সনাতন ধর্ম হিন্দুদের অত্যচারের
সাবধান ও প্রতিকার
#সবাই_পড়ে_মতামত_
জানাবেন_দয়া_করে
..
হে সনাতন ধর্ম হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা
বাংলাদেশে আমাদের অবস্থা একেবারে
শোচনীয়। এখানে আমাদের ধর্মটাকে
নিয়ে সবাই টানা হেঁচড়া করছে এবং কে
করছে তা আমাদের সকলেরই জানা।
কিন্তু
এভাবে আর কতদিন??? এর শেষ
কোথায়???
এর প্রতিকার একটা হওয়া দরকার।
মন্দিরে হামলার ঘটনা বাংলাদেশের
প্রায় জায়গাতেই ঘটে থাকে এবং শোনা
যায়। চলুন একটা কাজ করি, মন্দিরে
এলাম
সিস্টেম রাখলে কেমন হয়???
বুঝলেন নাতো? প্রতিটা মন্দিরে একটা
করে মাইক ঝুলিয়ে রাখুন, মাইকের
লাইনটা টানবেন মন্দিরের পুরহিতের ঘর
থেকে। যাতে মন্দিরে হামলা হলেই
পুরহিত তার কক্ষ থেকে মাইকের
মেশিনটা অন করে দিতে পারে, মাইকে
এমন একটা টোন সেট করে রাখতে হবে
যেটা শুনলেই সনাতন ধর্ম হিন্দুরা
বুঝতে
পারে মন্দিরে হামলা হয়েছে। এতে করে
অল্প সময়েই সবাই ছুটে আসবে মন্দির
রক্ষা করার জন্য..
হিন্দু ধনীদের দৃষ্টি আকর্ষন
বাংলাদেশে অবস্থিত আমাদের
তীর্থক্ষেত্র রক্ষা করুন। বাংলাদেশের
ধনীরা এবার একটু কান্ডজ্ঞান দেখান,
এগিয়ে আসুন ধর্মের জন্য। যারা হিন্দু
ধনী
আছেন তারা একেকটা তীর্থক্ষেত্রের
চারি পাশের জায়গা গুলো কিনুন এবং
হিন্দুদের কাছে বেঁচুন, এতে আপনার
ব্যবসাও হবে তীর্থক্ষেত্র হিন্দুদের
দখলে
থাকলে ও হিন্দুদের জনবসতি করালে
হিন্দুর উপর আক্রমনও কমবে আবার
তীর্থক্ষেত্রও রক্ষা পাবে..
বাংলাদেশে আমাদের প্রধান সমস্যা
হলো আমাদের উপর আক্রমন হলে
সরকার,
প্রশাসন, আইন সব চুপ থাকে। আমাদের
মিডিয়াও নেই যার মাধ্যমে
বাংলাদেশে চলা এই অত্যাচার আমরা
তুলে ধরতে পারি। কিন্তু ইচ্ছা করলেই
এর
প্রতিকার করা সম্ভব। আমরা হিন্দুরা
বরাবরই মেধাবী ও উচ্চশিক্ষিত।
আমাদের
হিন্দুদের মধ্যে সাংবাদিক আছে, পুলিশ
আছে, RAB আছে,আর্মি
আছে,কম্পিউটার
ইঞ্জিনিয়ার আছে, ধনী লোক আছে,
বুদ্ধিজীবি আছে, হিন্দু জাগরণের অনেক
সংগঠন সহ বলতে গেলে সবই আছে।শুধ
আমাদের সনাতন ধর্ম হিন্দুদের নেই
একজন
নিরভীক,সহসী এবং নেতৃত্ব দেওয়া মত
নেতা।যে নেতার মাধ্যমে আমরা সবাই
মিলে একটা মিটিংয়ে বসবো এবং
হিন্দুদের সকল সমস্যার সমাধান সহ
টিভি
চ্যালেন্স এবং জাতীয় পত্রিকা খোলার
উৎযোগ গ্রহন করাবে। এই বাংলাদেশের
প্রতিটা জায়গায় খবর জোগাড় করার
সাংবাদিকের ব্যবস্তা করা।যে
সাংবাদিকদের কাজ হব অন্যান্য
খবরের
পাশাপাশি হিন্দুদের উপর অত্যাচারের
খবর বেশি সংগ্রহ করে তা তুলে ধরা।
আর
হ্যাঁ অবশ্যই এই টিভি চ্যালেন্স এবং
নিউজ পেপার ইন্টারনেটেও খুলতে হবে
ও
ভারতীয় জাতীয় সহ সকল টিভি
চ্যালেন্স
এবং পত্রিকা সহ পৃথিবীর সকল দেশের
সাথে যোগাযোগ রাখতে হবে। আমাদের
উপর চলা অত্যাচারের খবর ভারত সহ
বিশ্বের মিডিয়াদের আপডেট খবর দিতে
হবে। যাতে তারা তাদের টিভি চ্যালেন্স
সহ সংবাদপত্রে তা ব্রেকিং নিউজ
হিসাবে প্রকাশ করে।এতে করে আমাদের
অত্যাচারের খবর সারা বিশ্বের মানুষ
দেখতে পাবে এবং এর বিরুদ্ধে সবাই
প্রতিবাদ এবং দেশের সরকারকে চাপ
দিয়ে তার বিচারের ব্যবস্থা করবে।।
তাহলে আমাদের কেউ আর অত্যাচার
করতে সাহস পােব না।
® পোষ্টটা সবাই শেয়ার করবেন ভাল
লাগলে..
#জয়_সনাতন_ধর্ম_হ িন্দু...
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Friday, 3 July 2015
সৌদিতে সকালে বাবা বিকেলে ছেলে গৃহকর্মীদের ভোগ! •
www.primenews.com.bd
http://primenews.com.bd/bn/?p=46755
প্রভাবশালী ধনাঢ্য হিন্দুদের নামে একটি লিস্ট
দেশভাগের পূর্বে এদেশের প্রভাবশালী ধনাঢ্য হিন্দুদের নামে একটি লিস্ট তৈরি করেছিল মৌলবাদীরা। দেশভাগের পর লিস্ট কৃত ব্যক্তিদের হত্যা করে, তাড়িয়ে দিয়ে তাদের সম্পত্তি দখল করেছিল জিহাদী মৌলবাদীরা।
বর্তমানেও হিন্দু প্রভাবশালীদের নামে তালিকা করা হচ্ছে। এমনকি উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের (যারা নাম মাত্র হিন্দু) নামেও দীর্ঘ লিস্ট প্রস্তুুত করা হয়ে গেছে। অার অনলাইনে তা ছড়িয়েও দেওয়া হচ্ছে।
কিন্তু যারা এসব কাজ করছে তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।
তাহলে অামরা কি অাবারো বড় মাত্রায় সাম্প্রদায়িক হামলার শিকার হচ্ছি?
ইউজিসি-র স্বীকৃতিহীন বিশ্ববিদ্যালয়
অনেক ক্ষেত্রেই ইউজিসি-র স্বীকৃতিহীন বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি নিয়ে প্রতারিত হন পড়ুয়া। এ জন্য পড়ুয়াদের সচেতনা বৃদ্ধির জন্য ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়গুলির রাজ্যওয়ারি তালিকা প্রকাশ করল ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন (ইউজিসি)। ২১ বিশ্ববিদ্যালয়কে ভুয়ো আখ্যা দিয়েছে ইউজিসি। একটি বিজ্ঞপ্তিতে ইউজিসি বলেছে, পড়ুয়া ও সামগ্রিকভাবে জনগনকে জানানো হচ্ছে যে, ২১ টি স্বঘোষিত এবং স্বীকৃতিহীন ইউনিভার্সিটি ইউজিসি আইন লঙ্ঘণ করে কাজ চালাচ্ছে। এগুলিকে ভুয়ো ঘোষণা করা হচ্ছে।ওই বিশ্ববিদ্যালয়গুলির ডিগ্রি প্রদানের কোনও অধিকার নেই।
তালিকা অনুযায়ী, রাজধানী দিল্লিতে এ ধরনের ছয়টি ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। ৯ টি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে তালিকার শীর্ষে উত্তরপ্রদেশ। ইউজিসি আইন, ১৯৫৬ অনুযায়ী, কেন্দ্র বা রাজ্যে আইন করে বিশ্ববিদ্যালয় গঠিত হয়। এছাড়াও ইউজিসি আইনের ৩ নম্বর ধারায় স্বীকৃত প্রতিষ্ঠান নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয় বলে দাবি করতে পারে। তাই ২৩ নম্বর ধারা অনুযায়ী, ওই আইন না মানলে কোনও প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয় শব্দ ব্যবহার করতে পারে না।
ইউজিসি-র ঘোষিত ভুয়ো বিশ্ববিদ্যালয়গুলির তালিকা-
. মৈথিলি ইউনিভার্সিটি, দারভাঙা, বিহার
. বরনসেয়া সংস্কৃত বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি
. কমার্সিয়াল ইউনিভার্সিটি. দিল্লি
. ইউনাইটেড নেশনস ইউনিভার্সিটি, দিল্লি
. ভোকেশনাল ইউনিভার্সিটি, দিল্লি
. এডিআর-সেন্ট্রাল জুডিসিয়াল ইউনিভার্সিটি, দিল্লি
. ইন্ডিয়ান ইন্সস্টিটিউশন অফ সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, দিল্লি
. বাদাগনভি সরকার ওয়ার্ল্ড ওপেন এডুকেশনাল সোসাইটি, বেলগাম, কর্নাটক
. সেন্ট জনস ইউনিভার্সিটি, কিষানাট্টম, কেরল
. কেশওয়ারি বিদ্যাপীঠ, জবলপুর, মধ্যপ্রদেশ
. রাজা আরাবিক বিশ্ববিদ্যালয়, নাগপুর, মহারাষ্ট্র
. ডিডিবি সংস্কৃত ইউনিভার্সিটি, পুতুর,ত্রিচি, তামিলনাড়ু
. ইন্ডিয়ান ইন্সস্টিটিউট অফ অল্টারনেটিভ মেডিসিন, কলকাতা, পশ্চিমবঙ্গ
. মহিলা গ্রাম বিদ্যাপীঠ, এলাহাবাদ, উত্তরপ্রদেশ
. গাঁধী হিন্দি বিদ্যাপীঠ, এলাহাবাদ, উত্তরপ্রদেশ
. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ ইলেকট্রো কমপ্লেক্স হোমিওপ্যাথি, কানপুর, উত্তরপ্রদেশ
. নেতাজী সুভাস চন্দ্র বোস ইউনিভার্সিটি, আলিগড়, উত্তরপ্রদেশ
. উত্তরপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়, উত্তরপ্রদেশ
. মহারানা প্রতাপ শিক্ষা নিকেতন বিদ্যালয়, প্রতাপগড়, উত্তরপ্রদেশ
. ইন্দ্রপ্রস্থ শিক্ষা পরিষদ, নয়ডা-ফেজ-২, উত্তরপ্রদেশ
. গুরুকূল বিশ্ববিদ্যালয়, মথুরা, উত্তরপ্রদেশ
গুজবে কান দিবেন না
ভাইয়েরা গুজবে কান দিবেন না।
কে বা কারা অনলাইনে প্রচার করতে লাগল, স্বামীবাগ ইস্কন মন্দিরে নাকি হামলা হয়েছে? অথচ সেখানে তো জিহাদী কর্তৃক কোন হামলা হয় নি।
এমনিতেই মুমিনরা এদেশের সাম্প্রদায়িক হামলাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলে প্রচার করে। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষে অাবার অস্বীকার করে। এরুপ পরিস্থিতিতে এরকম অসত্য ঘটনা প্রচার করে এদেশের সাম্প্রদায়িক হামলাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে তারা। এইসব অপপ্রচারকারীদেরখোঁজে বের করে তাদের শাস্তির অাওতায় অানা হোক।
এমনিতেই এদেশের মুমিনরা গুজব রটাতে উস্তাদ।
সেই ব্রিটিশদের সময় থেকে গুজব রটিয়ে হিন্দুদের ক্ষতি করছে। সেই মুমিনরাই তো গুজব ছড়িয়ে # নোয়াখালী_দাঙ্গা বাধিয়েছিল। বরিশাল দাঙ্গার মত বড় বড় সাম্প্রদায়িক হামলা তো তারা গুজব ছড়িয়েই করেছিল। অামরা কি সেসব ঘটনা ভুলে গেছি? গুজব ছড়িয়ে তারা তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে। অামরা তো জানিই, গুজব না ছড়ালে তারা শান্তি পাবে না।
কিন্তু অামরা গুজব রটাতে যাব কোন দুঃখে? এদেশে এমন একটি দিন নেই যেদিন হিন্দু, সংখ্যালঘুদের উপর অন্যায়, অত্যাচার করা হয় না। সেগুলো প্রচার করতে করতেই তো অাপনারা ক্ষান্ত হয়ে যাবেন। কিন্তু অাপনারা বারবার এই স্বামীবাগ ইস্কন মন্দিরকে বারবার টেনে অানছেন কেন? মুমিনরা ভাল করেই জানে, এই একটি ইস্কন মন্দিরে হামলা হলে তা সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে সেই খবরটি পৌছবে। সেজন্যেই মুমিনরা চাইবে না এই মন্দিরে হামলা হোক।
তাই বলি, সব গুজব মুমিনরা ছড়ায় না, তবে মুমিনই গুজব ছড়ায়। তাই তাদেরকে গুজবের সাথেই থাকতে দিন।
এমনিতেই হিন্দুদের উপর এমন এমন সাম্প্রদায়িক হামলা হয় যা অামরা নিজেরাই বিশ্বাস করতে পারি না। যেমন -পাকিস্তানে মসজিদে পানি পান করা নিয়ে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি বিশ্বাসযোগ্য ছিল না। কিন্তু যখন একটি প্রভাবশালী পত্রিকা সেটি নিয়ে লিখল, তখনই অামরা সেটি বিশ্বাস করি।
মুমিনদের মতে, বিশ্বাস ঈমানের অঙ্গ। তাই প্রত্যেক মুমিন বান্দা বড় হুজুরদের কথা বিশ্বাস করে।
মনে রাখবেন, বুজুর্গ মোল্লা যদি 'হুক্কা হোয়া, হুক্কা করে' তাহলে মুমিন বান্দারাও 'ক্যায়া হোয়া,ক্যায়া হোয়া' বলতে বলতে সেই মোল্লার দিকেই অগ্রসর হবে।
তাই অামাদের জন্যে গুজব ছড়ানো কতটা বিপজ্জনক অার অসম্মান হতে পারে তা অাপনাদের সময় থাকতেই বোঝা উচিত।
পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরা কঠোর হচ্ছে
পশ্চিমবঙ্গে হিন্দুরা কঠোর হচ্ছে। ভারতের সব জায়গাতেই ইতিমধ্যে মোল্লাদের অত্যাচারের কথা বর্নিত হয়ে গেছে।
তাদের ধর্ম যে মিথ্যা আজ তা কারো কাছে গোপনীয় নয়।
এই জাত দূর করতে হবে। পশ্চিম বঙ্গে হুংকার উঠছে বাংলাদেশে যদি হিন্দুরা অত্যাচারিত হয় তাহলে ভারত বর্ষে কোনো মোল্লার ঠাই হবে না। কচু কাটা দেয়া হবে মোল্লাদের। এবার যা হবার হবে।সেষ যুদ্ধে করা হবে। মোল্লা সাবধান। সাবধান মোল্লা। মোল্লাগিরি তোদের ইসলামীক টেরোরিস্ট কান্ট্রি তে গিয়ে দেখা। ভারত বর্ষে তোদের ভন্ডামির স্থান নেই।
প্রয়জোনে বাংলাদেশ থেকে সকল হিন্দু ভারতে চলে আসবে। দেশ আবার ভাগ করে দেয়া হবে। হিন্দুর সম্পত্তি দিয়ে হিন্দুদের আলাদা স্থান করে দেয়া হবে।এই বার্তা বাংলাদেশ সরকারের কাছে গিয়ে কঠোর আবেদন করা হবে। মোল্লা মোল্লার দেশেই থাকবে। হিন্দু -মুসলিম যখন এতই বিরোধ, তাহলে দরকার নেই কোনো মোল্লার ভারত থাকার অথবা কোনো হিন্দুদের বাংলাদেশ থাকার।
মনে রাখবেন, মোল্লার হাতে শারীরিক, মানসিক, দৈহিক নির্যাতিত হওয়ার চেয়ে, হিন্দু দেশে এসে মৃত্যু বরন করা অনেক শ্রেয়।
.
পোস্টটি কপি/ শেয়ার করে বাংলাদেশ
সরকারের
কাছে ও হিন্দু দাদারা আবেদন করুন। আন্দোলন
জোরদার করুন। সকল হিন্দু সংঘটন কে এক হোন।
এবং বাংলাদেশের সরকারের কাছে মন্ত্যব্য
পেশ করুন। নাহলে জীবনে ও অধিকার আদায়
করতে পারবেন না, দুখে দুখে মরতে হবে।
মনে রাখবেন অধিকার কেউ দেয় না। অধিকার
আদায় করে নিতে হয়।
ইসলামের নবীদের যথেচ্ছাচারী যৌনজীবন
নাস্তিক বন্ধুরা, অনলাইনে স্থানে-
অস্থানে বা যখন ইনবক্সের আদার
ফোল্ডার খোলেন, তখন আপনারা
নিশ্চয়ই দেখেন, কত আস্তিক ভায়া
আপনার মাতা এবং ভগ্নীর সহিত সঙ্গম
করিতে ইচ্ছুক। শুধু তাহাই নহে, তাহারা
পারিলে, আপনাদেরকেও আপনাদের
আপন মাতা/ভগ্নীর সহিত সঙ্গম করায়,
নাউজুবিল্লা। তাহাদের এহেন
আচরণের কোনো সদুত্তর না পাহিয়া
আমি দ্বারস্থ হইলাম কুরান এবং তার
পূর্ববর্তী কিতাবগুলোর।
ভাবিয়াছিলাম, কুরান-বাইবেল হইতে
উদ্ধৃতি দিয়া তাহাদিগকে
দেখাইবো যে, তোমরা যাহা
বলিতেছো, তাগা তোমাদের ধর্ম
সমর্থন করে না।
ওহ ওয়েল, কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে সাপ
বের হয়ে এসেছে মোটামুটি।
বাইবেল এবং কুরানে ইনসেস্ট বা
অজাচার মুখে সমর্থন না করিলেও নবী-
রাসুলেরা নানা সময়ে তা পেকটিস
করিয়াছিলেন। মুহাম্মাদ তাহার
উম্মতদের জন্য তাহা মানা করিয়া
গেলেও তাহাদের মনের আশ তো আর
মেটে না, যেখানে নবী পয়ম্বরেরা
নিজেরাই করিয়াছিলেন।
যাই হোক, আপনাদের কিছু উদাহরণ
দেখাই ইসলামের নবীদের
যৌনজীবনের…
১. আদম-হাওয়ার এবং তাদের পুত্র-
কন্যারা: কোরানে অবশ্য আদম-হাওয়ার
শুধু দুই পুত্র হাবিল-কাবিলের কথাই
উল্লেখ আছে। অর্থাৎ বংশবৃদ্ধির জন্য
হাবিল-কাবিলকে মাতাগমন করতে
হয়েছে অবধারিতভাবে। ওদিকে
বাইবেল বলে, কাবিলের বউ ছিল,
কিন্তু কে এই বউ, তা জানা যায় না। এই
বউ হতে পারে কাবিলের বোন অথবা
তার মা হাওয়া।
২) হ্যাম এবং নোয়াহ: নুহ (আঃ) কে
নেংটু দেখিয়া পুত্রের ঈমানদণ্ড
দাঁড়াইয়া যায় বলে জানা যায়
জেনেসিস ৯-এ। নুহ (আঃ) তার পুত্রের
কাছে পুটু মারা খেয়েছিল কি না,
সে ব্যাপারে কিছু আমরা জানি না।
৩) ইব্রাহিম এবং সারা: জেনেসিস
২০-এ ইব্রাহিম স্বীকার করে সারা
তার সৎ বোন এবং স্ত্রী।
৪) লুত এবং তার কন্যারা: জেনেসিস
১৯-এ তাহাদের আদিম রঙ্গরসের কথা
বিস্তারিত বলা হয়েছে। লুত (আঃ)
তাহার দুই কন্যাকে নিয়া সোডম
থেকে পালাইয়া লোকারণ্য থেকে
অনেক দুরে বাসা বাধিল। এইদিকে দুই
কন্যার উঠেছে যৌবনজ্বালা। আর
লুতের চোখের সামনে এরাম দুইটা
সেক্স বম্ব বড় হইতাছে দেখিয়াও হাত
মারা ছাড়া লুত (আঃ)-এর আর কিছুই
করার ছিল না। তথাপি দুই কন্যাই লুত
(আঃ)-এর জন্য ব্যাপারটা সহজ করে দেয়,
যাকে বলে একরকমের মুখে তুলে
খাইয়ে দেওয়া।
গিল্ট-ফ্রি সেক্সের জন্য মানুষের
ইতিহাসে সেই প্রথম ব্যবহৃত হয় মদ।
তাহারা তাদের পিতা লুত (আঃ)-কে
মদ খাইয়ে মাতাল করে মেতে ওঠে
আদিম খেলায়, যে খেলায় দিন কাটত
আদম-হাওয়ার। পিতার ঔরসে দুই কন্যার
দুইখানা পুত্র জন্ম দেন বলে বাইবেলে
বরাতে জানা যায়।
৫) মুহাম্মাদ (স):
ক) আবু বকর কি মুহাম্মাদের কিছু হইত?
হউক বা না হউক, দোস্ত হইয়া গিয়াছিল
শ্বশুর, যখন দ্বীনের নবী ৬ বছরের
আয়সাকে বিবাহ করেন।
খ) চাচাত ভাই আলীর কাছে নিজ
কন্যা ফাতেমাকে বিয়া দেয়
মুহাম্মাদ। চাচা-ভাতিজি বিবাহ।
চাচা হইয়াছে সোয়ামি, আর পিতা
হইয়াছিল ভাসুর।
গ) আবু লাহাবের দুই পুত্র, যারাও কিনা
মুহাম্মাদের চাচাতো ভাই ছিল,
তাদের সাথে মুহাম্মাদের অপর দুই
কন্যার বিবাহ হয়। এগেইন চাচা
হইয়াছে সোয়ামি আর পিতা
হইয়াছিল ভাসুর।
গ) পালিত পুত্রের বউকে আধা-নেংটু
দেখিয়া মুহাম্মাদের ঈমানদণ্ড দাঁড়ায়
এবং ছলে-বলে-কলে-কৌশলে
পরবর্তীতে পুত্রবধূকে বিবাহ।
ঘ) সম্পর্কে ফুপু মাতার বয়েসী
খাদিজাকে বিবাহ। যা থেকে
মমিনদের মাইন্ড সেটের আইডিয়া
পাওয়া যায় - কেন তারা ইনবক্সে
মাতার বয়েসী মহিলাদের সাথে
সঙ্গম করার ইচ্ছা ব্যক্ত করে। নবীর সুন্নত
বলে কথা। লিখেছেন শান্তনু আদিব
Subscribe to:
Posts (Atom)