সিপিএম গুলো গণতন্ত্র নেই বলে চিৎকার করে।।
তা গণতন্ত্র কাকে বলে সেটা বোধহয় সুশান্ত ঘোষ,,নিরুপম সেন,,অনিল বসু,,অমিয় পাত্র,,রঘুনাথ কুশারি,,লক্ষণ শেঠ,,ঋতব্রতদের থেকে শিখতে হবে।।
সিপিএম যেনো ধোয়া তুলসী পাতা ছিলো।।
সিপিএমের সন্ত্রাস যারা দেখেছে তারা তৃণমূলের সন্ত্রাসকে পকেটে ভরে নিয়ে বাড়ি চলে যাবে।।
তৃণমূল যতোটা না সন্ত্রাস করছে তার চেয়ে বেশি মুখে উল্টোপাল্টা মন্তব্য করে খারাপ হচ্ছে।।
আর একটা কথা হোলো তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে মুখ খোলার অধিকার শুধুমাত্র বিজেপির আছে।।
পশ্চিমবঙ্গকে সন্ত্রাস মুক্ত করতে পারে একমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি।।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Friday, 3 July 2015
পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে পাচ মাইল কেন বহু জায়গায় দশ মাইল মুসলমান অধুষ্যিত এলাকা
পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তে পাচ মাইল কেন বহু জায়গায় দশ মাইল মুসলমান অধুষ্যিত এলাকা। ত্রিপুরা, আসাম সীমান্তেও এরকম অবস্থা। ওপার থেকে লোক আসছে,থাকছে, ডাকাতি করছে, হিন্দু নারী ধর্ষন করছে করে আশ্রয় নিচ্ছে সীমান্ত এলাকার কিছু জাত ভাইয়ের বাড়িতে নতুবা, আশ্রয় নিচ্ছে আবার বাংলাদেশে। মালদহ, মুর্শিদাবাদ ত্রিপুরায় এসব ঘটনা প্রাত্যহিক ঘটে চলেছে। নদীয়া, ২৪ পরগনাতেও। হিন্দুরা নিরাপত্তার অভাব বোধে জমি, বাড়ি ফেলে সীমান্ত এলাকা থেকে পালিয়ে আসছে, অনুপ্রবেশকারীরাসেই জমি দখল করে পরমানন্দে বাস করছে।
শিয়ালদহ বনগাঁ ট্রেনে থেকে বসে দেখা যায় বসতির পর বসতি শুধু বাংলাদেশি মুসলমানদের। আর এখানকার প্রশাসন এদের রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, লাইসেন্স করে দিচ্ছে, মুসলমান ভোটের কারনে, এরা গাড় মারছে আমাদের দেশের, হিন্দুদেরই ধরে ধরে ক্যালাচ্ছে, দেশে থেকে ভারতবিরোধি কাজ কর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। ইহাই ভারতের ধর্মনিরপেক্ষতা তথা হিন্দুর উদারতা।
ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক
ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক
* ক্যাডারদের হুমকির মুখে মহিলাও * জমিতে কাজে যেতে ভয় পাচ্ছে
গত ১৯ জুন থেকে পাড়িয়া ইউনিয়নের কদমতলী, সিংগারী-১, সিংগারী-২, হাইয়াপাড়া ও কামাত পাড়িয়া গ্রামের হিন্দু পরিবারগুলো আতঙ্ক আর বিপদের আশঙ্কায় দিন কাটছে। রাতের বেলায় তারা ঘরে ঘুমাতে যেতে ভয় পাচ্ছে। কারণ কখন সন্ত্রাসী ক্যাডাররা তাদের উপর হামলা চালায়। এইসব পরিবারের মহিলারা সাধারণত দিনের বেলায় ক্ষেত-খামারে কাজ করে পেট চালায়। কিন্তু ঘটনার পর থেকে তারা কাজে যেতে ভয় ভীতিতে দিন কাটছে। তাদের নানাভাবে হুমকি ধমকি অব্যাহত রেখেছে 'রনবাগ ইসলামী টি স্টেট কোম্পানি লিমিটেড' নামে চা বাগান মালিকের পোষা ক্যাডাররা।
ঘটনার পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফজলে এলাহি নির্যাতিত পরিবারগুলোর সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। নির্যাতিতদের বয়ানে জানা যায়, ক্যাডার আবদুল মতিন, শওকত, আশরাফুল, দানেশ চা বাগানের ম্যানেজার একরামুল ও পাড়িয়া স্কুলের শিক্ষক নাজির হিন্দু চা চাষি কৃষকদের লাঠি সোটা ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে একজন অবস্থা গুরুতর আহত ভাগা রাম সিংহকে (৪২) গ্রামবাসীরা উদ্ধার করে প্রথমে বালিয়াডাঙ্গী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক চিকিৎসা না দিয়ে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দেয়। আহত ব্যক্তিকে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ২ দিন চিকিৎসা দেয়া হয়। এ ঘটনার ব্যাপারে পুলিশ সুপার জানান, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। তবে আতঙ্কগ্রস্তদের সব সময় তদারকি করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ এলাকাটি অত্যন্ত সীমান্ত সংলগ্ন। নাগর নদীর পরেই ভারতের এলাকা। ঘটনায় আহতদের মধ্যে অনেকে প্রতিবেশি দেশে পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি সুনিশ্চিত করে না বললেও বেশ কয়েকটি হিন্দু পরিবার এলাকায় দেখা যাচ্ছে না।
গত ২৯ জুন অতুল নামে এক চা চাষি তার জমির চা পাতা তুলেছেন। এ কাজে ২৫/৩০ জন দিনমজুর চা পাতা সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে। কোন সন্ত্রাসী বা ক্যাডার তাদের কাজে বাধা না দিলেও অশ্লীল কথাবার্তা কামলাদের উদ্দেশ্যে বলাবলি করে।
৫টি গ্রামের কয়েকজনের সঙ্গে কথা হলে তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, সারা জীবন ধরে 'নৌকায় ভোট দিনো' এবারও দবিরুল ইসলামকে ভোট দিছি, তার ফল হামাগিলার জমি অর লোকেরা আজ দখল করে নিচ্ছে। জুলুম মারপিট করছে। হুমকি দিচ্ছে ভারতে চলে যাও নচেৎ নাগর নদীতে লাশ ভাসবে। তারা তাদের নাম ঠিকানা খবরের কাগজে না ছাপার অনুরোধ জানায়। যার কারণে তা লেখা হলো না।
একটি নির্ভরযোগ্য গোয়েন্দা সংস্থার মতে প্রতিবেশী দেশে কোন হিন্দু পরিবার পালিয়ে গেছে কিনা তার নিশ্চয়তা এখনও তারা পায়নি। তবে এ ব্যাপারে ওই সংস্থাটি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। ঘটনার পর কোন রাজনৈতিক দল ও এনজিও এলাকায় এখনও পেঁৗছায়নি।
জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্যপরিষদের সভাপতি অ্যাডভোকেট বলরাম গুহ ঠাকুরতাসহ কয়েকজন ঐ সংগঠনের কর্মী ভুক্তভোগী নির্যাতিতদের এলাকায় জাননি। তারা সংসদ সদস্য দবিরুল ইসলামের 'রনবাগ ইসলামী টি স্টেট কোম্পানি লিমিটেড' চা বাগানে গেছেন এবং দবিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন বলে জানান। এ প্রসঙ্গে অ্যাডভোকেট বলরাম গুহ ঠাকুরতাকে ঘটনাটি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি কোন উত্তর না দিয়ে 'বিশ্ব কবি রবীন্দ্র নাথ ঠাকুরের ২ বিঘা জমি কবিতার ৪টি লাইন আবৃত্তি করে চলে যান'। এর বেশি কোন কথা বলেননি তিনি। জেলা প্রশাসক মূকেশ চন্দ্র বিশ্বাসকে পাড়িয়া এলাকায় চা চাষি হিন্দু পরিবারগুলোর বিশেষ ক্ষমতাবান ব্যক্তির ক্যাডারদের হাতে নির্যাতন ও গুরুতর আহত হওয়ার বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন এখনও যাওয়া হয়নি। তবে ২/১ দিনের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে সরজমিন যাবেন।
এলাকার সংসদ সদস্য আলহাজ দবিরুল ইসলামের ঘনিষ্ঠ লোকজন জানিয়েছেন অচিরেই মন্ত্রিসভার রদবদল হচ্ছে। দবিরুল ইসলাম এবার একজন মন্ত্রী হওয়ার শুভ সম্ভাবনা রয়েছে। তার এই যশ খ্যাতিতে ঈষান্বিত হয়ে আওয়ামী লীগের একটি মহল অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং মন্ত্রিত্বের পথে বাধা সৃষ্টি করছে। বালিয়াডাঙ্গীর পাড়িয়া এলাকাটি তেভাগা আন্দোলনের সিংহ পুরুষ কমরেড গুরুদাস তালুকদার ও কমরেড হেলকেতু সিংহের এলাকা। তার আত্মীয়-স্বজন ঘনিষ্ঠ জনেরা আজ দবিরুল ইসলাম এমপির ক্যাডারদের অত্যাচারে ঘরছাড়া এবং নির্যাতিত।
http://www.thedailysangbad.com/first-page/2015/07/02/15629
ভারত, রাশিয়া আর আমেরিকা
বলুন তো, ভারত, রাশিয়া আর আমেরিকার মধ্যে কোন দেশে হরিনাম প্রচার করা খুব সহজ আর কোন দেশে খুব কঠিন ?? বলুন না .......
আসলে আমেরিকা ও রাশিয়াতে হরিনাম প্রচার করা খুবই সহজ।।
কারন, এইসব দেশের মানুষরা শিক্ষিত এবং তাদের গোঁড়ামী নেই এবং তাদের মাথায় সনাতনের অজস্র মতামত নিয়ে কোন প্রিকনসেপ্ট নেই। তাদের মাথা একেবারে ফ্রেস।।
তাই যুক্তি দিয়ে বুঝানো গেলে সহজেই তারা কৃষ্ণ ভাবনামৃত আন্দোলনকে গ্রহণ করে ফেলে।।
আর সবচেয়ে কঠিন কোন দেশে জানেন ?? ভারতে।। হ্যাঁ, ভারতে ভারতে।।
এই ভারতীয় হিন্দুগুলোর মধ্যে সনাতনের হাজারো প্রিকনসেপ্ট এমন ভাবে ভর করে আছে যে আজ তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছে। হাজারো ধর্মীয় গোঁড়ামী, ধর্মীয় ইগো প্রবলেম তাদের কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে। তারা আজ সনাতনের সর্বশেষ কনসেপ্ট শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর সংকীর্তন আন্দোলনকেই গ্রহণ করতে পারছে না। এক দুই কিলোমিটারের পর পর সেখানে দেব দেবীর নামও চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে, চলছে নিজের ইচ্ছে মতো সংক্ষিপ্ত কিছু উপায়ে ধর্ম কর্ম পালন।
ধর্মকে অবমাননা না করলে যেন তারা আল্ট্রা মডার্ন হতে পারে না !! সেখানে বাড়ছে সেক্স, ধর্ষণ আর ডিসকো ডান্স।
হিন্দুত্বের অবমাননা তাই কম হয় না এই ভারতে !! পাকিস্তান এবং কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশে আমাদের উপর অত্যাচার করে ওই বিশেষ ধর্মের লোকগুলো। আর ভারতে আমাদের উপর অত্যাচার করে আমাদের নিজের ধর্মের লোকগুলোই।।
হায়রে কপাল।।
এরপরও সুখের কথা হলো কিছু উন্নত মানসিকতার ভারতীয় মানুষ আজ হিন্দুত্ববাদ এবং কৃষ্ণকে বুকে আঁকড়ে ধরছে, জয় হোক তাদের।।
খুব গর্ববোধ হয়
খুব গর্ববোধ হয় যখন নিউজ চ্যনেলে ডিবেট চলাকালিন কংগ্রেস ,কমিউনিস্ট নেতারা আর এস এস কে গালাগালি করে আর বিজেপির নেতারা ভোট বেঙ্কের চিন্তা না করে মোল্লাদের ধুলাই করে ।। এই হচ্ছে সয়ংসেবক দের গুন ।
ভারত মাতা কী জয় ।।
CBI খুব চাপে আছে
কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা CBI খুব চাপে আছে....
কাওকে ধরলে বা জেরা করলে, তৃনমূল বলে "এরা কেন্দ্রের তোঁতা পাখি"।
কাওকে না ধরলে বা জেরা না করলে,
সিপিএম বলে "এরা কেন্দ্রের তোঁতা পাখি"।
এবার এরা কি করবে এটা কি সিপিএম আর তৃনমূল ঠিক করে দেবে?
না এদের ইচ্ছে মত কাজ করতে দেবে?
গৌরনদীতে হিন্দু দিনমজুরকে ভারতে পাঠানোর হুমকি ওসির প্রতিনিধি, গৌরনদী (বরিশাল)
এবার হিন্দু সম্প্রদায়ের এক দিনমজুরের সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টাকারী প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের পক্ষাবলম্বন করে ওই দিনমজুরের কলেজ পড়ুয়া মেধাবী পুত্রকে উপস্থিত এলাকাবাসীর সামনে বসে মারধর করেছেন থানার ওসি। এ সময় ওই দিনমজুরের সপরিবারকে ওসি কর্তৃক ভারতে পাঠিয়ে দেয়ারও হুমকি দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাপা ক্ষোভ বিরাজ করলেও ওসির বিরুদ্ধে কেউ কথা বলার সাহস পাচ্ছেন না। ঘটনাটি জেলার গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর ইউনিয়নের চন্দ্রহার গ্রামের। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পুলিশ সুপারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের দিনমজুর হরলাল মিস্ত্রি (৫৫)। চন্দ্রহার গ্রামের মৃত কৃষ্ণ কান্ত মিস্ত্রির পুত্র হরলাল মিস্ত্রির অভিযোগে জানা গেছে, সম্প্রতি চন্দ্রহার এলাকার তার সম্পত্তির চার শতক জমি স্থানীয় আল-আমিন ভূঁইয়া গংয়ের কাছে বিক্রি করেন। অতিসম্প্রতি ওই জমির পুরো অংশ জোরপূর্বক জবরদখলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে প্রভাবশালী আল-আমিন ও তার সহযোগীরা। এনিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। বাটাজোর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নিতাই চন্দ্র রায় বলেন, প্রভাবশালী আল-আমিন গংয়ের পক্ষাবলম্বন করে ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন, এসআই জুবায়ের তাদের সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বুধবার বিকেলে আকস্মিকভাবে ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের দিনমজুর হরলাল মিস্ত্রিকে শাসিয়ে আল-আমিনের কথামতো চলার জন্য ওসি হুমকি প্রদর্শন করেন। এতে হরলাল মিস্ত্রির কলেজ পড়ুয়া মেধাবী পুত্র স্বজল মিস্ত্রি প্রতিবাদ করায় উপস্থিত লোকজনের সামনে বসে ওসি সাজ্জাদ হোসেন তাকে মারধর করে। একপর্যায়ে হরলালের সপরিবারকে ভারতে পাঠিয়ে দেয়ার জন্যও তিনি (ওসি) হুমকি প্রদর্শন করেন। অভিযোগ অস্বীকার করে ওসি মো. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, বিরোধ মীমাংসার জন্য ঘটনাস্থলে গিয়ে উভয়পক্ষকে মিলেমিশে থাকার পরামর্শ দিয়েছি। উল্লেখ্য, এর পূর্বে ওসি সাজ্জাদ হোসেনের নেতৃত্বে উপজেলার টরকী এলাকার একটি কিন্ডারগার্টেন ও ইল্লা এলাকার এক মুক্তিযোদ্ধার নির্মাণাধীন দোকান ঘর ভাঙচুরের অভিযোগ রয়েছে। এনিয়ে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হওয়ার পর পুনরায় ওসির নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধার দোকানঘর উত্তোলন করে দেয়া হয়।
Subscribe to:
Posts (Atom)