যেইদিন থেকে শ্রীকৃষ্ণ যাত্রাপালার নায়ক হয়েছে সেইদিন থেকে বাঙালি হিন্দুদের কপাল পুড়েছে। সেইদিন থেকে ভগবান কৃষ্ণ হয়ে গেছেন ব্রজগোপীর প্রেমিক কৃষ্ণ। হিন্দুরা আজ শ্রীকৃষ্ণলীলার শুধুই নিদিষ্ট কিছু নিয়ে আলোচনা করে যেমনঃ ননীচোরা গোপাল, বসনচোর গোপাল, রাসবিহারী কৃষ্ণ ইত্যাদি যা তার জীবনকে কাব্যময় করেছে ঠিকই পাশাপাশি তার জীবন চরিত্রকে মিথ্যা বিভ্রান্তিকর করেছে হিন্দুরা আজ অন্যায় দমনকারী চক্রধারী কৃষ্ণের জীবন চরিত্রকে বাদ দিয়ে বাঁশিওয়ালা কৃষ্ণ পূজা নিয়ে ব্যস্ত। আমরা যদি কৃষ্ণের ছোটবেলার লীলা নিয়ে আলোচনা করি তাহলে পুতনা বধ, বকাসুর বধ, গিরীধারী কৃষ্ণ কালীয়দমন কারী কৃষ্ণ নিয়ে আলোচনা করব যা আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে শিখাবে। আমরা যেসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করি সেসব নারী মনীষীর কথা ভাগবতে কোথাও বলা হয়নি যে বিষয় ভাগবতে নাই আজ আমরা সেই বিষয় নিয়ে ৭২প্রহরের লীলাকীর্ত্তন তৈরি করে ফেলেছি পরে আছি রাসলীলার মধ্যে ফলে আমরা হয়েছি ভীরু কাপুরুষতা পূর্ণ ধর্মের মানুষ।
অথচ ইতিহাস যে সম্রাজ্য সংগঠক কৃষ্ণের কথা বলে প্রমান দেয় তা নিয়ে কোন লীলাও নাই কোন যাত্রাপালাও নাই যা আছে তা শুধুই রাসের পর অলস পর্যন্ত। কিন্তু কৃষ্ণ অন্যায়, অসত্য, অধর্মের বিরুদ্ধে যেভাবে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেছে তা বর্তমানকালে পৃথিবীর সকল রাষ্ট্র নেতার জন্য অনুসরণীয়।তার জীবনের ৬ থেকে ১১বছরের কিছু ঘটনা নিয়ে আমরা কান ঝালাপালা করে ফেলি অথচ ১১বছর পরের ১২৫বছর জীবনীর কিছু নিয়ে আলোচনা করি না। আচ্ছা আপনারাই বলুন একটি মানুষকে আদর্শ হিসাবে যখন নিবেন তখন আপনি তার জীবনের কোন সময়ের কর্মগুলো নিবেন? ছোটবেলা না বড় বেলার?
আমাদের গীতার মাধ্যমে কৃষ্ণ উপদেশ
দিলেন তা ভুলে আমরা তথাকথিত
বৈষ্ণব কবির কাব্যরসে ডুবে গেছি যা
আমাদের ধ্বংসের কারন হয়ে এখনই
উঠেছে পরের কথা বাদই দিলাম।
শ্রীকৃষ্ণের ছোট বেলার ঘটনা যেসব শাস্ত্রে আছে তা নিয়ে আমরা আলোচনা করতে পারি ও শিখতে পারি কিন্তু শাস্ত্রে যা নাই তা নিয়ে আলোচনা করাটা বোকামি ছাড়া কিছু নয়। তাই আসুন সনাতনধর্ম কে সঠিকতর ভাবে জানি এবং একজন শ্রেষ্ঠ ধর্মের মানুষ হিসাবে গর্ববোধ করি।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Tuesday, 7 July 2015
আমাদের ভারতীয় সংকৃতির উপরে আনেকদিন আগের থেকেই আক্রমণ চলছে
আমাদের ভারতীয় সংকৃতির উপরে আনেকদিন আগের থেকেই আক্রমণ চলছে ইতিহাস টা বলি একটু মনদিয়ে পড়বেন।
সোমনাথ মন্দির লুঠথেকে আজ পর্যন্ত চলছে সংকৃতিক জেহাদ।*.*.*
প্রতিটি ক্ষেত্রে হিন্দুদের ছোট করে দেখার রেওয়াজ চলে আসছে। আমাদের ধর্ম-শাস্ত্র কে বিকৃত করেছে।আমাদের হিন্দুদের যেন সব দেবতা যেন খেলনা এই ভাবে দেখানোর চেস্টা চলছে!হিন্দুদের সব আচার যেন খুবই খারাপ এই ভাবে দেখানোর চেস্টা চোলছে।তাই এখানে কিচু উত্তর দিতে চাই।....
প্রশ্ন 1........আমাদেরকৃষ্ণ চরিত্র খারাপ ছিলো?
উত্তর:-কখনোই নয়।রাধা ছিলো কৃষ্ণের বান্ধবী, রাধার সঙ্গে কৃষ্ণ যখন খেলা করতো তখন কৃষ্ণের বয়স আট বছর।আট বছরের শিশু ভালই যৌন তা জানেন বলুন?এই আপবাদ প্রথম দেয় কবি জয়দেব তার গীতগোভিন্দম কাব্যে যেটা ছিলো ইসলামের প্ররোচিত জেহাদ।এর জন্য জয়দেব পুরস্কৃত হয়েছিলো।কৃষ্ণ সেই সময়ে হিন্দুদের প্রান ছিলো তাই এই বদনাম আসাতে কৃষ্ণের প্রতি অশ্রদ্ধা জন্য আনেকেই না বুঝে ইসলাম হয়ে গিয়েছিল!এটা ছিলো ইসলামের জেহাদ।
প্রশ্ন 2..........শিবের লিংগে নাকি সবাই পুজা করে এটাকি ঠিক?
উত্তর:-লিংগ মানে প্রতিক।আমরা পানিনির ব্যাকরণে জানি শিবের প্রতিক কে বলে শিব লিংগ।লিংগ মানে যৌনাঙ্গ নয় যেমন যদি বলা হয় কাঠ একটি ক্লিব লিংগ তাহলে কাঠের কোন জায়গায় তার জৌনাংগ আছে আমাকে বলুনতো?
এই লিংগ পুজার আপবাদ দিয়ে শিব ভক্তদের মনে বিষাদ ঢুকিয়ে ধর্মান্তরিত করা!
প্রশ্ন 3.......হিন্দুরা পুতুল পুজা করে?
উত্তর:-সকল ধর্মেই পুতুল পুজা করে।ইসলামে কাবা ঘরের দিকে মুখ দিয়ে নামাজ পড়ে।কাবা ঘরেও একটা পুতুল।তার আকৃতি টা বিরাট এটাই হলো পার্থক্য।কাবা পুতুল দুরে আছে আর আমাদের হিন্দুদের পুতুল সামনে আছে।এটাই সুধু ফারাক।ক্রিস্টিয়ান রা জীসু পুতুল কল্পনা করে পুজা করে।তাই ওদের পুতুল কল্পনায় আছে আর আমাদের পুতুল বাস্তবে আছে।
আধুনিক সভ্যতায় বিদেশী প্ররোচনায় বিভিন্ন ভাবে হিন্দুদের ছোটো করে দেখাচ্ছে বিশেষ করে সিনেমা গুলোতে সেখানে ইমামদের,খ্রিস্টান ফাদার দের কতই না ভালো ভাবে দেখানো হছে।পাশাপাশি হিন্দু সংকৃতি কোন শিক্ষকের ছাত্রদের দ্বারা হেয় ও ঠাট্টার পাত্র হছে।যেমন ফুল আর আংগার ছবিতে হিন্দি শিক্ষক মহাভারত বলে ছাত্ররা উতক্ত করছে।পুত্র বল্লে ছাত্রা মুত্র বলছে।শাহরুখ খানের একটা সিনেমাতে হিন্দি এ শিক্ষিকা কে দেখেই সবাই পালাইছে।পিকে এর কথা তো বাদই দিলাম।
বর্তমানে এই ভাবেই চলছে হিন্দু সংকৃতির উপরে ওন্য ধর্মাবলম্বীদের জেহাদ।এর আবসান হওয়া উচিৎ।তীব্র প্রতিবাদ করা উচিৎ।এই সব সিনেমা যাতে রিলিজ না হয় তা সকলে মিলে প্রতিবাদ করা উচিৎ।
# RSS
রমজান মাসে দিনে হোটেল খোলা রাখার জন্যে হিন্দুদের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে ইসলামী সংগঠন তালামীযে ইসলাম
রমজান মাসে দিনে হোটেল খোলা রাখার জন্যে হিন্দুদের দোকান ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে ইসলামী সংগঠন তালামীযে ইসলাম।
ঘটনাটি ঘটেছে কট্টর অাওয়ামী লীগ অধ্যুষিত মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জে।
.
অন্যদিকে গাজীপুরের কালীগঞ্জে কয়েকটি হিন্দু পরিবারের বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়েছে। ৫জনকে পিটিয়ে অাহত করা হয়েছে। এর পূর্বে একটি
গরু ( বাছুর) কে পুকুরের পানিতে ফেলে নির্দয় ভাবে পিটিয়েছে মুসলিম মৌলবাদীরা।
.
বিস্তারিত মন্তব্যঘরে।
মৌলবী আর মোল্লা, পন্ডিত আর পুরোহিত,এদের প্রত্যেকের কর্তব্য
মৌলবী আর মোল্লা, পন্ডিত আর পুরোহিত,এদের প্রত্যেকের কর্তব্য, এই কথাটা নিজ নিজ শিষ্য আর যজমানদের বুঝিয়ে দেওয়া যে " হিন্দু হও "বা "মুসলিম হও" এই উপদেশ না দিয়ে, উপদেশ দিতে হবে "মানুষ হও" ।মানুষ যে হবে সে হিন্দু হলেও ভাল হিন্দু হবে, মুসলমান হলেও ভাল মুসলমান হবে।সুতরাং আগে মানুষ হবার জন্য প্রত্যেককে প্রেরনা দিতে হবে।একজন ভালো মুসলমানের চেয়ে একজন খারাপ হিন্দু শ্রেষ্ঠ নয়।তেমনি একজন ভালো হিন্দুর চাইতেও একজন খারাপ মুসলমান শ্রেষ্ঠ নয়।কিন্তুু " মনুষ্যত্ব" যার আছে সে হিন্দু হোক ,মুসলিম হোক,খ্রিষ্টান হোক বা যাই হোক,সেই শ্রেষ্ঠ। এই বোধই সকলের মাঝে জাগিয়ে দেওয়া কর্ত্তব্য।
What is BMD System?
ভারতীয় এন্টি ব্যালেস্টিক মিসাইল সিস্টেম :-
BMD সিস্টেম কি?
এর পুরো নাম হল ব্যালেস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। এটি একটি মিসাইল যেটি শত্রু দেশ থেকে আসা যে কোন পারমানবিক মিসাইল ধংস করে দিতে পারে।
কোন কোন দেশের এই BMD সিস্টেম আছে?
বর্তমানে আমেরিকা , রাশিয়া , ফ্রান্স , ইন্ডিয়া ও ইজরাইলের এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে।
ভারতের BMD।
বর্তমানে ভারতের কাছে দুই ধরনের BMD রয়েছে। একটি হল পৃথ্বী এয়ার ডিফেন্স বা PAD এবং অপরটি হল এডভান্সড এয়ার ডিফেন্স বা AAD। PAD মূলত হাই এলটিটিউডে কাজ করে এবং AAD লো এলটিটিউডে কাজ করে। এরা বিদেশী রাষ্ট্র থেকে আগত যে কোন পারমানবিক মিসাইল ভারতের মাটি স্পর্শ করার আগেই ধংস করে দেয়। এদের রেঞ্জ 2000-2500 km। অর্থ কোন মিসাইল কে ভারতের সীমা থেকে 2500 km দূরেই এরা ধংস করে দেবে। এদের সাকশেসের পারসেনটিজ হল 99.9 %। তাই নো টেনশন। ভারতের শত্রুদের ভাবতে হবে। কারণ ভারতের পারমানবিক নীতি হল " no first use"। তাই বলে কোন শত্রু যদি ভারতের এই গান্ধী নীতির ফায়দা তুলে ভারতে পারমানবিক হামলা করে তবে সেই পারমানবিক মিসাইল কে শত্রুর সীমার মধ্যই ধংস করার ক্ষমতা ভারতের আছে। কিন্তু এই ঘটনার পর ভারত যখন শত্রু দেশের দিকে অগ্নিগুলিকে পাঠাবে সেগুলি ঠেকানোর মতো যোগ্যতা আছে তো? তাই সাবধান ভারতের শত্রুরা। আমরা ভারতীয়রা এখনও পর্যন্ত কোন দেশ আক্রমন করিনি ,কিন্তু যারা ভারতের সাথে এই ভুল করার চেষ্টা করেছে তারা খুব বড় ভুল করেছিল।
ভবিষত্ প্রকল্প
ভারতের নতুন BMD হল PDV এটি দিয়ে দেশের বড়
শহরগুলিতে পারমানবিক শিল্ড তৈরী করা হচ্ছে। এটির রেঞ্জ 5000 km এবং এর কার্জকারীতা 100 %। দিল্লি , মুম্বাই এ কাজ শুরু হয়ে গেছে।
**** চায়না আশির দশকে একটি BMD প্রজেক্টে ব্যর্থ হয়। তবে এখন তারা KT সিরিজ নিয়ে কাজ করছে,কবে সফল হবে কে জানে! এবছর আমেরিকা ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে তাদের নতুন BMD মিসাইল টেস্ট করেছে।
জয় হিন্দ!
এইদেশ কাদের??
এইদেশ কাদের?? এই দেশ হিন্দুদের,
প্রাচীনকাল থেকেই এইদেশ হিন্দুদের
ছিল, আজও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে,
কিন্তু কথা হচ্ছে এই হিন্দুভূমিতে
ইংরেজদের মতই ইংরেজদের আগেই ঢুকে
পরেছিল মুসলিমরা, ইংরেজদের তাড়ালেও
এরা রয়ে গেছে, এদের তাড়াতেই হবে,
আরে বাবা এরা এমন একটা জঘন্য
জাতি যে শুকর, কুকুরের মতো একগাদা
শিশুর জন্মদেয়, এদের জন্যই আজ
ভারতে বেকারের সংখ্যা বেড়ে চলেছে,
বেড়ে চলেছে জনসংখ্যা, বেড়ে চলেছে
সন্ত্রাস, একবার এদেরকেও ইংরেজদের
মতোই দেশছাড়া করে দেখ, ভারতমাতার
কোলে কোন ছেলেই বেকার থাকবে না,
সন্ত্রাসের নাম চিরতরে মুছে যাবে,
তাই বন্ধুগন আন্দলনে যোগদিন,
আমাদের আন্দলনের নাম হবে
# মুসলিম_বর্জন_আন ্দলন
# হরহর_মহাদেব
Coz Of Rape
আল্লা হচ্ছে সর্ব শক্তিমান ; তাহার অনুমুতি ছাড়া পৃথীবিতে গাছের একটা পাতাও নড়ে না । তাহলে পৃথীবিতে যত ধর্ষন হচ্ছে তার জন্য আল্লাই দায়ী ?...
।।কমেন্ট করে নিজ নিজ প্রতিক্রিয়া দিন ।।
Subscribe to:
Comments (Atom)