Monday, 6 July 2015

হিন্দুধর্ম বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ধর্ম

হিন্দুধর্ম বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ধর্ম তবে হিন্দু নামটি আধুনিকালের দেওয়া। এর প্রাচীন নাম হল সনাতন ধর্ম । আবার এই ধর্ম বৈদিক ধর্ম নামেও পরিচিত। এই ধর্ম বেদ এর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছিল। এ ধর্মত্ত্বের মূল কথা হল ঈশ্বরের অস্তিত্বেই সকল কিছুর অস্তিত্ব এবং সকল কিছুর মূলেই স্বয়ং ঈশ্বর । খ্রীস্টপূর্ব ৫৫০০-২৬০০ অব্দের দিকে যখন কিনা হাপ্পান যুগ ছিল ঠিক সেই সময়ই এ ধর্মের গোড়ার দিক। অনেকের মতে খ্রীস্টপূর্ব ১৫০০-৫০০ অব্দ । কিন্তু ইতিহাস বিশ্লেষকদের মতে আর্য (বা Aryan ) জাতিগোষ্ঠি ইউরোপের মধ্য দিয়ে ইরান হয়ে ভারতে প্রবেশ করে খ্রীস্টপূর্ব ৩০০০-২৫০০ অব্দের মধ্যে, তারাই ভারতে বেদ চর্চা করতে থাকে এবং তারা সমগ্র ভারতে তা ছড়িয়ে দেয়। আর্য জাতিগোষ্ঠিরা অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলত। তারা চারটি সম্প্রদায়ে বিভক্ত ছিল এরা হলঃ ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্য এবং শুদ্র । এই সম্প্রদায়গুলো তৈরি করার অন্যতম কারণ হল কাজ ভাগ করে নেওয়া অর্থাৎ এক এক সম্প্রদায় এর লোক এক এক ধরনের কাজ করবে। অনেকের মতে হিন্দু শব্দটি আর্যদেরকে আফগানিস্তানের বাসিন্দা বা আফগানেরা দিয়েছে তারা সিন্ধু নদের তীরবর্তী সনাতন ধর্মের সাধু সন্ন্যাসিদেরকে হিন্দু বলত, আর এই ভাবেই হিন্দু নামটি এসেছে। এই সনাতন ধর্মের সাধু সন্ন্যাসিরাই বেদ শ্রুতিবদ্ধ করেন অর্থাৎ ধ্যানের মাধ্যমে বেদ আয়ত্ব করেন। বেদ কোন একজন সাধু বা সন্ন্যাসীর লব্ধকৃত নয়, বেদ হল বহু সাধু সন্ন্যাসীদের লব্ধকৃত এক মহান শ্রুতিবদ্ধ গ্রন্থ যা প্রথম অবস্থায় সবার মনে মনে ছিল পরে তাকে লিপিবদ্ধ করা হয়। বেদ এই লিঙ্কটির মাধ্যমে বেদ সম্পর্কে আরো জানতে পারবেন। তখন কার যুগে এই বেদের আধিপত্য ছিল ব্যাপক, অর্থাৎ সমাজের সকল কাজ বেদের মাধ্যমে চলত কারণ বেদে সমাজ চালানো, চিকিৎসা করা, গণনা করা এমন সব উপাদানই আছে। এই কারনে তখনকার সভ্যতাকে বলা হয় বৈদিক সভ্যতা । এই বৈদিক সভ্যতায় অর্থাৎ ঐ আমলে কোন মূর্তি পূজা করা হত না। সেই সময় হিন্দুদের প্রধান দেবতা ছিলেন ইন্দ্র , বরুণ, অগ্নি এবং সোম । তারা যজ্ঞের মাধ্যমে পূজিত হত। তখনকার ঈশ্বর আরাধনা হত যজ্ঞ এবং বেদ পাঠের মাধ্যমে। সকল কাজের আগে যজ্ঞ করা ছিল বাঞ্ছনীয়। সে আমলে কোন মূর্তি বা মন্দির ছিল না। ধারনা করা হয়ে থাকে যে খ্রীস্টপূর্ব ৫০০ থেকে ১০০ অব্দের মধ্যে রামায়ণ এবং মহাভারত শ্রুতিবদ্ধ হয়। বর্তমানে এই সমস্ত মহান ধর্ম গ্রন্থগুলোর লিখিত রূপ হয়েছে। এই রামায়ণ এবং মহাভারতে লিপিবদ্ধ আছে ধর

পৃথিবীর মাটি থেকে ঝরে গেল আরও একটি তাজা প্রাণ ...... ......

অকালে অপমৃত্যু ঘটল , .. একটি স্বপ্নের........।। কিছুদিন আগেই জেহাদের আগুনে পোড়া সংবাদের শিরোনামে আসা সমুদ্রগড় আরও একবার আমাদের সকলকে নাড়িয়ে দিয়ে গেল। না ... এবার আর দাঙ্গা নয়, কিন্তু এওতো একধরনের জেহাদই বটে। প্রেমের ছল করে হিন্দু মেয়ে ফাঁসিয়ে ... তাকে বিয়ের পর ধর্মান্তকরণ। তার গর্ভে মোমিন সন্তান উৎপাদন, হিন্দু উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত স্ত্রীর সম্পত্তি নিজের নামে লিখিয়ে নিয়ে দার-উল-ইসলাম গড়ার তাল খোঁজা ... অবশ্যই এও একধরনের জেহাদ ... নাম – “লাভ জেহাদ”!! সমুদ্রগড়ের শ্রী বলরাম ঘোষের বছর সতেরো-আঠারোর ছটফটে আদুরে মেয়ে সুপর্ণা। স্থানীয় একটি স্কুলেই উচ্চমাধ্যমিকের ছাত্রী সে। দেখতে শুনতে, আচার ব্যাবহারেও সবারই প্রশংসা পেত মেয়েটি। সেই হেন শান্ত স্বভাবের মেয়েটিই এদিন গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে দিল।! গত ৩০শে জুনের দুপুরের ঘটনা। প্রতিবেশিনী তরতাজা একটি মেয়ের এমন আকস্মিক মৃত্যু মেনে নিতে পারলেন না কেউই। খোঁজ করতেই উঠে এল এক নিদারুন চোখ ভেজানো কাহিনী। এলাকার সচ্ছল ও অবস্থাপন্ন বলরাম বাবুর বাড়িতে মিস্ত্রীর কাজ করতে আসা ‘বাবুসোনা’ নামের একটি ছেলের সঙ্গে পরিচয় হয় তারই অষ্টাদশী মেয়ে সুপর্ণার। ..... তার পর আর দশটি ‘লাভ জেহাদে’র ঘটনায় ঠিক যা যা হয়, .... এক্ষত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না। ‘বাবুসোনা’ নামটি শুনে সে হিন্দু না মুসলিম তা বোঝার কি কোন উপায় আছে? সদ্য যৌবন প্রাপ্ত মেয়েটির প্রথম ভুলের শুরু সম্ভবত এখান থেকেই। প্রথমে আলাপ আর তারপর প্রেমালাপ ... শেষে বিয়ের প্রলাপ এবং অবশেষে বিলাপ!! এদিকে সাম্প্রতিক জেহাদি হামলার কবলে পড়া সমুদ্রগড়ের হিন্দুদের মনে রেখাপাত করেছে বিবিধ বিষয়। এই দাঙ্গা তাদের চোখ খুলে দিয়ে বাস্তবের মাটিতে হাঁটতে শিখিয়েছে কঠোর ভাবে। কবির কাব্যের পেলবতায় নয় ... মুসলমানকে তারা চিনতে শিখেছেন গদ্যের কঠিন আবহে। ঘটনাচক্রে মেয়েটির কাছে একদিন বাবুসোনার আসল পরিচয় ফাঁস হয়ে যায়। একে তো সে মুসলমান, তার উপর তার বাড়িও সেই ডাঙ্গাপাড়ায়, .... যেখান থেকে দাঙ্গার দিন শপাঁচেক আল্লার বান্দা – ‘আল্লা- হু – আকবর, ... নারায়ে-ই-তাকবীর’ ধ্বনি দিতে দিতে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে, লুঠপাঠ করে ছারখার করে দিয়েছিল ... গোয়াল পাড়া সহ আস্ত দুটো গ্রাম। সরকারী হিসাবেই তার ক্ষতির পরিমান বর্তমান বাজারের অর্থমূল্যে সাকুল্যে কয়েক কোটি টাকা! নেহাত আদিবাসী মাহাতোদের তিরের খোঁচায় তাদের জেহাদের সখ ঘোচানো গিয়েছিল, নাহলে কি যে হত কে জানে? সুতরাং মেয়েটি এ বিষয়ে নিশ্চিত হয় যে, এই বিয়েতে আর যাই হোক তার মা-বাবা অন্তত কোন মতেই মত দেবেন না। কিন্তু তার আগেই যে সে তার চরম সর্বনাশ করে বসে আছে! মুহূর্তের আবেগে ... যৌবনের অসতর্ক নেশায় সে ধ্বংস করছে তার কৌমার্য। আর সেই ছদ্মবেশি শিয়াল সে সুযোগের সদ্ব্যবহার করেছে পূর্ণমাত্রায়। গোপন মোবাইল ক্যামেরার গোপন কুঠুরিতে তা সযত্নে বোতলবন্দি করা হয়েছে মেয়েটির অজান্তেই এবং তা করা হয়েছে অত্যন্ত পরিকল্পিত ভাবে ঠিক আজকের কথা ভেবেই। স্বভাবতই মেয়েটি বিয়ের প্রস্তাব খারিজ করতেই ক্যামেরার ছবির প্রসঙ্গ তুলে আনে বাবুসোনা। শুরু হয় ব্ল্যাকমেলিং’র পালা। বিনে পয়সায় এমনি নারীশরীর ভোগের এমন স্বপ্ন বোধহয় রাজা মহারাজারাও দেখতে ভয় পান! ধীরে ধীরে বিষয়টি পাঁচকান হতে থাকে। একসময়ে সুপর্ণার মাও, মেয়ের বিষয়ে বুঝতে পারেন। খবর যায় বলরাম বাবুর কানেও। একদিকে বাড়িতে মা-বাবার নিরন্তর বকাঝকা ... আর অন্যদিকে শয়তান বাবুসোনার যৌন শোষণের মাঝে পড়ে নাভিশ্বাস ওঠে মেয়েটির ...।। এদিন সেই চূড়ান্ত ক্ষন উপস্থিত হয়। বাবুসোনা, সুপর্ণাকে হুমকি দেয় এই বলে যে, সে আর একদিনও দেরি করতে রাজি নয়। এবারে সুপর্ণাকে বাড়ী ছেড়ে তার সঙ্গে চলে আসতেই হবে, নতুবা সুপর্ণার নিরাভরণ ছবি ঘুরে বেড়াবে তারই বন্ধুদের হাতে হাতে ... মোবাইলের স্ক্রিনে, কম্পিউটারের মনিটরে।। সুপর্ণা তাতেও রাজী হয় নি। সে তখন এই সম্পর্কের হাত থেকে রেহাই পেতে নিতান্তই মরীয়া...।। আর তার ঠিক পরের দিন, কোন এক বন্ধুর মুখে মেয়েটি জানতে পারে, ... বাবুসোনার অপকীর্তির কথা। ... সে নাকি সত্যিসত্যিই ইন্টারনেটে তাদের কিছু ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ছবি শেয়ার করে ছড়িয়ে দিয়েছে।। লজ্জায়, ঘৃণায়, অপমানে ... ভীষণ মানসিক চাপে সম্পূর্ণ ভেঙ্গে পড়ে মেয়েটি। বিধ্বস্ত অবস্থায় মাথা নিচু করে বাড়ী চলে আসে সে। মায়ের কাছে খুলে বলে সব কথা। বড় আশা ছিল, .... এই নিদারুন মুহূর্তে আর আর কাউকে পাশে না পেলেও অন্তত মা তাকে দূরে ঠেলে দিতে পারবেন না। তার স্নেহচ্ছায়ার নরম ওম তার যে এখন বড়ই প্রয়োজন। এ ছাড়া যে তার হৃদয়ের রক্তক্ষরন বন্ধের আর কোনও ঔষধই নেই! ...আর সম্ভবত তাতেই ঘটে যায় চরম বিপত্তি। খবরে প্রকাশ, সেই চরম মুহূর্তে তার মাও তার পাশে দাঁড়ান নি। সুপর্ণা আর মুহূর্তও দেরি করে নি। বুঝতে পেরেছে, এ পাপের দায় অনেকের থাকলেও বোঝা যে কেবলি তার একার... শুধু একার....।। আর তাই মায়ের কটু গঞ্জনা সহ্য করতে না পেরে অবশেষে গায়ে কেরোসিন ঢেলে নিজেকে জ্বালিয়ে দেয় সে। মুক্তি পেতে চায় ... এই অসভ্য সমাজের নোংরামি থেকে। শেষ হয় একটি দুঃস্বপ্নের ... আর স্বপ্নের ঘটে অপমৃত্যু...।। আমাদের দেশে হিন্দু ঘরের বাচ্চারা ছোট থেকেই শেখে ... হিন্দুর রামই হলেন মুসলমানের রহিম। হিন্দুর কৃষ্ণই মুসলমানের করিম...। শেখে ...সব ধর্মই সমান। শেখে সবার ব্যথা সমান ... আনন্দ সমান ... দুঃখ সমান ... । গায়ের রক্তের রঙ হিন্দু – মুসলমান, ... আমাদের সবারই তো ... লাল। আমরা যেমন উপোষ করি, ওরা তেমনি রোজা রাখে। আমরা যেমন ঠাকুর পুজা করি, ওরা তেমনি আল্লার পূজা করে। আমরা পড়ি মন্ত্র, আর ওরা পড়ে নামাজ। আমরা বলি দেই, .. ওরা দেয় কুরবানি ....। আমাদের বিয়ে হয়, হয় বিচ্ছেদ। আর .. ওদের হয় নিকাহ, হয় তালাক .... , সবার মধ্যেই ব্রক্ষ্ম বা আল্লা আছেন .... ইতাদি ইত্যাদি ইত্যাদি .., এ তালিকার শেষ কোথায়? তাহলে...?? ছেলেদের ক্ষেত্রে তবুও এই ‘লাভ জেহাদে’র ব্যাপারে সমস্যা অনেকটাই কম। কিন্তু মেয়েদের বেলায়...??

Netaji নেতাজিকে ভারত থেকে দূর করে দিয়ে তাঁকে মৃত প্রমাণ করতে শয়তান নেহেরুর কূটচাল

*****নেতাজিকে ভারত থেকে দূর করে দিয়ে তাঁকে মৃত প্রমাণ করতে শয়তান নেহেরুর কূটচাল***** নেতাজির মৃত্যুকে প্রতিষ্ঠিত সত্য রূপে প্রচার করতে চেয়েছিলেন নেহরু। কারণ বিবিধ।এমনকী তাঁর মৃত্যুর দু'দুটি ডেথ সার্টিফিকেটও তৈরি করা হয়েছিল।দ্বিতীয় সার্টিফিকেট লেখার জন্যে ডাক্তার তো ইনামও পেয়েছিলেন নেহেরুর থেকে! বিশিষ্ট নেতাজি গবেষক পূরবী রায় এই সময়ে এক সাক্ষাতকারে এসব কথা বলেছেন।পূরবী রায় বলেছেন,নেহরুর অবদান নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ,সত্যি বলতে যথেষ্ট।প্রশ্ন হল,নেহরু কেন এমনটি করেছিলেন? উত্তরে বলা যেতে পারে যে,নেহরু নেতাজির মৃত্যুকে প্রতিষ্ঠিত সত্য হিসেবে প্রচার করতে চেয়েছিলেন এবং নথির প্রকাশ তাঁর এই প্রচেষ্টাকে ব্যাহত করত।আমাদের কাছে প্রমাণ আছে যে,নেতাজি ১৮ অগস্ট ১৯৪৫ সালে বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি।তিনি চলে গিয়েছিলেন সোভিয়েত রাশিয়ায় আশ্রয়ের খোঁজে এবং আশ্রয় তাঁকে দেওয়াও হয়েছিল। তিনি আরও বলেন, তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বময় নেতা জোসেফ স্তালিন তাঁর অনুগামীদের প্রশ্ন করেছিলেন,'What shall we do with Chandra Bose,where shall we keep him?'সামরিক বাহিনীর আর্কাইভ থেকে প্রাপ্ত এই সংবাদটি প্রকাশ করেন আলেক্সজান্ডার কোলাসনিকভ,১৯৯৬ সালে।তিনি ছিলেন ওয়ারশ চুক্তি-র মেজর জেনারেল।অর্থাত্ এক দিকে আমরা পাচ্ছি এই প্রতিবেদন যা বিমান দুর্ঘটনার বিরুদ্ধে যায়,অন্য দিকে নেহরু উঠে পড়ে লেগেছিলেন নেতাজির মৃত্যু সংবাদ জনসমক্ষে প্রতিষ্ঠিত করতে।এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য তিনি দু'দুটি ডেথ রিপোর্ট-এর ব্যবস্থা করেন যার প্রথমটি দেওয়া হয়েছিল সন্ধ্যা সাতটায় আর দ্বিতীয়টি রাত সাড়ে বারোটায়।১৯৪৬ সালে,প্রথমটি জুলাই মাসে,দ্বিতীয়টি অক্টোবর মাসে। রহস্য উদঘাটনের জন্য যে সব কমিশন এখানে গঠিত হয়েছিল সেগুলোর ভিতর একমাত্র মুখার্জি কমিশন-ই বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর তত্ত্বটি খারিজ করে দিয়েছিল।এ বিষয়ে পূরবী রায় বলেন,মৃত্যুর ইতিহাসটি অস্বীকার করলেও মুখার্জি কমিশন ঠিক কী ঘটেছিল তা স্পষ্ট করে বলতে পারেনি।কী করে বলবে?যেখানে ফাইল এবং নথি হাত আর বিচারের বাইরে?তবে এই কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মনোজকুমার মুখোপাধ্যায় জাপান থেকে ফেরার পর স্পষ্ট ভাবে জানিয়েছিলেন যে বিমান দুর্ঘটনাটি একটি কল্পনাপ্রসূত আজগুবি ঘটনা যার কোনও সত্যতা নেই।যে দ্বিতীয় ডাক্তার নেতাজির ডেথ সার্টিফিকেট বানিয়েছিলেন এবং সই করেছিলেন তাঁর সঙ্গে মনোজবাবুর কথা হয় এবং এই ডাক্তারই স্বীকার করেন যে ডেথ সার্টিফিকেট লেখার জন্য তিনি ইনাম পান! সুভাষ বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুখার্জি কমিশন যখন কর্মরত তখন বিচারক মুখার্জি একটা বড়ো পার্সেল পেয়েছিলেন,যেটি এসেছিল ভারত ও রাশিয়ার মন্ত্রক এবং দু'দেশের দূতাবাসকে এড়িয়ে।আমি এবং আরও দু'জন গবেষক শোভনলাল দত্তগুপ্ত ও হরি বাসুদেবন ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে রাশিয়া থেকে পাঠানো এই নথিগুলি পরীক্ষা করেছিলাম।এবং এই নথিগুলির ভিতর থেকে যে অবধারিত সত্যটি উঠে আসে,তা হল নেতাজি বিমান দুর্ঘটনায় মারা যাননি। এই ছিল কংগ্রেসি শয়তান নেহেরুর আসল রূপ

একেশ্বরবাদ – বহুদেবাপাসনা - খণ্ড ১

খ্রিস্টিয়ান সম্প্রদায় ও মুসলিম সম্প্রদায়েরা যারা এক ঈশ্বরএ বিশ্বাসী তারা হিন্দুদের কে বহু দেবতা দের উপাসক ও পৌত্তলিক বলে নিন্দা করেন । কিন্তু হিন্দুরা বহু দেবতাদের উপাসনা করলেও বহু ঈশ্বর এ বিশ্বাসী নহে , প্রতিমা পুজক হলেও পৌত্তলিক ( Idolater ) না । বেদে কপিতয় দেবতার কথা বলা আছে ‘ কিন্তু সে সকলই এক , বহূত্ব কল্পনা মাত্র । ঋকবেদ এ বলা হয়েছে ১.১১৪.৫ এ দেবতাদিগেরও পুর্বে সেই অব্যক্ত হইতে ব্যক্ত জগত উৎপন্ন হয়েছে । অর্থাৎ দেবতাদের আগেও এই জগত উৎপন্ন , তাহলে কে এই জগত সৃষ্টি করলেন ? আপনা আপনি এই জগত সৃষ্টি হয়েছে ???!! এর পিছনে যিনি আছেন তিনি সৃষ্টিকর্তা । সুতরাং দেবতারা ঈশ্বর না , ইশ্বর এর শক্তি প্রকাশের বিশেষ বিভিন্ন প্রকাশ বা বিভূতি । শক্তিমান মানুষে যেমন ঐশ্বরিক শক্তির সাময়িক প্রকাশ , দেবতাদেরও সেই ঐশী শক্তির ই ততধিক প্রকাশ , এই মাত্র ভিন্নতা । ভয়ে , বিস্ময়ে , ভক্তিতে বা স্বার্থবুদ্ধিতেশক্তিমানের পুজা , বীর পুজা সকলেই করে ; দেবগনের পুজাও তদ্রুপ , উহাতে অন্য ইষ্টলাভ হতে পারে , ঈশ্বরলাভ হয় না । যারা শ্রদ্ধা সহকারে দেবতাদের ভজনা করেন , তারা একরকম হলেও ঈশ্বরকেই ভজনা করে , কারন বলা হয়েছে সবকিছুই ঈশ্বরের । ঈশ্বর হতে পৃথক কোন শক্তি নাই , কিন্তু তারা এই তত্ব জানেন না বলেই ঈশ্বরকে প্রাপ্ত হয় না , পুর্নজন্ম প্রাপ্ত হয় । হে সনাতনী বিশ্বাসী মিত্র গন আপনারা অনেকেই জানতেন না যে দেবতাকে পুজা করলে ঈশ্বর এর সানিধ্য পাওয়া যাবে কিনা , আশা করি সকলেই বুঝতে পেরেছেন । মহান ধর্ম গ্রন্থ গীতায় দেওয়া আছে , অন্য দেবতাপূজাও পরোক্ষে ঈশ্বরের পূজা , কিন্তু দেবতা ভাবনা করিলে ঈশ্বর লাভ হয় না । ২৩-২৬ রাজবিদ্যা-রাজগুহ্য – যোগ । আমিই সর্ব যজ্ঞ্যের ভোক্তা ও ফলদাতা । কিন্তু তাহারা আমাকে যথার্থরূপ এ জানে না বলেই সংসারে পতিত হয় । ২৪ ।। বাকি পোস্ট পরে দেওয়া হবে । মিত্রগন বুঝতে বাকি রইল না যে দেবতাকে পূজা আর ঈশ্বর এর ভজন এক নয় । আপনাদের মন এ অন্য ভাব আনতে হবে । জয় হিন্দ ।। Online Hindus সংকলিত : শ্রীজগদীশ চন্দ্র ঘোষ

হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই

হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, তারা এক জাতি, দুইজনের রক্তই লাল। এই তত্ত্ব যতদিন না হিন্দুরা বর্জন করছে, ততদিন হিন্দুরা কোনো ঐক্য তৈরী করতে পারবে না। হিন্দু(সনাতন) সভ্যতা ও মুসলমান সভ্যতা দুটোই সম্পূর্ন আলাদা। হিন্দু সভ্যাতা গড়ে উঠেছে ভারতীয় উপমহাদেশে আর মুসলমান সভ্যতা গড়ে উঠে, আরবের মরুভূমিতে। এই দুটি সভ্যতার মূল ভিত্তি, প্রাকৃতিক পরিবেশ, চিন্তাধারাই তো সম্পূর্ন আলাদা, মিল হবে কিভাবে বলতে পারেন? আর ভারতে মুসলমানরা প্রায় ৭০০ বছর রাজত্ব করেছিল, তারপর ইংরেজ ৩০০ বছর। মোট প্রায় ১০০০ বছর। এই হাজার বছরে হিন্দু মুসলমান সভ্যতা মিশল না, আর ভারত স্বাধীন হলেই, এই দুটি জাতি, সভ্যতা মিলে মিশে একাকার হয়ে যাবে, এটা আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের নির্বুদ্ধিতা নয় তো কি? মুসলিম লিগ তো সেই জন্যই দেশভাগ করল, তারা তো তাই বলেছিল--" হিন্দু-মুসলিম কখনই মিশবে না, দুটো সভ্যতাই আলাদা"। দীর্ঘ ১০০০বছরে হিন্দু-মুসলিম মিলন হয়নি আর কখনও হবেও না। তারপরেও কি আমাদের দেশের নেতাদের ঘুম ভাংগে না যে তেল আর জলের মিলন কখনই সম্ভব নয়??

পাকিস্তানে হিন্দুদের সমস্যা সমাধানে একসাথে আলোচনায় বসলেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলের হিন্দু সাংসদেরা

পাকিস্তানে হিন্দুদের সমস্যা সমাধানে একসাথে আলোচনায় বসলেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলের হিন্দু সাংসদেরা! পাকিস্তানের হিন্দুদের সমস্যা সমাধানপ একসাথে আলোচনায় বসলেন ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ এর হিন্দু সাংসদ ডাঃ রামেশ কুমার ভাঙ্কাওয়ানি(এমপি,মিথি থারপারকার,সিন্ধু) এবং বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফের হিন্দু সাংসদ লাল চাঁদ মালহি(এমপি,মালহিপাড়া উমরকোট,সিন্ধু)। হিন্দুদের সমস্যা সমাধানে আজ পাকিস্তানি হিন্দু সাংসদেরা দলের পার্থক্য ভূলে একসাথে বসেছেন।আজ যদি পাকিসতানের মত আমাদের দেশেরসব হিন্দু এমপি দল মত ভুলে শুধু অন্তত হিন্দুত্ববাদের ক্ষেত্রে একমত হত তবে আমার ভারত মাতা আরও সমৃদ্ধ হত।পাকিস্তানের বিরোধী হিন্দু এমপিরা করে দেখাল কিন্তু আমরা ভারতে বাস করেও তা পারলাম না!!!

Ajad Hind Fujj আজ নেতাজীর আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠা দিবসে সেই সময়ের এই বাহিনীর সকল বীর সেনাদের জানাই প্রণাম

আজ নেতাজীর আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠা দিবসে সেই সময়ের এই বাহিনীর সকল বীর সেনাদের জানাই প্রণাম। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের এক নবযুগের সূচনা করা এ ফৌজের সেনা ছিল 43000।যার জন্য ব্রিটিশ দালাল কংগ্রেস গান্ধী,নেহেরুরাছিল তার প্রতি ক্ষেপা।শেষে ভারত ছেড়ে গান্ধী নেহেরুদের প্রতিহিংসার প্রতিদানও দিতে হয় তাঁকে!!! কংগ্রেস গান্ধী-নেহেরু মূর্দাবাদ। নেতাজী জিন্দাবাদ। জয় হিন্দ। ‪#‎ জয়শ্রীরাম‬ হিন্দুরাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।। ‪#‎ RSS‬