ঢাকায় সুধীর গৌতমদার উপর হামলার পর তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়ে সারা ভারত। এরপর বাংলাদেশের প্রথম সারির একটি দৈনিক "প্রথম আলো" ধোনি কোহলিদের নিয়ে ব্যঙ্গচিত্র ছেঁপে সে ক্ষোভের আগুনে যে ঘি ঢালে, তাতে করে বাংলাদেশীদের নোংরা অসভ্য চেহারা বেরিয়ে আসে আরো একবার। যারা ব্যঙ্গচিত্র টি দেখেছেন তারা জানেন, কোনো ভারতীয় ক্রিকেটারদের এহেন অপমান সহ্য করতে পারেনা কারণ এটা দেশেরও অপমান। কিন্তু আমার এসবে বাংলাদেশীদের প্রতি বিন্দুমাত্র ক্ষোভ নেই বরং করুণা হয় এদের ঘৃণ্য মানসিকতার কথা ভেবে।
এই সেদিন ক্রিকেটার নাসির হোসেন তার ফ্যান পেজে নিজের বোনের সাথে তোলা ছবি আপলোড করলে ভাই বোনকে জড়িয়ে অশ্লীল সব মন্তব্য করে। যাতে দুঃখ পেয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাসির। ভাবুন, যারা নিজেদের দেশকেই সন্মান দিতে জানে না তারা কিভাবে অন্য দেশ কে সন্মান জানাবে? যদিও এখানে মন্তব্যকারীদের বিশেষ দোষ দিতে পারছি না কারণ মুসলমানরা তো বোনেদের সাথে বিয়ে করতে পারে, তাই কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে!
গতকাল আবার দেখলাম, বাংলাদেশের আরেক ক্রিকেটার মুশফিক্কুর রহিমের পেজে সৌম্য সরকার আর লিটন দাস কে সাম্প্রদায়িক গালি দিচ্ছে মোল্লারা। কারণ ওরা একসাথে খেতে বসেছে, তাই! ভাবুন একবার কতটা নীচু মন এদের।
এরা ফেসবুক প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ কে পর্যন্ত গালি দেয় নিজের স্ত্রীর সঙ্গে ছবি শেয়ার করার কারণে। ফেসবুক টাকে পুরো বস্তি বানিয়ে ছেড়েছে বাংলাদেসী বস্তিবাসীরা। এরা আসলে সাইকো, এদের প্রতি ক্ষোভ নয় বরং করুণা করুন!
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Saturday, 4 July 2015
ভারতের গরু না আসায় ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশ
ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার সীমান্ত পথে বাংলাদেশে গরু পাচার ঠেকাতে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিএসএফ) নির্দেশ দিয়েছে। ফলে ভারত থেকে বৈধ বা অবৈধ পথে গরু আসা বন্ধ হয়ে গেছে। ভারতের এই নিষেধাজ্ঞায় বাংলাদেশ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষ করে গরু সরবরাহকারী ব্যবসায়ী, মাংস বিক্রেতা, মাংস রফতানি ও চামড়া (ট্যানারি) শিল্পের সঙ্গে জড়িত মালিক-শ্রমিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। গতকাল শুক্রবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে একথা বলা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে শতকরা ৩ ভাগ অবদান রাখছে এই ট্যানারি শিল্প। গরু পাচার বন্ধ হওয়ায় ভারতের জিডিপিতে কতটুকু নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সেটা সরকারিভাবে নিরূপণ করা না হলেও বাংলাদেশের অর্থনীতি যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে তা সেদেশের সরকার স্বীকার করেছে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা এইচটি ইমাম বলেছেন, মাংস ব্যবসা ও চামড়া শিল্প যে ক্ষতিগ্রস্ত হবে সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই।
মাংস রফতানিকারক বাংলাদেশের শীর্ষ একটি প্রতিষ্ঠানের মালিক সৈয়দ হাসান হাবিব টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, বিদেশে মাংস রফতানির অর্ডার ৭৫ শতাংশ কমে গেছে। তিনি জানান, তার প্রতিষ্ঠান প্রতি বছর আরব উপসাগরীয় দেশে ১২৫ টন মাংস রফতানি করত। মাংসের দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন সেই পরিমাণ অনেক কমে গেছে।
বাংলাদেশ ট্যানারি অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট শাহিন আহমেদ জানান, ১৯০টি ট্যানারির মধ্যে ৩০ ট্যানারি তাদের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়েছে।
গরু জবাই করা বা পাচার করা হিন্দু বালিকাকে ধর্ষণ বা মন্দির ধ্বংসের সমতুল্য অন্যায় বলে ক্ষমতাসীন বিজেপি জোট সরকারের এক নেতা ঘোষণা দেন। তাই ধর্মীয় দিক বিবেচনা করে বিজেপি সরকার সীমান্ত পথে গরু পাচারের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেয়। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে কোনোভাবে ভারতীয় গরু ঢুকতে না পারে সেজন্য ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং গত মার্চ মাসে বিএসএফ জওয়ানদের কঠোর নজরদারি বাড়াতে নির্দেশ দেন। অন্যদিকে সীমান্ত পথে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ হওয়ার কারণে বাংলাদেশের বাজারে মাংসের দাম অকস্মিকভাবে বেড়ে গেছে।
বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ বন্ধ থাকায় বাধ্য হয়েই দাম বাড়ানো হয়েছে। এতে করে নিম্ন আয়ের ক্রেতাদের মাংস কেনা দায় হয়ে পড়ছে। http://www.samakal.net/2015/07/04/147400
বানতলা হোক বা ধানতলা, কামদুনি হোক বা মগরাহাট, অপরাধী যখন মুসলিম আর আক্রান্ত যখন হিন্দু তখন এই রাজ্যে সুবিচারের আশা রাখাটাই অন্যায়
বানতলা হোক বা ধানতলা, কামদুনি হোক বা মগরাহাট, অপরাধী যখন মুসলিম আর আক্রান্ত যখন হিন্দু তখন এই রাজ্যে সুবিচারের আশা রাখাটাই অন্যায়।
মধ্যমগ্রাম বা রানাঘাট ধর্ষনকান্ডে প্রশাসনের যে তৎপরতা দেখা যায় সেটা উপরের ক্ষেত্রগুলিতে দেখা যায়না। তাই কামদুনির শিপ্রার পরিবার হোক বা মগরাহাটের টুকটুকির পরিবার, পুলিশ ও প্রশাসন এদের পাশে দাঁড়ায় না। এরা এ রাজ্যের দ্বিতীয় শ্রেনীর নাগরিক তাই এদের ন্যায় বিচার পাওয়ার কোন অধিকার নেই।
অবশ্য শুধু প্রশাসনকে দোষ দেয়াও ঠিক নয় কারণ প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণকারী রাজনৈতিক শক্তি যারা দিনের শেষে ভোটের আশায় সেই আম জনতার কাছেই হাত পেতে থাকে সেই জনতাই যখন এই ঘটনা নিয়ে উদ্বিগ্ন নয় তখন খামোখা রাজশক্তিকে দোষারোপ করে কি লাভ?
আজ টুকটুকি নামের যে মেয়েটিকে বাবুসোনা গাজী আর তার দলবল অপহরণ করেছে কাল সেই মেয়েটি টুকটুকি না হয়ে আমার নিজের মেয়ে বা বোনও হতে পারে, আর হতে পারে কেন, হবেই কেননা এটাই তো এই রাজ্যের ইসলামীকরনের অন্যতম উপায় তবু আমাদের ঘুম ভাঙে না, চোখ থেকে সেকুলারিজমের ঠুলি সরে না। আমরা এখনও ললিত মোদী আর মুকুল রায়কে নিয়ে চায়ের কাপে তুফান তুলছি। মাঝে মাঝে মনে হয়, কবিই বোধহয় আমাদের প্রকৃত চরিত্রটা ঠিকঠাক চিনেছিলেন আর তাই লিখেছিলেন "...রেখেছ বাঙালী করে মানুষ করনি"।
প্রসূন মৈত্র
বৃথা যায়নি পাকিস্তানী হিন্দু যোদ্ধা রাজ কুমার দা'র আন্দোলন
বৃথা যায়নি পাকিস্তানী হিন্দু যোদ্ধা রাজ কুমার দা'র আন্দোলন ।
পাঞ্জাব প্রদেশের এক মসজিদের ইমাম হিন্দুদের উপর সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ায় ।
আর তাই পাঞ্জাবের একটি আদালত ঐ ইমামকে সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ানোর অপরাধে দশ বছরের কারাদন্ড দেয় এবং সাত লাখ রুপি জরিমানা করে ।
__
হিন্দুদের উপর সাম্প্রদায়িক ঘৃণা ছড়ালে হিন্দু মানবাধিকার কর্মী রাজ কুমার এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করে ।
__
দুই মাস পূর্বেও পাঞ্জাবের কাইমপুর টাউনে খৃষ্টানদের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক বক্তব্য
দেওয়ার কারণে পুলিশ ঐ
মাওলানাকে গ্রেপ্তার করে ।একই দিনে একটি আদালত সাম্প্রদাযিক উস্কানিমূলক কথা বলার অপরাধে চারটি মামলার রায় ঘোষণা হয় ।
__
আসলে পাকিস্তানে বিচার ব্যবস্হা বাংলাদেশের চেয়ে উন্নত ।পাকিস্তানে মৌলবাদী সন্ত্রাসীদের ধরে ধরে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয় ।প্রায় সময়ে তালেবানদের ফাঁসির রায় কার্যকর হয় ।
__
অথচ বাংলাদেশে মৌলবাদীদের ধরে ধরে আশ্রয় প্রশ্চয় দেওয়া হয় ।সরকারের নাকের ডগায় চলে হিন্দু নির্যাতন কোন বিচার নেই ।
তাহলে কি এদিক থেকে বাংলাদেশের চেয়ে পাকিস্তান ভালো নয় ।
Cause of Blaming RSS.
We cnt just imagine ,to what extend some ppls wearing saffron mask can processed.just for being popular for there future role in political.,mustsay dusty politics.
How can you belive a person talking of hindutwa,and blaming RSS.
RSS is working for hindus for about 90years.Can anyone imagine wht would have been the situation of Bharat if there were no Sangha?
Just for publicity some frauds are going on blaming RSS.
বাংলাদেশী বংশদ্ভূত বৃটিশ পরিবারটি’র অবশেষে সিরিয়া যাবার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে
বাংলাদেশী বংশদ্ভূত বৃটিশ পরিবারটি’র অবশেষে সিরিয়া যাবার বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এই পরিবারটিকে নাকি সিরিয়া যাবার মত কোন আলামত তাদের পরিচিতরা বুঝতেও পারেনি। পরিবারটির ছবি টিভি ও ইন্টারনেটে দেখে অবশ্য খুব বেশি একটা অবাক হওয়ার মত কিছু মনেও হয়নি। আলামত অবশ্যই ছিল। পুরুষগুলোর গোফহীন সুন্নতি দাড়ি ও হিজাবী মহিলা পরিবারটি সম্পর্কে আমাদের আগাম খানিকটা বরং ধরণাই দেয়। এরচেয়ে তিউনিশিয়ার ছেলেটি যে সি-বিচে গুলি চালিয়ে হত্যা চালিয়েছে তাকেই পূর্বানুমান করাই বেশি কঠিন ছিল। লেবাসে ও শিক্ষায় তার বন্ধুরাও বিভ্রান্ত হয়েছিলো। অবশ্য তার পাঞ্জাগাণা নামাজ আদায়ের অভ্যাসের কথা তার স্বজনরা জানিয়েছেন। এ থেকে পরিস্কার, মুসলিমদের মধ্যে যারা ধার্মীক, সিরিয়াস ধর্মকর্ম পালন করেন তাদের মধ্যে জিহাদী সন্ত্রাসী বা সন্ত্রাসের সমর্থক হওয়ার সম্ভাবণা থাকে। কেউ আবার মনে করবেন না যেন যে আমি বলতে চাচ্ছি- নামাজী হলেই, নবীর সুন্নত ও ইসলামী পর্দা মানলেই কেউ জিহাদী-সন্ত্রাসী হয়ে যায়। আমি আসলে বলতে চাচ্ছি সেই পুরোনো সত্যটিই,- সব মসলিমই জঙ্গি না, তবে সব জঙ্গিই মুসলিম!
বাংলাদেশে অপরিচিত তো বটেই খুব ঘনিষ্ঠ বা বহুদিনের পুরোনো বন্ধুটি, যে কথায় কথায় “আলহামদুরিল্লাহ” আর “ইনশাল্লাহ” বলে, মুখে মুখে হারাম-হালাল খুঁজে বেড়ায়, নবীর নাম নেয়ার সময় ঘটা করে “নবী করিম (সা:)” বলে সম্বধন করে, দাঁড়িয়ে পানি খায় না, আজানের সময় দুহাতের বুড়ো আঙ্গুলে চোখে চুমু খায়, আল্লাকে অতিরিক্ত ভক্তির চোটে “আল্লাহ রাব্বুল আলামীন” বলে গদগদ হয়- তাদের সম্পর্কে খুব সাবধান! নিজের অনলাইনের অবাধ লেখালেখি, আমাদের মত “উগ্র নাস্তিকতা” না হোক, সিম্পলি উদার ধর্মীয় অবস্থানের কারণে তাদের কাছে নিজের জীবন ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এদের কেউ কেউ যে আনসারুল্লাহ বা আইএসে যোগ দেয়নি তার কোন নিশ্চিয়তা নেই। কাজেই সাধু সাবধান! …
জেনে রাখুন শ্রী কৃষ্ণের 108 টি নাম
জেনে রাখুন শ্রী কৃষ্ণের 108 টি নাম :
শ্রীনন্দ রাখিল নাম নন্দের নন্দন।১
যশোদা রাখিল নাম যাদু বাছাধন।।২
উপানন্দ নাম রাখে সুন্দর গোপাল।৩
ব্রজবালক নাম রাখে ঠাকুর রাখাল।।৪
সুবল রাখিল নাম ঠাকুর কানাই।৫
শ্রীদাম রাখিল নাম রাখাল রাজা ভাই।।৬
ননীচোরা নাম রাখে যতেক গোপিনী।৭
কালসোনা নাম রাখে রাধা-বিনোদিনী।।৮
কুজ্বা রাখিল নাম পতিত-পাবন হরি।৯
চন্দ্রাবলী নাম রাখে মোহন বংশীধারী।।১০
অনন্ত রাখিল নাম অন্ত না পাইয়া।১১
কৃষ্ণ নাম রাখেন গর্গ ধ্যানেতে জানিয়া।।১২
কন্বমুনি নাম রাখে দেব চক্রপাণী।১৩
বনমালী নাম রাখে বনের হরিণী।।১৪
গজহস্তী নাম রাখে শ্রীমধুসূদন।১৫
অজামিল নাম রাখে দেব নারায়ন।।১৬
পুরন্দর নাম রাখে দেব শ্রীগোবিন্দ।১৭
দ্রৌপদী রাখিল নাম দেব দীনবন্ধু।।১৮
সুদাম রাখিল নাম দারিদ্র-ভঞ্জন।১৯
ব্রজবাসী নাম রাখে ব্রজের জীবন।।২০
দর্পহারী নাম রাখে অর্জ্জুন সুধীর।২১
পশুপতি নাম রাখে গরুড় মহাবীর।।২২
যুধিষ্ঠির নাম রাখে দেব যদুবর।২৩
বিদুর রাখিল নাম কাঙ্গাল ঈশ্বর।।২৪
বাসুকি রাখিল নাম দেব-সৃষ্টি স্থিতি।২৫
ধ্রুবলোকে নাম রাখে ধ্রুবের সারথি।।২৬
নারদ রাখিল নাম ভক্ত প্রাণধন।২৭
ভীষ্মদেব নাম রাখে লক্ষ্মী-নারায়ণ।।২৮
সত্যভামা নাম রাখে সত্যের সারথি।২৯
জাম্বুবতী নাম রাখে দেব যোদ্ধাপতি।।৩০
বিশ্বামিত্র নাম রাখে সংসারের সার।৩১
অহল্যা রাখিল নাম পাষাণ-উদ্ধার।।৩২
ভৃগুমুনি নাম রাখে জগতের হরি।৩৩
পঞ্চমুখে রাম নাম গান ত্রিপুরারি।।৩৪
কুঞ্জকেশী নাম রাখে বলী সদাচারী।৩৫
প্রহ্লাদ রাখিল নাম নৃসিংহ-মুরারী।।৩৬
বশিষ্ঠ রাখিল নাম মুনি-মনোহর।৩৭
বিশ্বাবসু নাম রাখে নব জলধর।।৩৮
সম্বর্ত্তক নাম রাখে গোবর্দ্ধনধারী।৩৯
প্রাণপতি নাম রাখে যত ব্রজনারী।।৪০
অদিতি রাখিল নাম আরতি-সুদন।৪১
গদাধর নাম রাখে যমল-অর্জুন।।৪২
মহাযোদ্ধা নাম রাখি ভীম মহাবল।৪৩
দয়ানিধি নাম রাখে দরিদ্র সকল।।৪৪
বৃন্দাবন-চন্দ্রনাম রাখে বিন্দুদূতি।৪৫
বিরজা রাখিল নাম যমুনার পতি।।৪৬
বাণী পতি নাম রাখে গুরু বৃহস্পতি।৪৭
লক্ষ্মীপতি নাম রাখে সুমন্ত্র সারথি।।৪৮
সন্দীপনি নাম রাখে দেব অন্তর্যামী।৪৯
পরাশর নাম রাখে ত্রিলোকের স্বাম।।৫০
পদ্মযোনী নাম রাখে অনাদির আদি।৫১
নট-নারায়ন নাম রাখিল সম্বাদি।।৫২
হরেকৃষ্ণ নাম রাখে প্রিয় বলরাম।৫৩
ললিতা রাখিল নাম বাদল-শ্যাম।।৫৪
বিশাখা রাখিল নাম অনঙ্গমোহন।৫৫
সুচিত্রা রাখিল নাম শ্রীবংশীবদন।।৫৬
আয়ন রাখিল নাম ক্রোধ-নিবারণ।৫৭
চন্ডকেশী নাম রাখে কৃতান্ত-শাসন।।৫৮
জ্যোতিষ্ক রাখিল নাম নীলকান্তমণি।৫৯
গোপীকান্ত নাম রাখে সুদাম ঘরণী।।৬০
ভক্তগণ নাম রাখে দেব জগন্নাথ।৬১
দুর্বাসা নাম রাখে অনাথের নাথ।।৬২
রাসেশ্বর নাম রাখে যতেক মালিনী।৬৩
সর্বযজ্ঞেশ্বর নাম রাখেন শিবানী।।৬৪
উদ্ধব রাখিল নাম মিত্র-হিতকারী।৬৫
অক্রুর রাখিল নাম ভব-ভয়হারী।।৬৬
গুঞ্জমালী নাম রাখে নীল-পীতবাস।৬৭
সর্ববেত্তা নাম রাখে দ্বৈপায়ণ ব্যাস।।৬৮
অষ্টসখী নাম রাখে ব্রজের ঈশ্বর।৬৯
সুরলোকে নাম রাখে অখিলের সার।।৭০
বৃষভানু নাম রাখে পরম ঈশ্বর।৭১
স্বর্গবাসী নাম রাখে সর্ব পরাৎপর।।৭২
পুলোমা রাখেন নাম অনাথের সখা।৭৩
রসসিন্ধু নাম রাখে সখী চিত্রলেখা।।৭৪
চিত্ররথ নাম রাখে অরাতি দমন।৭৫
পুলস্ত্য রাখিল নাম নয়ন-রঞ্জন।।৭৬
কশ্যপ রাখেন নাম রাস-রাসেশ্বর।৭৭
ভাণ্ডারীক নাম রাখে পূর্ণ শশধর।।৭৮
সুমালী রাখিল নাম পুরুষ প্রধান।৭৯
পুরঞ্জন নাম রাখে ভক্তগণ প্রাণ।।৮০
রজকিনী নাম রাখে নন্দের দুলাল।৮১
আহ্লাদিনী নাম রাখে ব্রজের গোপাল।।৮২
দেবকী রাখিল নাম নয়নের মণি।৮৩
জ্যোতির্ম্ময় নাম রাখে যাজ্ঞবল্ক্য মুনি।।৮৪
অত্রিমুনি নাম রাখে কোটি চন্দ্রেশ্বর।৮৫
গৌতম রাখিল নাম দেব বিশ্বম্ভর।।৮৬
মরীচি রাখিল নাম অচিন্ত্য-অচ্যুত।৮৭
জ্ঞানাতীত নাম রাখে শৌনকাদিসুখ।।৮৮
রুদ্রগণ নাম রাখে দেব মহাকাল।৮৯
সুরগণ নাম রাখে ঠাকুর দয়াল।।৯০
সিদ্ধগণ নাম রাখে পুতনা-নাশন।৯১
সিদ্ধার্থ রাখিল নাম কপিল তপোধন।।৯২
ভাদুরি রাখিল নাম অগতির গতি।৯৩
মৎস্যগন্ধা নাম রাখে ত্রিলোকের পতি।।৯৪
শুক্রাচার্য্য নাম রাখে অখিল বান্ধব।৯৫
বিষ্ণুলোকে নাম রাখে দেব শ্রীমাধব।।৯৬
যদুগণ নাম রাখে যদুকুলপতি।৯৭
অশ্বিনীকুমার নাম রাখে সৃষ্টি-স্থিতি।।৯৮
অর্য্যমা রাখিল নাম কাল-নিবারণ।৯৯
সত্যবতী নাম রাখে অজ্ঞান-নাশন।।১০০
পদ্মাক্ষ রাখিল নাম ভ্রমরী-ভ্রমর।১০১
ত্রিভঙ্গ রাখিল নাম যত সহচর।।১০২
বংকচন্দ্র নাম রাখে শ্রীরূপমঞ্জরী।১০৩
মাধুরা রাখিল নাম গোপী-মনোহারী।।১০৪
মঞ্জুমালী নাম রাখে অভীষ্টপুরণ।১০৫
কুটিলা রাখিল নাম মদনমোহন।।১০৬
মঞ্জরী রাখিল নাম কর্ম্মব্রহ্ম-নাশ।১০৭
ব্রজব নাম রাখে পূর্ণ অভিলাস।।১০৮
Subscribe to:
Posts (Atom)