Saturday, 4 July 2015

মুসলিম ভাইয়েরা মনে কষ্ট নিবেন না

মুসলিম ভাইয়েরা মনে কষ্ট নিবেন না।এই পোস্টটা আপনাদের জন্য নয়।এই পোস্টটা সমগ্র ভারতবাসীর জন্য।যারা ভারতীয় সংস্কৃতি 'একাদশী উপবাস' কে হেয় করে আরবীয় ইফতারকে আকড়ে ধরছে সেইসব হিন্দুদের উদ্দেশ্যে সত্য প্রকাশ করছি।তারপরও যদি কোন মুসলিম ভাই মনে কষ্ট পান তবে আমরা আন্তরিকভাবে ক্ষমাপ্রার্থী।যাই হোক এবার মূল কথাটা লিখছি- রোজা প্রমান করে- কুরান আল্লাহর বানী না,মুহাম্মদের লেখা। রোজা আরো প্রমান করে- মুহাম্মদ আল্লাহর নাবী না-আল্লাহ নাই। প্রমান দিচ্ছি- কুরানে আছে-রোজা পালনে-"সূর্যোদয়থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থাকতে হবে।" [সূরা বাকারাঃ১৮৭ নাম্বার আয়াত] -এ আয়াত তাঁর লেখা যাঁর মক্কার বাইরে-পৃথিবীর বক্রতা এবং দিন-রাত সংঘটিত হওয়ার বৈজ্ঞানিক নিয়ম সম্বন্ধে কোন ধারনা ছিল না।পৃথিবীর আকৃতি ও বসবাসকারী মানুষ সম্পর্কে যিনি অবগত ছিলেন না। যিনি এ আয়াত নাজিল করেছেন তিনি যদি আল্লাহ হতেন-জানতেন পৃথিবীর সকল স্থানে-একই সময় সূর্য্য ওঠে ও অস্ত যায় না।তিনি আরো জানতেন-আমাদের এখানে যেমন-সূর্য ওঠে রাত দেড়টায়-ডোবে রাত সাড়ে এগার টায়-২২ ঘন্টা দিন।(নরওয়ে) মুহাম্মদের এ অজ্ঞানতার আরো প্রমান-হাদীস সহি বুখারি (৫৪৪:২১)।-সেখানে বলা হয়েছে যে-"রাতের বেলা সূর্য স্রষ্টার আরশের নিচে বিশ্রাম নেয়।" আরো প্রমান-কুরানের আয়াতে-"আমি আপনার প্রতি আরবী ভাষায় কোরআন নাযিল করেছি,যাতে আপনি মক্কা ও তার আশ-পাশের লোকদের সতর্ক করেন এবং সতর্ক করেন সমাবেশের দিন সম্পর্কে ....।" [সূরা আশ-শুরা ৪২:৭] "এ কোরান এমন গ্রন্থ,যা আমি অবতীর্ন করেছি;বরকতময়,পূর্ববর্তী গ্রন্থের সত্যতা প্রমাণকারী এবং যাতে আপনি মক্কাবাসী ও পাশ্ববর্তীদেরকেভয় প্রদর্শন করেন।" [সূরা আন আম ৬:৯২] "আমি একে আরবী ভাষায় কোরআন রূপে অবতীর্ণ করেছি,যাতে তোমরা বুঝতে পার।" [সূরা ইউসূফ ১২:২] তাহলে প্রশ্ন-কোরান মতে আমার ভাষা কি আরবি?কুরানের উপরোক্ত আয়াত সমূহ প্রমান করে-রোজা শুধু মক্কাবাসী তথা আরবীয়দের জন্য।-সার্বজনীনবিশ্বের সকল মানুষের জন্য নয়।কুরান সার্বজনীন বা সব মানুষের জন্য প্রযোজ্য-অনুসরনীয় গ্রন্থ নয়। কুরান যদি সৃষ্টিকর্তার হত-তাহলে রোজা পালনে "সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের" বিধান থাকত না।যেমনটা আমাদের কোন উপবাসে নেই ফলে উপবাস পৃথিবীর সকল প্রান্তেই প্রযোয্য। রোজায়-মানুষকে অযৌক্তিক অন্ধ বিশ্বাসের কাছে আত্মসমর্পন করতে দেখে কষ্ট পাই। তাছাড়া আমরা কদিন আগে রোজার আপকারিতা নিয়ে একটা বিশ্লষণধর্মী লেখা পোস্টও করেছিলাম জানেন।দেখুন এখানে- https:// www.facebook.com /bengalrss/ photos/ pb.7073612727102 89.-2207520000. 1435961464./ 804920276287721/ ?type=3&src=http s%3A%2F %2Ffbcdn -sphotos-f-a.ak amaihd.net%2Fhp hotos- ak-xaf1%2 Fv%2Ft1.0-9%2F1 0666020_8049202 76287721_577549 729209921425_n. jpg%3Foh%3D420f 15e832e6c3beecc ad5d2969d7e60%2 6oe%3D5612BC37% 26__gda__%3D144 3941449_6a2d8d6 011122c7e5e21e3 b12abb3e6f&size =320%2C282&fbid =80492027628772 1 হিন্দু শাস্ত্র বলে সন্ধ্যায় কোন রকম খাদ্য গ্রহণ করা যাবে না।এসময় মহাজাগতিক কিছু অশুভ শক্তি তথা নিকৃষ্ট প্রজাতিই কেবল খাদ্য গ্রহণ করে।আর এদিকে বিজ্ঞান বলে-সূর্য যখন অস্ত যায় তথা সন্ধ্যা হয় তখন সূর্যের আল্ট্রা-ভায়োলেট কিছু ক্ষতিকর রশ্মি অতি সহজেই বায়ুমন্ডল ভেদ করে পৃথিবীপৃষ্ঠে প্রবেশ করে।আর এসময় খাদ্য গ্রহণ করলে তা দেহের জন্য ক্ষতিকর হয়। তাই সকল হিন্দু তথা ভারতীয়কে বলব-আসুন সবাই আমাদের ভারতীয় সংস্কৃতিকে আকড়ে ধরি ইফতার বয়কট করি।মসলমান ভাইয়েরা মনে কোন কষ্ট পেলে ক্ষমা করবেন।আমরা জাস্ট সত্যটা প্রকাশ করলাম।এটা আমরা দায়িত্ব মনে করি। জয় হিন্দ। হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়। ‪#‎ RSS‬

আপনি কি ইসলাম সমর্পকে এএইগুলি জানেন ???

১: আলেকজান্ডার এর ৫০০ বছরের পর মহম্মদের জন্ম। ২:ভারত বাদে গোটা বিশ্বের মুসলমান রমজান কে রামাদান বলে, ভারতে নিজেদের নকল লুকোতে এরা এই কাজ করে, রামাদান সংস্কৃত শব্দ রামজ্ঞান এর অপভ্রংশ,। ৩: কাবা শরীফ এক শিব মন্দির ছিল, মুসলমানরা হজ করার সময় হিন্দু রীতিমতো মন্দিরের প্রদক্ষিণ এর মতো সজদা করে . ৪: পুরো আরবে আর্য সংস্কৃতি ছিল ,হজরতের কাকা এক হিন্দু ছিলেন. তিনি "শয়ার উল ওকুল " নামে একটা বই লিখেছিলেন , যাকে হজরত মেরে ফেলে . ৫: মুসলিমদের নামাজ ও সংস্কৃত শব্দ নমত থেকে এসেছে যার অর্থ ঝোকা বা নীচু হওয়া। ৬: মুসলিমদের দিনে ৫বার নামাজ আমাদের বেদের ৫মহাযজ্ঞের নকল। ৭: মুসলমানদের উৎসব শবেবরাত হিন্দু দের শিবরাত্রির অপভ্রংশ, মক্কার বিখ্যাত মক্কেশ্বর মহাদেবের মন্দির ছিল, যেখানে ধুম ধামে শিবরাত্রির উৎসব হত, যেটি বন্ধ করে মহম্মদ শবেবরাত চালু করে। ৮: নামাজের পূর্বে শরীরের ৫ অঙ্গ ধোয়া হিন্দুদের বেদে র পঞ্চাঙ্গ ধৌত ন্যায়ের নকল। ৯: ঈদ উল ফিতর হিন্দু দের পিতৃ পুরুষ এর স্মৃতিচারণ অনুস্ঠান এর নকল। ১০ : গ্যারহারি শরীফ আমাদের একাদশীর ব্রতের নকল, আমাদের পুরাণের নকল হল কুরান, আমাদের মল মাস মুসলিমদের সফর মাস, এইভাবে হিন্দু ধর্ম কে নকল করেই ইসলাম গড়ে উঠেছে।

Friday, 3 July 2015

ধিক্কার জানাই নাস্তিক সিপিএম এর দালাল মিডিয়া ২৪ ঘন্টা কে। কিভাবে মা দূর্গাকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক নিউজ বানিয়েছে দেখুন, http://zeenews.india.co m/bengali/kolkata/durga-puja-in-chicago_129164.html ফেসবুক পোষ্টঃ https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=1013584065341981&id=297340303633031&refid=17 এই হিন্দু বিরোধী নাস্তিকদের চেয়ে আমি তাদেরকে বেশি করে দায়ি করব, যারা নিজেদের হিন্দুত্ববাদী দাবি করেও এসব অনাচার নীরবে সহ্য করে। কোনো ধার্মিক নিজের ধর্মকে নিয়ে ব্যঙ্গ করে না বা তা সহ্য করে না; শুধু হিন্দুরা করে! তাই সমরেশ মজুমদার "২৪ ঘন্টার ঈশ্বর" গল্পে মা দূর্গাকে নিয়ে যাচ্ছে তায় ভাবে বিদ্রুপ করলেও আমাদের গায়ে লাগে না। গায়ে না লাগার কারণেই "২৪ ঘন্টা" হিন্দু দেবদেবী নিয়ে ব্যঙ্গ বিদ্রুপ সহ্য করতে হয়। যেখানে আরব দেশে টাকার লোভে আর মাথা কাটা যাবার ভয়ে এরায় আবার সন্ত্রাসবাদীদেরহয়ে দালালি করে যায় রাতদিন ২৪ টা ঘন্টা। আমরা আর কি বলব? কারো যখন এসব দেখে কষ্ট লাগছে না তখন একা গলা ফাটিয়ে উগ্রবাদী, কট্টরবাদী, মৌলবাদী, সাম্প্রদায়িক ইত্যাদি তকমা জুটিয়ে লাভটা কি? গোল্লায় যাক হিন্দুসমাজ!

ভারতে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে আইএস-আল কায়দা

আল কায়দা ও আইএসআইএস যৌথ ভাবে ভারতের মাটিতে খুব শিগগিরই একটি বড় ধরনের জঙ্গি আক্রমণের জন্য তৈরি হচ্ছে। দেশটির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংহ এমন তথ্যই দিয়েছেন। বুধবার আনন্দবাজার পত্রিকায় এ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। এক প্রশ্নের জবাবে আনন্দবাজার পত্রিকাকে মন্ত্রী জানিয়েছেন, বিভিন্ন সূত্রে খবর এসেছে, সুকৌশলে পুরনো কর্মপদ্ধতি বদলে এই সংগঠন বিশেষ ভাবে সন্ত্রাসের জন্য ব্লু-প্রিন্ট তৈরি করে ফেলেছে। এই জিহাদি গোষ্ঠীগুলো সিরিয়া ও ইরাকে বিশেষ ভাবে সক্রিয়। প্রায় ১৭ হাজার জিহাদি এই গোষ্ঠীগুলোতে যুক্ত হয়েছিল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, উত্তর আফ্রিকা এবং গাল্ফ এলাকায় এরা সক্রিয়। আল কায়দার নেতৃত্ব আনুষ্ঠানিক ভাবে আইএসআইএস-র সঙ্গে নিজেদের সংযুক্তি ঘোষণা করেছে। এরপর আমেরিকা, কানাডা, ইউরোপ ও অস্ট্রেলিয়াতে যেমন ওরা ছড়িয়ে পড়েছে, তেমনই ভারত, পাকিস্তান ও আফগানিস্তানেও এরা ছড়িয়ে পড়েছে। রাজনাথ সিংহ বলেন, ‘এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলোর কাছে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। কাশ্মীরে গণতান্ত্রিক সরকার গঠিত হওয়ার পর জঙ্গিদের মধ্যে হতাশা এসেছে। সেই হতাশা কাটানোর জন্য উপত্যকায় একটা বড় ধরনের সন্ত্রাসবাদী হামলার চেষ্টা চলছে।’ অতীতে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই ভারতে ছায়াযুদ্ধে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিল। জিয়ার তত্ত্ব ছিল ভারতকে হাজারটি টুকরো করা। কিন্তু শুধু কাশ্মীর নয়। মুম্বাই বিস্ফোরণের সময় স্থানীয় মাফিয়া দাউদ ইব্রাহিমের মতো ব্যক্তিকেও কাজে লাগানো হয়। তখন একটা কৌশল বদলায়। ভারতীয় এজেন্ট প্রোভোকেটরদের কাজে লাগানো শুরু হয়। রাজনাথ সিংহ বলছেন, ‘এখন পরিবর্তিত সমাজ ব্যবস্থার সঙ্গে আইএসআইএস তাদের কৌশল আবার বদলাচ্ছে।’ রাজনাথ বলেন, ‘টুইটার এবং ফেসবুককে ছদ্মনামে ব্যবহার করা হচ্ছে। পৃথিবীর নানা প্রান্তে প্রায় দু’হাজার আইএসআইএস সমর্থকের অ্যাকাউন্ট রয়েছে। বিশেষত আরব জগতে ২০১০ থেকে এই গোষ্ঠী সোশ্যাল মিডিয়াকে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে।’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘জিহাদ নামক শব্দটিতে কোরাআনে অন্য ভাবে ব্যবহার করা হয়েছিল। বলা হয়েছিল, এই পৃথিবীতে ঈশ্বরের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য একটি বিশেষ কাজ হল জিহাদ। কিন্তু এই জিহাদ নামক শব্দটি অপব্যবহার করে জঙ্গিরা এ দেশে সন্ত্রাসের আবহ তৈরি করছে।’ সম্প্রতি ডিজি এবং আইজি-দের সম্মেলন হয়। সেখানেও এই সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়। ২০০৩-এর ২০ মার্চ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ ইরাকে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তারপর ২০০৩-এর ৯ এপ্রিল মার্কিন সেনাবাহিনী সাদ্দাম হুসেনের সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। এরপরেই জারকোয়াই-এর নেতৃত্বে একটি গোষ্ঠী ইরাকে জিহাদি কার্যকলাপ শুরু করে। ২০০৩-এর অগস্ট মাসে ওই জারকোয়াই গোষ্ঠী বাগদাদে রাষ্ট্রসঙ্ঘের দপ্তরে বোমা ছোড়ে। ২০০৪-এ জারকোয়াই বিন লাদেনের আনুগত্য স্বীকার করে এবং ইরাকে আল কায়গা গোষ্ঠী তৈরি করে। বিন লাদেনের মৃত্যুর পর কিছু দিন চুপচাপ ছিল সে। ২০১৩-র ২৪ জুলাই ইজরায়েল সেনাগোয়েন্দা অধিকর্তা প্রথম খবর দেয় সিরিয়া কিন্তু বিশ্ব জিহাদের একটি কেন্দ্র হয়ে উঠছে। ২০১৪-য় আইএস-র সমস্ত ফেসবুক-ট্যুইটারঅ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। রাজনাথ বলেন, ‘এই আইএস-র কার্যকলাপ সম্পূর্ণ আধুনিক। এরা ২০১৪-র জুলাই মাসে ডাবিক নামে একটি ইংরেজি পত্রিকা বের করেছে। খবর এসেছে, কাশ্মীর ও কেরালার মতো রাজ্যে এই পত্রিকা বেআইনি ভাবে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এরা এখন সোশ্যাল মিডিয়া, পত্রিকার মাধ্যমে সন্ত্রাসের মনস্তত্ত্বকে মতাদর্শের মাধ্যমে বিক্রি করার চেষ্টা করছে।’ রাষ্ট্রসংঘের রিপোর্টে বলা হয়েছে, সিরিয়াতে কীভাবে শিশু-কিশোরদের মগজধোলাই হয়েছে। যাতে দীর্ঘ মেয়াদে আনুগত্য পাওয়া যায়। এ বার ওরা কাশ্মীরে কিছু অল্পবয়সী ছেলেদের এই একই ভাবে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে। ভারতে যে সব শহরগুলোতে সংখ্যালঘুদের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য, সেখানে এরা বেশি সক্রিয়। http:// www.banglamail24 .com/news/2015/ 07/01/id /231880/

Selfie With Daughter

আজকাল অনেককেই দেখছি যে তারা ‪#SelfieWithDaughter ‬এর বিরোধিতা করে বলছেন যে মেয়ের সাথে ছবি তুলে কি তার ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব না। তাদের আমি একটা কথা জানিয়ে দিই, প্রধানমন্ত্রী কবে বলেছেন যে মেয়ের সাথে ছবি তুলুন, তাহলেই ওর ভবিষ্যৎ হয়ে যাবে? আর হ্যা দ্বিতীয় কথা। আপনারা এর আগে কি ছিঁড়ছিলেন? আপনারা নিজেরাই আগে কোনদিনও মেয়েদের সন্মান দেননি, যদি দিতেন তাহলে দেশে এত ধর্ষন হত না। এতদিন যখন মেয়েদের জন্য কিছু করা হয়নি তখন আপনারা ঘুমাচ্ছিলেন, আর এখন যখন মেয়ে দের জন্য কিছু করা হচ্ছে তখন আপনাদের বাশঁ যাচ্ছে কেনো? ‪#‎ SochBadloNiyatN ahi‬

উগ্র‬ধর্মান্ধতার দেশ বাংলাদেশ

‪‬আনসারউল্লাহ ১-৮ বাহিনীর দেশ বাংলাদেশ, হেফাজতে ইসলামের দেশ বাংলাদেশ, জামাতি ইসলামের দেশ বাংলাদেশ। এখানে বাক স্বধীনতা নেই। এখানে ইসলাম নিয়ে কোন কথা বলতে পারবে না। অন্য সব ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করতে পারবে, মন্দির ভাংতে পারবে। পেগোডা ভাংতে পারবে। মুর্তি ভাংতে পারবে। এতে করে তাদের ধর্মানুভুতিতে আঘাত লাগতে পারে না এরা বিচার চাইতে পারে না। ফলে কাউকে সরকার বন্দী করে না। এই দেশ থেকে তো সংখ্যা লঘুরা প্রায় চলেই গেছে। যারা আছে তারাও অত্যাচার সহ্য না করতে পেরে যাবার জন্য পথ খুঁজে বেড়াচ্ছে। ধর্মানুভুতি দেখি কেবল মুসলমানদের মধ্যেই। যা কিনা ৭০দশকেও ছিল না এই দেশে। এখন সরকার তার গদি ঠিক রাখার জন্য যদি উগ্র ধর্মান্ধতাদের সাথে হাত মিলায় তবে বুঝতে হবে একদিন এই সারকারের বুকেই ছুরি বসাবে। . ‪#‎ ধন্যবাদ‬রেজাউল কামাল।

আরও একটি দুর্ঘটনা, গেল আরও একটি নিষ্পাপ প্রাণ

সংবাদ মাধ্যম পুরো দমে লড়িয়ে দিচ্ছে জান দেখাতে আহত ড্রিম গার্লের রক্তাক্ত ক্ষতস্থান !!! প্রতিবাদের ভাষা কারো মুখে নাহি সরে যদি " ঢাই কিলোর মুকা " পিঠে এসে পড়ে !!!! বোকা বাক্স দেখাতে ব্যস্ত, কতই রক্ত বইছে নায়িকার গাল বেয়ে ছোট্ট মেয়েটা খেলার ছলে জানলোই না কখন মৃত্যু এল ধেয়ে !!! ' গরীব আদমি ' তো ' কুত্তা ' হয়েইছিল আগে দেখি অভিজিত বাবুর মনে আবার কি ভাবনা জাগে !!!! খবরের কাগজে নায়িকার ছাপা হয় ছবি , বরাদ্দ প্রথম পাতা ছোট্ট মেয়েটির বরাদ্দ একটি লাইন , আম আদমি বলে কথা !!!! ' সততে পে সততায় ' তিনি ছিলেন স্বপ্নের অভিনেত্রী সত্য যখন সামনে তখন তিনি শাসক দলের দলীয় নেত্রী !!! তাই সংবাদ পত্রের সবচেয়ে বড় কথা ' বাসন্তী , আজ রক্তে রাঙা ছোট মেয়েটির মায়ের আজ হোক না যতই হৃদয় ভাঙা !!!!