতনা থাকে না। আর মৃত্যুর পর কারো
দেহ যদি অন্যের মঙ্গলে আশে তাতে খারাপ কি ?
যেমন, আপনারা জানেন অনেক মানুষ মৃত্যুর পূর্বে
তার চুক্ষ , হৃৎপিণ্ড ইত্যাদি সহ শরীর দান করে
আর সেগুলো কোন রোগী বা মানুষের দরকারে
ব্যবহার করে এবং অন্য মানুষ তার জীবন ফিরে
পায়, তাতে কি যারা ব্যবহার করে তাদের দোষ ?
তেমনি স্বাভাবিকভাবে মৃত পশুর চামড়া ফেলে না
দিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে ।
ব্রেকিং নিউজ
সবাই খুশি হয়ে যাও আজ ভোরে কাস্মির ঘাটিতে ভারতীয় সেনারা ৫ আতঙ্কবাদীকে ৭২ হুরের কাছে পাঠিয়েছে ।। সবাই বলুন আমিন ।।
মমতার চানক্য এবার মুকুলের দলে
মমতার চানক্য এবার মুকুলের দলে
অস্বীকার করে লাভ নেই তৃনমূল কংগ্রেস কে রাজ্যে প্রতিষ্ঠা করার পিছনে পঙ্কজ বন্দোপাধ্যায় র অবদান অনেকটা ,অথচ দলের সুখের দিনে উনার কথা তৃনমূল নেত্রীর মনেও পড়ে না(উনি অবশ্য মানুষদের ব্যবহার করে ছেঁড়া শালপাতার মত ফেলে দিতে সিদ্ধ হস্ত উদাহরণ ছত্র ধর মাহাতো, মাও বাদী কিশেনজি,ফেলানি বসাক ইত্যাদি)
একটা কথা আছে বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি , যেদিন উনি উনার স্পাইক কাটা ,আই আই পি এম নামক অবৈধ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে পাস করা গর্ধভ ভাইপোকে নিজের বিকল্প হিসাবে তুলে আনতে সুরু করেছেন সেদিন থেকেই দলের পতনের চিত্রনাট্য রচিত হয়ে গেছে
এবার দেখা আগে আগে হত হায় কেয়া ?
বাঙালী হিন্দু
বাঙালী হিন্দুদের একটু টাকা পয়সা বেশী হয়ে গেলে সাথে সাথে তারা হাইপ্রোফাইল হয়ে যায় ও গরীব মধ্যবিত্তদের একটু এড়িয়ে চলে । এমনকি নিজদের আত্মীয় ও রক্তের সম্পর্ককের লোককের পর ভাবে । আমি গত দুইদিন সাঁওতালদের সাথেই ছিলাম 'হুল দিবসের' জন্য । সাঁওতালদের মধ্যে অনেক হাইপ্রোফাইল ব্যাক্তি যারা বিদেশে থাকে তারা সেদিন এসেছিল দুর্গাপুর । অবাক হয়ে দেখলাম-তারাও একসাথে ধুতি পরে নাচল ধামসার তালে তালে,তারপর দেশী মহুয়া ভাতের মদ একসাথে খেয়ে আনন্দ করছিল । সাঁওতালরা আর্থিক ভেদাভেদে বিশ্বাসী নয় তারা গরীবকেও নিজেদের ভাই ভেবে কাছে টেনে নেয় । কিন্তু আমাদের বাঙালীদের কথা একবার ভাবুন? একটা গাড়ি ও একটা বাড়ী তৈরী করে নিজেকে কিনা ভাবে । বাঙালীদের মধ্যে হিংসা আছে,কেউ কারও সুখ দেখতে পারেনা তাই বাঙালীর এতো অবনতি ।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ১৯২১ সালে। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন লর্ড হার্ডিঞ্জ ১৯১২ সালে। কিন্তু কয়জন যানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা কালে মুসলিদের মন ভাব কি ছিল?? সত্য এই যে মুসলিম চাইতো না ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হোক। এই বিরোধীয় আবার দুই বঙ্গের মুসলিমের আলাদা উদ্দেশ্য ছিল।
পশ্চিমবঙ্গের মুসলমান–তারা মনে করেছিলেন, ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হলে পশ্চিমবঙ্গের মুসলমানদের কোনো লাভ নেই। পূর্ববঙ্গের মুসলমানদেরই লাভ হবে। তাদের জন্য ঢাকায় নয় পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় হওয়াটাই লাভজনক। এতে পশ্চিমবঙ্গ মুসলিম ফায়দা পাবে। এই জন্যই সেই সময় প্রতিষ্ঠা কালে পশ্চিমবঙ্গ মুসলিম বিরোধীতা করে।
আর পূর্ব বাংলার মুসলমান তারা মনে করেছিলেন, পূর্ব বঙ্গের মুসলমানদের মধ্যে ১০০০০ জনের মধ্যে ১ জন মাত্র স্কুল পর্যায়ে পাশ করতে পারে। কলেজ পর্যায়ে তাদের ছাত্র সংখ্যা খুবই কম। বিশ্ববিদ্যালয় হলে সেখানে মুসলমান ছাত্রদের সংখ্যা খুবই কম হবে।
পূর্ববঙ্গে প্রাইমারী এবং হাইস্কুল হলে সেখানে পড়াশুনা করে মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষার হার বাড়বে। আগে সেটা দরকার। এবং যদি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে মুসলমানদের জন্য যে সরকারী বাজেট বরাদ্দ আছে তা বিশ্ববিদ্যালয়েই ব্যয় হয়ে যাবে। নতুন করে প্রাইমারী বা হাইস্কুল হবে না। যেগুলো আছে সেগুলোও অর্থের অভাবে বন্ধ হয়ে যাবে। সেজন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয় চান নি।
মুলত বঙ্গভঙ্গর কারণে ক্ষতি হওয়ায় ক্ষতি পূরণের জন্য ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে লর্ড হার্ডিঞ্জ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আগেই।
যেসকল মুসলিম বলছে তখন হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা বিরোধী ছিলে তারা অকৃতজ্ঞ বেইমান। সে সময় পূর্ব বঙ্গে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় ছিল না। মুসলিম শিক্ষিত করতে সেই সময়য়ে হিন্দুই এগিয়ে আসে। পূর্ব বঙ্গ মুসলমান অধ্যূষিত বলে পূর্ব বঙ্গের মুসলমানদের জন্য উচ্চ শিক্ষার দরোজা খুলে যাওয়ার সুযোগ ঘটে। পাশাপাশি পূর্ববঙ্গের অন্যান্য ধর্মের লোকজনের জন্যও এটা বড় সুযোগ সৃষ্টি হয়। সকলেই এই প্রস্তাবটি স্বাগত জানায়। সকলেই সহযোগিতার হাত বাড়ায় তখন।
সেই সময় মৌলানা আকরাম খান আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, সরকার বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অর্থ বরাদ্দ করলে সাধারণ মুসলমানদের শিক্ষা সংক্রান্ত বিশেষ সুযোগ-সুবিধা দানের ক্ষেত্রে অর্থের ব্যবস্থা করবেন না। মুসলমানদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষা অপেক্ষা প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি (প্রাথমিক ও মাধ্যমিক) শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার উপর তিনি গুরুত্ত্ব আরোপ করেন। আবদুর রসুল আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় মুসলমানদের পক্ষে ‘বিলাসিতা’ বলে আখ্যা দিয়েছিলেন। তার মতে কয়েকজন ভাগ্যবানের জন্য অর্থ ব্যয় না করে বেশিরভাগ মানুষের জন্য তা ব্যয় করা উচিৎ। মুসলমানদের মতে প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় হবে একটি অসাম্প্রদায়িক প্রতিষ্ঠান, ফলে বাংলার মুসলমানদের বিশেষ কিছু লাভ হবে না। বরং গরীব অথবা যোগ্য মুসলমান ছাত্রদের বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা এবং দু-একটি প্রথম শ্রেণীর কলেজ স্থাপন ইত্যাদি করলে মুসলমানদের মধ্যে শিক্ষাবিস্তার সম্ভব হবে। চব্বিশ পরগণার জেলা মহামেডান এসোসিয়েশন মুসলিম ১৯১২-র ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যায় স্থাপনের বিরোধিতা করে। শেষ পর্যন্ত স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য চারটি নতুন অধ্যাপক পদ সৃষ্টির বিনিময়ে তার বিরোধিতার অবসান করেছিলেন। পরবর্তিতে স্যার আশুতোষ মুখোপাধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য শিক্ষক নিয়োগে সহযোগিতা করেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্যার নীলরতন সরকার।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ ধরনের একটি অভিযোগ সম্প্রতি সংবাদপত্রসহ বিভিন্ন মিডিয়াতে প্রকাশিত হয়েছে। অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা থেকে প্রকাশিত একটি ইংরেজি পত্রিকার সম্পাদক। কিছু কিছু কলামলেখকও নানা সময়ে সংবাদপত্রে এ ধরনের তথ্য প্রকাশ করছেন। ২০০০ সনে আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ধারাবাহিকতা এবং প্রাসঙ্গিক কিছু কথা’ নামে একটি বইয়ে মেজর জেনারেল (অব.) এম এ মতিন, বীরপ্রতীক, পিএসসি (তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা) একটি তথ্য জানান যে, ”১৯১২ সালের ২৮শে মার্চ কলিকাতা গড়ের মাঠে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রতিবাদে এক বিশাল জনসভার আয়োজন করা হয়।” তিনি অভিযোগ করেন যে, রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কালি ও কলম পত্রিকার সম্পাদক মণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এজেড এম আব্দুল আলী একটি পত্রিকায় এই অভিযোগটির বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, যারা রবীন্দ্রনাথের বিরুদ্ধে এই অভিযোগটি করছেন তারা তাদের রচনায় কোনো সূত্রের উল্লেখ করেন নি। তবে ইসলামী ফাউন্ডেশন থেকে প্রকাশিত একটি গ্রন্থে এই ধরনের একটি মনগড়া অভিযোগের উল্লেখ পাওয়া যায়। মেজর জেনারেল (অবঃ) আব্দুল মতিন এই গ্রন্থ থেকেই তথ্যটি ব্যবহার করেছেন। ঐ তারিখে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কোলকাতায়ই উপস্থিত ছিলেন না এবং তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরোধিতা করেন নাই। করলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছরের মধ্যেই ভাষণ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হত না। ১৯৩৬ সালে তাকে ডিলিট উপাধী প্রদানের বিষয়েও বিরোধিতা হত। বরং তাঁকে দুবারই মুসলমান-হিন্দু সকল শ্রেণীর ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান আন্তরিকভাবে সম্মাননা প্রদান করেছে।
Shiv Sena West Bengal
হিন্দুর কন্ঠস্বর তুলে ধরতে বাংলাতে
আসছে শিবসেনার মুখপত্র "সামনা" ।
হিন্দুত্ব নামের ভেকধারী ভন্ডদের
মুখোশ খুলতে এই বাংলার মাটিতে
প্রকাশিত হতে চলেছে "সামনা" । প্রতি
জেলাতেই "সামনা" পত্রিকাটি পাওয়া
যাবে ।
Subscribe to:
Posts (Atom)