চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে বলেছে, ভারত মহাসাগর ভারতের নিজস্ব এলাকায় নয় বলে সেখানে অন্যান্য দেশের নৌবাহিনীকে ঢুকতে না দেয়ার অধিকার তার নেই। চীন সফররত ভারতীয় সাংবাদিকদের এ কথা বলেছেন সিনিয়র ক্যাপ্টেন ঝাও ই। তিনি বলেন, মহাসাগরকে চলাচলের বৈধ এলাকা বলে মেনে নিতেই হবে।
তিনি আরো বলেন, ভারত মহাসাগরে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ভারতকে বিশেষ ভূমিকা পালন করতে হবে; তবে এর অর্থ এই নয় যে ভারত মহাসাগর ভারতের নিজস্ব এলাকা। সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভারত মহাসাগরকে ভারতের নিজস্ব এলাকা বলাটা মোটেও ঠিক হবে না। একে ভারতের নিজস্ব এলাকা বলে মনে করা হলে রাশিয়া, আমেরিকা বা অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর এ মহাসাগরে চলাচলের কি ব্যাখ্যা দেয়া যাবে বলে সাংবাদিকদের প্রতি পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দেন তিনি।
ভারত মহাসাগরে মারাত্মক সংঘর্ষ দেখা দেবে বলে আমেরিকার একটি ভূ-রাজনৈতিক থিং ট্যাংক যে দাবি করেছেন তা উল্লেখ করে ঝাও বলেন, চীন এ ধরনের কথা বিশ্বাস করে না। তবে কেউ যদি মহাসাগরকে নিজেদের নিজস্ব এলাকা বলে দাবি করে তবে এ ধরনের আশংকা উড়িয়ে দেয়া যায় না। ভারত মহাসাগরকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কেবল চীন নয় বিশ্বের জন্য এ অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ। কাজেই বোধগম্য কারণেই চীনের নৌবাহিনী ভারত মহাসাগরে চলাচল করবে বলেও জানান তিনি।
চীনের নৌবাহিনী যখন ভারত মহাসাগরসহ বিশ্বের মহাসাগরগুলোতে চলাচলের মাত্রা বাড়িয়ে দিচ্ছে তখন এ মন্তব্য করলেন চীনা এ কর্মকর্তা।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 2 July 2015
চীন-রাশিয়া মার্কিন নিরাপত্তাকে হুমকিগ্রস্ত করছে: ডেম্পসি
চীন ও রাশিয়া বিশ্বব্যাপী মার্কিন নিরাপত্তাকে হুমকিগ্রস্ত করে তুলছে বলে হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন মার্কিন সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ- জেনারেল মার্টিন ডেম্পসি। তিনি একইসঙ্গে আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, বিশ্বের স্থিতিশীলতা এবং প্রযুক্তি খাত চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।
জেনারেল ডেম্পসি বুধবার এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেন, অদূর ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্রকে একটি ‘বড় শক্তি’র বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে হতে পারে যার পরিণতি হবে ‘ভয়াবহ’। এই মুহূর্তে এ ধরনের যুদ্ধের আশঙ্কা কম হলেও তা প্রতি মুহূর্তে বাড়ছে বলে তিনি জানান। ২০১৫ সালের মার্কিন জাতীয় সমর কৌশল সংক্রান্ত প্রতিবেদনে জেনারেল ডেম্পসি আরো বলেন, রাশিয়া বারবার এটা প্রমাণের চেষ্টা করছে যে, প্রতিবেশী দেশগুলোর সার্বভৌমত্বের প্রতি তার কোনো শ্রদ্ধা নেই এবং নিজের স্বার্থসিদ্ধির জন্য বলপ্রয়োগ করতে চায় মস্কো।
মার্কিন সেনাপ্রধানের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ইউক্রেন সংঘাতে রাশিয়ার সেনা উপস্থিতি রয়েছে; যদিও মস্কো বহুবার এ ধরনের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে। প্রতিবেদনে প্রযুক্তি খাতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এগিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সংশয় প্রকাশ করে বলা হয়েছে, এর ফলে বহির্বিশ্বে মোতায়েন মার্কিন সেনাবাহিনীকে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।
‘মাদ্রাসায় ধর্ষক তৈরি হয়’!- তসলিমা
“মাদ্রাসা-টাদ্রাসা সব বন্ধ করে দেওয়া উচিত। মাদ্রাসাগুলোয় সন্ত্রাসী তৈরী করা হয়, শিশুদের ধর্ষণ করা হয়, আর মগজধোলাই করে মানুষকে এক একেকটা মূর্খ, মিথ্যুক, হিংসুক, লোভী, নারীবিদ্বেষী, ধর্ষক বানানো হয়। বুধবার এভাবেই নিজের ক্ষোভ উগরে দিলেন বিতর্কিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। কিন্তু কেন তসলিমার এই বিষবর্ষণ?
গত মঙ্গলবার বাংলাদেশের মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা ইউনিয়নের কুসুমপুর গ্রামের আজিজিয়া মুখসুদুল উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক আব্দুল হামিদকে (২৬) ওই মাদ্রাসারই প্রথম শ্রেণির মাত্র আট বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের দায়ে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনা জানাজানি হলে এলাকাবাসী শিক্ষক আব্দুল হামিদকে মসজিদের ভেতর তালা দিয়ে রেখে থানায় খবর দেয়।
বেলা সাড়ে বারোটায় সিরাজদিখান থানা পুলিশ এস আইয়ের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল এসে তাকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। শিশুটি অসুস্থ হওয়ায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে তাকে ঢাকা মেডিকেলে রেফার করে। এই খবরেই বেজায় চটেছেন তসলিমা। তারপরেই সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটে এই বিষোদগার।
ধর্ষিতার মা জানান, সকালে কাজ করে এসে দেখেন মেয়ে ব্যাথায় কাঁদছে, মেয়ের কাছ থেকে ঘটনা শুনে মেয়েকে নিয়ে শিক্ষকের কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করে এবং জুতোপেটা করেন। তখন এলাকাবাসী এসে শিক্ষককে আটক করে। এর পর শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
ইসলামকে অন্ধভাবে সমর্থনের কারন শুধুমাত্র ভোটব্যানক
ভারতের উদার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক নেতাদের এই ইসলামকে অন্ধভাবে সমর্থনের কারন শুধুমাত্র ভোটব্যানক। ভোটব্যানক তো হিন্দুদেরও আছে, সং্খ্যাগুরু ভোটব্যানক। তাও কেন এরকম অহেতুক অন্ধ সমর্থন? , যে ইসলাম দীর্ঘ ১৪০০ বছর ধরে পৃথিবীতে রক্তগঙ্গা বইয়ে দিয়েছে, এবং দিয়ে চলেছে তাকে অন্ধভাবে সমর্থন করা কি অন্যায় কে প্রশয় দেওয়া নয়? যে রক্তগঙ্গা বাহিত হয়েছে এবং হয়ে চলেছে তার দায় কি আপনাদের উপর পরোক্ষভাবে বর্তায় না, হে আমাদের উদার ধর্মনিরপেক্ষ রাজনৈতিক নেতাগন? অন্যায়ের বিরুদ্ধে চুপ থাকা কি অন্যায়কে প্রশয় দেওয়া নয়?
যে ইসলাম গোটা পৃথিবীতে ধর্মের নামে রক্ত বইয়ে দিচ্ছে, বর্তমানে -আইসিস, তালেবান,আল -কায়েদা,বোকো হারাম, যারা ইসলামের নামে রক্তক্ষরণ করে চলেছে, সেই ইসলামকে আপনারা অন্ধভাবে সমর্থন করছেন কেন? যে ইসলাম ভারতকে ভেংগে ২ টুকরো করে দিল, সেই ইসলামকে তোষামোদ করা কি ধর্মনিরপেক্ষতা না সাম্প্রদায়িকতা?আপনারা বলে চলেছেন এরা সন্ত্রাসবাদী এদের কোনো ধর্ম নেই। কেন নেই? এরা তো প্রকাশ্যেই বলছে আমরা ইসলামের পথেই জেহাদ করছি। আপনারা কি এদের থেকেও ভালো করে ইসলাম বোঝেন? এদের বেশীরভাগই কিন্তু উচ্চশিক্ষিত এবং ইসলাম সম্পর্কে যথেস্ট জ্ঞানী, অনেকেই আবার ইসলাম নিয়ে Phd অবধি করেছে, তাহলে হে ভারতের রাজনৈতিক নেতাগন এরা কি ভুল ব্যাখ্যা করছে ইসলামের,তাই মনে হয়? আপনি নিজে ইসলামী শাস্ত্র পড়েছেন কি? না পড়েই ইসলামের মাহাত্ম্য প্রচার করছেন কেন?
মুসলিম বিরোধী
আমি সত্কারের মুসলিম বিরোধী চাই না আমি নোংরা রাজনীতি কেন আমি ভুলে গেছি অখণ্ড ভারত মাতার ভাগ কেন আমি ভুলে গেছি গান্ধার দেশ ভাগ করে হয়ছে আফগানিস্তানে ভুলে গেছি ভারত ভাগ করে পাকিস্তান ও বাংলাদেশ বানানো হয়ে তা এর পিছনে সব জাগায় হাত ছিলো আমদের বেজন্মা হিন্দু দের হাত কেনো আমার মনে নেয় আমার বুকের উপর দিয়ে ভারত ভাগ করতে হবে কিন্তু ভারত ভাগ হলো তার বুকের উপর দিয়ে নয় তার চোখের সামনে দিয়ে
অতো সহযে ভোলার কথায় নয় হিন্দুদের প্রতি অত্যাচার চোখের সামনে ভাসছে বাংলাদেশের হিন্দু নির্যাতন চোখের সামনে ভাসছে মল্লিক পুর ,কেনিঙ,
সুমুদ্রগর , চোখের সামনে ভাসছে কালিগঞ্জ হরিনাম সম্পদায় উপরে আক্রমণ করে হিন্দু দের কে হত্যা করা চোখের সামনে ভাসছে একের পর এক হিন্দু নারীকে লাভজিহাদী দের ফাঁদে ফেলে নির্যাতন করে ধর্মো ছুতো করা কোন ধর্মে লেখা আছে হিন্দু নির্যাতন করা ওই মুসলিম ধর্মে ।
আজকের দিনে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরা যদি সচেতন না হয় তাহলে আগামী দিনে আরো ভয়াভবো অবস্থা আসছে মিলিয়ে নেবেন ?????
মুসলিম মৌলবাদি
মুসলিম মৌলবাদিদের ভারতের হিন্দুরা বিশেষ করে কলকাতার বাঙালি হিন্দুরা যমের মত ভয় পাই।কেনিং,দেংগা,উস্তি, সমুদ্রগড়ের পর এবার ডায়মন্ড হারবারে পঞ্চগ্রাম এ মুসলিমরা হামলা করে ২৫ টা বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে।গড়ে ২ মাসে একটা করে বড় মুসলিম হামলা হচ্ছে পশ্চিম বাংলায়, যা কি সং্খ্যায় বাংলাদেশের হিন্দুদের উপর মুসলমানদের হামলার চাইতে বেশী। অথচ আমরা নিরব একবার ও প্রতিবাদ করি না।
আমাদের হিন্দু সমাজের অবস্থা ভেবেছেন,
আপনি যদি মন্দিরে যান তাহলে
দেখবেন মন্দির ফাকাঁ,কোন সংগঠন নেই জমায়েত নেই। এরশুধু টাকা চিনে।
আর সন্তানদের ও একই শিক্ষা দেয়।
ভবিষ্যতে শীতল রক্তবিশিষ্ট প্রানী
হিসেবে ব্যাঙের সাথে হিন্দুদের নামও
থাকবে, সহনশীলতা আছে বটে......??
বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ এডলফ হিটলারকে একটি বেশিই পছন্দ করে
বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষ এডলফ হিটলারকে একটি বেশিই পছন্দ করে। ফেসবুকে হিটলারের জীবনী সানন্দে প্রকাশ করা হয়। অার বাংলার ছাগুকূলে হিটলার যেন এক অাদর্শের মূর্ত্যমান প্রতীক?
মুমিনরা কখনোই ইহুদীদের পছন্দ করে নি। সেই ১৪শ বছর থেকেই তাদের সাথে মুমিনদের বৈরি সম্পর্ক।
বিংশ শতাব্দি থেকেই ইহুদীরা শিক্ষা-দীক্ষায়,জ্ঞান- বিজ্ঞানে, ব্যবসা-বানিজ্যে, শিল্পে পৃথিবীর অন্য জাতিদের পেছনে ফেলতে শুরু করে। অার তাদের এই অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা দেখে হিটলারের তা সহ্যই হয় নি। হিটলার ইহুদী বিরুধী রাজনীতি শুরু করে। অার খুব সহজেই জার্মানীর সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর ব্যক্তিতে পরিণত হয়। যুদ্ধ অারম্ভ হওয়ার সাথে সাথেই ইহুদীদের বংশ, নির্বংশ করতে নামে। চালায় ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ইহুদী নিধন। যেমনটা ৭১সালে পাকিস্তানী মুসলিম সৈন্যরা হিন্দু নিধনে নেমে ছিল।
মুসলমানদের চিরশত্রু ইহুদী
মুসলমানদের চিরশত্রু খ্রিস্টান
মুসলমানদের চিরশত্রু হিন্দু
এখন অারেক চিরশত্রু বৌদ্ধ।
যুগের পর যুগ তারা নতুন শত্রু তৈরি করে এসেছে। তবে 'শত্রুর শত্রু মিত্র হয়' এটা তারা ভাল করেই জানে। অার তাইতো এখনো হিটলার মুসলমানদের কাছে একজন পূজনীয় ব্যক্তি।
+/++/+/+/+/+/+/++/+
ইদানিং ফেসবুকে মুসলিম সেলেব্রেটিরা এদেশের প্রেক্ষাপটে ইহিদীদের সাথে হিন্দুদের তুলনা করে। তারা চায় ইহুদীরা যেভাবে গণহত্যার শিকার হয়েছে তেমনি হিন্দুরাও অাবার এরকম গণহত্যার শিকার হোক। এদেশের মুমিনরা ইহুদীদদের যতটা না ঘৃণা করে তার চেয়ে বেশি ঘৃণা করে হিন্দুদের। তারা হিন্দুদের অগ্রযাত্রা দেখতে চায় না। বারবার হিন্দুদের শারীরিক,মানসিকভাবে অত্যাচার করে।
একসময় অারবের অধিকাংশ জমি ইহুদীদের ছিল, কিন্তু ক্রমাগত মুসলিম অাগ্রাসনে তারা সব জমি ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়। অার এখন ইহুদীরা ছোট্ট একটি দেশ পেঢেছে, তাও অনেক রক্ত জড়িয়ে পেয়েছে। ঠিক একই ভাবে হিন্দুরাও মুসলিম অাগ্রাসনে সব সম্পদ হারাচ্ছে। তবুও বারবার ঘুরে দাড়নোর চেষ্টা করছে। মুসলিমরা অামাদের 'সুচাগ্র মেদীও' দিতে চাচ্ছে না। কৌরবদের মত সম্পদ হাতিয়ে নিচ্ছে। অার সেজন্যই তো মহাভারতে পান্ডবরা যুদ্ধের মাধ্যমে নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছে। ঠিক তেমনি ইহুদীরাও নিজেদের সম্পদ পুনঃঅর্জনে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অনেকটাই সফল তারা। পান্ডব, ইহুদীদের পথ হিন্দুরা যাতে ঘুরে দাড়াতে না পারে সেজন্যে মুসলিমরা কিন্তু সবরকম ব্যবস্থা নিয়ে রেখেছে?
*++-++
অার সবশেষ কথা হল, ২০১০ সালে হিন্দুরা ইহুদীদের সমর্থনে সমাবেশ করেছে। 'ইহুদীদের জন্যে হিন্দু অার হিন্দুদের জন্যে ইহুদী ', এই নীতিতে বিশ্বাসী এক প্রজন্মের সৃষ্টি হয়েছে। ই#লাম যদি ক্যানসার হয়, তাহলে ই#দী হবে তার একমাত্র উপশম।
Subscribe to:
Posts (Atom)