Sunday, 12 July 2015

আবারো দেশ ছাড়া হলো এক হিন্দু পরিবার

«««««««এইমাত্র পাওয়া খবর আবারো দেশ ছাড়া হলো এক হিন্দু পরিবার ॥ সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানা লাহিড়ি মোহনপুর ইউনিয়ানের বর্দ্ধনগাছ গ্রামের শশান্ক সরকার ও তার বোন মহাময়া সরকার । গত ১৬ ডিসেম্বর তার বাড়িতে এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটে । মূলত তার পর থেকেই শশান্ক বাড়ি ছাড়া এবং গ্রাম ছাড়া ছিল । কেননা তাকে অনবরত মৃতুর ল্হমকি দেয়া হতো । তাই বাধ্য হয়ে তাকে বাড়ি ছাড়া হতে হয় যদিও শশন্ক সরকার পূর্বের থেকেই বাড়ি ছাড়া ছিল তথাপি তার পরিবার গ্রামে নিজ বাড়িতেই বসবাস করছিল । কিন্তু ক্রমাগত ল্হমকির ফলে আজ শশান্ক এবং তার পরিবার গ্রাম ছাড়া হতে বাধ্য হলো । এভাবে নিজের বসত ভিটা নিজের পত্রিক সম্পর্তি নিজের গ্রাম ছেড়ে চলে গেলো । আমরা কি এই দেশের নাগরিক না ? নাকি আমাদের এই দেশে বসবাসের কোনো অধিকার নেই । আমরা কি এতটাই অসহায় হয়ে পড়েছি । শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন ।

Char Bibi মুসলমানদের চার বিবি

মুসলমানদের চার বিবি, অগুন্তি বাচ্চা বন্ধ না করলে ভারতের জনসং্খ্যা কখনই নিয়ন্ত্রন করা যাবে না। ভারত এমন ধর্মনিরপেক্ষ দেশ যেখানে একজন হিন্দু, বৌদ্ধ,জৈন,শিখ একটা স্ত্রী রাখতে পারবে, আর তাদের স্লোগান হবে "হাম দো হামারা দো"... কিন্তু একজন মুসলমান চার বিবি রাখতে পারবে, আর তাদের স্লোগান হবে "হাম পাঁচ হামারা পাঁচিশ"... শনিবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে ভারতের জনসংখ্যা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১২৭ কোটি ৪২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৬৯। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৭.২৫ শতাংশ মানুষের বসবাস ভারতে। এই জনবিস্ফোরণ কখনই রোখা যাবে না, যদি মুসলমানদের জন্ম নিয়ন্ত্রন না করানো যায়। আমি যতদূর জানি ইসলাম অনুসারে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হারাম। তাই যদি কোনো মুসলমান ধর্মীয় কারনে এর বিরোধিতা করে, তাহলে সরকারের উচিত হবে তার পাছায় লাথি মেরে ইসলামিক দেশে পাঠানো। কারন ভারত ধর্মনিরপেক্ষ দেশ, এখানে কোনো মৌলবাদ চলবে না বন্ধু।।

রাহুল সিনহার জায়্গায় বামপন্থী দের বন্ধু রূপা গাঙ্গুলীর নাম উঠেছ রাজ্য সভাপতি হিসাবে

রাহুল সিনহার জায়্গায় বামপন্থী দের বন্ধু রূপা গাঙ্গুলীর নাম উঠেছ রাজ্য সভাপতি হিসাবে। বলতে ইচ্ছা করছে"টকের জ্বালায় পালিয়ে এলাম, তেঁতুলতলায় বাস" বা "ছিল গরম চাটুতে এবার পড়ল গিয়ে উনুনে" যিনি কএক মাস পূর্বে ও ছিলেন বাম, হঠাৎ তলায়ে পুট্কি মেরে হলেন রাম; এই নিদর্শন আমরা জাতীয় কংগ্রেসে দেখেছি যখন ইন্দিরা গান্ধী দেহরক্ষীর গুলিতে মারা গেলেন তখন কংগ্রেস উনার জেষ্ঠ পুত্র(যিনি রাজনিতীর সাথে যুক্ত ছিলেন না) তাকে দেশে এনে নিজেদের নেতা করে প্রধানমণ্ত্রীর আসনে বসায়। কি সুন্দর ব্যাপার!! যে রাজনৈতিক ঘরানার আমরা বিরোধিতা করি সেই ঘরানাই আজ আমাদের দিল্লীর শীর্ষনেতারা পশ্চিম বঙ্গের ক্ষেত্রে অনুসরণ করছেন খবরে প্রকাশিত হচ্ছে প্রথমে বিরোধিতা করলেও বাংলার আর এস এস ও নাকি উনার নাম মেনে নিয়েছে(যদিও কতিপয় আপসহীন প্রবীণ এটা মানেননি, তাদের প্রণাম জানাই)। এই সংবাদ সত্য হলে তা খুব দুঃখের এতদিন রাজ্য বি জেপি নিতী হীনতাতে ভুগত,এখন কি আর এস এসের মধ্যেও কি সেই রোগ প্রকট হচ্ছে?

বাংলা আর বাংলাচিস্তান

বাংলা আর বাংলাচিস্তান কি হবে, বাংলা আজ বাংলাচিস্তান অলরেডি হয়েই গেছে। সৌজন্যে বেগমজি এবং তার সন্ত্রাসী জেহাদি বাহিনী। এই পশ্চিমবঙ্গের উপর সংখ্যালঘু হয়েও বর্বর জেহাদির দলগুল সংখ্যাগুরু হিন্দুদের উপর রীতিমত মধ্যযুগীয় কায়দায় অত্যাচার করেছে আইন প্রশাসনের নাকের ডগায়। সরকার প্রশাসন সব দারিয়ে দারিয়ে দেখছে জেহাদিদের বর্বরতা। এই রাজ্যের প্রশাসন গনতন্ত্রের মুখে লাথি মেরে বর্বর জেহাদির কাধে কাধ মিলিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মধ্য দিয়ে হিন্দুদের উপর বর্ষণ করেছে গজব। শুধু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মধ্যেই জেহাদের কার্যকলাপ বন্ধ করেনি বর্বর জেহাদি এবং প্রশাসন। দক্ষিন ২৪ পরগনায় বারংবার দাঙ্গার পর টুকটুকি নামের একটি হিন্দু মেয়েকে শুওর খেকো মহম্মদ গাজী কিডন্যাপ করে রাখে এবং এই পর্যন্ত টুকটুকিকে এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ প্রশাসন। উদ্ধার করাতো দুরের কথা, টুকটুকিকে ফিরিয়ে আনতে এবং মহম্মদ গাজীর যোগ্য শাস্তিদানের জন্যে যেসব হিন্দুরা গতকাল কোলকাতায় আন্দোলন করেছিল তাদের বেছে বেছে গ্রেপ্তার করেছে জেহাদির মদতদানকারী জনৈক পুলিশ বাহিনী। এই রাজ্যের সরকার, প্রশাসন, সংবাদমাধ্যম যদি সত্যিই ধর্মনিরপেক্ষ থাকত তবে কোন মহম্মদ গাজীর বুকের পাটা হতনা টুকটুকিকে কিডন্যাপ করার, কোন আরবের জংলি বর্বর জেহাদির ক্ষমতা থাকত না হিন্দুদের উপর অত্যাচার করার কিন্তু সরকার, প্রশাসন, মিডিয়া সবাই আজ একজোট হয়ে নেমেছে ধর্মনিরপেক্ষতারমুখোশ পরে নীতি, আদর্শ, মানবতাকে জলাঞ্জলি দিয়ে নির্লজ্জভাবে একতরফা জেহাদি তোষণে। বাংলার হিন্দুদের উপর আজ অহরহ বর্ষিত হচ্ছে জেহাদি এবং সরকার দারা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। বাংলার হিন্দুদের আজ এমন অবস্থা যে, তাদের কান্নার আওয়াজ পর্যন্ত সরকার এবং মিডিয়া চাপা দিয়ে রেখেছে। হিন্দুদের এই অবস্থা সত্যেও হিন্দু সংহতি এবং গণ জাগরণ মঞ্চ রাজ্যে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন করছে তা প্রশংসাযোগ্য। এর ফলে গণ জাগরণ মঞ্চের বেশ কিছু কর্মীর উপরেও নেমে আসে রাষ্টীয় সন্ত্রাস। গণ জাগরণ মঞ্চ বর্বর জেহাদিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে বলে কথা। শান্তির অনুগামী জেহাদিদের বিরুদ্ধে এমন আন্দোলন সরকার মেনে নেবে কেনো? WRITER- Ganesh Majumdar

কুড়িগ্রামে হিন্দু ধর্মালম্বীদের মানববন্ধন সুজন মোহন্ত

গত ২রা জুলাই দুপুরে,মন্দির কমিটির কাউকে কিছু না জানিয়ে দূর্গা মন্দিরের স্বরস্বতী মূর্তি বাইরে নর্দমায় ফেলে দিয়ে,/মন্দিরটি ভাংচুর করে নিলামে ক্রয়সুত্রে জমির মালিক আমজাদ হোসেন ও মোজাম্মেল হক এর লোকজন । ঘটনার ৪দিন অতিবাহিত হয়ে যাওয়ার পর প্রশাসন চুপ থাকায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন । গত ৭ জুলাই ,মঙ্গলবার কালীবাড়ি সংলগ্ন মন্দির থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে, প্রেসক্লাব এর সামনে ও পরে শাপলা চত্বরে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন করে । মানববন্ধনে নারী ও শিশুসহ সনাতন হিন্দু সম্প্রদায়ের বহু মানুষ অংশগ্রহন করে । হিন্দু বৌদ্ধ ,খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদ এর নেতা অলোক সরকার জানান, মন্দির ভাংচুর করা খুবই খারাপ কাজ করেছে,না জানিযে মন্দির ভাংগা এটা সাম্প্রদায়িক হামলা । মন্দিরের সাধারন সম্পাদক বুলবুল কুমার দাস শিমুল বলেন, আমাদের মিটিং হয়েছিলো দুপক্ষের মধ্যে,মালিক পক্ষ ক্ষতিপুরন হিসেবে ১ লক্ষ টাকা দিয়ে পুনরাই অন্য একটি জায়গায় মন্দির করে দিতে চেয়েছিলো । আমরা রাজি হয়েছি ,কিন্তু যখন আমরা বললাম সব কিছু আইনিভাবে লিখিত হোক ,তখন তেনারা রাজি হলেন না । তাই এর প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল হচ্ছে । মিটিং এ সমঝোতা আনার মালিক পক্ষের নেতৃত্ব দানকারী শ্রী দুলাল কর্মকারের সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে,তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি । বিষয়টি নিয়ে সমঝোতার কথার আশ্বাস দিয়ে নিরব ভুমিকা পালন করছে হিন্দু,বৌদ্ধ,খিস্ট্রান ঐক্য পরিষদসহ বেশ কয়েকটি হিন্দু সংগঠনের কুড়িগ্রাম শাখার নেতৃবৃন্দরা ।

সনাতন ধম' কে ধংসেরদিকে নিয়ে জাবার জন্য প্রধানত ব্রামন্যবাদই বেশি দায়ি

সনাতন ধম' কে ধংসেরদিকে নিয়ে জাবার জন্য প্রধানত ব্রামন্যবাদই বেশি দায়ি।আর বত'মানে হিন্দু রাজনিতি বিদরা বিদেশী মুসলিম তশনের জন্য ভারতকে উজার করে দিয়েছে,ভারত ভাগ হল দিজাতি তত্বের ভিক্তিতে,মুসলিমপেল পাকিস্তান হিন্দু পেল ভারত, আজ বাংলাদেশ, পাকিস্তান হিন্দুদের অত্যাচার করতে করতে প্রায় হিন্দু শুন্য,কিন্তু ভারত মুসলিম তুশন করতে করতে ভারত এখন মুসলিম পুন', এরকম চলতে থাকলে ভারত ভাংতে আর বেশিদিন লাগবে না।ভারত এখন সেক্যুতে ভরে গেছে,যেখানে ধম' ত হয়ইনা বরং পিকে দের দিয়ে হিন্দুদের বিশ্ববব্যাপী হেয় করা হচ্ছে।এর উত্তরণ কবে।মদিজি পারবেন ভারতকে মহাভারত করতে,পারবেন সনাতনী আইন প্রনয়ন করে ভারতকে জবন শুন্য করতে, পারবেন হিন্দুদের জন্য মহাভারত পুনঃ প্রতিস্টা করতে।।

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হিন্দু তাড়াতেই !

একটা দুইটা হিন্দু ধর সকাল বিকাল নাস্তা কর [বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হিন্দু তাড়াতেই !] বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হিন্দু তাড়াতেই ! দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতনের কিছু চিত্র ও অভিযোগ তুলে ধরে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে দুইটি মানবাধিকার সংস্থা। শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ উপলক্ষে বাংলাদেশ মাইনরটি ওয়াচ (বিডিএমডব্লিউ) ও বাংলাদেশ সেন্টার ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (বিসিএইচআরডি) এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শিল্পী মনোরঞ্জন ঘোষাল ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েরঅর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক চন্দন কুমার সরকারসহ বেশ কয়েকজন মানবাধিকারকর্মী। অনুষ্ঠানে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পরে খুলনা, সাতক্ষীরা, যশোর, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, বরিশাল ও টাঙ্গাইলে হিন্দুদের বাড়িতে হামলা, ভাংচুর, মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ও নারীদের ধর্ষণের অভিযোগ আনা হয়। মানবাধিকার সংস্থা দুইটি থেকে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এসব কাজে সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের মৌন সম্মতি ও স্থানীয় প্রশাসনের অবহেলার অভিযোগ করা হয় । এছাড়া ২০০৭ সাল থেকে ২০১৪ সালের অক্টোবর পর্যন্ত হিন্দুদের ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের কিছু অভিযোগও প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়। এতে দাবি করা হয়, এই সময়ের মধ্যে এক হাজার ৬৯৯টি মন্দিরে হামলা, পাঁচ হাজার ৫০টি উচ্ছেদ, ৪০৬টি ধর্মান্তরিতকরণ,৩০২টি হত্যা, ৩৯২টি ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটে। অনুষ্ঠানে সম্প্রতি টাঙ্গাইল ও কুমিল্লার তিতাস উপজেলার নির্যাতন ও হত্যার শিকার দুটি হিন্দু পরিবার তাদের দুর্দশার কথা বলেন। পরে এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি খন্দকার মাহবুব বলেন, “সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতন অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ধর্মীয় কারণে হয়না। এটা একটি সামাজিক ব্যাধি। সুযোগ সন্ধানীরা যখন যে ক্ষমতায় আসে তাদের হয়ে এসব কাজ করে থাকে।” অপরদিকে ভারতের একটি দৈনিক পত্রিকা যুগশঙ্খ তাদের প্রতিবেদনে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলার ব্যাপারে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে যে,বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হিন্দু তাড়াতেই !