গত ২রা জুলাই দুপুরে,মন্দির কমিটির কাউকে কিছু না জানিয়ে দূর্গা মন্দিরের স্বরস্বতী মূর্তি বাইরে নর্দমায় ফেলে দিয়ে,/মন্দিরটি ভাংচুর করে নিলামে ক্রয়সুত্রে জমির মালিক আমজাদ হোসেন ও মোজাম্মেল হক এর লোকজন । ঘটনার ৪দিন অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর প্রশাসন চুপ থাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন । গত ৭ জুলাই ,মঙ্গলবার কালীবাড়ি সংলগ্ন মন্দির থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে, প্রেসক্লাব এর সামনে ও পরে শাপলা চত্বরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করে । মানববন্ধনে নারী ও শিশুসহ সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের বহু মানুষ অংশগ্রহন করে । হিন্দু বৌদ্ধ ,খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদ এর নেতা অলোক সরকার জানান, মন্দির ভাংচুর করা খুবই খারাপ কাজ করেছে,না জানিযে মন্দির ভাংগা এটা সাম্প্রদায়িক হামলা । মন্দিরের সাধারন সম্পাদক বুলবুল কুমার দাস শিমুল বলেন, আমাদের মিটিং হয়েছিলো দুপক্ষের মধ্যে,মালিক পক্ষ ক্ষতিপুরন হিসেবে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে পুনরাই অন্য একটি জায়গায় মন্দির করে দিতে চেয়েছিলো । আমরা রাজি হয়েছি ,কিন্তু যখন আমরা বললাম সব কিছু আইনিভাবে লিখিত হোক ,তখন তেনারা রাজি হলেন না । তাই এর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হচ্ছে । মিটিং এ সমঝোতা আনার মালিক পক্ষের নেতৃত্ব দানকারী শ্রী দুলাল কর্মকারের সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে,তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি । বিষয়টি নিয়ে সমঝোতার কথার আশ্বাস দিয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছে হিন্দু,বৌদ্ধ,খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদসহ বেশ কয়েকটি হিন্দু সংগঠনের কুড়িগ্রাম শাখার নেতৃবৃন্দরা ।
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 12 July 2015
সনাতন ধম' কে ধংসেরদিকে নিয়ে জাবার জন্য প্রধানত ব্রামন্যবাদই বেশি দায়ি
সনাতন ধম' কে ধংসেরদিকে নিয়ে
জাবার জন্য প্রধানত ব্রামন্যবাদই
বেশি দায়ি।আর বত'মানে হিন্দু
রাজনিতি বিদরা বিদেশী মুসলিম তশনের
জন্য ভারতকে উজার করে
দিয়েছে,ভারত ভাগ হল দিজাতি তত্বের
ভিক্তিতে,মুসলিমপেল পাকিস্তান হিন্দু
পেল ভারত, আজ বাংলাদেশ, পাকিস্তান
হিন্দুদের অত্যাচার করতে করতে প্রায়
হিন্দু শুন্য,কিন্তু ভারত মুসলিম তুশন
করতে করতে ভারত এখন মুসলিম পুন',
এরকম চলতে থাকলে ভারত ভাংতে আর
বেশিদিন লাগবে না।ভারত এখন
সেক্যুতে ভরে গেছে,যেখানে ধম' ত
হয়ইনা বরং পিকে দের দিয়ে হিন্দুদের
বিশ্ববব্যাপী হেয় করা হচ্ছে।এর
উত্তরণ কবে।মদিজি পারবেন ভারতকে
মহাভারত করতে,পারবেন সনাতনী
আইন প্রনয়ন করে ভারতকে জবন
শুন্য করতে, পারবেন হিন্দুদের জন্য
মহাভারত পুনঃ প্রতিস্টা করতে।।
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হিন্দু তাড়াতেই !
একটা দুইটা হিন্দু ধর সকাল বিকাল
নাস্তা কর
[বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হিন্দু
তাড়াতেই !]
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হিন্দু
তাড়াতেই !
দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর
হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের
কিছু চিত্র ও অভিযোগ তুলে ধরে একটি
প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দুইটি
মানবাধিকার সংস্থা।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে
প্রতিবেদনটি প্রকাশ উপলক্ষে
বাংলাদেশ মাইনরটি ওয়াচ
(বিডিএমডব্লিউ) ও বাংলাদেশ সেন্টার
ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড
ডেভেলপমেন্ট (বিসিএইচআরডি) এই
সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি
চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা
আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন,
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী
মনোরঞ্জন ঘোষাল ও ঢাকা
বিশ্ববিদ্যালয়েরঅর্থনীতি বিভাগের
শিক্ষক চন্দন কুমার সরকারসহ বেশ
কয়েকজন মানবাধিকারকর্মী।
অনুষ্ঠানে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের
পরে খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর,
দিনাজপুর, লালমনিরহাট, বরিশাল ও
টাঙ্গাইলে হিন্দুদের বাড়িতে হামলা,
ভাংচুর, মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও
নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়।
মানবাধিকার সংস্থা দুইটি থেকে
প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব কাজে
সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের মৌন
সম্মতি ও স্থানীয় প্রশাসনের
অবহেলার অভিযোগ করা হয় ।
এছাড়া ২০০৭ সাল থেকে ২০১৪
সালের অক্টোবর পর্যন্ত হিন্দুদের
ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কিছু
অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়।
এতে দাবি করা হয়, এই সময়ের মধ্যে
এক হাজার ৬৯৯টি মন্দিরে হামলা,
পাঁচ হাজার ৫০টি উচ্ছেদ, ৪০৬টি
ধর্মান্তরিতকরণ,৩০২টি হত্যা,
৩৯২টি ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের
মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে।
অনুষ্ঠানে সম্প্রতি টাঙ্গাইল ও
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নির্যাতন
ও হত্যার শিকার দুটি হিন্দু পরিবার
তাদের দুর্দশার কথা বলেন।
পরে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে
সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির
সভাপতি খন্দকার মাহবুব বলেন,
“সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন
অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ধর্মীয় কারণে
হয়না। এটা একটি সামাজিক ব্যাধি।
সুযোগ সন্ধানীরা যখন যে ক্ষমতায়
আসে তাদের হয়ে এসব কাজ করে
থাকে।”
অপরদিকে ভারতের একটি দৈনিক
পত্রিকা যুগশঙ্খ তাদের প্রতিবেদনে
বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলার
ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে
জানিয়েছে যে,বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক
হামলা হিন্দু তাড়াতেই !
আল্লাহ শব্দটি এসেছে কাবা শরিফের প্রধান মূর্তির নাম থেকে
লেখক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী থেমে নেই। ইসলাম, ধর্ম এবং পর্দা নিয়ে সম্প্রতি তার দেয়া বক্তব্যকে ঘিরে দেশ-বিদেশে যখন নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে, ঠিক তখনই আবারো নতুন করে আগুনে তুষ ঢেলেছেন। এবার ইসলাম, ধর্ম, পর্দা, এমনকি রাসূলুল্লøাহ সা:-কে ছাড়িয়ে মহান সৃষ্টিকর্তা আল্লøাহকে জড়িয়ে মন্তব্য করেছেন। বলেছেন, ‘আল্লøাহর যে ৯৯ নাম, এগুলো কাবা শরিফের দেবদেবীর নাম ছিল। একটি বড় প্রমাণ হলো যে, আমাদের রাসূল্লøাহ সা:-এর বাবার নাম ছিল আবদুল্লøাহ। আল্লøাহ শব্দটি আসছে কাবা শরিফের প্রধান যে মূর্তিটি ছিল তার নাম ইলাত, কেউ বলে ইলাহ, কেউ বলে ইলাত। এর থেকে আসছে। শুক্রবার নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক টাইম টেলিভিশনের এক সাক্ষাৎকারে তার পূর্ববর্তী আলোচিত-সমালোচিত বক্তব্যের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ফের বিতর্কের ঝড় তুলেছেন তিনি।
গেল ৩ জুলাই ম্যানহাটনের বাংলাদেশ মিশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে একক বক্তব্যে রাসূল ও পর্দা নিয়ে তার মন্তব্যের বিষয় সম্পর্কে তিনি বলেন, আমি ওই দিন যে বক্তব্য দিয়েছি তা যথার্থ ছিল। এটাকে নিয়ে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে চিহ্নিত জামায়াত ও হেফাজতিরা। জাতিসঙ্ঘ মিশনে দেয়া বক্তব্য নিয়ে তারা রাজনৈতিক প্রপাগান্ডায় নেমেছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তার সে দিনের বক্তব্য ঘিরে ফুঁসে ওঠে প্রবাসী ধর্মপ্রাণ মানুষ। এর হাওয়া লেগেছে বাংলাদেশেও। পরবর্তী ৭ জুলাই রোববারের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচিও পণ্ড হয়ে যায়। জ্যামাইকা থেকে ব্রুকলিনে গিয়েও শেষ রক্ষায় হয়নি আবদুল গাফফার চৌধুরীর। সেখানেও প্রতিরোধের মুখে পড়তে হয় আয়োজকদের। তার ওই বক্তব্যকে ঘিরে শুক্রবারও সিটির বিভিন্ন মসজিদের খুতবায় নিন্দা জানানো হয়। এ ছাড়া ৮ জুলাই নিউ ইয়র্কে এক সংবাদ সম্মেলনে আলেম-ওলামারা গাফফার চৌধুরীকে প্রকাশ্যে তাওবাপূর্বক ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানান। অন্যথায় তার বিরুদ্ধে মসজিদে বিশেষ খুতবা পাঠের হুঁশিয়ারিও দেন তারা।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সফর প্রসঙ্গে বলেন, আমি নিউ ইয়র্কে এসেছি ব্যক্তিগত ব্যাপারে এবং কিছুটা আমন্ত্রিত হয়ে। এখানে আমাদের বাংলাদেশ মিশনে আমাদের মোমেন সাহেবের (জাতিসঙ্ঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি) আমন্ত্রণে একটি সিরিজ লেকচারে অংশগ্রহণ করার জন্য। এ লেকচারটি হয়ে গেছে। আর ব্যক্তিগতভাবে আমি এখানে এসেছি এই জন্য যে, আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর একটি ডকুমেন্টারি করছি। এখানে কিছু বিখ্যাত লোকের তার সম্পর্কে মন্তব্য রেকর্ড করার জন্য। দুই কারণেই এসেছি।
তিনি বলেন, আমি মিশনে বক্তব্য দিয়েছি বাংলাদেশের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা, ভাষাভিত্তিক আন্দোলন থেকে ভাষা আন্দোলন পর্যন্ত। আমাদের বাংলাকে বলা হতো হিন্দুর ভাষা, এটা ঠিক নয়। বাংলাতে ইসলাম প্রচার হয়েছে বাংলা ভাষাতেই। আরবে ইসলাম প্রচার হয়েছে আরবি ভাষাতেই। যদিও সে ভাষা এককালে কাফেরদের ভাষা ছিল। তাতে কিছু আসে যায় না। পরবর্তীকালে ইসলামের ভাষা হয়েছে। আমাদের নাম, আমাদের সংস্কৃতির কার্যকলাপ মিশ্রিত। আমাদের বিবাহ, আমাদের নামকরণ কোনোটাই ধর্মভিত্তিক নয়। আরবরা তাই করেছে।
তাহলে আজকে যারা প্রতিবাদ করছে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা তাদের প্রতিবাদকে আপনি কিভাবে মূল্যায়ন করছেনÑ এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে চিহ্নিত জামায়াত-হেফাজতিরা। জাতিসঙ্ঘ মিশনে দেয়া আমার বক্তব্য নিয়ে তারা রাজনৈতিক প্রপাগান্ডায় নেমেছে। যোগ দিয়েছে কিছু সুবিধাবাদী। অসত্য বেশি দিন টিকবে না। কারো হুমকি-ধমকি ও অপপ্রচারে ভয় পান না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।
এ দিকে নিউ ইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী পরিবারের ব্যানারে ৭ জুলাইয়ের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি প্রবাসী ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধের মুখে পণ্ড হয়ে যাওয়ার পর ওই দিন বাংলাদেশী অধ্যুষিত ব্রুকলিনে গিয়েও ব্যর্থ হন আয়োজকেরা।
Saturday, 11 July 2015
Indian History -
Indian History - ভারতের ইতিহাস
আরবি মানে আজ বিশ্বের মানুষ বুঝে ইসলামের ভাষা। আসলেই ইসলামের সর্বোচ্চ ধর্মগ্রন্থ কোরআন শরীফ আরবি ভাষায় রচিত। কিন্তু আপনি কি জানেন ইসলাম-পূর্ব আরবে আরবি কবিতা বেদসংহিতার স্তুতি করছে। এখানে একটি কবিতা দেয়া হল আরবি কবি লাবি-বিন-ই-আখতাব-বিন-ই-তুরফার যিনি ইসলাম-পূর্ব আরবে বাস করতেন।দেখুন------------------
ॐ卐সত্যের জয়ॐ卐
http:// thebdtimes24.com / প্রাচীন-আরবের-কব িতায়-বে#.VaBpv TNw1bq
Oldest Dharma of the World? পৃথিবীর আদি ধর্ম কি?
ধর্ম নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক চলে আসছে অনেক বছর ধরে । পৃথিবীর আদি ধর্ম কিন্তু সনাতন হিন্দু ধর্ম । বাকি যে সব ধর্মের উৎপত্তি হয়েছে সেই সব ধর্ম মানুষের দ্বারা সৃষ্টি ধর্ম । একবার ভাবুন স্বামী বিবেকানন্দ যদি বিবেক ধর্ম নামে একটা ধর্ম প্রচলন করত এবং সেই ধর্মে গোঁড়ামী কিছু প্রচলন করত তাহলে হয়তো অনেকই সেই ধর্মকে পালন করে নিজেকে বিবেক ধর্মের লোক বলে দাবী করত । হজরত মহম্মদের জন্মের আগে কি কোন মুসলিম পৃথিবীতে ছিল? নাকি যীশু খ্রীষ্টের জন্মের আগে কোন খ্রীষ্টান পৃথিবীতে ছিল? তাহলে এখান থেকেই স্পষ্ট পৃথিবীর আদি ধর্ম কি ।
মুসলমানদের এত বার বাড়ন্তের একটা বড় কারন
“মুসলমানদের এত বার বাড়ন্তের একটা বড় কারন হল হিন্দুদের সভ্যতা ও ন্যায় নীতির বোধ। যখন কোন বরবর শক্তির সঙ্গে সভ্য শক্তির সংঘর্ষ হয় বরবর শক্তি সর্বদাই সুবিধাজনক অবস্তায় থাকে। কারন তারা সবসময় অনৈতিক আঘাত করতে পারে। মুসলমানরা সমস্ত ন্যায়নীতির বিসরজন দিয়ে জেখানে-সেখানে খুন-ধর্ষণ-অপহরন-হত্যা করে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে। কারন তারা জানে হিন্দুশক্তি এর উত্তরে মুসলমান মহল্লায় ঝাপিয়ে পরবে না, কেবল্ মাত্র জেহাদি দুষ্কৃতি টাকেই খুঁজে বের করে বিচার করার চেষ্টা করবে। এবং মুসলমান জেহাদিরা প্রানপনে সেই দুষ্কৃতি কে আড়াল করার চেষ্টা করবে। মুসলমান জঙ্গিরা হিন্দু মন্দিরে দকান বাজারে বিস্ফোরণ ঘটায়, কারন তারা জানে এর জবাবে হিন্দুরা কখনই কোন মসজিদে বা মাদ্রাশায় বিস্ফোরণ ঘটাবে না। দৈবক্রমে কথাও কোন মুসল্মানের গায়ে হাত পরলে হিন্দু সমাজই তার প্রতিবাদ ও নিন্দায় ফেতে পড়বে।”
আজ গাজি দের সাহস ঠিক এই জাইগা থেকেই আসে। কারন তারা জানে হিন্দু দের তরফ থেকে যথার্থ প্রতিরোধ/ আঘাত আসবে না, (তাই তারা ১৫ বছরের কিশোরী টুকটুকি কে ৬৪ দিন ধরে আটকে রেখে তার ওপর নির্যাতনের সাহস দেখায়।) যদিওবা কিছুটা হয় ওই রাস্তার আন্দলনেই সিমিত হয়ে থাকবে, আর সেটা সামাল দেবার জন্য বেগমের পুলিশ সহ গোটা govt mechenari হাজির আছে।
লোহাকে লোহা দিয়ে কাটা জায়, কাঁচ কাটতে হিরে লাগে। ওদের পরাজিত করতে গেলে ওদের মত করেই ভাবতে হবে। ১ কা বদলা ১০।
Subscribe to:
Posts (Atom)