Friday, 3 July 2015

প্রভাবশালী ধনাঢ্য হিন্দুদের নামে একটি লিস্ট

দেশভাগের পূর্বে এদেশের প্রভাবশালী ধনাঢ্য হিন্দুদের নামে একটি লিস্ট তৈরি করেছিল মৌলবাদীরা। দেশভাগের পর লিস্ট কৃত ব্যক্তিদের হত্যা করে, তাড়িয়ে দিয়ে তাদের সম্পত্তি দখল করেছিল জিহাদী মৌলবাদীরা। বর্তমানেও হিন্দু প্রভাবশালীদের নামে তালিকা করা হচ্ছে। এমনকি উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের (যারা নাম মাত্র হিন্দু) নামেও দীর্ঘ লিস্ট প্রস্তুুত করা হয়ে গেছে। অার অনলাইনে তা ছড়িয়েও দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু যারা এসব কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। তাহলে অামরা কি অাবারো বড় মাত্রায় সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার হচ্ছি?

ইউজিসি-র স্বীকৃতিহীন বিশ্ববিদ্যালয়

অনেক ক্ষেত্রেই ইউজিসি-র স্বীকৃতিহীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে প্রতারিত হন পড়ুয়া। এ জন্য পড়ুয়াদের সচেতনা বৃদ্ধির জন্য ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়গুলির রাজ্যওয়ারি তালিকা প্রকাশ করল ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (ইউজিসি)। ২১ বিশ্ববিদ্যালয়কে ভুয়ো আখ্যা দিয়েছে ইউজিসি। একটি বিজ্ঞপ্তিতে ইউজিসি বলেছে, পড়ুয়া ও সামগ্রিকভাবে জনগনকে জানানো হচ্ছে যে, ২১ টি স্বঘোষিত এবং স্বীকৃতিহীন ইউনিভার্সিটি ইউজিসি আইন লঙ্ঘণ করে কাজ চালাচ্ছে। এগুলিকে ভুয়ো ঘোষণা করা হচ্ছে।ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ডিগ্রি প্রদানের কোনও অধিকার নেই। তালিকা অনুযায়ী, রাজধানী দিল্লিতে এ ধরনের ছয়টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ৯ টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তালিকার শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ। ইউজিসি আইন, ১৯৫৬ অনুযায়ী, কেন্দ্র বা রাজ্যে আইন করে বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত হয়। এছাড়াও ইউজিসি আইনের ৩ নম্বর ধারায় স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় বলে দাবি করতে পারে। তাই ২৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ওই আইন না মানলে কোনও প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয় শব্দ ব্যবহার করতে পারে না। ইউজিসি-র ঘোষিত ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তালিকা- . মৈথিলি ইউনিভার্সিটি, দারভাঙা, বিহার . বরনসেয়া সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি . কমার্সিয়াল ইউনিভার্সিটি. দিল্লি . ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি, দিল্লি . ভোকেশনাল ইউনিভার্সিটি, দিল্লি . এডিআর-সেন্ট্রাল জুডিসিয়াল ইউনিভার্সিটি, দিল্লি . ইন্ডিয়ান ইন্সস্টিটিউশন অফ সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, দিল্লি . বাদাগনভি সরকার ওয়ার্ল্ড ওপেন এডুকেশনাল সোসাইটি, বেলগাম, কর্নাটক . সেন্ট জনস ইউনিভার্সিটি, কিষানাট্টম, কেরল . কেশওয়ারি বিদ্যাপীঠ, জবলপুর, মধ্যপ্রদেশ . রাজা আরাবিক বিশ্ববিদ্যালয়, নাগপুর, মহারাষ্ট্র . ডিডিবি সংস্কৃত ইউনিভার্সিটি, পুতুর,ত্রিচি, তামিলনাড়ু . ইন্ডিয়ান ইন্সস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ . মহিলা গ্রাম বিদ্যাপীঠ, এলাহাবাদ, উত্তরপ্রদেশ . গাঁধী হিন্দি বিদ্যাপীঠ, এলাহাবাদ, উত্তরপ্রদেশ . ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ ইলেকট্রো কমপ্লেক্স হোমিওপ্যাথি, কানপুর, উত্তরপ্রদেশ . নেতাজী সুভাস চন্দ্র বোস ইউনিভার্সিটি, আলিগড়, উত্তরপ্রদেশ . উত্তরপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরপ্রদেশ . মহারানা প্রতাপ শিক্ষা নিকেতন বিদ্যালয়, প্রতাপগড়, উত্তরপ্রদেশ . ইন্দ্রপ্রস্থ শিক্ষা পরিষদ, নয়ডা-ফেজ-২, উত্তরপ্রদেশ . গুরুকূল বিশ্ববিদ্যালয়, মথুরা, উত্তরপ্রদেশ

গুজবে কান দিবেন না

ভাইয়েরা গুজবে কান দিবেন না। কে বা কারা অনলাইনে প্রচার করতে লাগল, স্বামীবাগ ইস্কন মন্দিরে নাকি হামলা হয়েছে? অথচ সেখানে তো জিহাদী কর্তৃক কোন হামলা হয় নি। এমনিতেই মুমিনরা এদেশের সাম্প্রদায়িক হামলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে প্রচার করে। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে অাবার অস্বীকার করে। এরুপ পরিস্থিতিতে এরকম অসত্য ঘটনা প্রচার করে এদেশের সাম্প্রদায়িক হামলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে তারা। এইসব অপপ্রচারকারীদেরখোঁজে বের করে তাদের শাস্তির অাওতায় অানা হোক। এমনিতেই এদেশের মুমিনরা গুজব রটাতে উস্তাদ। সেই ব্রিটিশদের সময় থেকে গুজব রটিয়ে হিন্দুদের ক্ষতি করছে। সেই মুমিনরাই তো গুজব ছড়িয়ে ‪#‎ নোয়াখালী_দাঙ্গা ‬বাধিয়েছিল। বরিশাল দাঙ্গার মত বড় বড় সাম্প্রদায়িক হামলা তো তারা গুজব ছড়িয়েই করেছিল। অামরা কি সেসব ঘটনা ভুলে গেছি? গুজব ছড়িয়ে তারা তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে। অামরা তো জানিই, গুজব না ছড়ালে তারা শান্তি পাবে না। কিন্তু অামরা গুজব রটাতে যাব কোন দুঃখে? এদেশে এমন একটি দিন নেই যেদিন হিন্দু, সংখ্যালঘুদের উপর অন্যায়, অত্যাচার করা হয় না। সেগুলো প্রচার করতে করতেই তো অাপনারা ক্ষান্ত হয়ে যাবেন। কিন্তু অাপনারা বারবার এই স্বামীবাগ ইস্কন মন্দিরকে বারবার টেনে অানছেন কেন? মুমিনরা ভাল করেই জানে, এই একটি ইস্কন মন্দিরে হামলা হলে তা সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে সেই খবরটি পৌছবে। সেজন্যেই মুমিনরা চাইবে না এই মন্দিরে হামলা হোক। তাই বলি, সব গুজব মুমিনরা ছড়ায় না, তবে মুমিনই গুজব ছড়ায়। তাই তাদেরকে গুজবের সাথেই থাকতে দিন। এমনিতেই হিন্দুদের উপর এমন এমন সাম্প্রদায়িক হামলা হয় যা অামরা নিজেরাই বিশ্বাস করতে পারি না। যেমন -পাকিস্তানে মসজিদে পানি পান করা নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বিশ্বাসযোগ্য ছিল না। কিন্তু যখন একটি প্রভাবশালী পত্রিকা সেটি নিয়ে লিখল, তখনই অামরা সেটি বিশ্বাস করি। মুমিনদের মতে, বিশ্বাস ঈমানের অঙ্গ। তাই প্রত্যেক মুমিন বান্দা বড় হুজুরদের কথা বিশ্বাস করে। মনে রাখবেন, বুজুর্গ মোল্লা যদি 'হুক্কা হোয়া, হুক্কা করে' তাহলে মুমিন বান্দারাও 'ক্যায়া হোয়া,ক্যায়া হোয়া' বলতে বলতে সেই মোল্লার দিকেই অগ্রসর হবে। তাই অামাদের জন্যে গুজব ছড়ানো কতটা বিপজ্জনক অার অসম্মান হতে পারে তা অাপনাদের সময় থাকতেই বোঝা উচিত।

পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরা কঠোর হচ্ছে

পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরা কঠোর হচ্ছে। ভারতের সব জায়গাতেই ইতিমধ্যে মোল্লাদের অত্যাচারের কথা বর্নিত হয়ে গেছে। তাদের ধর্ম যে মিথ্যা আজ তা কারো কাছে গোপনীয় নয়। এই জাত দূর করতে হবে। পশ্চিম বঙ্গে হুংকার উঠছে বাংলাদেশে যদি হিন্দুরা অত্যাচারিত হয় তাহলে ভারত বর্ষে কোনো মোল্লার ঠাই হবে না। কচু কাটা দেয়া হবে মোল্লাদের। এবার যা হবার হবে।সেষ যুদ্ধে করা হবে। মোল্লা সাবধান। সাবধান মোল্লা। মোল্লাগিরি তোদের ইসলামীক টেরোরিস্ট কান্ট্রি তে গিয়ে দেখা। ভারত বর্ষে তোদের ভন্ডামির স্থান নেই। প্রয়জোনে বাংলাদেশ থেকে সকল হিন্দু ভারতে চলে আসবে। দেশ আবার ভাগ করে দেয়া হবে। হিন্দুর সম্পত্তি দিয়ে হিন্দুদের আলাদা স্থান করে দেয়া হবে।এই বার্তা বাংলাদেশ সরকারের কাছে গিয়ে কঠোর আবেদন করা হবে। মোল্লা মোল্লার দেশেই থাকবে। হিন্দু -মুসলিম যখন এতই বিরোধ, তাহলে দরকার নেই কোনো মোল্লার ভারত থাকার অথবা কোনো হিন্দুদের বাংলাদেশ থাকার। মনে রাখবেন, মোল্লার হাতে শারীরিক, মানসিক, দৈহিক নির্যাতিত হওয়ার চেয়ে, হিন্দু দেশে এসে মৃত্যু বরন করা অনেক শ্রেয়। . পোস্টটি কপি/ শেয়ার করে বাংলাদেশ সরকারের কাছে ও হিন্দু দাদারা আবেদন করুন। আন্দোলন জোরদার করুন। সকল হিন্দু সংঘটন কে এক হোন। এবং বাংলাদেশের সরকারের কাছে মন্ত্যব্য পেশ করুন। নাহলে জীবনে ও অধিকার আদায় করতে পারবেন না, দুখে দুখে মরতে হবে। মনে রাখবেন অধিকার কেউ দেয় না। অধিকার আদায় করে নিতে হয়।

ইসলামের নবীদের যথেচ্ছাচারী যৌনজীবন

নাস্তিক বন্ধুরা, অনলাইনে স্থানে- অস্থানে বা যখন ইনবক্সের আদার ফোল্ডার খোলেন, তখন আপনারা নিশ্চয়ই দেখেন, কত আস্তিক ভায়া আপনার মাতা এবং ভগ্নীর সহিত সঙ্গম করিতে ইচ্ছুক। শুধু তাহাই নহে, তাহারা পারিলে, আপনাদেরকেও আপনাদের আপন মাতা/ভগ্নীর সহিত সঙ্গম করায়, নাউজুবিল্লা। তাহাদের এহেন আচরণের কোনো সদুত্তর না পাহিয়া আমি দ্বারস্থ হইলাম কুরান এবং তার পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর। ভাবিয়াছিলাম, কুরান-বাইবেল হইতে উদ্ধৃতি দিয়া তাহাদিগকে দেখাইবো যে, তোমরা যাহা বলিতেছো, তাগা তোমাদের ধর্ম সমর্থন করে না। ওহ ওয়েল, কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ বের হয়ে এসেছে মোটামুটি। বাইবেল এবং কুরানে ইনসেস্ট বা অজাচার মুখে সমর্থন না করিলেও নবী- রাসুলেরা নানা সময়ে তা পেকটিস করিয়াছিলেন। মুহাম্মাদ তাহার উম্মতদের জন্য তাহা মানা করিয়া গেলেও তাহাদের মনের আশ তো আর মেটে না, যেখানে নবী পয়ম্বরেরা নিজেরাই করিয়াছিলেন। যাই হোক, আপনাদের কিছু উদাহরণ দেখাই ইসলামের নবীদের যৌনজীবনের… ১. আদম-হাওয়ার এবং তাদের পুত্র- কন্যারা: কোরানে অবশ্য আদম-হাওয়ার শুধু দুই পুত্র হাবিল-কাবিলের কথাই উল্লেখ আছে। অর্থাৎ বংশবৃদ্ধির জন্য হাবিল-কাবিলকে মাতাগমন করতে হয়েছে অবধারিতভাবে। ওদিকে বাইবেল বলে, কাবিলের বউ ছিল, কিন্তু কে এই বউ, তা জানা যায় না। এই বউ হতে পারে কাবিলের বোন অথবা তার মা হাওয়া। ২) হ্যাম এবং নোয়াহ: নুহ (আঃ) কে নেংটু দেখিয়া পুত্রের ঈমানদণ্ড দাঁড়াইয়া যায় বলে জানা যায় জেনেসিস ৯-এ। নুহ (আঃ) তার পুত্রের কাছে পুটু মারা খেয়েছিল কি না, সে ব্যাপারে কিছু আমরা জানি না। ৩) ইব্রাহিম এবং সারা: জেনেসিস ২০-এ ইব্রাহিম স্বীকার করে সারা তার সৎ বোন এবং স্ত্রী। ৪) লুত এবং তার কন্যারা: জেনেসিস ১৯-এ তাহাদের আদিম রঙ্গরসের কথা বিস্তারিত বলা হয়েছে। লুত (আঃ) তাহার দুই কন্যাকে নিয়া সোডম থেকে পালাইয়া লোকারণ্য থেকে অনেক দুরে বাসা বাধিল। এইদিকে দুই কন্যার উঠেছে যৌবনজ্বালা। আর লুতের চোখের সামনে এরাম দুইটা সেক্স বম্ব বড় হইতাছে দেখিয়াও হাত মারা ছাড়া লুত (আঃ)-এর আর কিছুই করার ছিল না। তথাপি দুই কন্যাই লুত (আঃ)-এর জন্য ব্যাপারটা সহজ করে দেয়, যাকে বলে একরকমের মুখে তুলে খাইয়ে দেওয়া। গিল্ট-ফ্রি সেক্সের জন্য মানুষের ইতিহাসে সেই প্রথম ব্যবহৃত হয় মদ। তাহারা তাদের পিতা লুত (আঃ)-কে মদ খাইয়ে মাতাল করে মেতে ওঠে আদিম খেলায়, যে খেলায় দিন কাটত আদম-হাওয়ার। পিতার ঔরসে দুই কন্যার দুইখানা পুত্র জন্ম দেন বলে বাইবেলে বরাতে জানা যায়। ৫) মুহাম্মাদ (স): ক) আবু বকর কি মুহাম্মাদের কিছু হইত? হউক বা না হউক, দোস্ত হইয়া গিয়াছিল শ্বশুর, যখন দ্বীনের নবী ৬ বছরের আয়সাকে বিবাহ করেন। খ) চাচাত ভাই আলীর কাছে নিজ কন্যা ফাতেমাকে বিয়া দেয় মুহাম্মাদ। চাচা-ভাতিজি বিবাহ। চাচা হইয়াছে সোয়ামি, আর পিতা হইয়াছিল ভাসুর। গ) আবু লাহাবের দুই পুত্র, যারাও কিনা মুহাম্মাদের চাচাতো ভাই ছিল, তাদের সাথে মুহাম্মাদের অপর দুই কন্যার বিবাহ হয়। এগেইন চাচা হইয়াছে সোয়ামি আর পিতা হইয়াছিল ভাসুর। গ) পালিত পুত্রের বউকে আধা-নেংটু দেখিয়া মুহাম্মাদের ঈমানদণ্ড দাঁড়ায় এবং ছলে-বলে-কলে-কৌশলে পরবর্তীতে পুত্রবধূকে বিবাহ। ঘ) সম্পর্কে ফুপু মাতার বয়েসী খাদিজাকে বিবাহ। যা থেকে মমিনদের মাইন্ড সেটের আইডিয়া পাওয়া যায় - কেন তারা ইনবক্সে মাতার বয়েসী মহিলাদের সাথে সঙ্গম করার ইচ্ছা ব্যক্ত করে। নবীর সুন্নত বলে কথা। লিখেছেন শান্তনু আদিব

কোথাও পুলিশের লাঠিচার্জ, কোথাও অবরোধ

কোথাও পুলিশের লাঠিচার্জ, কোথাও অবরোধ। ফিরে এল ২০১৩-র ছবি। প্রাথমিক টেটের ফর্ম বিলিকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার সেই চেনা দৃশ্য। বাঁকুড়ার বিদ্যাভবন স্কুলের সামনে মাঝরাত থেকে লাইন পড়ে। অভিযোগ, রাতভর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও ফর্ম তুলতে পারেননি বহু কর্মপ্রার্থী। যার জেরে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ আনতে লাঠিচার্জ করতে হয় পুলিশকে। লাঠির ঘায়ে আহত হন বেশ কয়েকজন চাকরিপ্রার্থী। একই ছবি উত্তর চব্বিশ পরগনার বিভিন্ন এলাকায়। অব্যবস্থার অভিযোগে ব্যারাকপুরের চিড়িয়া মোড়ে পথ অবরোধ করেন কর্মপ্রার্থীরা। পথ অবরোধ হয় নিমতাতেও। অবরোধের জেরে নাকাল হন নিত্যযাত্রীরা। পরে পুলিশি হস্তক্ষেপে অবরোধ ওঠে। রানাঘাটেও চূড়ান্ত হয়রানির শিকার চাকরিপ্রার্থীরা। পুলিশ থাকলেও বিশৃঙ্খলা এড়াতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ। টেটের ফর্ম নিয়ে কালোবাজারির অভিযোগে চূড়ান্ত ঝামেলা উলুবেড়িয়ার বাজারপাড়ায়। কর্মপ্রার্থীদেরসঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি। গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এক কর্মপ্রার্থী। হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। ফর্ম বিলি নিয়ে প্রায় একই পরিস্থিতি হাওড়া ময়দান এলাকায়। রাতভর লাইনে দাঁড়িয়েও ফর্ম না পাওয়ায় বারুইপুরের পুরাতন বাজারে পথ অবরোধ কর্মপ্রার্থীদের। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। পরিস্থিতি দেখে অনেকেরই মনে পড়ে যাচ্ছে, ২০১৩-র কথা। সেবারও প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ ঘিরে এমনই বিশৃঙ্খলার ছবি দেখা গিয়েছিল। — anadabazar patrika

গত এক মাসে(জুন) পশ্চিমবঙ্গে নারীর ওপর ঘটে যাওয়া সহিংস কিছু ঘটনা

গত এক মাসে(জুন) পশ্চিমবঙ্গে নারীর ওপর ঘটে যাওয়া সহিংস কিছু ঘটনা, যা আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে, তা আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। খবর গুলির একটি বাদে সব কটিই এবিপি আনন্দ এবং 24 ঘণ্টা হতে সংগৃহীত। 1/6/15- কলকাতার আর জে কর হাসপাতালে মাসুম আলী খান ও হায়দার আলী নামে দুই কর্মচারী কর্তৃক 24 বছর বয়সী এক মহিলাকে গণ ধর্ষন। 3/6- গিরিশ পার্ক হত্যাকাণ্ডে প্রতিমা মাইতী খুনে মূল অভিযুক্ত আলম আলী। 3/6- বাগুই হাটি হত্যাকান্ডে নিহত সোনিয়া সিং ওরফে সুভদ্রা হালদার খুনে অভিযুক্ত তার নিকট আত্মীয়রা। তাকে প্রথম যৌন পল্লীতে বিক্রি করে সিরাজ নামের এক ব্যক্তি। 4/6- পরীক্ষা হল থেকে বেরিয়ে যেতে বলায় টিএমসিপি নেতা তাজমুল হক দুই শিক্ষিকাকে সরাসরি ধর্ষন ও খুনের হুমকি দিল। 10/6- মালদা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে দুই রোগীর আত্মীয়কে শ্লীলতাহানি করল শাহজাহান শেখ নামে আর এক রোগীর আত্মীয়। 11/6- বাগদার হরিহর পুরে এক মহিলার শিশু পুত্রের গলায় অস্ত্র ধরে তাকে ধর্ষন করল রমজান মণ্ডল ও রফি মণ্ডল নামে দুই ব্যক্তি। 12/6 বাঁকুড়া বাসস্ট্যাণ্ডে এক মহিলাকে শ্লীলতাহানি এবং তার সঙ্গীদেরকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল নেতা বাপী চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে। 13/6- বলে দিলে স্বামীকে খুন করে দেবে হুমকি দিয়ে এক গৃহ বধূকে ধর্ষনের অভিযোগে অভিযুক্ত রাজ মন্ডল ও চিরন রায়। 19/6- মগরা হাটে 15 বছর বয়সী টুকটুকি মণ্ডলকে অপহরণ করল ( দ্বিতীয় বার) রমজান গাজীর ছেলে বাবুসোনা গাজী। 23/6- শালীকে বারংবার ধর্ষনে অভিযুক্ত জেলবন্দী জামাইবাবু শওকত শেখে জেলে বসেই শালিকে অপহরন ও শ্লীলতাহানি করাল বন্ধুদের দিয়ে, পরে গাড়ী থেকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে। 26/6- প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় বাড়ীর জানালা দিয়ে ঘুমন্ত অবস্থায় ছাত্রীর গায়ে আগুন দিল মুশিওর খান নামে এক যুবক। সেই আগুনে মা-বাবা সহ সেই ছাত্রীটি অগ্নিদগ্ধ। অতএব উপরোক্ত 11টি ঘটনা বিশ্লষণ করে দেখা যাচ্ছে যে 9 টি ঘটনার সাথে আমাদের সংখ্যালঘু ভাই মুসলিমরাই যুক্ত,। যা মোট ঘটনার 81%। অপর দিকে সংখ্যা গরিষ্ঠ হিন্দুরা যুক্ত 27% ক্ষেত্রে। অন্যন্যরা নিল। এখানে উল্লেখ্য একটি ঘটনায় উভয় সম্প্রদায়ই যুক্ত হওয়ায় % হিসাবে মিলবে না। যাইহোক অনেকই যে ধর্ষন ও খুনে মুসলিমদেরকেই কাঠগোড়ায় তোলে, তা যে মিথ্যা নয়, গতমাসের ঘটনা গুলি কিন্তু তাই প্রমান করছে। জানিনা আরও বাড়তে কি না রমজান মাস না এলে। আর সংখ্যালঘু হয়েই যদি এই হয়, সংখ্যাগুরু হলে কি হবে, তা সহজেই অনুমেয়। কিন্তু কেন? সংগৃহীত Suman Mandalএর থেকে।