নগেনৰ আজৱ প্রশ্ন.......
""""""""""""""""""""""""""""""""""""
আজি নগেন আৰু ৰাম�বিল্লাসে একেলগে চিনেমা চাবলৈ গ'ল । নগাঁৱৰ জয়শ্ৰী হলত এখন জনপ্রিয় হিন্দী ছৱি । জনপ্ৰিয় ছৱিখন 'শ্বোলে' । আগৰ কেইবাৰ চাওঁতে নগেনক বুজায় দিয়া মানুহ নাছিল বাবে ভা��ৰাতীয়া হিচাবে ৰামবিলাসক লগত লৈ গৈছে । আচল কথা নগেনে হিন্দীত কোৱা কথাবোৰৰ অৰ্থ উলিয়াই সঠিক ব্যৱহাৰ কৰিব নাযানে । যিমান হলেও নগেনে কিন্তু এটা কথা বুজি নাপাই মোক বিচাৰি বিচাৰি লগ পায় সুধিলে:-
নগেন - অঃ 'দেদাই, আজি শ্বোলেখন চালোঁ; কিন্তু কথা এটাহে বুজি নাপালোঁ অ' ৷ ৰামিবলাসেও হিন্দী ম্যে বুজাব নোৱাৰিলে ।
মই সুধিলো -- 'কিনো বুজি নাপালি' ? নগেনে ক'লে - 'এফালে দেখিলোঁ গাঁৱত প্রৱল প্রতাপী ঠাকুৰৰ ঘৰত বিজুলী বাতিৰ (মানে Electric Line ) ব্যৱস্থা নাই আৰু সন্ধিয়া হলেই ঠাকুৰৰ বিধৱা বোৱাৰীয়েকে কেৰাচিন তেলৰ চাকি আৰু লেম্প বোৰ জ্বলাই দিয়ে ...........
.
.
.
.
নগেনঃ অ, দেদাই ! কিন্তু আনফালে দেখিলোঁ 'বসন্তীক নাপালে মৰি যাম' বুলি চিঞৰিবলৈ ধৰ্মেন্দ্রই গৈ সেই গাঁৱৰে ওখ পানী টেংকী এটাত উঠিছে৷
এতিয়া মই ভাবিছো কাৰেণ্ট নথকা গাওঁখনত যে ইমান ওখ পানী টেংকী বনালে, তাত কি ঠাকুৰৰ বাপেকে উঠি সদায় পানী ভৰাই নেকি ? নে বৰ্তমানৰ অসম চৰকাৰৰ চৰকাৰী আঁচনিবোৰৰ নিচিনাকৈ বিদ্যুৎ যোগান নধৰাকৈ ইমান ওখ পানী টেংকী সজাটো উচিত ??
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 4 July 2015
এখনও যশোরের অভয় নগরের মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে না
এখনও যশোরের অভয় নগরের মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে না, পাবনার সাঁথিয়ার হরিদাসী বিচার না পেয়ে গুমরে গুমরে কাঁদে, রামুর বৌদ্ধ পল্লীর বুকের আগুন নিভে যায় নি। এর মধ্যে আবারও নিরবে ঠান্ডা মাথায় বাংলাদেশে শুরু হয়েছে সংখ্যালঘু নিধন ও জমি দখল এবং বিতারিত করার কাজ। আর সেই কাজ গুলো করছে স্বয়ং জনপ্রতিনিধিরা। বাংলাদেশে এত হামলা হচ্ছে সংখ্যালঘুদের উপর কিন্তু কোন নিউজ চ্যালেন বা পত্রিকাদিততে কোন খবর নাই। এরকম একটি খবর হলঃ
চৌগাছায় সংখ্যালঘু নির্যাতন সাইফুল
মেম্বরসহ ১৩জনের বিরুদ্ধে মামলা
যশোর প্রতিনিধি
যশোরের চৌগাছা উপজেলার বল্লভপুর
গ্রামে সংখ্যালঘু পরিবারের দুজনকে
কুপিয়ে ও হাতুড়ি পেটা করে হত্যা
প্রচেষ্টার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
মামলা সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের ৮নং
ওয়ার্ডের সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ১৩
জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা
হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে
নির্যাতনের শিকার বল্লভপুর গ্রামের
নিমাই বিশ্বাসের ছেলে কার্তিক
কুমার বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলাটি
করেছেন। চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম মামলার
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার
আসামিরা হলেন-বল্লভপুর গ্রামের মৃত
কাওছার বিশ্বাসের ছেলে ইউপি
মেম্বর সাইফুল ইসলাম, রহিম বক্্েরর
ছেলে আবদুল খালেক, ফকির চাঁদের
ছেলে আইজেল হক, সিরাজুল ইসলামের
ছেলে সাহাঙ্গীর আলম ও আলমগীর
হোসেন ওরফে আলম, আমীর মল্লিকের
ছেলে তোতা মিয়া, রওশন আলীর
ছেলে আবদুল মাজিদ, জাহেদ আলীর
ছেলে মোহাম্মদ আলী বাটুল, হায়দার
আলীর ছেলে রুস্তম আলী, হয়রত আলীর
ছেলে সরজেত আলী, দুখু মন্ডলের ছেলে
চান্দু মিয়া, রহিম বক্সের ছেলে
আরশাদ আলী ও আনসার আলীর ছেলে
আবদুস সাত্তারসহ অজ্ঞাত আসামী আরও
২০/২৫ জন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা
হয়েছে, গত ১জুলাই ২০১৫ ইংরেজি
বুধবার আনুমানিক বেলা ১১ হাতে
ধারালো দা, হাসুয়া, লোহার রড ও
দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে অতর্কিত
আমার এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক
সরজিত কুমার রায়ের উপর হামলা করে।
এসময় ১নম্বর আসামি সাইফুল মেম্বর ধর
মার দুই শালাকে মার্ডার করে ফেল।
এই হুংকার দিয়ে তার হাতে থাকা
হাসুয়া দ্বারা সরজিতের মাথায়
সজোরে কোপ মারে। এসময় সরজিত
পালানোর চেষ্টা করলে ২ নম্বর
আসামি খালেক তার হাতের
ধারালো দা দ্বারা মাথায় দ্বিতীয়
কোপ মারে। এরপর আমি সমিতির ঘরের
মধ্যে দৌড়াইয়া গেলে ৩ নম্বর আসামি
আইজেল ৫ নম্বর আসামি আলম, ৬ নম্বর
আসামি তোতা মিয়া, ৯ নম্বর আসামি
রুস্তম ও ১০ নম্বর আসামি সরজেত ঘরের
মধ্যে গিয়ে আমাকে লোহার রড এবং
লাঠি দ্বারা আঘাত করলে আমি
মেঝেতে লুটিয়ে পড়ি। এসময় ৩ ও ৫ নম্বর
আসামির হাতে থাকা লোহার
হাতুড়ি দ্বারা আমাকে
এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম
করে। এরপর আমাকে আবার টানতে
টানতে ঘরের বাইরে আনে। এসময় ১ ও
২নম্বর আসামি আমার সমিতির সম্পাদক
সরজিতকে মাটিতে পড়ে থাকা
অবস্থায় এলোপাতাড়ি লাথি মারতে
থাকে এবং ৪,৭ ৮,১১,১২,১৩ নম্বর
আসামিরা সরজিতকে লাঠি দ্বারা
এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে।
এঘটনায় সরজিতের আত্মচিকিৎকারে
আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান
ফিরে দেখি আমি এবং সরজিত
রক্তাক্ত জখম অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে
প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সাইফুল
মেম্বারের বাড়ির উঠানে লুটিয়ে
পড়ে আছি। এরপর আমার জ্ঞান ফিরলে
দেখতে পায় সাইফুল মেম্বরের
বাড়িতে গ্রামের চিকিৎসক মো: ইউনুস
আলী, পিতা: ইউসুফ আলী রক্তাক্ত
সরজিতকে চিকিৎসা করতে করছে।
চিকিৎসা শেষে সাইফুল ও মাজিদ
আমাকে (কার্তিক) এবং আইজেল ও
আব্দার সরজিতকে তিন শত টাকার
একটি সাদা স্ট্যাম্পে বাওড় লিখে
দিতে জোর করতে থাকে। আমরা ওই
স্ট্যাম্পে সই করতে রাজি না হওয়ায়
আমাকে সাইফুল মেম্বর হাতুড়ি পেটা
করতে থাকে। এক পর্যায় আমি আবার
জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। এরপর
চৌগাছা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)
আবদুর রহিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সাইফুল
মেম্বরের বাড়ি থেকে আমাদের
দুইজনকে উদ্ধার করে আমাদের স্বজনদের
মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য
মাইক্রোবাসযোগে চৌগাছা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
পাঠিয়ে দেয়। আমাদের শারিরীক
অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত
চিকিৎসক যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল
হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।
বর্তমানে আমরা এ হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন আছি। উল্লেখ্য গত
১জুলাই ২০১৫ তারিখে আমাদের ওপর
হামলার সময় আমি মেঝেতে পড়ে
গেলে আমার মাছের পোনা ্ক্রয়
বাবাদ আমার কোমরে রাখা ৫০,০০০
(পঞ্চাশ হাজার) টাকা ৩ নম্বর আসামি
আইজেল হক বের করে নেয়। আমার
হাতে থাকা স্যামসং গ্যালাক্সি
হ্যান্ডসেট (আনুমানিক মূল্য ১১০০০টাকা)
৫ নম্বর আসামি তুলে নিজের দখলে
নেয়। পরে জানতে পারি সরজিতকে
মারপিটের সময় তার পকেটে থাকা
পাঁচ হাজার টাকা এবং একটি
সিস্ফনি মোবাইল ফোন
হামলাকারীরা ছিনিয়ে নেয়।
এছাড়া কয়েক মাস আগে বাওড় ইজারা
পাওয়ার পরপর আসামি সাইফুল মেম্বর
আমাকে ডেকে বাওড় তার নামে
লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে
আসছিল। বিগত তিন বছর ইজারা নিয়ে
বাওড়ে মাছ চাষ করার সময় সাইফুল
মেম্বর আমার সমিতির নিরীহ
মৎস্যজীবিদের কষ্টার্জিত অর্থ থেকে
চার-পাঁচ মেয়াদে আমার কাছ থেকে
প্রায় তিন লাখ হাতিয়ে নিয়েছে।
ঘটনা জানাজানি হলে অত্যাচারের
আশংকায় ও নিরীহ সদস্যদের অনুরোধে
ইতোপূর্বে কোন রুপ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ
করিনি। এছাড়াও গত ২৮ জুন ২০১৫ইং
তারিখ রোজ রবিবার সাইফুল মেম্বরের
নেতৃত্বে বল্লভপুর, মাধবপুর, তিলকপুর,
আন্দুলিয়া গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক
লোক ঝুপি জাল, কারেন্ট জাল দিয়ে
বাওড় থেকে প্রায় দুই লক্ষ টাকার মাছ
লুট করে নিয়ে যায়
Muslim Vote
We the common people read news paper and listen news from radio know our problem well. So we are well aware of it.
No sir, it's wrong. We simply read and listen the news. We should know who are person behind the screen. For example Imran a TMC Rajya Sabha Member. Founder of SIMI. Has a very close connection with Jamate leaders. Why main opposition in the WB Assembly CPI(M) and Congress are silent? It is because of Muslim Vote. So for Muslim Vote they are ready to compromise with the anti-national culprits. We the foolish Bengali are in vain with our ideology and ism. Our daughters and sisters being raped by those culprits. We are silent. Police Department is silent. They need good posting and promotions. Are we not ashamed? Our boys are girls are on road to collect an application form for Primary Teacher. Are you happy?
If not then ready to change the Government. Ready to fight against the misrule. Educate commom man. Please forget ideology and ism. Choose right man and right party to Govern us.
মুসলিম ভাইরা রাগ করবে না। আমি শুধু জানতে চাই ==>>>
মুসলিম ভাইরা রাগ করবে না। আমি শুধু জানতে চাই ==>>>
1. তোমাদের আল্লা কে??? কোন চাদরের তলায় লুকিয়ে থাকে???
2. সে নিরাকার কেন?? সে কি জেলি টাইপের কোনো বস্তু?? নাকি কলয়েড জাতীয় কোনো পদার্থ??
3. সে যদি সর্বশক্তিমান হয়, তাহলে তাকে তোমাদের হুক্কাহুয়া আওয়াজ দিনে ৫ বেলা মাইক নিয়ে ডেকে শোনাতে হয় কেন?? সে কি কানে বধির???
4. আল্লা এত নিষ্ঠুর কেন?? সে কেন বিধর্মীদের বুকে ভীতি সঞ্চার করে দেয়, যাতে করে তোমরা বাকি বিধর্মীদের মেরে শেষ করে ফেল?? যদি আল্লা কাফেরদের সহ্য না করতেই পারে, তাহলে মুসলমানদের তুলনায় 4 গুণ কাফেরকে পাঠালো কেন পৃথিবীতে??
5. আর সবাই যদি মুসলিম হয়েই জন্মায়, তাহলে তাকে কৃত্রিম ভাবে নুনু কাটতে হয় কেন?? আল্লার কাছে কি কাঁচি নেই, নাকি সে হিজড়া, যে কাউকে নুনু কেটে পাঠানোর ক্ষমতা নেই??
6. আর কে তোমাদের নবী মহম্মদ, সে নাকি আল্লার নবী?? আল্লার নবী যদি হয়, তাহলে সে কেন বুড়ো বয়সে ৬ বছরের শিশু আয়েশাকে বিয়ে করল??
7. নবী মহম্মদ কেন সব মিলিয়ে ১৫-১৬ টা বিয়ে করল?? কেন সে ইহুদি যৌনদাসিদের লুটেপুটে খেল?? তোমাদের নবীর চরিত্র এরকম কেন?? তাহলে আল্লা ও কি তার মতো নারিলোভি, কামুক??
8. বিধর্মীরা আল্লা বা তার নবীকে নিয়ে যদি প্রশ্ন করে, তাহলে তোমরা তাকে চাপাতি নিয়ে মারতে যাও কেন?? কেন রিপোর্ট করে তার ফেসবুক আইডি বন্ধ করে দাও?? আল্লা কি এতটাই নপুংসক, যে তাকে নিয়ে প্রশ্নকারী বিধর্মীদের নিজের হাতে মারতে পারেনা???
আমি শুধু জানতে চাই
Nature of Muslims
1.আমি একটা মুসলিম।আমি সন্ত্রাসবাদী না।একটা মানুষ।
উদা-আমেরিকা
2.জাগাটা কারো একার না।সবার।এখানে মুসলিমদের পূর্ন অধিকার আছে।
উদা-ভারত
3.পুরো জাগাটাই মুসলিমদের।এখানেঅন্য কাউকে থাকতে দেবনা।
উদা-বাংলাদেশ
4.সমস্ত অমুসলিম রা আমাদের শত্রু।চল এদের হত্যা শুরু কর।
উদা-পাকিস্তান
5.আর কোন অমুসলিম বাকি নাই।সব শেষ।চল এবার নিজেরাই মারপিট করি।
উদা- ইরাক
6.আর একটা মানুষ ই বাকি নেই।চল এবার দুনিয়াটাকেই ধ্বংস করি।
উদা- ভবিষ্যত! —
সংখ্যালঘুদের পাঁচ বছর মেয়াদী ভিসা দেবে ভারত
বাংলাদেশ, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সংখ্যালঘুদের পাঁচ বছর মেয়াদী ভিসা দেবে ভারত। এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত।
দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ কথা বলা হয়েছে। বর্তমানে এসব সংখ্যালঘুকে এক বছর মেয়াদী ভিসা দেয়া হয়।
কিন্তু তাদের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সে সিদ্ধান্ত পাল্টানো হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই।
এতে বলা হয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সোমবার বিবৃতিতে বলেছে- এক বছরের পরিবর্তে বিশেষ বিশেষ সময়ে দীর্ঘমেয়াদী ভিসা দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। http://eibela.com/article/%E0%A6%B8%E0%A6%82%E0%A6%96%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%98%E0%A7%81%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0-%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%81%E0%A6%9A-%E0%A6%AC%E0%A6%9B%E0%A6%B0-%E0%A6%AE%E0%A7%87%E0%A7%9F%E0%A6%BE%E0%A6%A6%E0%A7%80-%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BE-%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%AC%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A6%A4
রোজা আসলে কিছু হিন্দু দাদা কে দেখা যায় তারাও ইফতারে অংশ নেয়
রোজা আসলে কিছু হিন্দু দাদা কে
দেখা যায় তারাও ইফতারে অংশ
নেয়।
আবার কাউকে দেখা যায় বাজার
থেকে ইফতার কিনে নিয়ে বাসায়
সবাই মিলে খায়।
আপনি কি জানেন, এই ইফতার কি কি
দিয়ে তৈরি করা হয়..?
১) রোজার সময় অধিকাংশ মুসলিম কেই
বলতে শুনা যায়,,, "আল্লার কি কুদ্রুতি
দেখ, সারা বছর বুট খাই। কিন্তু রোজার
মাসে বেশি মজা লাগে"
কিন্তু কেনো মজা বেশি লাগে..?
কেননা এই সময় ইফতারির মিধ্যে জত
কিছু দেয়া হয় তা অন্যা সময় দেয়া হয়
না।
৯৯% দোকান্দার বুটের মধ্যে "গোস্তের
ঝোল" ব্যাবহার করে স্বাদ দারানোর
জন্যা।
তার প্রমান ও মেলে। অনেকে হিন্দু
দের খাওয়ানোর জন্যা তা সিকার
করেনা।
২) সনাতনি সাস্র অনুজাই (বেদ) সূর্য যখন
অস্ত যায় (সোন্দা বেলা) তখন যে কোন
খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে
হবে।
কেননা তখন প্রেত আত্মা রাই খাবার
খায় এবং
সূর্য থেকে এক ধরনের বিশাক্ত রশ্মি
বাতাসে ঘুরে বেরায়। যা খাবারে
মিশে পেটে গেলে শরিরে বিভীন্ন
সমস্যা দেখা দিতে পারে
পরবর্তিতে। ৩০ মিনিট পর তা নিশক্রিয়
হয়ে যায় তাই ৩০ মিনিট পর খাওয়াই
বাঞ্চনিয়।
বাজার থেকে কাচা বুট কিনে
নিজে বাসায় রান্না করে সন্ধার পর
খেতে পারেন।
পোষ্ট টি শেয়ার করুন সবার জানার
জন্যা।
এডমিন : চাঁদের আলো সুমিত
Subscribe to:
Posts (Atom)