Monday, 6 July 2015

সনাতন সমাজ রক্ষার জন্য এখন সবেচেয়ে বেশি প্রয়োজন সংঘশক্তি বা একতাশক্তি

***"""কৃপা করে সবাই এই গুরুত্বপূর্ন Post টি পুরোটা পড়ুন***"""|সনাতন সমাজ রক্ষার জন্য এখন সবেচেয়ে বেশি প্রয়োজন সংঘশক্তি বা একতাশক্তি| যার জন্য প্রথমত,বৈদিক শিক্ষা ব্যাবস্তা চালু করে ছোটবেলা থেকে সব শিশুদের সনাতন সমাজকে কিভাবে রক্ষা করতে হবে সে শিক্ষা দেওয়া| ***দ্বিতীয়ত,সনাতন ধর্মে বর্ন মূলত যার যার ব্যাক্তিগত গুন কর্ম অনুসারে নির্ধারিত হয় এই কথাটি সব সনাতনীর জানা প্রয়োজন|সর্বপরিবর্নপ্রথার ভুলব্যাখ্যা থেকে বেরিয়ে এসে সব সনাতনীদের একতাবদ্ধ থাকা এবং সব বর্নের মধ্যে শাস্ত্রীয়সম্মতভাবে বিবাহ প্রথা পুনরায় চালু করা| ***তৃতীয়ত কোন সনাতনী ছেলে অন্য ধর্মের মেয়েদের বিয়ে করে সনাতনে আনতে চাইলে তাকে সেকাজে আরো উত্সাহ দেওয়া| ***চর্তুথত,পূজাপার্বনে কীর্ত্তনের পাশাপাশি কিভাবে সনাতন সমাজকে রক্ষা করা যায় সে শিক্ষা সব ভক্তদের দেওয়া| ***পঞ্চমত,মুসলিমদের মাহফিলের মত প্রতিটি গ্রামে সনাতনী সম্মেলন করা এবং সেখানে কিভাবে সবাই সনাতনের পথে থাকবে এবং সনাতনকে রক্ষা করবে সে শিক্ষা দেওয়া| ***ষষ্ঠত,সনাতন ধর্মে কোথাও টাইটেল বা উপাধি প্রথাকে স্বিকৃত দেওয়া হয়নি|আর শুধুমাত্র এই প্রথার আমাদের মধ্যে বিভেদের সৃষ্টি হয়|তাই এই উপাধি প্রথা বাদ দিয়ে শ্রী,কুমার,শ্রীমতি,রানি এইগুলো ব্যাবহার করা| ***সপ্তমত,সব সনাতনীর উচিত পবিত্র বেদ অনুসারে আদ্যশ্রাদ্ধ একই দিবসে করা|আসুন আমরা সবাই মিলে সবাই মিলে একতাবদ্ধভাবে এইভাবে সনাতন সমাজকে রক্ষা করি

গন্ধহীন পুষ্পের ন্যায় কর্মবির্জতিত কথামালা

মুখে বড় কথা বলে অথচ সে নিজেই সেই কাজ করে না তাহলে কি হল? ভারত উপমহাদেশকে হিন্দু শূন্য করার লক্ষ্যে প্রাচীন কাল থেকে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র হয়ে আসছে। শাসক শ্রেণি থেকে শুরু করে ধর্মগুরুরা পর্যন্ত এ ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। প্রথমত, ধর্মগুরুরা হিন্দুদের দূরে রেখেছে তারপর তারা ধর্মশাস্ত্র বিরুদ্ধ কাজ করে সনাতনধর্মকে বারবার বিতর্কিত করে তুলেছে তেমনিই একটি দিক তুলে ধরছি। কলিযুগ শুরু হয়েছে চার হাজার বছরেরও আগে। কিছু সংগঠন যুগ ধর্ম প্রচার করা নিয়ে ব্যস্ত। কিছু সংগঠন তাদের নিজস্ব মতবাদ প্রচার করছে যেগুলো শাস্ত্রে একটু আছে সেগুলোকে বড় করে তুলেছে। এক কথায় তিলকে তাল বানিয়ে ছাড়ছে নিজেদের লাভের খাতিরে। আর আমরাও তাদের কথা মত চলছি শাস্ত্রে কি আছে তা না দেখে। ধর্মীয় সংগঠন আমাদের কিভাবে সংখ্যালঘু করছে দেখুন। বৃহৎ নারদীয় পুরান মতে কলিযুগে পাঁচটি কর্মের কথা নিষেধ করেছেন। সেগুলো হল, গোমেধ যজ্ঞ, অশ্বমেধ যজ্ঞ, দেবর দ্বারা পুত্র উৎপাদন,মাংস দ্বারা পিতৃশ্রাদ্ধ এবং সন্ন্যাস। এখন আসুন দেখি আমাদের কিছু ধর্মীয় সংগঠনের দিকে তাকায় সেখানে কত যুবক ছেলে আজ সন্ন্যাস ব্রত পালন করছে? এরকম করে যদি চার হাজার বছর ধরে একটি জাতি থেকে যুবক ছেলেরা সন্ন্যাস ব্রত নেয় তাহলে কত ছেলে চলে গেছে? তাদের যদি দুটি করে সন্তান পৃথিবীর বুকে আসতে তাহলে আজ কতটি কন্ঠে জয় শ্রী রাম কথাটি ধ্বনিত হত? প্রাচীন বৈদিক ঋষিগন আমাদের জীবনকে চারটা ভাগে ভাগ করেছেন তা হল ব্রহ্মচর্য, গৃহস্থ, বাণপ্রস্থ ও সন্ন্যাস। কোন শিশু যদি প্রথম শ্রেণী পড়েই যদি পঞ্চম শ্রেণী তে পড়তে চাই বা উঠে তার চেয়ে আমরা কি রেজাল্ট আশা করতে পারি? শাস্ত্রে জীবন ব্যবস্থা কে চার ভাগে ভাগ করলেও কলিযুগের জন্য সন্ন্যাস নিষেধ করা হয়েছে আর যদি কেউ তা পালন করে তাহলে অবশ্যই আগের তিনটে ধাপ অতিক্রম করে পালন করতে হবে। কিন্ত আমরা কি দেখছি কলিযুগে এসেও ধর্মগুরুরা বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ভারত উপমহাদেশের হাজারো যুবককে ব্রহ্মচারী বানিয়ে নিজ সংগঠনে গাধা খাটনি খাটিয়ে নিচ্ছে। কিন্তু যেসব সংগঠনে আসলে বিয়ে করা যাবে না বলছে সেই সংগঠনের প্রতিষ্ঠিতা বা তাদের গুরুরা নিজেরাই ব্রহ্মচারী ছিলেন কি? ইসকনের প্রতিষ্ঠিতা বিবাহিত ছিলেন তাহলে তার ধর্ম প্রচারক গন কেন বিবাহিত হবেন না? আবার রামকৃষ্ণ মিশনের রামকৃষ্ণ নিজে বিবাহিত ছিলেন যদিও মিশনের প্রতিষ্ঠাতা বিবেকানন্দ ব্রহ্মচারী সন্ন্যাসী ছিলেন তথাপি তিনি নিজেও সন্ন্যাসব্রত নিতে বারন করেছেন। আমাদের পৃথিবীর সবাই যদি সন্ন্যাসী হয় তাহলে উক্ত সন্নাসীদের ভিক্ষা কে দিবে সেটাই ভাবছি। আর সবাই সন্ন্যাসী হলে আশা করি একশো বছরে পৃথিবী মানব শূন্য হয়ে যাবে ভগবানের নাম উচ্চারনের মত কেউ থাকবে না তাই প্রত্যেক হিন্দু যুবকদের বলব ঈশ্বরের সান্নিধ্য পেতে চাও তাহলে ঈশ্বর বলার মত অন্তঃত দুটো জীব পৃথিবীর বুকে রেখে যাও।

দেশভাগের সময় কলকাতা যদি পাকিস্তান এর হত তাহলে হয়তবা এদেশ এত তাড়াতাড়ি স্বাধীন হত না

দেশভাগের সময় কলকাতা যদি পাকিস্তান এর হত তাহলে হয়তবা এদেশ এত তাড়াতাড়ি স্বাধীন হত না। অার কলকাতায় বসবাসরত বাঙালী হিন্দুদেরও কোন স্থায়ী ঠিকানা হত না। তাদেরকেও হয়তবা নিরাপত্তার জন্যে অাশ্রয় নিতে হত পাশ্ববর্তী রাজ্য গুলো তে। অার সেখানে মুক্তবুদ্ধি, সেকুলারিজম এর বদলে চর্চা হত অারবীয় বেদুঈন সংস্কৃতি। কিন্তু এক বিশেষ ব্যক্তির অান্তরিক প্রচেষ্টার জন্যে স্বপ্নের কলকাতাকে পাকিস্তানের ভেতরে যেতে হয় নি। কিন্তু যার জন্যে কলকাতা তে এখনো মার্ক্সবাদ, লেনিনবাদ চর্চা হয়, চারদিকে শঙ্কধ্বনির শব্দ শোনা যায়, সেই মানুষটিকেই তারা ভুলে গেছে। যাইহোক, সেই ব্যক্তিটির দানে চলা কলকাতার বাসিন্দারা ঠিক কতদিন তাদের ধর্ম, সংস্কৃতি ইতিহাস, ঐতিহ্য অার সেকুলারিজম কে টিকিয়ে রাখতে পারে তাই ই দেখার বিষয়।

নমস্কার সম্পর্কে জানুন এবং অন্যকে জানান

নমস্কার কি? নমস্কার কি সকলকে জানানো যায়? নমস্কার জানাতে হাত জোড় করা হয় কেন ? নমস্কার বা নমস্তুতেবাঃ সংক্ষেপে নমস্তে হচ্ছে বৈদিকযুগ হতে প্রচলিত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কর্তৃক ব্যবহৃত অভিবাদনসূচক শব্দ। সাধারণত দুই হাত জোড় করে ‘নমস্কার’ শব্দটি উচ্চারণ করা হয়ে থাকে বলে একে অঞ্জলি মুদ্রা বা প্রণামও বলা হয়। ‘নমস্কার’ শব্দটি এসেছে মূল সংস্কৃত শব্দ ‘নমঃ’থেকে যার আভিধানিক অর্থ সম্মানজ্ঞাপনপূর্বকঅবনত হওয়া। ইদানিং সনাতন ধর্ম বিরোধী নানা কুপ্রচারণার অংশ হিসেবে একশ্রেণীর কুচক্রী মহল প্রচার করে চলেছে যে , যেহেতু,নমস্কার শব্দটি অবনত হওয়ার সাথে সংশ্লিষ্ট তাই সাধারণ জনগণকে নমস্কার জানানো উচিত নয় । দেখা যাক,এ সম্পর্কে বৈদিক শাস্ত্র কি বলে ! “যো দেবো অগ্নৌ যো অপসু যো বিশ্বং ভূবনাবিবেশ য ওষধীষু যো বনস্পতি তস্মৈ দেবায় নমো নমঃ॥”(শ্বেতাশ্ব তর উপনিষদ ২-১৭) “যোগ যেমন পরমাত্মার দর্শনের সাধন বা উপায় ,নমস্কারাদিও অনুরূপ বলিয়া তাঁহাকে নমস্কার জানাই।” তিনি কিরুপে?তিনি দেব অর্থাত্ পরমাত্মার প্রকাশভাব । তিনি কোথায়? তিনি আছেন অগ্নিতে,জলে,তৃণ -লতাদিতে, অশ্বাথাদি বৃক্ষে,তিনি এই বিশ্বভুবনে অন্তর্যামীরুপে অণুপ্রবিষ্ট হইয়া আছেন।” তাই যখন কাউকে নমস্কার জানানো হয় তখন মূলত সর্বজীবে অন্তর্যামীরুপে অবস্থিত পরমাত্মাকেই প্রণতি নিবেদন করা হয় ,কোন মনুষ্যদেহকে নয় । সুতরাং,নমস্কার সকলকেই জানানো যায়। দুইহাত জোড় মূলত অহম্ ত্যাগ পূর্বক বিনয়ভাব প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়। সংস্কৃতিভেদে করজোড়ে কিছুটা বৈচিত্র্য দেখা যায় যেমন দেবতাদের উদ্দেশ্যে সর্বোচ্চ সম্মান প্রদর্শন করতে সাধকরা মাথার উপরে দু’হাত জোড় করে থাকেআবার কোন ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাতে নমস্কার জানাতে বুকের বরাবর হাত জোড় করা একই সাথে পরমাত্মাকে প্রণতি ও আয়ুষ্মান (i.e.দীর্ঘায়ু কামনা) -কে নির্দেশ করে।

জন্মনিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব বুঝতে হবে, মুসলিমদের বলুন মোদী, বলল শিবসেনা

মুসলিমদের জন্মনিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে বলল শিবসেনা। মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে বলে দাবি করেছে উদ্ধব ঠাকরের দল। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হস্তক্ষেপ চেয়েছে তারা। শিবসেনা মুখপত্র ‘সামনা’-র সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে, ২০০১ থেকে ২০১১-র মধ্যে দেশে মুসলিমদের সংখ্যা প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়েছে। ২০১৫-য় এ পর্যন্ত নিশ্চয়ই আরও ৫-১০ শতাংশ বেড়েছে ওদের সংখ্যা। এভাবে মুসলিম জনসংখ্যা ক্রমশ বাড়তে থাকলে ভাষাগত, ভৌগোলিক ভারসাম্য ক্ষুন্ন হবে, ধর্মীয় বিপন্নতা বোধ তৈরি হবে, দেশের ঐক্যে ফাটল ধরবে। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করে শিবসেনা অবশ্য বলেছে, মুসলিম জনসংখ্যা বাড়ছে বলে পালটা হিন্দুদের সংখ্যা বাড়ানো সমাধান নয়। বরং তাদের দাবি, সব ধর্মের মধ্যেই পরিবার পরিকল্পনা নীতি কঠোরভাবে চালু করতে হবে। এ ব্যাপারে যাতে সব ধর্মের লোকজনকে বাধ্য করা হয়, সেজন্য সরকারকে চাপ দিক সংঘ পরিবার। পাশাপাশি শিবসেনা বলেছে, প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট ভাষায় মুসলিমদের এ কথাটা বলুন যে, দেশের আইন মেনে চলতে হবে, পরিবার পরিকল্পনার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে হবে। প্রধানমন্ত্রী তো ওদের আশ্বাস দিয়েছেন, মাঝরাতে তাঁর দরজায় কড়া নাড়লেও তিনি ওদের সমস্যা মেটানোর উদ্যোগ নেবেন। কিন্তু মুসলিমরাও দেশ চালাতে একইরকম সদিচ্ছা দেখাবে কি? লোকপাল ের চেয়েও দেশের বেশি প্রয়োজন একটি অভিন্ন দেওয়ানি বিধির, এও বলেছে শিবসেনা।পাশাপাশি তাদের বক্তব্য, যারা ঘর ওয়াপসি করাতে চায়, তারা করুক। আমরা আপত্তি করব না। কিন্তু এ দেশে ইসলামের আগ্রাসন ঠেকানোর সমাধান নয় এটা। পাকিস্তানে ইসলাম সরকার। ইরাকের মতো দেশেও ইসলাম সরকার। কিন্তু ওসব দেশে মানব জীবনের তেমন মর্যাদা নেই। বিপরীতে তুর্কমেনিস্তানের মতো যেসব দেশ আধুনিক প্রযুক্তি গ্রহণ করেছে, তারা ইউরোপ, আমেরিকাকে সমানে টক্কর দিচ্ছে। মোদী সরকার এ দেশের মুসলিমদের কাছে গিয়ে এটা বোঝাক। শিবসেনা র দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে আপনি কি সহমত পোষণ করেন? নীচের কমেন্ট বক্স-এ আপনার মতামত জানান। http://abpananda.abplive.in/national/2015/07/06/article641209.ece/Sena-wants-Muslims-to-realise-the-necessity-of-family-planning

আর রক্ষা নাই আসামবাসীর

আর রক্ষা নাই আসামবাসীর।বাংলাদেশি অবৈধ অনুপ্রবেশকারী নামক পাপ আজ আসামকে শেষ করে দিচ্ছে।এটা যতটা না দোষ অবৈধ বাংলাদেশিদের তার থেকেও বেশি দোষ আসামবাসীর।এতবছরধরে খানগ্রের মদতে আসাম যে পাপ পুষেছে তার ফল পাচ্ছে এখন আসামবাসী।এখনো সময় আছে আসামবাসী,এই পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে বিজেপিকে ভোট দাও।নয়ত........কাশ্মীর অতি সন্নিকটে। আরে এটা কি বললাম শুধু আসামকেই পাপী বললাম!ওরে এই বাংলাও যে ঐ একই পাপে সমানভাবে পাপী!না জানি কত হিন্দুর প্রাণ আর হিন্দু নারীর সম্ভ্রমের বিনিময়ে এ পাপের প্রায়শ্চিত্ত করতে হব! —

India-Israel friendship

:::Long live India-Israel friendship::: জাতিসঙ্ঘে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ভোট দিল না ভারত।ভারতকে ধন্যবাদ জানাল ইসরায়েল প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু। আজ যীশূ আর হযরতের শিষ্যরা সব এক হয়েছিল নিপীড়িত ইহুদি মিত্রদের বিরুদ্ধে।কিন্তুতাতে জল ঢেলে দিল ভারত। আমরা চিরকাল ইসরায়েলর পাশে আছি।এতদিন কংগ্রেসি দালাল সরকার থাকার কারনে যা সম্ভব হয়ে ওঠেনি যা আজ মোদিজীর জন্যই সম্ভব হল। :::Long live India-Israel friendship::: ‪#‎ RSS