বানতলা হোক বা ধানতলা, কামদুনি হোক বা মগরাহাট, অপরাধী যখন মুসলিম আর আক্রান্ত যখন হিন্দু তখন এই রাজ্যে সুবিচারের আশা রাখাটাই অন্যায়।
মধ্যমগ্রাম বা রানাঘাট ধর্ষনকান্ডে প্রশাসনের যে তৎপরতা দেখা যায় সেটা উপরের ক্ষেত্রগুলিতে দেখা যায়না। তাই কামদুনির শিপ্রার পরিবার হোক বা মগরাহাটের টুকটুকির পরিবার, পুলিশ ও প্রশাসন এদের পাশে দাঁড়ায় না। এরা এ রাজ্যের দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক তাই এদের ন্যায় বিচার পাওয়ার কোন অধিকার নেই।
অবশ্য শুধু প্রশাসনকে দোষ দেয়াও ঠিক নয় কারণ প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণকারী রাজনৈতিক শক্তি যারা দিনের শেষে ভোটের আশায় সেই আম জনতার কাছেই হাত পেতে থাকে সেই জনতাই যখন এই ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় তখন খামোখা রাজশক্তিকে দোষারোপ করে কি লাভ?
আজ টুকটুকি নামের যে মেয়েটিকে বাবুসোনা গাজী আর তার দলবল অপহরণ করেছে কাল সেই মেয়েটি টুকটুকি না হয়ে আমার নিজের মেয়ে বা বোনও হতে পারে, আর হতে পারে কেন, হবেই কেননা এটাই তো এই রাজ্যের ইসলামীকরনের অন্যতম উপায় তবু আমাদের ঘুম ভাঙে না, চোখ থেকে সেকুলারিজমের ঠুলি সরে না। আমরা এখনও ললিত মোদী আর মুকুল রায়কে নিয়ে চায়ের কাপে তুফান তুলছি। মাঝে মাঝে মনে হয়, কবিই বোধহয় আমাদের প্রকৃত চরিত্রটা ঠিকঠাক চিনেছিলেন আর তাই লিখেছিলেন "...রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করনি"।
প্রসূন মৈত্র
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 4 July 2015
বৃথা যায়নি পাকিস্তানী হিন্দু যোদ্ধা রাজ কুমার দা'র আন্দোলন
বৃথা যায়নি পাকিস্তানী হিন্দু যোদ্ধা রাজ কুমার দা'র আন্দোলন ।
পাঞ্জাব প্রদেশের এক মসজিদের ইমাম হিন্দুদের উপর সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ায় ।
আর তাই পাঞ্জাবের একটি আদালত ঐ ইমামকে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর অপরাধে দশ বছরের কারাদন্ড দেয় এবং সাত লাখ রুপি জরিমানা করে ।
__
হিন্দুদের উপর সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ালে হিন্দু মানবাধিকার কর্মী রাজ কুমার এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ।
__
দুই মাস পূর্বেও পাঞ্জাবের কাইমপুর টাউনে খৃষ্টানদের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক বক্তব্য
দেওয়ার কারণে পুলিশ ঐ
মাওলানাকে গ্রেপ্তার করে ।একই দিনে একটি আদালত সাম্প্রদাযিক উস্কানিমূলক কথা বলার অপরাধে চারটি মামলার রায় ঘোষণা হয় ।
__
আসলে পাকিস্তানে বিচার ব্যবস্হা বাংলাদেশের চেয়ে উন্নত ।পাকিস্তানে মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের ধরে ধরে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় ।প্রায় সময়ে তালেবানদের ফাঁসির রায় কার্যকর হয় ।
__
অথচ বাংলাদেশে মৌলবাদীদের ধরে ধরে আশ্রয় প্রশ্চয় দেওয়া হয় ।সরকারের নাকের ডগায় চলে হিন্দু নির্যাতন কোন বিচার নেই ।
তাহলে কি এদিক থেকে বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তান ভালো নয় ।
Cause of Blaming RSS.
We cnt just imagine ,to what extend some ppls wearing saffron mask can processed.just for being popular for there future role in political.,mustsay dusty politics.
How can you belive a person talking of hindutwa,and blaming RSS.
RSS is working for hindus for about 90years.Can anyone imagine wht would have been the situation of Bharat if there were no Sangha?
Just for publicity some frauds are going on blaming RSS.
বাংলাদেশী বংশদ্ভূত বৃটিশ পরিবারটি’র অবশেষে সিরিয়া যাবার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে
বাংলাদেশী বংশদ্ভূত বৃটিশ পরিবারটি’র অবশেষে সিরিয়া যাবার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই পরিবারটিকে নাকি সিরিয়া যাবার মত কোন আলামত তাদের পরিচিতরা বুঝতেও পারেনি। পরিবারটির ছবি টিভি ও ইন্টারনেটে দেখে অবশ্য খুব বেশি একটা অবাক হওয়ার মত কিছু মনেও হয়নি। আলামত অবশ্যই ছিল। পুরুষগুলোর গোফহীন সুন্নতি দাড়ি ও হিজাবী মহিলা পরিবারটি সম্পর্কে আমাদের আগাম খানিকটা বরং ধরণাই দেয়। এরচেয়ে তিউনিশিয়ার ছেলেটি যে সি-বিচে গুলি চালিয়ে হত্যা চালিয়েছে তাকেই পূর্বানুমান করাই বেশি কঠিন ছিল। লেবাসে ও শিক্ষায় তার বন্ধুরাও বিভ্রান্ত হয়েছিলো। অবশ্য তার পাঞ্জাগাণা নামাজ আদায়ের অভ্যাসের কথা তার স্বজনরা জানিয়েছেন। এ থেকে পরিস্কার, মুসলিমদের মধ্যে যারা ধার্মীক, সিরিয়াস ধর্মকর্ম পালন করেন তাদের মধ্যে জিহাদী সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাসের সমর্থক হওয়ার সম্ভাবণা থাকে। কেউ আবার মনে করবেন না যেন যে আমি বলতে চাচ্ছি- নামাজী হলেই, নবীর সুন্নত ও ইসলামী পর্দা মানলেই কেউ জিহাদী-সন্ত্রাসী হয়ে যায়। আমি আসলে বলতে চাচ্ছি সেই পুরোনো সত্যটিই,- সব মসলিমই জঙ্গি না, তবে সব জঙ্গিই মুসলিম!
বাংলাদেশে অপরিচিত তো বটেই খুব ঘনিষ্ঠ বা বহুদিনের পুরোনো বন্ধুটি, যে কথায় কথায় “আলহামদুরিল্লাহ” আর “ইনশাল্লাহ” বলে, মুখে মুখে হারাম-হালাল খুঁজে বেড়ায়, নবীর নাম নেয়ার সময় ঘটা করে “নবী করিম (সা:)” বলে সম্বধন করে, দাঁড়িয়ে পানি খায় না, আজানের সময় দুহাতের বুড়ো আঙ্গুলে চোখে চুমু খায়, আল্লাকে অতিরিক্ত ভক্তির চোটে “আল্লাহ রাব্বুল আলামীন” বলে গদগদ হয়- তাদের সম্পর্কে খুব সাবধান! নিজের অনলাইনের অবাধ লেখালেখি, আমাদের মত “উগ্র নাস্তিকতা” না হোক, সিম্পলি উদার ধর্মীয় অবস্থানের কারণে তাদের কাছে নিজের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এদের কেউ কেউ যে আনসারুল্লাহ বা আইএসে যোগ দেয়নি তার কোন নিশ্চিয়তা নেই। কাজেই সাধু সাবধান! …
জেনে রাখুন শ্রী কৃষ্ণের 108 টি নাম
জেনে রাখুন শ্রী কৃষ্ণের 108 টি নাম :
শ্রীনন্দ রাখিল নাম নন্দের নন্দন।১
যশোদা রাখিল নাম যাদু বাছাধন।।২
উপানন্দ নাম রাখে সুন্দর গোপাল।৩
ব্রজবালক নাম রাখে ঠাকুর রাখাল।।৪
সুবল রাখিল নাম ঠাকুর কানাই।৫
শ্রীদাম রাখিল নাম রাখাল রাজা ভাই।।৬
ননীচোরা নাম রাখে যতেক গোপিনী।৭
কালসোনা নাম রাখে রাধা-বিনোদিনী।।৮
কুজ্বা রাখিল নাম পতিত-পাবন হরি।৯
চন্দ্রাবলী নাম রাখে মোহন বংশীধারী।।১০
অনন্ত রাখিল নাম অন্ত না পাইয়া।১১
কৃষ্ণ নাম রাখেন গর্গ ধ্যানেতে জানিয়া।।১২
কন্বমুনি নাম রাখে দেব চক্রপাণী।১৩
বনমালী নাম রাখে বনের হরিণী।।১৪
গজহস্তী নাম রাখে শ্রীমধুসূদন।১৫
অজামিল নাম রাখে দেব নারায়ন।।১৬
পুরন্দর নাম রাখে দেব শ্রীগোবিন্দ।১৭
দ্রৌপদী রাখিল নাম দেব দীনবন্ধু।।১৮
সুদাম রাখিল নাম দারিদ্র-ভঞ্জন।১৯
ব্রজবাসী নাম রাখে ব্রজের জীবন।।২০
দর্পহারী নাম রাখে অর্জ্জুন সুধীর।২১
পশুপতি নাম রাখে গরুড় মহাবীর।।২২
যুধিষ্ঠির নাম রাখে দেব যদুবর।২৩
বিদুর রাখিল নাম কাঙ্গাল ঈশ্বর।।২৪
বাসুকি রাখিল নাম দেব-সৃষ্টি স্থিতি।২৫
ধ্রুবলোকে নাম রাখে ধ্রুবের সারথি।।২৬
নারদ রাখিল নাম ভক্ত প্রাণধন।২৭
ভীষ্মদেব নাম রাখে লক্ষ্মী-নারায়ণ।।২৮
সত্যভামা নাম রাখে সত্যের সারথি।২৯
জাম্বুবতী নাম রাখে দেব যোদ্ধাপতি।।৩০
বিশ্বামিত্র নাম রাখে সংসারের সার।৩১
অহল্যা রাখিল নাম পাষাণ-উদ্ধার।।৩২
ভৃগুমুনি নাম রাখে জগতের হরি।৩৩
পঞ্চমুখে রাম নাম গান ত্রিপুরারি।।৩৪
কুঞ্জকেশী নাম রাখে বলী সদাচারী।৩৫
প্রহ্লাদ রাখিল নাম নৃসিংহ-মুরারী।।৩৬
বশিষ্ঠ রাখিল নাম মুনি-মনোহর।৩৭
বিশ্বাবসু নাম রাখে নব জলধর।।৩৮
সম্বর্ত্তক নাম রাখে গোবর্দ্ধনধারী।৩৯
প্রাণপতি নাম রাখে যত ব্রজনারী।।৪০
অদিতি রাখিল নাম আরতি-সুদন।৪১
গদাধর নাম রাখে যমল-অর্জুন।।৪২
মহাযোদ্ধা নাম রাখি ভীম মহাবল।৪৩
দয়ানিধি নাম রাখে দরিদ্র সকল।।৪৪
বৃন্দাবন-চন্দ্রনাম রাখে বিন্দুদূতি।৪৫
বিরজা রাখিল নাম যমুনার পতি।।৪৬
বাণী পতি নাম রাখে গুরু বৃহস্পতি।৪৭
লক্ষ্মীপতি নাম রাখে সুমন্ত্র সারথি।।৪৮
সন্দীপনি নাম রাখে দেব অন্তর্যামী।৪৯
পরাশর নাম রাখে ত্রিলোকের স্বাম।।৫০
পদ্মযোনী নাম রাখে অনাদির আদি।৫১
নট-নারায়ন নাম রাখিল সম্বাদি।।৫২
হরেকৃষ্ণ নাম রাখে প্রিয় বলরাম।৫৩
ললিতা রাখিল নাম বাদল-শ্যাম।।৫৪
বিশাখা রাখিল নাম অনঙ্গমোহন।৫৫
সুচিত্রা রাখিল নাম শ্রীবংশীবদন।।৫৬
আয়ন রাখিল নাম ক্রোধ-নিবারণ।৫৭
চন্ডকেশী নাম রাখে কৃতান্ত-শাসন।।৫৮
জ্যোতিষ্ক রাখিল নাম নীলকান্তমণি।৫৯
গোপীকান্ত নাম রাখে সুদাম ঘরণী।।৬০
ভক্তগণ নাম রাখে দেব জগন্নাথ।৬১
দুর্বাসা নাম রাখে অনাথের নাথ।।৬২
রাসেশ্বর নাম রাখে যতেক মালিনী।৬৩
সর্বযজ্ঞেশ্বর নাম রাখেন শিবানী।।৬৪
উদ্ধব রাখিল নাম মিত্র-হিতকারী।৬৫
অক্রুর রাখিল নাম ভব-ভয়হারী।।৬৬
গুঞ্জমালী নাম রাখে নীল-পীতবাস।৬৭
সর্ববেত্তা নাম রাখে দ্বৈপায়ণ ব্যাস।।৬৮
অষ্টসখী নাম রাখে ব্রজের ঈশ্বর।৬৯
সুরলোকে নাম রাখে অখিলের সার।।৭০
বৃষভানু নাম রাখে পরম ঈশ্বর।৭১
স্বর্গবাসী নাম রাখে সর্ব পরাৎপর।।৭২
পুলোমা রাখেন নাম অনাথের সখা।৭৩
রসসিন্ধু নাম রাখে সখী চিত্রলেখা।।৭৪
চিত্ররথ নাম রাখে অরাতি দমন।৭৫
পুলস্ত্য রাখিল নাম নয়ন-রঞ্জন।।৭৬
কশ্যপ রাখেন নাম রাস-রাসেশ্বর।৭৭
ভাণ্ডারীক নাম রাখে পূর্ণ শশধর।।৭৮
সুমালী রাখিল নাম পুরুষ প্রধান।৭৯
পুরঞ্জন নাম রাখে ভক্তগণ প্রাণ।।৮০
রজকিনী নাম রাখে নন্দের দুলাল।৮১
আহ্লাদিনী নাম রাখে ব্রজের গোপাল।।৮২
দেবকী রাখিল নাম নয়নের মণি।৮৩
জ্যোতির্ম্ময় নাম রাখে যাজ্ঞবল্ক্য মুনি।।৮৪
অত্রিমুনি নাম রাখে কোটি চন্দ্রেশ্বর।৮৫
গৌতম রাখিল নাম দেব বিশ্বম্ভর।।৮৬
মরীচি রাখিল নাম অচিন্ত্য-অচ্যুত।৮৭
জ্ঞানাতীত নাম রাখে শৌনকাদিসুখ।।৮৮
রুদ্রগণ নাম রাখে দেব মহাকাল।৮৯
সুরগণ নাম রাখে ঠাকুর দয়াল।।৯০
সিদ্ধগণ নাম রাখে পুতনা-নাশন।৯১
সিদ্ধার্থ রাখিল নাম কপিল তপোধন।।৯২
ভাদুরি রাখিল নাম অগতির গতি।৯৩
মৎস্যগন্ধা নাম রাখে ত্রিলোকের পতি।।৯৪
শুক্রাচার্য্য নাম রাখে অখিল বান্ধব।৯৫
বিষ্ণুলোকে নাম রাখে দেব শ্রীমাধব।।৯৬
যদুগণ নাম রাখে যদুকুলপতি।৯৭
অশ্বিনীকুমার নাম রাখে সৃষ্টি-স্থিতি।।৯৮
অর্য্যমা রাখিল নাম কাল-নিবারণ।৯৯
সত্যবতী নাম রাখে অজ্ঞান-নাশন।।১০০
পদ্মাক্ষ রাখিল নাম ভ্রমরী-ভ্রমর।১০১
ত্রিভঙ্গ রাখিল নাম যত সহচর।।১০২
বংকচন্দ্র নাম রাখে শ্রীরূপমঞ্জরী।১০৩
মাধুরা রাখিল নাম গোপী-মনোহারী।।১০৪
মঞ্জুমালী নাম রাখে অভীষ্টপুরণ।১০৫
কুটিলা রাখিল নাম মদনমোহন।।১০৬
মঞ্জরী রাখিল নাম কর্ম্মব্রহ্ম-নাশ।১০৭
ব্রজব নাম রাখে পূর্ণ অভিলাস।।১০৮
নগেনৰ আজৱ প্রশ্ন....... """"""""""""""""""""""""""""""""""""
নগেনৰ আজৱ প্রশ্ন.......
""""""""""""""""""""""""""""""""""""
আজি নগেন আৰু ৰাম�বিল্লাসে একেলগে চিনেমা চাবলৈ গ'ল । নগাঁৱৰ জয়শ্ৰী হলত এখন জনপ্রিয় হিন্দী ছৱি । জনপ্ৰিয় ছৱিখন 'শ্বোলে' । আগৰ কেইবাৰ চাওঁতে নগেনক বুজায় দিয়া মানুহ নাছিল বাবে ভা��ৰাতীয়া হিচাবে ৰামবিলাসক লগত লৈ গৈছে । আচল কথা নগেনে হিন্দীত কোৱা কথাবোৰৰ অৰ্থ উলিয়াই সঠিক ব্যৱহাৰ কৰিব নাযানে । যিমান হলেও নগেনে কিন্তু এটা কথা বুজি নাপাই মোক বিচাৰি বিচাৰি লগ পায় সুধিলে:-
নগেন - অঃ 'দেদাই, আজি শ্বোলেখন চালোঁ; কিন্তু কথা এটাহে বুজি নাপালোঁ অ' ৷ ৰামিবলাসেও হিন্দী ম্যে বুজাব নোৱাৰিলে ।
মই সুধিলো -- 'কিনো বুজি নাপালি' ? নগেনে ক'লে - 'এফালে দেখিলোঁ গাঁৱত প্রৱল প্রতাপী ঠাকুৰৰ ঘৰত বিজুলী বাতিৰ (মানে Electric Line ) ব্যৱস্থা নাই আৰু সন্ধিয়া হলেই ঠাকুৰৰ বিধৱা বোৱাৰীয়েকে কেৰাচিন তেলৰ চাকি আৰু লেম্প বোৰ জ্বলাই দিয়ে ...........
.
.
.
.
নগেনঃ অ, দেদাই ! কিন্তু আনফালে দেখিলোঁ 'বসন্তীক নাপালে মৰি যাম' বুলি চিঞৰিবলৈ ধৰ্মেন্দ্রই গৈ সেই গাঁৱৰে ওখ পানী টেংকী এটাত উঠিছে৷
এতিয়া মই ভাবিছো কাৰেণ্ট নথকা গাওঁখনত যে ইমান ওখ পানী টেংকী বনালে, তাত কি ঠাকুৰৰ বাপেকে উঠি সদায় পানী ভৰাই নেকি ? নে বৰ্তমানৰ অসম চৰকাৰৰ চৰকাৰী আঁচনিবোৰৰ নিচিনাকৈ বিদ্যুৎ যোগান নধৰাকৈ ইমান ওখ পানী টেংকী সজাটো উচিত ??
এখনও যশোরের অভয় নগরের মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে না
এখনও যশোরের অভয় নগরের মানুষ নিশ্চিন্তে ঘুমাতে পারে না, পাবনার সাঁথিয়ার হরিদাসী বিচার না পেয়ে গুমরে গুমরে কাঁদে, রামুর বৌদ্ধ পল্লীর বুকের আগুন নিভে যায় নি। এর মধ্যে আবারও নিরবে ঠান্ডা মাথায় বাংলাদেশে শুরু হয়েছে সংখ্যালঘু নিধন ও জমি দখল এবং বিতারিত করার কাজ। আর সেই কাজ গুলো করছে স্বয়ং জনপ্রতিনিধিরা। বাংলাদেশে এত হামলা হচ্ছে সংখ্যালঘুদের উপর কিন্তু কোন নিউজ চ্যালেন বা পত্রিকাদিততে কোন খবর নাই। এরকম একটি খবর হলঃ
চৌগাছায় সংখ্যালঘু নির্যাতন সাইফুল
মেম্বরসহ ১৩জনের বিরুদ্ধে মামলা
যশোর প্রতিনিধি
যশোরের চৌগাছা উপজেলার বল্লভপুর
গ্রামে সংখ্যালঘু পরিবারের দুজনকে
কুপিয়ে ও হাতুড়ি পেটা করে হত্যা
প্রচেষ্টার ঘটনায় মামলা হয়েছে।
মামলা সুখপুকুরিয়া ইউনিয়নের ৮নং
ওয়ার্ডের সদস্য সাইফুল ইসলামসহ ১৩
জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা
হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে
নির্যাতনের শিকার বল্লভপুর গ্রামের
নিমাই বিশ্বাসের ছেলে কার্তিক
কুমার বিশ্বাস বাদী হয়ে মামলাটি
করেছেন। চৌগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত
কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম মামলার
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মামলার
আসামিরা হলেন-বল্লভপুর গ্রামের মৃত
কাওছার বিশ্বাসের ছেলে ইউপি
মেম্বর সাইফুল ইসলাম, রহিম বক্্েরর
ছেলে আবদুল খালেক, ফকির চাঁদের
ছেলে আইজেল হক, সিরাজুল ইসলামের
ছেলে সাহাঙ্গীর আলম ও আলমগীর
হোসেন ওরফে আলম, আমীর মল্লিকের
ছেলে তোতা মিয়া, রওশন আলীর
ছেলে আবদুল মাজিদ, জাহেদ আলীর
ছেলে মোহাম্মদ আলী বাটুল, হায়দার
আলীর ছেলে রুস্তম আলী, হয়রত আলীর
ছেলে সরজেত আলী, দুখু মন্ডলের ছেলে
চান্দু মিয়া, রহিম বক্সের ছেলে
আরশাদ আলী ও আনসার আলীর ছেলে
আবদুস সাত্তারসহ অজ্ঞাত আসামী আরও
২০/২৫ জন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা
হয়েছে, গত ১জুলাই ২০১৫ ইংরেজি
বুধবার আনুমানিক বেলা ১১ হাতে
ধারালো দা, হাসুয়া, লোহার রড ও
দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্র নিয়ে অতর্কিত
আমার এবং সমিতির সাধারণ সম্পাদক
সরজিত কুমার রায়ের উপর হামলা করে।
এসময় ১নম্বর আসামি সাইফুল মেম্বর ধর
মার দুই শালাকে মার্ডার করে ফেল।
এই হুংকার দিয়ে তার হাতে থাকা
হাসুয়া দ্বারা সরজিতের মাথায়
সজোরে কোপ মারে। এসময় সরজিত
পালানোর চেষ্টা করলে ২ নম্বর
আসামি খালেক তার হাতের
ধারালো দা দ্বারা মাথায় দ্বিতীয়
কোপ মারে। এরপর আমি সমিতির ঘরের
মধ্যে দৌড়াইয়া গেলে ৩ নম্বর আসামি
আইজেল ৫ নম্বর আসামি আলম, ৬ নম্বর
আসামি তোতা মিয়া, ৯ নম্বর আসামি
রুস্তম ও ১০ নম্বর আসামি সরজেত ঘরের
মধ্যে গিয়ে আমাকে লোহার রড এবং
লাঠি দ্বারা আঘাত করলে আমি
মেঝেতে লুটিয়ে পড়ি। এসময় ৩ ও ৫ নম্বর
আসামির হাতে থাকা লোহার
হাতুড়ি দ্বারা আমাকে
এলোপাতাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম
করে। এরপর আমাকে আবার টানতে
টানতে ঘরের বাইরে আনে। এসময় ১ ও
২নম্বর আসামি আমার সমিতির সম্পাদক
সরজিতকে মাটিতে পড়ে থাকা
অবস্থায় এলোপাতাড়ি লাথি মারতে
থাকে এবং ৪,৭ ৮,১১,১২,১৩ নম্বর
আসামিরা সরজিতকে লাঠি দ্বারা
এলোপাতাড়ি পেটাতে থাকে।
এঘটনায় সরজিতের আত্মচিকিৎকারে
আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। জ্ঞান
ফিরে দেখি আমি এবং সরজিত
রক্তাক্ত জখম অবস্থায় ঘটনাস্থল থেকে
প্রায় এক কিলোমিটার দূরে সাইফুল
মেম্বারের বাড়ির উঠানে লুটিয়ে
পড়ে আছি। এরপর আমার জ্ঞান ফিরলে
দেখতে পায় সাইফুল মেম্বরের
বাড়িতে গ্রামের চিকিৎসক মো: ইউনুস
আলী, পিতা: ইউসুফ আলী রক্তাক্ত
সরজিতকে চিকিৎসা করতে করছে।
চিকিৎসা শেষে সাইফুল ও মাজিদ
আমাকে (কার্তিক) এবং আইজেল ও
আব্দার সরজিতকে তিন শত টাকার
একটি সাদা স্ট্যাম্পে বাওড় লিখে
দিতে জোর করতে থাকে। আমরা ওই
স্ট্যাম্পে সই করতে রাজি না হওয়ায়
আমাকে সাইফুল মেম্বর হাতুড়ি পেটা
করতে থাকে। এক পর্যায় আমি আবার
জ্ঞান হারিয়ে ফেলি। এরপর
চৌগাছা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই)
আবদুর রহিম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সাইফুল
মেম্বরের বাড়ি থেকে আমাদের
দুইজনকে উদ্ধার করে আমাদের স্বজনদের
মাধ্যমে চিকিৎসার জন্য
মাইক্রোবাসযোগে চৌগাছা
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে
পাঠিয়ে দেয়। আমাদের শারিরীক
অবস্থা আশংকাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত
চিকিৎসক যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল
হাসপাতালে পাঠিয়ে দেয়।
বর্তমানে আমরা এ হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন আছি। উল্লেখ্য গত
১জুলাই ২০১৫ তারিখে আমাদের ওপর
হামলার সময় আমি মেঝেতে পড়ে
গেলে আমার মাছের পোনা ্ক্রয়
বাবাদ আমার কোমরে রাখা ৫০,০০০
(পঞ্চাশ হাজার) টাকা ৩ নম্বর আসামি
আইজেল হক বের করে নেয়। আমার
হাতে থাকা স্যামসং গ্যালাক্সি
হ্যান্ডসেট (আনুমানিক মূল্য ১১০০০টাকা)
৫ নম্বর আসামি তুলে নিজের দখলে
নেয়। পরে জানতে পারি সরজিতকে
মারপিটের সময় তার পকেটে থাকা
পাঁচ হাজার টাকা এবং একটি
সিস্ফনি মোবাইল ফোন
হামলাকারীরা ছিনিয়ে নেয়।
এছাড়া কয়েক মাস আগে বাওড় ইজারা
পাওয়ার পরপর আসামি সাইফুল মেম্বর
আমাকে ডেকে বাওড় তার নামে
লিখে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করে
আসছিল। বিগত তিন বছর ইজারা নিয়ে
বাওড়ে মাছ চাষ করার সময় সাইফুল
মেম্বর আমার সমিতির নিরীহ
মৎস্যজীবিদের কষ্টার্জিত অর্থ থেকে
চার-পাঁচ মেয়াদে আমার কাছ থেকে
প্রায় তিন লাখ হাতিয়ে নিয়েছে।
ঘটনা জানাজানি হলে অত্যাচারের
আশংকায় ও নিরীহ সদস্যদের অনুরোধে
ইতোপূর্বে কোন রুপ আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ
করিনি। এছাড়াও গত ২৮ জুন ২০১৫ইং
তারিখ রোজ রবিবার সাইফুল মেম্বরের
নেতৃত্বে বল্লভপুর, মাধবপুর, তিলকপুর,
আন্দুলিয়া গ্রামের প্রায় দুই শতাধিক
লোক ঝুপি জাল, কারেন্ট জাল দিয়ে
বাওড় থেকে প্রায় দুই লক্ষ টাকার মাছ
লুট করে নিয়ে যায়
Subscribe to:
Comments (Atom)