ভারতীয় এন্টি ব্যালেস্টিক মিসাইল সিস্টেম :-
BMD সিস্টেম কি?
এর পুরো নাম হল ব্যালেস্টিক মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম। এটি একটি মিসাইল যেটি শত্রু দেশ থেকে আসা যে কোন পারমানবিক মিসাইল ধংস করে দিতে পারে।
কোন কোন দেশের এই BMD সিস্টেম আছে?
বর্তমানে আমেরিকা , রাশিয়া , ফ্রান্স , ইন্ডিয়া ও ইজরাইলের এই মিসাইল ডিফেন্স সিস্টেম রয়েছে।
ভারতের BMD।
বর্তমানে ভারতের কাছে দুই ধরনের BMD রয়েছে। একটি হল পৃথ্বী এয়ার ডিফেন্স বা PAD এবং অপরটি হল এডভান্সড এয়ার ডিফেন্স বা AAD। PAD মূলত হাই এলটিটিউডে কাজ করে এবং AAD লো এলটিটিউডে কাজ করে। এরা বিদেশী রাষ্ট্র থেকে আগত যে কোন পারমানবিক মিসাইল ভারতের মাটি স্পর্শ করার আগেই ধংস করে দেয়। এদের রেঞ্জ 2000-2500 km। অর্থ কোন মিসাইল কে ভারতের সীমা থেকে 2500 km দূরেই এরা ধংস করে দেবে। এদের সাকশেসের পারসেনটিজ হল 99.9 %। তাই নো টেনশন। ভারতের শত্রুদের ভাবতে হবে। কারণ ভারতের পারমানবিক নীতি হল " no first use"। তাই বলে কোন শত্রু যদি ভারতের এই গান্ধী নীতির ফায়দা তুলে ভারতে পারমানবিক হামলা করে তবে সেই পারমানবিক মিসাইল কে শত্রুর সীমার মধ্যই ধংস করার ক্ষমতা ভারতের আছে। কিন্তু এই ঘটনার পর ভারত যখন শত্রু দেশের দিকে অগ্নিগুলিকে পাঠাবে সেগুলি ঠেকানোর মতো যোগ্যতা আছে তো? তাই সাবধান ভারতের শত্রুরা। আমরা ভারতীয়রা এখনও পর্যন্ত কোন দেশ আক্রমন করিনি ,কিন্তু যারা ভারতের সাথে এই ভুল করার চেষ্টা করেছে তারা খুব বড় ভুল করেছিল।
ভবিষত্ প্রকল্প
ভারতের নতুন BMD হল PDV এটি দিয়ে দেশের বড়
শহরগুলিতে পারমানবিক শিল্ড তৈরী করা হচ্ছে। এটির রেঞ্জ 5000 km এবং এর কার্জকারীতা 100 %। দিল্লি , মুম্বাই এ কাজ শুরু হয়ে গেছে।
**** চায়না আশির দশকে একটি BMD প্রজেক্টে ব্যর্থ হয়। তবে এখন তারা KT সিরিজ নিয়ে কাজ করছে,কবে সফল হবে কে জানে! এবছর আমেরিকা ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে তাদের নতুন BMD মিসাইল টেস্ট করেছে।
জয় হিন্দ!
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Tuesday, 7 July 2015
এইদেশ কাদের??
এইদেশ কাদের?? এই দেশ হিন্দুদের,
প্রাচীনকাল থেকেই এইদেশ হিন্দুদের
ছিল, আজও আছে, ভবিষ্যতেও থাকবে,
কিন্তু কথা হচ্ছে এই হিন্দুভূমিতে
ইংরেজদের মতই ইংরেজদের আগেই ঢুকে
পরেছিল মুসলিমরা, ইংরেজদের তাড়ালেও
এরা রয়ে গেছে, এদের তাড়াতেই হবে,
আরে বাবা এরা এমন একটা জঘন্য
জাতি যে শুকর, কুকুরের মতো একগাদা
শিশুর জন্মদেয়, এদের জন্যই আজ
ভারতে বেকারের সংখ্যা বেড়ে চলেছে,
বেড়ে চলেছে জনসংখ্যা, বেড়ে চলেছে
সন্ত্রাস, একবার এদেরকেও ইংরেজদের
মতোই দেশছাড়া করে দেখ, ভারতমাতার
কোলে কোন ছেলেই বেকার থাকবে না,
সন্ত্রাসের নাম চিরতরে মুছে যাবে,
তাই বন্ধুগন আন্দলনে যোগদিন,
আমাদের আন্দলনের নাম হবে
# মুসলিম_বর্জন_আন ্দলন
# হরহর_মহাদেব
Coz Of Rape
আল্লা হচ্ছে সর্ব শক্তিমান ; তাহার অনুমুতি ছাড়া পৃথীবিতে গাছের একটা পাতাও নড়ে না । তাহলে পৃথীবিতে যত ধর্ষন হচ্ছে তার জন্য আল্লাই দায়ী ?...
।।কমেন্ট করে নিজ নিজ প্রতিক্রিয়া দিন ।।
মুসলিম লীগের রাজনীতিকে কি ফিরিয়ে আনতে চান মুকুল-মমতা?
মুসলিম লীগের রাজনীতিকে কি ফিরিয়ে আনতে চান মুকুল-মমতা?
আজ ০৭/০৭/২০১৫, মঙ্গলবার; বর্তমান পত্রিকায় শ্রী রন্তিদেব সেনগুপ্তের লেখা অত্যান্ত প্রাসঙ্গিক ও যুগোপযোগী রচনা.... একটু কষ্ট করে হলেও পড়া বিশেষ দরকার।
Link: http://bartamanpatrika.com/content/spl2.html
চট্টগ্রাম নার্সিং কলেজের শিক্ষিকা অঞ্জলি দেবীর কথা মনে আছে?
নার্সের পেশাদার পোশাকের পরিবর্তে হিজাব পড়ার বিরোধিতা করেছিলেন উনি। তখন অনলাইনে বাঁশেরকেল্লা এবং জামাতি পেইজগুলোতে উনার ছবি দিয়ে ঢোল বাজানো হয়েছিল হিন্দুরা এত সাহস পায় কিভাবে? মুসলমানের দেশে হিজাব নিয়ে কথা বলে?
জামাত শিবিরের এই অনলাইন প্রচারণার ফসল উঠেছে বছর খানেক পর। গত ১১ই জানুয়ারী সকালবেলা অফিস যাওয়ার পথে চট্টগ্রাম শহরের চকবাজার এলাকায় অঞ্জলি দেবীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে খুন করা হয়। উনার অপরাধ কি ছিল?
--অন ডিউটিতে হিজাব পড়তে মানা করেছেন।
আপনার যদি এতই ধর্ম করার ইচ্ছে থাকে তাহলে বাসায় বসে ধর্ম করুন অথবা নিজে একটা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দিয়ে সেখানে বসে ধর্ম করুন। নার্সিং একটি পেশা এবং এই পেশার জন্য নির্দিষ্ট পেশাদার পোশাক আছে। আপনি ব্যাংকে চাকরি করলে, সুপারমার্কেটে চাকরি করলে সেখানকার পেশাদার পোশাক পড়েই চাকরি করতে হবে। এটাই পেশাদারিত্ব!
উদাহরণস্বরূপ- কিছুদিন আগে কানাডার একটা আদালতে বিচারক(মহিলা) এক কুয়েতের মহিলার বক্তব্য না শুনেই বের করে দিয়েছেন তিনি হিজাব পড়ে গিয়েছেন বলে। ঐ মহিলার এই কথা ঐ কথা কিন্তু বিচারক স্থির উনার বক্তব্যে। বিচারকের বক্তব্য হচ্ছে;-
"কোর্ট একটি সেক্যুলার জায়গা। আপনি এখানে যে কোন ধর্মের যেকোন ধরনের ধর্মীয় পোশাক পড়ে আসতে পারেন না। এটাই কানাডার আইন। যদি আপনাকে কানাডায় থাকতে হয় তাহলে কানাডার আইনই মানতে হবে। আপনি স্বাভাবিক পোশাকে আসুন। আমি সব অভিযোগ অবশ্যই শুনব।"
অঞ্জলি দেবীর কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়ার এবং কানাডার আদালতের এই ঘটনার প্রসঙ্গ টানার কারণ সাম্প্রতিক সময়ে আবদুল গাফফার চৌধুরীর দেওয়া বক্তব্য। সেখানে তিনি বোরকা হিজাব নিয়ে কথা বলেছেন। অনলাইন নিউজের নিচে কমেন্টে আবদুল গাফফার চৌধুরীকে গালাগালি এবং কল্লা ফেলে দেওয়ার হুমকি শুরু হয়ে গেছে যথারীতি। এই বোরকা হিজাবেই বাংলাদেশের ইসলাম নীহিত। নিজের কিছু বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করি;-
রমযান মাসে পর্দা টাঙানো হিন্দু হোটেলগুলোতে কখনো গিয়ে দেখবেন। বোরকা হিজাবওয়ালীদের ভীড়ে নিজে বসারই জায়গা পাবেন না। দাদাদের লইট্টা মাছ আর পাতলা মসুর ডাল গোগ্রাসে গিলছে। তারপর খাওয়া শেষ করে আবার বোরকায় ঢুকে গেলেন। রাস্তায় বের হলেই তো আদর্শ মুসলিম নারী!
শহরের ছয়তলা সাততলায় সাইবার ক্যাফেগুলো বিশেষ উদ্দেশ্যে খোলা হয় এটা জানা ছিল না। একবার চকবাজারে ছয়তলার উপরে একটা সাইবার ক্যাফেতে গিয়েছিলাম। তাড়াহুড়ো করে ঢুকে গেলাম আর ঢুকেই পড়লাম আপদে! ছেলেমেয়েরা শরীর মন দিয়ে চরম পর্যায়ের নেট ব্রাউজ করছে। প্রত্যেক ডেস্কেই বোরকা টাঙানো। শেষে আমাকে বিব্রতকর অবস্থা থেকে রক্ষা করেন ক্যাশিয়ার। বললেন, ভাই একদম শেষে একটা ডেস্ক সিঙ্গেল আছে। আপনি সেটায় বসুন। তাড়াহুড়ো করে ৩০ মিনিট নেট ব্রাউজ করে আমি চম্পট দিলাম এবং দুই তলার উপরে আর কোন সাইবার ক্যাফেতে উঠব না প্রতিজ্ঞা করে নিলাম।
পতেঙ্গায় সিবিচে পাথরের একটু গভীর খোঁপ কিংবা গর্তে বাইসেন্স চোখ গেলেও বোরকা হিজাবের অতি উত্তম ব্যবহার দেখতে পাবেন। রিকশায় রোমান্স শেষে বাসার গলিতে ঢুকার আগেই মাথায় নেকাব আর হিজাবটা পড়ে নেই ভালো মেয়েরা!
চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় ২০০১ সালে ফিল্মি স্টাইলে গোলাম হোসেন এবং নুরুল করিম নামের দুজন আওয়ামিলীগের নেতা খুন হন। জোড়া খুন দেশে হরহামেশাই হয় কিন্তু এই খুন সারা দেশেই আলোচিত হয়েছিল খুন করার স্টাইলের কারণে। আওয়ামিলীগের একদম ঘাঁটির ভিতরে গিয়ে দিনের বেলায় খুনিরা ব্রাশ ফায়ার দিয়ে খুন করে চলে যায়। তারা এসেছিল বোরকা পড়ে। পালাতে কোন অসুবিধাই হয়নি তাই।
এসবই বোরকা হিজাবের ব্যবহার। এসব নিয়ে কোন কথা হবে না। শুধু কেউ বোরকা হিজাবের অপব্যবহার নিয়ে কথা বললেই তার কল্লাটা ফেলে দাও! ইসলাম চলে গেল! ইসলামের শত্রু! পেশাদার কাজে পেশাদার পোশাক না পড়ে হিজাব পড়তে হবে। শুধু তারাই ধার্মিক! আর সেটা নিয়ে কথা বললেই প্রাণ যাবে। ধর্মানুভূতি বলে কথা! Juliyas Caesar
Arab at 522A.D TO 622A.D
আরবের অধিকাংশ মানুষ নিরক্ষর ছিলেন কিন্তু তারা মেধাবী জাতি ছিলেন।সৃজনী ক্ষমতা ছিল প্রখর।মুখে মুখে কবিতা রচনা করে ফেলতেন। বিখ্যাত কবিতা গুলো "কাসীদা" নামে খ্যাত ছিল। মক্কায় কবিতার মেলা বসত, যা উকাজের মেলা নামে পরিচিত ছিল। হাজার হাজার কবিতার মধ্য থেকে শ্রেষ্ঠ ৭ টি কবিতা নির্বাচিত হত, যা সোনালি হরফে লিখে ঝুলিয়ে দেয়া হত কাবার দেয়ালে। কথিত ছিল "বুদ্ধিমত্তা তিনটি বস্তুর উপর নিপতিত; ফরাসিদের মগজে, চীনাদের হস্তে, আরবদের জিহ্বায়।"
.
শুধু কাব্য চর্চায় নয় চিকিৎসা বিজ্ঞান,জ্যোতির্বিদ্যায়ও তারা এগিয়ে যাচ্ছিল। ৫২২ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ৬২২ খ্রিষ্টাব্দ তাদের জন্য উল্লেখ্যযোগ্য শতাব্দী। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে এসে মুহম্মদের নবুয়্যাতের ১২ বছর পরে সব থমকে দাঁড়ায়। কবিতাকে তুলনা করা হয় পুঁজের সাথে। সৃজনশীলতার সকল পথ বন্ধ হয়ে যায়। আজকাল শোনা যায় মুহম্মদ জ্ঞান চর্চার জন্য সুদূর চীন দেশে যেতে বলছেন। কি সে জ্ঞান? সঙ্গমের পূর্বের দোয়া, কি পড়ে টট্টি খানায় যেতে হবে, টট্টিখানা থেকে বেরনোর দোয়া ইত্যাদি।
.
জ্ঞান চর্চার ক্ষেত্রে মুহম্মদের এ ধাক্কা সামলে উঠতে মুসলিম বিশ্বের পাঁচ শতাব্দী কেটে যায়, আলো আসতে শুরু করে, রুদ্ধ পথ গুলো উন্মচিত হতে থাকে। ইউরোপে যখন ধর্মের নামে মানুষ হত্যা হচ্ছিল, ডাইনি আখ্যা দিয়ে মানুষ পোড়ানো চলছিল বাগদাদে তখন এরিস্টটল, প্লেটোর বইয়ের অনুবাদ হত। মুসলিমরা এগিয়ে যেতে থাকে দর্শন, ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি, চিকিৎসাবিদ্যায়।জন্ম নেয় আল ফারাবী, ইবনে সিনাদের।
.
ঠিক তখনি মুসলিম বিশ্বে আভির্ভূত হয় আরেক ধর্মান্ধের, ইমাম গাজ্জালি। ইবনে সিনাদের কাফের আখ্যা দেয়া হল, ফতোয়া দেয়া হল গ্রিক কাফেরদের ফলো করে ইসলামকে কলুষিত করা যাবেনা, যারা সংখ্যাকে মানিপুলেট করে তারা নাস্তিক। গাজ্জালি শরিয়া আইনের কাঠামো দিলেন, পলিটিকাল স্পন্সার হিসেবে পেয়ে গেলেন সুলতান নিজাম আল মুলককে।সক্রেটিসপ্লেটোদের ছুড়ে ফেলে দেয়া হল কিন্তু ইউরোপিয়ানরা তখন তাদের বুকে টেনে নিলেন। চালু হল এমন এক যুগের যেখানে প্রশ্ন করা যাবেনা, সংশয় প্রকাশ করা যাবেনা। জ্ঞান বিজ্ঞান মুসলিমদের থেকে বিদায় নিল, তা আজও ধরা দেয়নি।
.
মুসলিম বিশ্ব আজ গবেষনা করে এক সাথে কয়টা বিবি রাখা যাবে, এক রাতে কতবার সেক্স করা যাবে, সব থেকে কত কম বয়সী মেয়েকে বিছানায় তোলা যাবে, কেউ দাড়ি ওয়ালা কার্টুন আঁকলে মুহম্মদের মর্যাদার কতটুকু খেলাফ হবে, কটা কাফের হত্যায় ডিরেক জান্নাতে যাওয়া যাবে, জান্নাতে কত গুলো হুরপরীর সাথে মিলন হবে, এসব ভাবতে ভাবতে বাসার কাজের মেয়েকে নিয়ে বিছানায় চলে যায়।
.
বাংলাদেশের মুসলিমরাও ধর্মকে পাশিকাটিয়ে বাঙলিত্বকে নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিল, পুজ আখ্যা দেয়া কবিতা বাঙালির কাছে পরিপূর্ণতা লাভ করে। বিজ্ঞানের অগ্রগতিও চোখ ধাঁধানো, ইসলামের হিংস্রতাককে ওভার কাম করে যাচ্ছিল, তখনি ইমাম গাজ্জালি হয়ে শফী নামের এক জানোয়ারে আবির্ভাব ঘটে। গাজ্জালির মত ব্যাস্ত হয়ে পড়ে নাস্তিক কাফের মুরদাত আখ্যা দিয়ে ব্লগার হত্যার মিশনে।যারা দর্শনের চর্চা করে, নারীর অধিকারের কথা বলে, যারা ধর্মান্ধতা মুক্ত সমাজ গড়তে যায়। যাকে ৩২ কাঠা জমি দান সহ, নানা সুযোগ সুবিদা প্রদান করে আজ শেখ হাসিনা সুলতান নিজাম উল মুলকের ভূমিকা পালন করছেন।
.
পাঠ্য বইয়ের কত শতাংশ লেখা বিধর্মী লেখকদের লেখা তা হিসেব হচ্ছে, তাদের বর্জনের ডাক দেয়া হচ্ছে হয়ত বর্জন করাও হবে, বাংলাদেশ তখন পরিণত আদর্শ মুসলিম ভাগাড়ে। কাজী আনাম
Alla আল্লাহর-৯৯-নাম-কাফের-দেবতাদের--আবদুল-গাফফার-চৌধুরী
জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেনের পরিচালনায় আলোচনা সভায় আব্দুল গাফফার চৌধুরী বলেন, ‘আজকের আরবি ভাষায় যেসব শব্দ; এর সবই কাফেরদের ব্যবহৃত শব্দ। যেমন আল্লাহর ৯৯ নাম, সবই; কিন্তু কাফেরদের দেবতাদের নাম। তাদের ভাষা ছিল আর-রহমান, গাফফার, গফুর ইত্যাদি। সবই কিন্তু পরবর্তীতে ইসলাম এডাপ্ট (সংযোজন) করেছিল।’ নারীদের বোরকা ও হিজাব নিয়েও বিরূপ মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে এটা হচ্ছে ওহাবিদের লাস্ট কালচারাল ইনভলব। আমি অবাক হচ্ছি। ক্লাস টু’য়ের মেয়েরা হিজাব, বোরকা পড়বে! এটা আমাদের ধর্ম শিক্ষা হতে পারে? মুসলমান মেয়েরা মনে করে হিজাব, বোরকা হচ্ছে ইসলামের আইডিন্টিটি। আসলে কী তাই? বোরকা পরে যাচ্ছে কিন্তু প্রেম করছে। আবার ইন্টারনেটেও প্রেম করছে। আচরণ ওয়েস্টার্ন কিন্তু বেশভুষা ইসলামিক করে আত্ম-প্রতারণা করছে তারা।’কট্টর আওয়ামীপন্থী বুদ্ধিজীবী হিসেবে পরিচিত লেখক গাফ্ফার চৌধুরী বলেন, ‘এখন যুগ পাল্টেছে। এখন বাংলাদেশে বোরকা পরার বিপক্ষে অনেকেই জেগে উঠেছে। এসব ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।’ রাসুল ও রাসুলুল্লাহ এক নয় মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘রসুল মানে দূত, অ্যাম্বাসেডর। রসুলে সালাম মানে শান্তির দূত। রসুল বললেই আপনারা মনে করেন হজরত মুহাম্মদ (সা.), তা কিন্তু নয়। যখন রসুলুল্লাহ বলবেন তখন মনে করবেন আল্লাহর প্রতিনিধি। এখন মোমেন ভাই আমেরিকায় থেকে যদি বলেন কিংবা আমি নিজেকে রসুল দাবি করলে কল্লা যাবে।’ - See more at: http://www.dailyinqilab.com/details/18840/আল্লাহর-৯৯-নাম-কাফের-দেবতাদের--আবদুল-গাফফার-চৌধুরী#sthash.3xil2V6D.dpuf
Copyright Daily Inqilab
Subscribe to:
Posts (Atom)