Monday, 6 July 2015

হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই

হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, তারা এক জাতি, দুইজনের রক্তই লাল। এই তত্ত্ব যতদিন না হিন্দুরা বর্জন করছে, ততদিন হিন্দুরা কোনো ঐক্য তৈরী করতে পারবে না। হিন্দু(সনাতন) সভ্যতা ও মুসলমান সভ্যতা দুটোই সম্পূর্ন আলাদা। হিন্দু সভ্যাতা গড়ে উঠেছে ভারতীয় উপমহাদেশে আর মুসলমান সভ্যতা গড়ে উঠে, আরবের মরুভূমিতে। এই দুটি সভ্যতার মূল ভিত্তি, প্রাকৃতিক পরিবেশ, চিন্তাধারাই তো সম্পূর্ন আলাদা, মিল হবে কিভাবে বলতে পারেন? আর ভারতে মুসলমানরা প্রায় ৭০০ বছর রাজত্ব করেছিল, তারপর ইংরেজ ৩০০ বছর। মোট প্রায় ১০০০ বছর। এই হাজার বছরে হিন্দু মুসলমান সভ্যতা মিশল না, আর ভারত স্বাধীন হলেই, এই দুটি জাতি, সভ্যতা মিলে মিশে একাকার হয়ে যাবে, এটা আমাদের রাজনৈতিক নেতাদের নির্বুদ্ধিতা নয় তো কি? মুসলিম লিগ তো সেই জন্যই দেশভাগ করল, তারা তো তাই বলেছিল--" হিন্দু-মুসলিম কখনই মিশবে না, দুটো সভ্যতাই আলাদা"। দীর্ঘ ১০০০বছরে হিন্দু-মুসলিম মিলন হয়নি আর কখনও হবেও না। তারপরেও কি আমাদের দেশের নেতাদের ঘুম ভাংগে না যে তেল আর জলের মিলন কখনই সম্ভব নয়??

পাকিস্তানে হিন্দুদের সমস্যা সমাধানে একসাথে আলোচনায় বসলেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলের হিন্দু সাংসদেরা

পাকিস্তানে হিন্দুদের সমস্যা সমাধানে একসাথে আলোচনায় বসলেন পাকিস্তানের রাজনৈতিক দলের হিন্দু সাংসদেরা! পাকিস্তানের হিন্দুদের সমস্যা সমাধানপ একসাথে আলোচনায় বসলেন ক্ষমতাসীন দল পাকিস্তান মুসলিম লীগ এর হিন্দু সাংসদ ডাঃ রামেশ কুমার ভাঙ্কাওয়ানি(এমপি,মিথি থারপারকার,সিন্ধু) এবং বিরোধী দল পাকিস্তান তেহরিক ই ইনসাফের হিন্দু সাংসদ লাল চাঁদ মালহি(এমপি,মালহিপাড়া উমরকোট,সিন্ধু)। হিন্দুদের সমস্যা সমাধানে আজ পাকিস্তানি হিন্দু সাংসদেরা দলের পার্থক্য ভূলে একসাথে বসেছেন।আজ যদি পাকিসতানের মত আমাদের দেশেরসব হিন্দু এমপি দল মত ভুলে শুধু অন্তত হিন্দুত্ববাদের ক্ষেত্রে একমত হত তবে আমার ভারত মাতা আরও সমৃদ্ধ হত।পাকিস্তানের বিরোধী হিন্দু এমপিরা করে দেখাল কিন্তু আমরা ভারতে বাস করেও তা পারলাম না!!!

Ajad Hind Fujj আজ নেতাজীর আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠা দিবসে সেই সময়ের এই বাহিনীর সকল বীর সেনাদের জানাই প্রণাম

আজ নেতাজীর আজাদ হিন্দ ফৌজের প্রতিষ্ঠা দিবসে সেই সময়ের এই বাহিনীর সকল বীর সেনাদের জানাই প্রণাম। ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রামের এক নবযুগের সূচনা করা এ ফৌজের সেনা ছিল 43000।যার জন্য ব্রিটিশ দালাল কংগ্রেস গান্ধী,নেহেরুরাছিল তার প্রতি ক্ষেপা।শেষে ভারত ছেড়ে গান্ধী নেহেরুদের প্রতিহিংসার প্রতিদানও দিতে হয় তাঁকে!!! কংগ্রেস গান্ধী-নেহেরু মূর্দাবাদ। নেতাজী জিন্দাবাদ। জয় হিন্দ। ‪#‎ জয়শ্রীরাম‬ হিন্দুরাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।। ‪#‎ RSS‬

গান্ধী মরল

(¥) গান্ধী মরল.... আর নির্দোষ ৬০০০ ব্রাহ্মণকে হত্যা করা হল, (¥) ইন্দিরা মরল.... আর নির্দোষ ৪৭০০ শিখকে হত্যা করা হল, তখন কি কোথায়ও একটি মোমবাতি জ্বলেছিল ??? (¥) মুসলমান যদি "বন্দে মাতরম্" না বলে, তাহলে তা তাদের ধার্মিক বিষয়, নরেন্দ্র মোদি টুপি না পড়লে, তাহলে তা সাম্প্রদায়িক বিষয় ??? (¥) ডেনমার্কে যদি কোন ছবি ছাপা হয়, তাহলে তার সর কলম, শ্রী রামের জন্মভূমিতে যদি মন্দির তৈরি করা হয়, তাহলে হিন্দু বেশরম !!! (¥) গোধরাতে যে ৫৬ জন হিন্দুকে প্রথমে জ্বালানো হল, তারা যেন ঈদের বকরি... আর তারপরে যে মুসলিম মরল, তারা সত্যিকারের দেশ প্রেমী ??? (¥) ১৫ বছর আগেই কাশ্মীর হয়ে গেছে হিন্দু হীন.. আর দেশে যে হচ্ছে মুসলিম জনসংখ্যা বিস্ফোট, তা আমাদের কাছে গুরুত্বহীন !!! (¥) পাঠানী স্যুট, নামাজী টুপিতে তারা সুশ্রী.... আর আমরা শুধু তিলক লাগালেই বা "জয় শ্রী রাম" বললেই আতঙ্কের মূর্তি ??? (¥) এখানে কেউ লড়াই করে পাকিস্তানের জন্য, কেউ লড়াই করে উর্দু ভাষার জন্য, আর সবাই চূপ হয়ে যায় "শ্রী রাম"এর জন্য...!!! (¥) এখন তো মিছিলে স্লোগান উঠে তালিবানের দাবীতে, আর হিন্দু চিন্তিত চাকরি আর দোকানের জন্য !!! আমি বলি... এর সমাধান কোথায় ??? আরে তুমিই বলো... হিন্দুর হিন্দুস্তান কোথায় ???

Saturday, 4 July 2015

এ কেমন দ্বৈথ নীতিঃ

এ কেমন দ্বৈথ নীতিঃ মালদ্বীপ হইতে নিহার রঞ্জনঃ ভারতীয় মহাসাগরের ঠিক মধ্যে অবস্হিত মালদ্বীপ । খুব সুন্দর মনোরম পরিবেশে ঘেরা ১১৯০ টির মত ছোট বড় দ্বীপের সমন্নয়ে গঠিত মালদ্বীপ । ২০১৪ সালের সরকারি হিসাব অনুযায়ী মালদ্বীপের মোট জন সংখ্যা প্রায় ৩৯৪০০০ এবং সবাই মুসলমান । ২০০৯ সালে এক রাস্ট্রীয় প্রঙ্গাপনে বলা হয়েছে, স্থানীয় নাগরিকরা অন্য কোন ধর্ম চর্চা করতে পারবেন না এমনকি অন্য দেশ হইতে আগত অথিতী কিংবা কর্মরত ব্যক্তি কোনো ভাবেই পূঁজা বা মুসলিম ধর্মে নিষিদ্ধ এমন কোন অনুষ্ঠান করিতে পারিবেন না । ২০১৩ সালের অন্য একটি আইনে বলা হয়েছে জন সম্মুখে ধূমপান দন্ডনীয় অপরাধ, স্থান কাল অনুযায়ী দন্ড হিসাবে গুনতে হবে ৫০০-১০০০ রূপি জরিমানা। যেমন এয়ারপোর্ট ও লঞ্চ টার্মিনাল এর মত স্পর্শকাতর এরিয়াতে কেউ ধূমপান করলে জরিমানা গুনতে হবে দ্বিগুণ অর্থাৎ ১০০০ রূপি । কিন্ত আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, বিদেশী অথিতীরা যখন সব জায়গায় সমান তালে ধূমপান করছে এমনকি রোজার মাসেও তারা ওপেনলি সবকিছুই খাচ্ছে, কিন্ত তাদেরকে কেন আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না । যেখানে রোজার মাসে বাইরে খাওয়া সম্পূর্ণ নিষেধ পুলিশের চোখে পড়লে ৫০০ রূপি জরিমানা এমনকি হোটেল খোলাও নিষেধ । বিশ্বস্ত সূত্রে জানিতে পারিলাম মালদ্বীপ রাস্ট্রটি সম্পূর্ণই বিদেশী সাহায্যের উপর নির্ভর করে, যখন বিদেশী অথিতীরা এখানে বেড়াতে আসেন সাথে নিয়ে আসেন লাখ লাখ আমেরিকান ডলার আর এই ডলার দিয়েই মালদ্বীপ সমস্ত ব্যবসা বানিজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন । এইসব দিক বিবেচনা করেই শুধুমাত্র বিদেশী অথিতীদেরকে ছাড় দেওয়া হয় । উল্লেখ্য যে প্রতি মাসেই বিভিন্ন দেশ হইতে লক্ষ লক্ষ লোক ছুটি কাটাতে এই মালদীপে ছুটে আসেন । বিশেষ করে চীন, জাপান, কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া এমনকি ইউরোপ, আমেরিকার লোকজন ও এই মালদীপের রিসোর্টে বেড়াতে আসেন । চতুর্থ দিকে সমুদ্রে ঘেরা মালদীপের রিসোর্ট গুলি খুবই আকর্ষণীয় ।

আর্যরা কী সত্যিই বিদেশী??

আর্যরা কী সত্যিই বিদেশী?? বৈদিক সভ্যতা নিয়ে বাম ও পশ্চিমী ঐতিহাসীকদের মতবাদটা কী সত্যিই সঠিক??? তবে তাদের মতবাদ এমন Self-Contradictory কেন?? ---ঋক্ বেদে বলা হয়েছে এমন ভগবানের কথা যারা শহর ধ্বংস করতো, আর তাই বলা হয় বৈদিক যুগে নাকি আর্যরা শহুরে ছিলনা আর তারা শহর ধ্বংস করতো, কিন্তু ঋক্ বেদে এমন প্রচুর শ্লোকও আছে যেখানে বলা আছে আর্যরা শহরে থাকতো । The ‘Rig Veda’ describes its Gods as ‘destroyers of cities’. This was used also to regard the Vedic as a primitive non-urban culture that destroys cities and urban civilization. However, there are also many verses in the ‘Rig Veda’ that speak of Aryans as having cities of their own and being protected by cities up to a hundred in number.

ঈদ আসছে

ঈদ আসছে । তাই বাজারে কেনাকাটার ভিড় বাড়ছে উৎসব উপলক্ষ্যে । ঈদে মহিলাদের জন্য হাজির পাকিস্তানের ডিজাইন করা সব পোষাক । কেননা প্রত্যেক মুসলিম মহিলাদের চাহিদা পাকিস্তানের পোষাক তাই সদূর পাকিস্তান থেকে উড়ে আসছে নানা রকম পাকিস্তানের পোষাক । একবার ভাবুন তো ভারতের এত পোষাক থাকতে,ভারতের এত ফ্যাশন ডিজাইনার থাকতেও পাকিস্তানের পোষাক কেন মুসলিমদের প্রথম পছন্দ? আসলে ভারতে বসবাসকারী সিংহভাগ মুসলিমদের মনে পাকিস্তানের প্রতি প্রেম রয়েছে সেটা তারা প্রকাশ করছে কখনো পাকিস্তানের পতকা উড়িয়ে,কখনও পাকিস্তানের পোষাক পরে । পাকিস্তানের পোষাক পরে নিজেদেরকে পাকিস্তানি ভেবে গর্বিত হওয়ার চেষ্টা করছে এখন উৎসবের মরসুমে ।