Saturday, 4 July 2015

HRS

আপনারা জানেন যে,মমতা বেগমের দালাল পুলিশ আবার ষড়যন্ত্র করে RSS bangla পেজ বন্ধ করে দেওয়ার অপচেষ্টা শুরু করেছে।কতটা হিন্দু তথা ভারত বিদ্বেষী হলে এমনটা করতে পারে একবার ভাবুন! আমরা HRS সেন।মহারাষ্ট্রের হিন্দু রাষ্ট্র সেনার কার্যক্রম আমরা এখন পশ্চিমবঙ্গে শুরু করতে যাচ্ছি।পূণেতে হিন্দু রাষ্ট্র সেনার প্রভাবে সেখানে মোল্লারা আজ দাড়ি-টূপি ছেড়ে দিয়েছে।আমাদের এই HRS পশ্চিমবঙ্গের লক্ষ্য হবে ঠিক একজন একজন করে টার্গেট করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে হিন্দু বিদ্বেষী নাশ করা ঠিক যেমন গতবছর পূণেতে একজনকে করেছি মহারাষ্ট্র HRS.আমাদের সকল আপডেট পেতে ও হিন্দুত্ববাদ প্রচার সহ হিন্দু বিদ্বেষীদের শেষ করতে পেজটিতে লাইক দিয়ে একটিভ থাকুন। ‪#জয়শ্রীরাম‬ হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়। ‪#HRS‬-সাবধান হিন্দুবিদ্বেষী! https://m.facebook.com/bengalhrs?_e_pi_=7%2CPAGE_ID10%2C8579858703

আমার‬মেয়েকে ‪হেমা‬মালিনীর সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হলে,সে বেঁচে যেত, দাবি দুর্ঘটনায় মৃত শিশুর বাবার

‪#আমার‬মেয়েকে ‪#হেমা‬মালিনীর সঙ্গে নিয়ে যাওয়া হলে,সে বেঁচে যেত, দাবি দুর্ঘটনায় মৃত শিশুর বাবার. ‪#সেই‬দুর্ঘটনায় বিজেপি সাংসদকে জয়পুরের ফোর্টিস হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং তত্পরতার সঙ্গে চিকিত্সা দেওয়া হয়। এদিকে দুর্ঘটনায় আহত অপর পরিবারের মানুষরা ভাল চিকিত্সাই পাচ্ছেন না বলে দাবি করেছেন সেই পরিবারের এক সদস্য।। তাঁদের বক্তব্য যেখানে হেমা মালিনী পাচ্ছেন তারকাসুলভ চিকিত্সা, সেখানে তাঁরা পেয়েছেন হাসপাতালের তরফে সত্ মায়ের মতো আচারণ। এমনকি সেই পরিবারের দাবি, তাঁদের পরিবারের যে দুবছরের শিশুর এই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে, তাকে যদি সঠিক সময় হাসপাতালে নিয়ে আসা হত, তাহলে হয়তো সে বেঁচে যেত। অল্টোতে যে পরিবারটি ছিল তাঁদের জয়পুরের সওয়াই মান সিংহ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

কৃষ্ণ কেন স্নানরত নারীদের বস্ত্র চুরি করলো?

কিছু কুচক্রী মহল প্রায়ই প্রশ্ন করে কৃষ্ণ কেন স্নানরত নারীদের বস্ত্র চুরি করলো ? এর উত্তরের শুরুতেই সবাইকে জানাতে চাই বস্ত্রহরণের ঘটনাটি যখন ঘটেছিলো তখন শ্রীকৃষ্ণের বয়স ছিল মাত্র বারো বছর।তখন গোপীনিরা বস্ত্র হীনভাবে স্নান করতো।যা ছিল সম্পূর্ণরূপে শাস্ত্রবিরুদ্ধ।সনাতন শাস্ত্রমতে নগ্ন হয়ে বা বস্ত্রহীনভাবে স্নান করা মহাপাপ। আর তখন গোপীনিরা সেই মহাপাপটিই করছিলো।তারা তাদের শরীরের বস্ত্র নদীর পাড়ে রেখে বস্ত্রহীন হয়ে স্নান করছিলো। আর তাদের সেই মহাপাপের শিক্ষা দিতেই শ্রীকৃষ্ণ সেইদিন তাদের পরিত্যক্ত বস্ত্রগুলো লুকিয়ে রেখেছিলেন। কেননা লজ্জা নারীর অন্যতম ভূষণ।কিন্তু সেইসময় গোপীনিরা সেই লজ্জাই পরিত্যাগ করে বস্ত্রহীন হয়ে স্নান করছিলো। অতঃপর কৃষ্ণ যখন তাদের বস্ত্র লুকিয়ে রেখেছিলেন তখন তারা নিরূপায় হয়ে গেলো।এতো প্রাতেঃ নদীর ঠান্ডা জলে তারা জড়োসড়ো হয়ে যেতে লাগলো।কিন্তু বস্ত্রহীন তারা কিভাবে জল থেকে উঠবে? তখন অনেক ক্ষমা চাওয়ার পর কৃষ্ণ তাদের বস্ত্র ফেরত দিলেন এবং প্রতিজ্ঞা করালেন যেন তারা আর কখনো বস্ত্রহীন হয়ে স্নান না করে। আর এই ঘটনার মধ্য দিয়েই গোপীনিরা চরম শিক্ষা পেলো এবং পরবর্তীতে তার আর বস্ত্রহীন হয়ে স্নান করেনি। অতএব পরিশেষে বলতে চাই কখনো না জেনে বুঝে শ্রীকৃষ্ণের সম্পর্কে কুকথা বলবেন না।

Child Rape

এ কোন দেশে বাস করি আমরা? এ কোন রাজ্যে বাস করি আমরা? এ কোন সমাজে বাস করি আমরা? একটা ৬ বছর ৮ মাসের ফুটফুটে শিশু কন্যা - গত কাল দুপুর ৩ টা ২০ মিনিট স্কুল থেকে ফেরার পথে ২ মানুষরূপী জানোয়ার, দুষ্কৃতি মেয়েটিকে প্রথমে ধর্ষণ করে তারপর খুন করে । ঘটনাটি রায়গঞ্জ থানার তাহেরপুর অঞ্চলের ভাগদুমুর গ্রামের । আজ মেয়েটির মৃতদেহের ময়না তদন্ত হয় । এরপর আমরা স্থানীয় মানুষদের সাথে নিয়ে দুপুর ২ টা ৩০ মিনিট থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত ৩৪ নাম্বার জাতীয় সড়ক অবরোধ করি । যে পুলিশ দোষীদের ধরতে পারেনা - সেই পুলিশ পুরো শক্তি অপচয় করে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে ধুলিস্যাত করতে । পুলিশ বারবার আমাদের এই গণতান্ত্রিক দাবী ও আন্দোলনকে ধুলিস্যাত করতে চাপ সৃষ্টি করে, ধ্বস্তাধ্বস্তি করে । সর্বশেষে রায়গঞ্জ থানার আইসি বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে এসে আমাদের কথা দেয় ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করবে । আমরা আমাদের অবরোধ তুলে নিই । তবে, যদি পুলিশ তার কথা না রাখে আমাদের এই আন্দোলন বৃহত্তর রূপ নেবে । আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব । যদিও, এই আন্দোলন দল মত নির্বিশেষে আমরা সকলকে ডেকেছিলাম । আশ্চর্য জনক ভাবে কাউকে পাইনি । আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন - শ্রী প্রদীপ সরকার - জেলা সাধারণ সম্পাদক - বিজেপি । শ্রী বিকে রায় - জেলা আহ্বায়ক - শিল্প ও সংস্কৃতি প্রকোষ্ঠ - বিজেপি । শ্রী প্রভাত ধর - জেলা সংযোজক - এবিভিপি । শ্রী ব্রজেশ দাস - রায়গঞ্জ শহর সভাপতি - বিজেপি । আইনজীবী শ্রী অমিত সাহা, শ্রী মিথুন ঘোষ, শ্রী বিমান চাকী, শ্রী প্রকাশ প্রুস্তি, শ্রী রবি রায়, শ্রী মুকুল ঘোষ সহ আমাদের সংগঠনের বিশিষ্ট নেতৃত্ব । আমি মর্মাহত, লজ্জা, লজ্জা, লজ্জা - এই লজ্জা রাখব কোথায়?BK Roy

"খানকী" শব্দটি, - বাংলায় বহুল প্রচলিত বেশ কয়েকটির অশ্লীল শব্দের মধ্যে অন্যতম।

"খানকী" শব্দটি, - বাংলায় বহুল প্রচলিত বেশ কয়েকটির অশ্লীল শব্দের মধ্যে অন্যতম। আশ্চর্য্যের বিষয় এই যে এই মধ্যেও এক ধরণের ইসলামী ক্রূরতা লুকিয়ে আছে। 'বাংলাভাষায় অপশব্দের উদ্ভব' নিয়ে একটি লিটলম্যাগাজিন পড়েছিলাম। তাতে 'বেশ্যার' অপশব্দ 'খানকী'র একটি চমকপ্রদ ব্যাখা ছিল। বাংলায় মুসলিম যুগে বহুশক্তিশালী হিন্দু সামন্ত রাজা শেষদিন পর্যন্ত ছিলেন। এদের কোনমতেই ধর্মভ্রষ্ট করা যায়নি। সেইকারনে মুসলিম সুফিরা একটি চমৎকার ফন্দি আঁটেন। তারা তাদের মসজিদ সংলগ্ন অতিথিশালায় বা খানকায় একদল ধর্মভ্রষ্ট ( সম্ভবত জোর করে তুলে আনা ) হিন্দু নারীকে আটকে রাখতেন যৌনদাসী হিসাবে। হিন্দু সম্ভ্রান্ত বংশীয়রা, পীর-ফকির বা আউলিয়াদের সাথে দেখা করতে গেলে তাদের খানকায় আপ্যায়ন করা হত। অবশ্যই তাদের কোননা কোন ভাবে যৌনদাসীদের সাথে সঙ্গমে লিপ্তও করানো হত। ওই ব্যক্তিদের প্রলোভিত করে মানসিক ভাবে দুর্বল করা ছিল ওই নারীদের কাজ। শেষ পরিনতি তাদের মুসলমান হওয়া এবং ওই ব্যক্তির সাহায্যে এলাকা দখল। সংক্ষেপে, দার-উল-ইসলামের বিস্তার। সেই থেকে আজও কুখ্যাত খানকাহ্‌র সেই সমস্থ নারীরা সমাজে 'খানকী' বলে ঘৃণিতা হন। এমন কিছু মুসলমান মহিলা আজও এই সমাজে আছেন, যারা খুবই শয়তান। "লাভ জেহাদে"র আড়ালে, ছলনার আশ্রয় নিয়ে হিন্দু পুরুষের মগজধোলাই করার চক্রান্তে এরা সদাই লিপ্ত। এই সব শয়তানির কুহকে মোটেই পড়া চলবে না। আমরা হিন্দু। এটাই আমাদের একমাত্র পরিচয়। কোন লজ্জা বা হীন চিন্তা নয়। মানবতা, সাম্য, স্বাধীনতা সবকিছুর চূড়ান্তই হল হিন্দুত্ববাদ। হিন্দু মানে মানবতাবাদীই শুধু নয়, বিশ্বব্রহ্মান্ডবাদী। অর্থাৎ এই জগতসংসারের একান্ত আত্মীয়। তাই বন্ধুত্ব করার আগে অবশ্যই ভাবতে হবে, যার সাথে মিলিত হলে ইহকাল পরকাল উভয় কালই ধ্বংস, তেমন 'খানকী'কে বন্ধু হিসাবে গ্রহন করা যায়না কি! অবশ্যই যায়। শর্ত...... খানকীবাজী ছাড়তে হবে। ..... সামান্য পরিমার্জিত এই লেখাটি শ্রী জয় রাজে'র .....

দাদা আপনি কি মোছলমান ?

দাদা আপনি কি মোছলমান ? রোজা রাখছেন ? মোছলমান না হলেও ক্ষতি নেই | ইফতারির সময় কিন্তু নিশ্চই আসবেন | ইফতারি করবেন, সোয়াব হবে, খুশি হবেন আল্লাহ | ওয়েস্ট বঙ্গে মমতা(জ) বেগমের পলিটিকাল কালচারে ইফতার নব্য-বাহারে সংযোজিত | এই ভড়ং দেখে আল্লাহমাবুদ নিশ্চই ভাবছেন "হে বান্দা - আর কত রঙ্গ দেখাবি ! কোন দিক সামাল দেব; আইএসআইএস, আল-কায়দা, বোকো হারামি, তালিবানি, আমেরিকা-ইউরোপেরবদমাইশি সামল দিতেই হিমশিম খাচ্ছি, উত্ক ঝামেলা এই বঙ্গেশ্বরী | আমার ধারণা, আল্লাহ হয়ত 'বঙ্গেশ্বরী', 'কালিঘাটেশ্বরী'এইসব বলেন না, বিনম্র শ্রধ্যায় 'মমতা দিদি' সম্মোধন করেন | মোল্লা পরভেজ মুশারফ খান আরও বলেন - "মুশরিকরা (পৌত্তলিক/হিন্দুরা) ইফতার পার্টি তে যোগ দিচ্ছে, খুব ভালো কথা | কিন্তু মোছলমানরা খুশ নন | কারণ, ইফতার পার্টি তে যোগ দেওয়ার আগে কোরানের সুরা পড়তে হয়, অজু করতে হয় | সুরা না পড়ে, অজু না করে টুপি পরা গুনাহ | ইফতারে যে নারীকুল যোগ দেন, তাদের কপালে টিপ, সিঁদুর থাকবে না | মাথা ঢাকলে, হিজাব পরলেও চলবে না | বরখা পরতে হবে | চোখ ছাড়া আর কিছু দেখা যাবে না | ইফতারের পরে আবার নমাজ পড়া অবশ্য কর্তব্য | এটা কোরান, হাদিশের নির্দেশ | মমতা(জ) বেগম কি এই নির্দেশ জানেন ? তিনি যা করছেন বা তাঁর কালচারে কালচারিত হয়ে অনেক মালাউনই যা করছে তা "গুনাহ" (চরম পাপ)| আমরা অবাক, ওয়েস্ট বঙ্গের মোছলমানরা এই নিয়ে কিছু বলছেন না কেন ? তাঁদের মতলব বোঝা ভারী মুশকিল | মোছলমানের আখেরও ঝরঝরে |" বোঝা গেল যে মোল্লা পরভেজ মুশারফ খান ওয়েস্ট বঙ্গ -এর মোছলমানদের হাল-হকিকত সম্বন্ধে ওয়াকিবহাল এবং আগ্রহীও বটে | আগামী দিনে মমতাদিদিকে তিনি যে সঠিক ইফতারের কালচারে কালচারিত সক্ষম হবেন না, সেটা কি আমাদের সেকুলার জারজরা হলফ করে বলতে পারেন ? Anindya Nandi

কামদুনি কাণ্ড

কামদুনি কাণ্ডে মুসলিমদের চাপের কাছে আবার নতজানু হল মমতা ব্যানার্জীর প্রশাসন। গত ২রা জুলাই, বারাসাত কোর্টে পেশ করা চার্জশিট পুলিশ এমন ভাবে তৈরি করেছে যাতে ধর্ষন কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আনসার আলি, এমানুল এবং রাজ্জাক সহজেই ছাড়া পেয়ে যায় কারন তারা একটি বিশেষ ধর্মালম্বী। যে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সরকারের থেকে তার দলের মন্ত্রীদের ইস্তফা দেওয়ার জন্যে জুম্মাবারের অপেক্ষা করে, যে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে দুঃস্থ হিন্দুদের বঞ্চিত করে ভোটের তাগিদে শুধু মুসলিমদের উপঢৌকন দিয়ে যায়, যে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী তোষনমুলক রাজনীতির অঙ্গ হিসেবে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের রায় নিয়েও কটাক্ষ করে তার কাছ থেকে হিন্দুরা কখনই সুবিচার আশা করতে পারেনা।