Friday, 3 July 2015

কোথাও পুলিশের লাঠিচার্জ, কোথাও অবরোধ

কোথাও পুলিশের লাঠিচার্জ, কোথাও অবরোধ। ফিরে এল ২০১৩-র ছবি। প্রাথমিক টেটের ফর্ম বিলিকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার সেই চেনা দৃশ্য। বাঁকুড়ার বিদ্যাভবন স্কুলের সামনে মাঝরাত থেকে লাইন পড়ে। অভিযোগ, রাতভর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও ফর্ম তুলতে পারেননি বহু কর্মপ্রার্থী। যার জেরে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। লাঠির ঘায়ে আহত হন বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। একই ছবি উত্তর চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন এলাকায়। অব্যবস্থার অভিযোগে ব্যারাকপুরের চিড়িয়া মোড়ে পথ অবরোধ করেন কর্মপ্রার্থীরা। পথ অবরোধ হয় নিমতাতেও। অবরোধের জেরে নাকাল হন নিত্যযাত্রীরা। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। রানাঘাটেও চূড়ান্ত হয়রানির শিকার চাকরিপ্রার্থীরা। পুলিশ থাকলেও বিশৃঙ্খলা এড়াতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। টেটের ফর্ম নিয়ে কালোবাজারির অভিযোগে চূড়ান্ত ঝামেলা উলুবেড়িয়ার বাজারপাড়ায়। কর্মপ্রার্থীদেরসঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এক কর্মপ্রার্থী। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ফর্ম বিলি নিয়ে প্রায় একই পরিস্থিতি হাওড়া ময়দান এলাকায়। রাতভর লাইনে দাঁড়িয়েও ফর্ম না পাওয়ায় বারুইপুরের পুরাতন বাজারে পথ অবরোধ কর্মপ্রার্থীদের। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। পরিস্থিতি দেখে অনেকেরই মনে পড়ে যাচ্ছে, ২০১৩-র কথা। সেবারও প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে এমনই বিশৃঙ্খলার ছবি দেখা গিয়েছিল। — anadabazar patrika

গত এক মাসে(জুন) পশ্চিমবঙ্গে নারীর ওপর ঘটে যাওয়া সহিংস কিছু ঘটনা

গত এক মাসে(জুন) পশ্চিমবঙ্গে নারীর ওপর ঘটে যাওয়া সহিংস কিছু ঘটনা, যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে, তা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। খবর গুলির একটি বাদে সব কটিই এবিপি আনন্দ এবং 24 ঘণ্টা হতে সংগৃহীত। 1/6/15- কলকাতার আর জে কর হাসপাতালে মাসুম আলী খান ও হায়দার আলী নামে দুই কর্মচারী কর্তৃক 24 বছর বয়সী এক মহিলাকে গণ ধর্ষন। 3/6- গিরিশ পার্ক হত্যাকাণ্ডে প্রতিমা মাইতী খুনে মূল অভিযুক্ত আলম আলী। 3/6- বাগুই হাটি হত্যাকান্ডে নিহত সোনিয়া সিং ওরফে সুভদ্রা হালদার খুনে অভিযুক্ত তার নিকট আত্মীয়রা। তাকে প্রথম যৌন পল্লীতে বিক্রি করে সিরাজ নামের এক ব্যক্তি। 4/6- পরীক্ষা হল থেকে বেরিয়ে যেতে বলায় টিএমসিপি নেতা তাজমুল হক দুই শিক্ষিকাকে সরাসরি ধর্ষন ও খুনের হুমকি দিল। 10/6- মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দুই রোগীর আত্মীয়কে শ্লীলতাহানি করল শাহজাহান শেখ নামে আর এক রোগীর আত্মীয়। 11/6- বাগদার হরিহর পুরে এক মহিলার শিশু পুত্রের গলায় অস্ত্র ধরে তাকে ধর্ষন করল রমজান মণ্ডল ও রফি মণ্ডল নামে দুই ব্যক্তি। 12/6 বাঁকুড়া বাসস্ট্যাণ্ডে এক মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং তার সঙ্গীদেরকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতা বাপী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। 13/6- বলে দিলে স্বামীকে খুন করে দেবে হুমকি দিয়ে এক গৃহ বধূকে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত রাজ মন্ডল ও চিরন রায়। 19/6- মগরা হাটে 15 বছর বয়সী টুকটুকি মণ্ডলকে অপহরণ করল ( দ্বিতীয় বার) রমজান গাজীর ছেলে বাবুসোনা গাজী। 23/6- শালীকে বারংবার ধর্ষনে অভিযুক্ত জেলবন্দী জামাইবাবু শওকত শেখে জেলে বসেই শালিকে অপহরন ও শ্লীলতাহানি করাল বন্ধুদের দিয়ে, পরে গাড়ী থেকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে। 26/6- প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় বাড়ীর জানালা দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ছাত্রীর গায়ে আগুন দিল মুশিওর খান নামে এক যুবক। সেই আগুনে মা-বাবা সহ সেই ছাত্রীটি অগ্নিদগ্ধ। অতএব উপরোক্ত 11টি ঘটনা বিশ্লষণ করে দেখা যাচ্ছে যে 9 টি ঘটনার সাথে আমাদের সংখ্যালঘু ভাই মুসলিমরাই যুক্ত,। যা মোট ঘটনার 81%। অপর দিকে সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দুরা যুক্ত 27% ক্ষেত্রে। অন্যন্যরা নিল। এখানে উল্লেখ্য একটি ঘটনায় উভয় সম্প্রদায়ই যুক্ত হওয়ায় % হিসাবে মিলবে না। যাইহোক অনেকই যে ধর্ষন ও খুনে মুসলিমদেরকেই কাঠগোড়ায় তোলে, তা যে মিথ্যা নয়, গতমাসের ঘটনা গুলি কিন্তু তাই প্রমান করছে। জানিনা আরও বাড়তে কি না রমজান মাস না এলে। আর সংখ্যালঘু হয়েই যদি এই হয়, সংখ্যাগুরু হলে কি হবে, তা সহজেই অনুমেয়। কিন্তু কেন? সংগৃহীত Suman Mandalএর থেকে।

জম্মু-কাশ্মীরে VHP আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে গেরুয়া সেনাদের

***সুখবর***সুখবর***সুখবর*** জম্মু-কাশ্মীরে VHP আত্মরক্ষার্থে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ দিচ্ছে গেরুয়া সেনাদের।জম্মুর বিভিন্ন জায়গায় চলছে প্রশিক্ষণ। বহু অত্যাচার নির্যাতন সয়ে জেগে উঠেছে কাশ্মীরী হিন্দু। ধর্মযুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে। জঙ্গিবাদী মোল্লারা আশির দশকে কাশ্মীরী পণ্ডিতদের উপর যে গণহত্যা চালিয়েছিল এবার তার বদলা নেওয়া হবে। জঙ্গি সন্ত্রাসীদের রক্তে কাশ্মীরের মাটি ধুয়ে আবার হিন্দুর বাস ফিরিয়ে আনা হবে। ‪#‎ জয়শ্রীরাম‬ হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়। ‪#‎ VHP‬ ‪#‎ RSS ‬https://m.facebook.com/story.php?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C2287159318

সাধ্বী প্রাচী

আজ সাধ্বী প্রাচীর হূঙ্কার শুনে আবার মনে পড়ে গেল হিন্দুস্থানের এক শ্রেষ্ঠ বীরকে।হ্যাঁ তিনি আমাদের প্রাণপ্রিয় হিন্দু হৃদয় সম্রাট শিবসেনা প্রতিষ্ঠাতা প্রধান প্রয়াত শ্রী বালাসাহেব থাকড়েজী। এমনই একবার এক অমরনাথ তীর্থ যাত্রা বন্ধ করে দিয়েছিল ঐ জাতটা।বালাসাহেবজী হূঙ্কার ছাড়লেন-অমরনাথের পথ যদি মোল্লারা না ছাড়ে তবে একটা মোল্লাও এবার মুম্বাই এয়ারপোর্ট থেকে হজযাত্রা করে দেখাক কেটে রেখে দেব। সঙ্গে সঙ্গে সারা দেশের সব হজ ফ্লাইট বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ আর মোল্লারাও সূড়সূড় করে অমরনাথের পথ ছেড়ে দেয়। আইএস,আলকায়দাদের সাথে মিলে ভারতের মোল্লারা নাকি এবার অমরনাথে সন্ত্রাসবাদী হামলা করবে।আমরা বলি কি-করে দেখা একবার।পরবর্তী একশন যে কি হবে সেটা সাধ্বীজীই বলে দিয়েছেন।আমরা শুধু সেটা বাস্তবায়িত করব এই যা! ‪#‎ জয়শ্রীরাম‬ হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।

Hindu Rastra হিন্দু রাষ্ট্র

হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতার পবিত্র ভূমিতে গোহত্যাকারীদের বিরুদ্ধে বজরংদলের ধর্মযুদ্ধ ঘোষণা★ আপনারা জানেন, ভারতের সর্বোচ্চ আদালত গো হত্যা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে। এর পরেও এই কদিন আগে উত্তর প্রদেশের মুজাফফরনগরে রিয়াজ নামে ছবির এই ব্যক্তি আইনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে প্রকাশ্যে গোহত্যা করে হিন্দুদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত করে।এতে করে ফুঁসে ওঠে মুজাফ্ফরপুরের স্থানীয় হিন্দু জনতা। পুলিশের আগেই এগিয়ে আসে বজরংদল। শুরু হয় বজরঙ্গি একশন......... সেকু মাকুরা আনেকেই তাদের স্বভাবসুলভ সমালোচনা করেছে। কিন্তু আইন ভঙ্গ করলে সাধারণ জনতা শুনবে কেন? হিন্দুদের ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার সাহস ওরা করবে কেন? গো হত্যা না করলে কি ক্ষতি? গোহত্যাকারী দের কোনো ছাড় নয়। সরকার এবং প্রশাসন যদি এই নরপশুদের সাজা দিতে বিলম্ব করে তবে আমরাই ওদের সাজা দেব- বজরংদল। ‪#‎ জয়শ্রীরাম‬ আর ছাড় নয়, এরপর থেকে আরো করুণ পরিণতি অপেক্ষা করছে গোহত্যাকারীদের ভাগ্যে।সাবধান...... হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।

CPIM ভারতের কম্যুনিস্ট পার্টি

ভারতের কম্যুনিস্ট পার্টির মতো এতো বড় হিন্দু বিদ্বেষী, দেশের সংস্কৃতি , ইতিহাস বিকৃতকারী দল আর একটিও নেই । আসুন জেনে নিই CPM-কে কেনো দেশদ্রোহী বলা হয় - এরা মুসলিম লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে পাকিস্তানের দাবিকে সমর্থন করেছিলো! নেতাজিকে এরা বলেছিল তোজোর কুকুর! স্বামী বিবেকানন্দকে বলেছিল সাম্রাজ্যবাদের দালাল! বিপ্লবী ক্ষুদিরামকে সন্ত্রাসবাদী বলেছিল! রবীন্দ্রনাথকে বলেছিল বুর্জোয়া কবি! ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীন হওয়াতে দুঃখ পেয়ে বলেছিল “ এই স্বাধীনতা মিথ্যা“! ১৯৬২ সালে ভারত-চিন যুদ্ধের সময় নির্লজ্জের মত চিন কে সমর্থন করেছিলো! বন্দেমাতরাম বলতে এদের লজ্জা হয়! স্বাধীনতা ও প্রজাতন্ত্র দিবসে এরা জাতীয় পতাকা উত্তলন করে না! এদের চোখের জলের বান ডাকে palestaien এর জন্য কিন্তু বাংলাদেশ আর পাকিস্তানে হয়ে চলা হিন্দু দের ওপর অত্যাচার নিয়ে চুপ । বর্তমানে আবার যোগার বিরোধীতায় সরব এদের শীর্ষস্থানীয় নেতারা! এই দেশদ্রোহী কম্যূনিস্ট পার্টী কে ছুড়ে ফেলে দিন। ‪#‎ RSS‬

Tukutuki Mondal টুকটুকি

টুকটুকি নামের বাচ্চা মেয়েটি কি দোষ করেছিলো? তাকে কেন অপহরন করা হল? মেয়েটি কি শুধু একজন হিন্দু বলেই তার সাথেই এমন হবে। যে সকল চুসিলরা মানবতার কথা বলেন তারাই বা আজ কোথায়? মানবতা কি শুধু একটি নির্দিষ্ট ধর্মের মানুষের জন্য?? প্রশ্ন রইল জাতির কাছে? ‪#savetuktuki‬& ‪#hindusister https://m.facebook.com/events/1018611764839951?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C4963417290‬