Sunday, 12 July 2015

Hindu Killing ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দুদের গণহত্যা

মুসলমানদের হাতে ভারতীয় উপমহাদেশের হিন্দুদের গণহত্যা নিয়ে কেউ কোন কথা বলে না। ১০০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫২৫ সাল পর্যন্ত মুসলমানদের হাতে প্রায় ৮ কোটি হিন্দু নিহত হয়েছে। সম্ভবত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণহত্যা এটি। ১০০০ সালে আফগানিস্তান মুসলমানদের দখলে যাওয়ার পর সেখানকার হিন্দুদের নির্বিচারে হত্যা করা হয় এবং বাকিদের সবাইকে ইসলামে ধর্মান্তরকরণে বাধ্য করা হয়। ঐ এলাকাকে এখনো "হিন্দু কুশ" বলে এই কারণে। কুশ শব্দের অনেক অর্থের একটি হচ্ছে হত্যা। এতই হিন্দু হত্যা ঐ এলাকায় হয়েছিল যে এখনো হিন্দু কুশ নামে সে এলাকাকে সবাই চেনে। আমদের পূর্বপুরুষ যারা নিজেদেরকে রক্ষার জন্য মুসলমান হতে বাধ্য হয়েছিল, তাদেরই বংশধর আমরা কিন্তু এই অন্যায়ের প্রতিবাদ না করে, নিজেদের পূর্বপুরুষ থেকে সুলতান মাহমুদ কিংবা বখতিয়ারকে আপন ভাবার মত নির্লজ্জ মুসলমানরা আমরা। Kodor Ali

Went to Khow মোল্লা ভাইরা কিছু মনে করবেন না।আমি শুধু জানতে চাই-

মোল্লা ভাইরা কিছু মনে করবেন না।আমি শুধু জানতে চাই- প্রশ্নঃ-ইসলামে নাচ,গান-বাজনা,হই হুল্লোড়,রং ছিটানো,গ্যালারীতে বসে চিৎকার,কোন দলের জন্য আল্লাহর নিকটে প্রার্থনা,খেলাধূলার নামে এসব বেহায়াপনা সম্পূর্ণ হারাম!!এগুলো কবিরাগুনা!তাহলেমুসলমানরা এগুলো বর্জন করে ঘরে বসে জিকির করছে না কেন??নাকি তারা কোরানের এই নিয়ম মানে না? প্রশ্নঃ-তোমরা জেহাদ করতে থাক কাফেরদের বিরুদ্ধে,দেখবে কাফের(শয়তানের) পক্ষ অতি দুর্বল {সুরা আল নিসা 76} তাহলে ফিলিস্তিনরা মার খায় কেন?ইহুদী ইসরায়েল এত শক্তিশালী!আল্লাহর বাণী এখানে ঘোর মিথ্যা নয় কি?? প্রশ্নঃ- যে বেক্তি সেচ্ছায় মুসলমান হত্যা করে তার শাস্তি জাহান্নাম,এবং সেখানেই সে চিরকাল থাকবে!(সুরা আল নিসা 93)।চারিদিকে মুসলমানদের হাতে মারা যাচ্ছে অসংখ্য মুসলমান,নারী শিশুও বাদ নেই।জেহাদ করতে গিয়ে কি উল্টো জাহান্নামের দিকে নিক্ষিপ্ত হচ্ছে না মুসলিমরা? প্রশ্নঃ-ইসলামিকপোশাক পড়া হালাল করা হয়েছে?যার ফলে নারীরা কুদৃষ্টি থেকে রক্ষা পেতে পারে,তাহলে আমার প্রশ্ন হচ্ছে,মাদ্রাসাতে কেন ধর্ষণ হয়,ওই সময় বোরকার তেজ কি বিলুপ্ত হয়ে যায়?? প্রশ্নঃ-আমরা জানি যে আরও একটি কুৎসিত জঘন্য ব্যপার আছে,সেটা হচ্ছে বলাৎকার!!{ছেলে ধর্ষণ} যেটা হজুররা করে থাকে!!তাহলে আমার প্রশ্ন হল বলাৎকার করে কেমন যৌনতৃপ্তি পাওয়া যায়,আর তাতে কতটুকু সওয়াব প্রাপ্তি হয়? প্রশ্নঃ-আল্লাহ মুর্তি পুজা হারাম বা শিরক হিসেবে ঘোষণা করেছেন?মুর্তি জড় বস্তু এতে কোন প্রানের স্পন্দন নেই?তাহলে,কাবা ঘরে স্থাপিত ওই চর্তুভূজ কালো ডিব্বার ভিতরে কি প্রানের স্পন্দন রয়েছে,আর তাহার প্রমাণ কি?? প্রশ্নঃ-আমরা জানি যে,মুসনমানদের মধ্যে নাকি জাতি ভেদ বা গোত্র বৈষম্য নাই!তাহলে শিয়া-সুন্নী গুতাগুতি লেগে থাকে কেন?শিয়ারা ও ইসলামের নিয়মকানুন মেনে চলে,আর যদি তারা কাফেরই হয় তাহলে মুসলিম বিশ্ব তাদের অবাঞ্ছিত ঘোষণা করছে না কেন?? প্রশ্নঃ- অনেক বলে যে, জংগীরা মুসলিম নয়,আবার অনেকে জেহাদের প্রেক্ষিতে তাদেরকে সার্পোট করে!তাহলে এখানে প্রশ্ন হল যদি জংগীরা মুসলিমই না হয়,তবে তারা ইসলামকে টাইটেল হিসেবে কেন ব্যবহার করে,আর এর প্রেক্ষিতে মুসলমান রাস্ট্র গুলো নিরব কেন?? প্রশ্নঃ-ভারতে বাবরী মসজিদ(মূলত রাম মন্দির) ভাঙ্গার ফলে,অসংখ্য মন্দির তথা হিন্দুদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে ধর্মপ্রাণ মুমিনরা,কেননা মুশরিকরা মসজিদে হামলা করেছে! এখানে প্রশ্ন হল, যখন জংগীরা মসজিদে বোমা মারে,{ইরাক, পাকিস্তান, আফগান, সিরিয়া} ""2013 তে বাংলাদেশের ঢাকায় হেফাজত পুড়ালো শত শত কোরান"" এই প্রসঙ্গে মুসলমানরা নিরব কেন,তাহলে কি বুঝব মুসলিম হয়ে মসজিদ ভাঙা হালাল?? কেউ গালাগাল দিয়ে ধর্ম পরিচয় দিবেন না,কারণ গালাগাল ধর্ম নয়,বরং নিজের মস্তিকেরই অধঃপতন ঘটায়!!মোমিন ভাইরা কি ইদুরের গর্তে লুকালো নাকি?

Pakistani Flag In Kolkata

পুলিশ কেন মাদারচোদ??????????? পার্কসার্কাসে যেখানে কাল রোহিঙ্গা মোল্লাদের ভারতে পুনর্বাসনের দাবীতে ''আল্লাহু আকবর'' বলে পাকিস্তানের পতাকা উড়ল, সেখানে গাজী নামের এক মোল্লা যবন দুষ্কৃতির হাতে অপহৃত হওয়া ছোটো টুকটুকির মুক্তির দাবীতে সভা করায় গ্রেপ্তার হতে হল জন অধিকার মঞ্চের সদস্যদেরকে। টুকটুকির মুক্তির দাবীতে যেখানে সারা দুনিয়াতে মিছিল হচ্ছে, সেখানে তার জন্মভূমি পশ্চিমবঙ্গেই তাকে ফিরিয়ে আনার কোনো চেষ্টা করা হয়না। পুলিশ, প্রশাসন, মিডিয়া - সবাই চপু হয়ে যায়। কিন্তু তার পক্ষে মিছিল করতে গেলে পুলিশ তাদের ওপর পাগলা কুকুরের মতো চড়াও হয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে, যাদের মধ্যে টুকটুকির বাবাও ছিল। বোধহয় ব্রিটিশ শাসনকালেও এধরনের পরাধীনতার মুখে কাউকে পড়তে হয়নি। আজ মনে হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ সত্যি ই পাকিস্তান হয়ে গেছে

আবারো দেশ ছাড়া হলো এক হিন্দু পরিবার

«««««««এইমাত্র পাওয়া খবর আবারো দেশ ছাড়া হলো এক হিন্দু পরিবার ॥ সিরাজগঞ্জ জেলার উল্লাপাড়া থানা লাহিড়ি মোহনপুর ইউনিয়ানের বর্দ্ধনগাছ গ্রামের শশান্ক সরকার ও তার বোন মহাময়া সরকার । গত ১৬ ডিসেম্বর তার বাড়িতে এক ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটে । মূলত তার পর থেকেই শশান্ক বাড়ি ছাড়া এবং গ্রাম ছাড়া ছিল । কেননা তাকে অনবরত মৃতুর ল্হমকি দেয়া হতো । তাই বাধ্য হয়ে তাকে বাড়ি ছাড়া হতে হয় যদিও শশন্ক সরকার পূর্বের থেকেই বাড়ি ছাড়া ছিল তথাপি তার পরিবার গ্রামে নিজ বাড়িতেই বসবাস করছিল । কিন্তু ক্রমাগত ল্হমকির ফলে আজ শশান্ক এবং তার পরিবার গ্রাম ছাড়া হতে বাধ্য হলো । এভাবে নিজের বসত ভিটা নিজের পত্রিক সম্পর্তি নিজের গ্রাম ছেড়ে চলে গেলো । আমরা কি এই দেশের নাগরিক না ? নাকি আমাদের এই দেশে বসবাসের কোনো অধিকার নেই । আমরা কি এতটাই অসহায় হয়ে পড়েছি । শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন ।

Char Bibi মুসলমানদের চার বিবি

মুসলমানদের চার বিবি, অগুন্তি বাচ্চা বন্ধ না করলে ভারতের জনসং্খ্যা কখনই নিয়ন্ত্রন করা যাবে না। ভারত এমন ধর্মনিরপেক্ষ দেশ যেখানে একজন হিন্দু, বৌদ্ধ,জৈন,শিখ একটা স্ত্রী রাখতে পারবে, আর তাদের স্লোগান হবে "হাম দো হামারা দো"... কিন্তু একজন মুসলমান চার বিবি রাখতে পারবে, আর তাদের স্লোগান হবে "হাম পাঁচ হামারা পাঁচিশ"... শনিবার বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে ভারতের জনসংখ্যা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এদিন বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভারতের জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১২৭ কোটি ৪২ লক্ষ ৩৯ হাজার ৭৬৯। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ১৭.২৫ শতাংশ মানুষের বসবাস ভারতে। এই জনবিস্ফোরণ কখনই রোখা যাবে না, যদি মুসলমানদের জন্ম নিয়ন্ত্রন না করানো যায়। আমি যতদূর জানি ইসলাম অনুসারে জন্মনিয়ন্ত্রণ করা হারাম। তাই যদি কোনো মুসলমান ধর্মীয় কারনে এর বিরোধিতা করে, তাহলে সরকারের উচিত হবে তার পাছায় লাথি মেরে ইসলামিক দেশে পাঠানো। কারন ভারত ধর্মনিরপেক্ষ দেশ, এখানে কোনো মৌলবাদ চলবে না বন্ধু।।

রাহুল সিনহার জায়্গায় বামপন্থী দের বন্ধু রূপা গাঙ্গুলীর নাম উঠেছ রাজ্য সভাপতি হিসাবে

রাহুল সিনহার জায়্গায় বামপন্থী দের বন্ধু রূপা গাঙ্গুলীর নাম উঠেছ রাজ্য সভাপতি হিসাবে। বলতে ইচ্ছা করছে"টকের জ্বালায় পালিয়ে এলাম, তেঁতুলতলায় বাস" বা "ছিল গরম চাটুতে এবার পড়ল গিয়ে উনুনে" যিনি কএক মাস পূর্বে ও ছিলেন বাম, হঠাৎ তলায়ে পুট্কি মেরে হলেন রাম; এই নিদর্শন আমরা জাতীয় কংগ্রেসে দেখেছি যখন ইন্দিরা গান্ধী দেহরক্ষীর গুলিতে মারা গেলেন তখন কংগ্রেস উনার জেষ্ঠ পুত্র(যিনি রাজনিতীর সাথে যুক্ত ছিলেন না) তাকে দেশে এনে নিজেদের নেতা করে প্রধানমণ্ত্রীর আসনে বসায়। কি সুন্দর ব্যাপার!! যে রাজনৈতিক ঘরানার আমরা বিরোধিতা করি সেই ঘরানাই আজ আমাদের দিল্লীর শীর্ষনেতারা পশ্চিম বঙ্গের ক্ষেত্রে অনুসরণ করছেন খবরে প্রকাশিত হচ্ছে প্রথমে বিরোধিতা করলেও বাংলার আর এস এস ও নাকি উনার নাম মেনে নিয়েছে(যদিও কতিপয় আপসহীন প্রবীণ এটা মানেননি, তাদের প্রণাম জানাই)। এই সংবাদ সত্য হলে তা খুব দুঃখের এতদিন রাজ্য বি জেপি নিতী হীনতাতে ভুগত,এখন কি আর এস এসের মধ্যেও কি সেই রোগ প্রকট হচ্ছে?

বাংলা আর বাংলাচিস্তান

বাংলা আর বাংলাচিস্তান কি হবে, বাংলা আজ বাংলাচিস্তান অলরেডি হয়েই গেছে। সৌজন্যে বেগমজি এবং তার সন্ত্রাসী জেহাদি বাহিনী। এই পশ্চিমবঙ্গের উপর সংখ্যালঘু হয়েও বর্বর জেহাদির দলগুল সংখ্যাগুরু হিন্দুদের উপর রীতিমত মধ্যযুগীয় কায়দায় অত্যাচার করেছে আইন প্রশাসনের নাকের ডগায়। সরকার প্রশাসন সব দারিয়ে দারিয়ে দেখছে জেহাদিদের বর্বরতা। এই রাজ্যের প্রশাসন গনতন্ত্রের মুখে লাথি মেরে বর্বর জেহাদির কাধে কাধ মিলিয়ে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মধ্য দিয়ে হিন্দুদের উপর বর্ষণ করেছে গজব। শুধু সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার মধ্যেই জেহাদের কার্যকলাপ বন্ধ করেনি বর্বর জেহাদি এবং প্রশাসন। দক্ষিন ২৪ পরগনায় বারংবার দাঙ্গার পর টুকটুকি নামের একটি হিন্দু মেয়েকে শুওর খেকো মহম্মদ গাজী কিডন্যাপ করে রাখে এবং এই পর্যন্ত টুকটুকিকে এখনো উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ প্রশাসন। উদ্ধার করাতো দুরের কথা, টুকটুকিকে ফিরিয়ে আনতে এবং মহম্মদ গাজীর যোগ্য শাস্তিদানের জন্যে যেসব হিন্দুরা গতকাল কোলকাতায় আন্দোলন করেছিল তাদের বেছে বেছে গ্রেপ্তার করেছে জেহাদির মদতদানকারী জনৈক পুলিশ বাহিনী। এই রাজ্যের সরকার, প্রশাসন, সংবাদমাধ্যম যদি সত্যিই ধর্মনিরপেক্ষ থাকত তবে কোন মহম্মদ গাজীর বুকের পাটা হতনা টুকটুকিকে কিডন্যাপ করার, কোন আরবের জংলি বর্বর জেহাদির ক্ষমতা থাকত না হিন্দুদের উপর অত্যাচার করার কিন্তু সরকার, প্রশাসন, মিডিয়া সবাই আজ একজোট হয়ে নেমেছে ধর্মনিরপেক্ষতারমুখোশ পরে নীতি, আদর্শ, মানবতাকে জলাঞ্জলি দিয়ে নির্লজ্জভাবে একতরফা জেহাদি তোষণে। বাংলার হিন্দুদের উপর আজ অহরহ বর্ষিত হচ্ছে জেহাদি এবং সরকার দারা রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। বাংলার হিন্দুদের আজ এমন অবস্থা যে, তাদের কান্নার আওয়াজ পর্যন্ত সরকার এবং মিডিয়া চাপা দিয়ে রেখেছে। হিন্দুদের এই অবস্থা সত্যেও হিন্দু সংহতি এবং গণ জাগরণ মঞ্চ রাজ্যে হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে যে আন্দোলন করছে তা প্রশংসাযোগ্য। এর ফলে গণ জাগরণ মঞ্চের বেশ কিছু কর্মীর উপরেও নেমে আসে রাষ্টীয় সন্ত্রাস। গণ জাগরণ মঞ্চ বর্বর জেহাদিদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে বলে কথা। শান্তির অনুগামী জেহাদিদের বিরুদ্ধে এমন আন্দোলন সরকার মেনে নেবে কেনো? WRITER- Ganesh Majumdar