***ব্রেকিং***ব্রেকিং***ব্রেকিং***
হিন্দুত্ববাদের নব জাগরণে কেঁপে উঠল আগরতলা।RSS এর উপর হামলার প্রতিবাদে ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলায় RSS এর মহা শক্তি প্রদর্শন।নাস্তিক বামপন্থী চীনা দালাল মানিক সরকারদের বুকে কাঁপন।
গায়ের জোড়ে থামাতে গেলে ভুল হবে:-RSS
যত প্রতিরোধই আসুক না কেন আর ছেড়ে কথা বলবে না RSS।শহরে মিছিল আর পথসভার মাধ্যমে সে বার্তাই দিল RSS.মাত্র চব্বিশ ঘন্টার ভেতরে দেওয়া নোটিশে যে জনসমাগম হয় তাতে শয়তান বামেদের মৃত্যুঘন্টা বেজে উঠেছে।এসময় RSS নেতাদের এবং উপস্থিতি সবার মধ্যে ছিল প্রচন্ড তেজী ভাব।সম্প্রতি বিলোনিয়া ও নলছড়ে RSS এর উপর হামলা ও আমাদের প্রচারককে হেনস্থা করার প্রতিবাদে এ দিন আগরতলায় চলে এ প্রতিবাদ কর্মসূচী।আমাদেরRSS কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য মাননীয় রামেন্দ্রলাল ব্যানার্জি স্পষ্ট হূঙ্কার ছেড়েছেন-সিপিএমযদি গায়ের জোড়ে RSS তাড়াতে চায় তবে ইতিহাসের চরম ভুল করবে।
এদিন আগরতলার রবীন্দ্র শতবার্ষিকি ভবনের সামনে থেকে শুরু হয় মিছিল।জয় শ্রী রাম ধ্বনিতে প্রকম্পিত হয় এলাকা।আর নাস্তিকের বাচ্চা চীনা দালাল বামপন্থীদের উদ্দেশ্যে একটি বার্তা ছড়িয়ে যায়-ভারতের এ পবিত্র মাটিতে লেলিন,কার্ল,মাওশয়তানদের সব বাণী নিকট ভবিষ্যতেই নিষিদ্ধ করা হবে।শহরের নানা পথ অতিক্রম করে এ মিছিল গিয়ে শেষ হয় যাত্রাস্থলে এসেই।রামেন্দরলালজী বলেন-"গত নব্বই বছর ধরে অনেক চেষ্টা হয়েছে RSS কে নিষিদ্ধ করার কিন্তু কেউ সফল হয়নি উল্টে তারা ধ্বংস হয়ে গেছে এবং RSS এর শক্তি আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।এমনকি মসলমান দেশ ইন্দোনেশিয়া আর মালয়েশিয়াতেও আমাদের শাখা আছে।"
# জয়শ্রীরাম
ত্রিপুরায় কংগ্রেসকে হটিয়ে গেরুয়া শক্তি এখন দুই নম্বরে উঠে এসেছে।অতিশীঘ্রইবাম শয়তানদের হাতূড়ি-কাস্তেরলাল পতাকা সড়িয়ে ত্রিপুরার গেরুয়া নিশান ওড়ানো হবে।
হিন্দু রাষ্ট্র ভারত মাতা কি-জয়।।
# RSS
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Sunday, 12 July 2015
তসলিমা নাসরিনের 'নির্বাচিত কলাম' বইটি
তসলিমা নাসরিনের 'নির্বাচিত কলাম' বইটিতে তসলিমার একটা ফুফু ছিলেন, যিনি বীরাঙ্গানা। দেশ স্বাধীন হওয়ার তিনি ফেরত আসলে উনার পরিবার এবং সমাজ কেউই উনাকে মেনে নেয়নি। স্বাধীনতার পরবর্তী কয়েক বছর ডিসেম্বর মাস বাংলাদেশের জন্য উৎসবের মাস ছিল। বাংলাদেশে আরও অনেক বিশেষ দিন আছে, হয়তো সামনে আরও অনেক বিশেষ দিন আসবে। কিন্তু কোনটাই ১৬ই ডিসেম্বরের সমান হবে না।
সমাজের দেওয়া অপমান আর লাঞ্চনা সইতে না পেরে তসলিমার ঐ বীরাঙ্গনা ফুপু এক ডিসেম্বরে আত্মহত্যা করেন। বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে। এমন পরিণতি আরও কতজন বীরাঙ্গনার হয়েছে তা আমাদের অজানা।
আমাদের দেশে মুক্তিযোদ্ধারা রিকশা চালান। পঙ্গু মুক্তিযোদ্ধারা ভিক্ষা করেন। মেয়ের বিয়ে দেওয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হাত পাতেন। জামাত শিবিরের ক্যাডারেরা মুক্তিযোদ্ধাদেরলাথি মারেন। সচিবের গলা ধাক্কার অপমান সইতে না পেরে মুক্তিযোদ্ধা আত্মহত্যা করেন।
কর্পোরেট ব্যবসায়ী মিড়িয়া আছে। পত্রিকার কাটতি বাড়ানোর জন্য ডিসেম্বর আসলে মুক্তিযোদ্ধাদেরনিয়ে পত্রিকাত ধারাবাহিক প্রতিবেদন ছাপানো হয়। কোন কোন চ্যানেল বিজ্ঞাপনের ফাঁকে ফাঁকে মুক্তিযোদ্ধাদেরদুরবস্থার প্রামাণ্য চিত্র দেখায়। লাইট, ক্যামেরা, একশ্যান..........
যে মুক্তিযোদ্ধাটি আত্মহত্যা করেছেন উনার বাড়ি চট্টগ্রামের সাতকানিয়া। বাংলাদেশের মিনি পাকিস্তান। স্বাধীনতার আগে এবং পড়ে যেখানে এখনও কোনদিন আওয়ামিলীগ নির্বাচনে জিতেনি। স্বয়ং শেখ মুজিবের আমলেও নয়।
সাঈদির রায়ের পর সেখানকার মাদ্রাসায় পাকিস্তানের পতাকা উড়ানো হয়েছিল। পাকিস্তান ক্রিকেটে জিতলে সেখানে ফটকা আর আতশবাজি ফুটানো হয় হয়। জামাত শিবির ভোট পায় ১ লক্ষ ৮ হাজার আর আওয়ামিলীগ ভোট পায় ৪০ হাজার। এখনো ৭০% লোক মনেপ্রাণে পাকিস্তানি সেই এলাকার। কোন এলাকা থেকে তিনি মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিলেন ভাবুন একবার।
এমন লোককে আত্মহত্যা করতে হয় এই দেশে। রাষ্ট্র কোন বিবৃতি দেয় না। শিল্পপতি মারা গেলে প্রধানমন্ত্রী বিবৃতি দিতে পারেন। মুক্তিযোদ্ধার অপমানে আত্নহত্যায় মুজিবকন্যা চুপটি মেরে যান। আরেকজন শহীদপুত্র এবং সর্বজনশ্রদ্ধেয় জাফর ইকবাল স্যারকে আওয়ামিলীগের এম.পি চাবুক মারার হুমকি দেন। তখনও নেত্রী চুপ থাকেন। নেত্রীর প্রশাসনের শীর্ষ পুলিশ কর্মকর্তা নারী ধর্ষনকে দুষ্টামি বলে। নেত্রী ব্যস্ত থাকেন। নেত্রীর মন্তব্য শোনা যায় না।
আমরা ইস্যু বানায়। দুদিন পর নতুন ইস্যু আসবে। আমরা সেটা নিয়ে নাচানাচি করব। ঐ সচিব তার চাকরিতে যথারীতি বহাল থাকবে। চাটুকার আর তৈল প্রদানকারী ভাঁড়েরা আছেন। অনলাইনে এগিয়ে যাওয়ার মাইকিং করে লোক হাসানোর জন্য। দেশও বসে থাকছে না। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে, দেশ এগিয়ে যাবে। Juliyas Caesar
ইরাকে ঈদের নামাজ নিষিদ্ধ ঘোষণা করল আইএস
ইরাকের মসুল শহরের মুসলমানরা ঈদের নামাজ পড়তে পারবেন না মুসল্লিরা। ইসলামিক স্টেট (আইএস) ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়া নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে।
এক বছর আগে আইএস ইরাকের মসুল শহর দখল করে। এরপর থেকে ধারাবাহিকভাবে তারা নিজস্ব ধর্মীয় রীতি ও আইন জারি করছে। নতুন জারিকৃত আইনের আওতায় পড়ল ঈদের নামাজ। ঈদুল ফিতর উদযাপনের এক সপ্তাহ আগে ইরাকের ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী ঈদের নামাজ পড়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করল আইএস।
জঙ্গি এ সংগঠন জারি করা নিয়ম না মানলে কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানায়। যারা নিয়ম ভঙ্গ করে তাদের মৃত্যুদণ্ডসহ নানা শাস্তি দেওয়া হয়।
কুর্দিস্তান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির (কেডিপি) কর্মকর্তা ইসমত রাজাব এই তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আইএসের দখলে থাকা ইরাক ও সিরিয়ায় মুসলমানদের ঈদের নামাজ পড়া নিষিদ্ধ হয়েছে। মূল ইসলাম ধর্মে 'ঈদের নামাজ পড়ার নিয়ম নেই' এবং 'হযরত মুহাম্মদ (সা.) ঈদের নামাজ পড়তেন না' উল্লেখ করে আইএস এ নিষেধাজ্ঞা জারি করে।
Islamic Civilization- The Biggest Lie Known to Mankind
By Ali Hassan(Translated by Ibn Kammuna; Reviewed by Jon MC)
I can say with confidence that the only civilization attributed to religion is the so-called “Islamic civilization”. Other civilizations do not base themselves on religion. We do not hear about the “Christian civilization”, the “Jewish civilization” or the “Buddhist civilization”.
When I was a student in the Arab schools, I studied a curriculum module or unit called 'Islamic civilization' which was taught by a Salafist Imam. His whole curriculum was a biography of the Salafists “Ahlu Sunna” group; a group that wants to follow the works of Muhammad’s times and the early Muslims. All we studied was “so and so said...” and “the Shari’a tells us to do such and such...” the whole curricuum was designed for “Islamic brainwashing”. The instructor Imam never gave a smile in his lectures and taught topics that hadno relationto civilization For me, this class was “the straw that broke the camel's back” and that led me to go and finish my studies in the lands of the heathens.
The class that I took with this Imam was no more than an insult to my intellect. The course was filled with mumbo jumbo about Islam along with some inherited beliefs about the Jews and the Persians.
Who is thegeniuswho came up with the term "Islamic civilization"?
But wait for a minute ...!
Those who coined the term “Islamic civilization” speak about (at most) the seven centuries before the Ottoman Empire appeared on the world stage. We can’t speak about the “Turkish times” since that is theTurkishtime and not the time of the Islamic civilization. I am talking about the seven centuries where the lands Muslims ruled were in their “golden age”.
Now, greater civilizations of the past left us witnesses to their accomplishments. The Romans did. So did the Greeks, the Mayas and the Chinese. The great Egyptian civilization of old left us the Pyramids – one of their witnesses to their accomplishments.
Where is the evidence for the Muslims civilization? Is it the Ummayyad Mosque in Damascus? This was no more than a Christian church that the Muslims took over and converted to a mosque, just to annoy the Christians and make their life as uncomfortable as possible.
The old civilizations had their greatest accomplishments in the proximity of their origins. For Muslims this is the Mecca and Medina areas. But there are no accomplishments there. All there is is a pre-Islamic black stone enclosed within a mud cube. There is nothing worth mentioning in Mecca or Medina. Even in other areas Muslims accomplished nothing. In the example of Spain, Muslims took over buildings by force from the original natives, and stayed there, unwelcome, until the natives had enough power to get rid of the Muslims. Had not the Muslims been kicked out of Spain, we would have today Kandahar instead of Marbella and Waziristan rather than Mallorca and Mogadesho instead of Barcelona.
How beautiful you are, my mind, when you are in the right environment!
Thanks to my studies in the lands of infidels, my mind had a healthy development and the ability to do critical thinking. In comparison, education in Muslim areas is just indoctrination.
An example of intellectual theft by Muslims is that they invented the concept of “zero” without which computers would not have been possible.
This is a lie, the concept of zero came from the Indians. The same applies to “Arabic” numerals that have their origins in Babylonia.
What Muslims like to teach and brag about are half-truths.
Muslims claim they translated the Greek works of Socrates, Arstotle, etc. and that without the Muslims' translations such origins of European civilization would have been lost.
This is not quite accurate.
True, the translations were made in lands dominated by Muslims, such as Iraq and the Levant. But it wasn’t the Muslims who did the translation. It was Assyrian Christians. At that time the Khalif was forgiving and did not follow Islam (philosophy and logic are considered heresy in Islam) but fortunately the Sultan was a heretic and allowed to these translations to be made.
The exact term is “Islamic primitivism”
The Islamic religion is an invasive Arab culture that seeks to destroy, and destroyed, the cultures of native peoples. The only reason that the Giza Pyramids in Egypt are still standing is that when Muslims took over Egypt and ruled over the native Copts the Muslims did not have knowledge about bombs and explosives at the time and so could not destroy them.
This was not the case with the giant Buddha statues in Afghanistan, which are 2,500 years old. When Muslims learned to use explosives, they destroyed it while shouting “Allahu Akbar” (Allah is greatest). The civilized world watched their TVs in horror as this spectacle was taking place.
In India, three thousand Hindu temples were converted to mosques, and the consequences of such actions still exist today:
R.S.S AND হিন্দু সংহতি
হিন্দু সংহতির নেতৃত্বে সারা বিশ্বের হিন্দুরা যখন টুকটুকি মন্ডলের উদ্ধার ও বাবুসোনা গাজীর গ্রেপ্তারের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠছে তখন খোদ পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্বের স্বঘোষিত ধ্বজাধারী RSS ও BJP আশ্চর্যজনক ভাবে নীরব। কিন্তু কেন?
BJP- র নীরব থাকার কারণ অবশ্যই অপহরণকারী ধর্মীয় পরিচয়। BJP- র বিশ্বাস হিন্দুদের ভোট হল তাদের হাতের পাঁচ, সেটার জন্যে বাড়তি কিছু করার দরকার নেই। তাই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের স্ট্র্যাটেজী অনুসারে তারা মুসলিম ভোট যোগার করতে ব্যস্ত। তাই তাদের নেতা-নেত্রীরা, রাহুল সিনহা হোক বা শমীক ভট্টাচার্য, রুপা গাঙ্গুলী হোক বা বাবুল সুপ্রীয়, বারবার ছুটে যায় পাড়ুই বা সাত্তরে কিন্তু মল্লিকপুর, সমুদ্রগড় বা পঞ্চগ্রামে তাদের কাউকে যেতে দেখা যায় না। গার্ডেনরিচ এলাকায় কোন মুসলিম যুবক জুয়া খেলার বখরা নিয়ে সংঘর্ষে মারা গেলেও রাজ্য সভাপতি সাথে সাথে ছুটে যায় কিন্ত মগরাহাটের ১৪ বছরের টুকটুকি মন্ডল অপহরণ হবার দুইমাস পরেও উদ্ধার না হলে রাহুল সিনহা ও বিজেপির কিছু এসে যায় না কারণ, টুকটুকি যে হিন্দু। তাই জন অধিকার মঞ্চ আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় আমন্ত্রন জানালেও বিজেপি এড়িয়ে যায়, পাছে ভোট নষ্ট হয়।
আর এই রাজ্যে RSS-র হাল তো এখন বিজেপির লেজুড় বই আর কিছু নয় তাই নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষার স্বার্থেই BJP কে তৈলমর্দন করতে হয়। এমতাবস্থায় BJP-র পক্ষে বিরম্বনার হতে পারে এমন কোন আন্দোলনে সামিল হওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। অবশ্য টুকটুকি মন্ডল উদ্ধার আন্দোলনে RSS-র সামিল না হবার পিছনে আরও একটি কারণ আছে - সেটা হল তপন ঘোষ, হিন্দু সংহতির সভাপতি। RSS ভাবে আজ যদি তারা তাদের সংগঠন ছেড়ে চলে যাওয়া তপন ঘোষের সাথে একযোগে আন্দোলনে নামে তাহলে সেটা হবে তাদের পরাজয়। তপন ঘোষ একটা নতুন সংগঠন তৈরি করার মাত্র সাত বছরের মধ্যেই যেভাবে জনমানসে সাড়া ফেলেছেন সেটা RSS-র কাছে আতঙ্কের। তাদের হিন্দুত্বের একচ্ছত্র অধিকারে আজ প্রশ্নচিহ্ন তুলেছে হিন্দু সংহতি। শাখা আর সংস্কারের গন্ডির বাইরে গিয়ে আক্রমণকারীদের উপর সরাসরি প্রত্যাঘাত করার হিন্দু সংহতির কার্যপদ্ধতি আজ বিভিন্ন জায়গায় ফলপ্রসূ হচ্ছে। তাই এক আতঙ্ক আজ বাংলার RSS কে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, দোকান চলবে তো? তাই তারা হিন্দু সংহতির নেতৃত্বে টুকটুকি মন্ডল উদ্ধার অভিযানে সামিল হয়নি। কারণ তারা জানে তাদের প্রচারিত পথের বিপড়িতে হেঁটেও হিন্দু সংহতি যদি টুকটুকিকে উদ্ধার করে ফেলতে পারে তাহলে তাদের দোকান খোলা থাকলেও ক্রেতা পাওয়া মুশকিল হবে।
Yoga and Ifter and Saqular
এই দেশে নাকি যোগ ব্যায়াম হল বিশাল বড় হিন্দুত্ববাদ । কিন্তু সেকুলার দল মানে হল ইফতার পার্টি দেওয়া । শুনলাম নাকি সব সেকুলার দল তাদের সেকুলার নেতা পাঠাবে ইফতার পার্টিতে । সেকুলার দলের সেকুলার নেতারা সেখানে সেকুলার ইফতার করবেন । সেকুলার ইফতার খেয়ে এই দেশের সেকুলার নেতারা সেকুলার ভাষণ দেবেন ।
কক্সবাজার শহরে হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবর্ষী বসত বাড়ী জবর দখলের চেষ্টা : এলাকায় উত্তেজনা
অজিত কুমার দাশ হিমু(৯ জুলাই) :: কক্সবাজার শহরের হাসপাতাল সড়কে কতিপয় প্রভাবশালী ভূমিদস্যূ ডাঃ হাসান মুরাদ গং কর্তৃক প্রশাসনকে ব্যবহার করে হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবছরের পুরনো ভোগ দখলীয় বসত বাড়ী (দেবত্তর সম্পত্তি) উচ্ছেদ করার চেষ্টা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৯ জুলাই দুপুর ১২টার সময় একজন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ও আনসার সদস্যদের নিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের বসত বাড়ী উচ্ছেদ করতে গেলে কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কর ও স্থানীয় ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার জাবেদ মোঃ কাইছার নোবেল সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গে অনুরোধের প্রেক্ষিতে উচ্ছেদ কার্যক্রম আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়। বর্তমানে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।
জানা গেছে, কক্সবাজার শহরের ব্যস্ততম এলাকা হাসপাতাল সড়কের হিন্দু সম্প্রদায়ে লোকজনের কক্সবাজার মৌজার অর্পিত সম্পতি আইন এর গেজেটভুক্ত জমিতে শতবছর যাবত বসত বাড়ী উপলক্ষ্যে ভোগ দখলে করে আসছিল। বেশ কিছু দিন পূর্বে একই জমিতে জনৈক হাসান মাষ্টার আংশিক জমির দখল স্বত্ব ক্রয় করেন।
এর পর হতে পুরো জায়গাটি ওই হাসান মাষ্টারের ছেলে ডাঃ হাসান মুরাদ নামক ব্যক্তি তার নামে বন্দোবস্তী গ্রহন করেছেন মর্মে বলে ৯ জুলাই দুপুর ১২টার সময় হাসপাতাল সড়কস্থ হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের বসত বাড়ী ভাংচুর ও নারী পুরুষদের গ্রেফতার করার হুমকি দিয়ে অর্পিত সম্পতি আইন এর গেজেটভুক্ত ওই জায়গা হতে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনেক উচ্ছেদের চেষ্টা চালায়। এসময় কক্সবাজার পৌর আওয়ামীলীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কর ও স্থানীয় ১০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার জাবেদ মোঃ কাইছার নোবেল সহ স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এসে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটকে অনুরোধ করলে, তা আগামী ১২ জুলাই পর্যন্ত হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনকে সময় দিয়ে চলে আসেন।
এই বিষয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা ও জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মা বলেন, ওই জায়গা হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবর্ষী বসত বাড়ী। তাছাড়া ওই জায়গা ইতিপূর্বে অর্পিত সম্পত্তি আইনের আওতায় আনা হয়েছে। বর্তমানে উক্ত মামলা বিচারাধীন রয়েছে। তাই এই জমি অন্য কোন ব্যক্তিকে প্রশাসন লিজ কিংবা বন্দোবস্তী প্রদান করার কোন সুযোগ নেই। হয়তো প্রশাসনকে মিথ্যাতথ্য দিয়ে এবং প্রশাসনের দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের অবৈধ বসে নিয়ে বন্দোবস্ত হাসিল করেছে। যা কখনো আইন সম্মত হতে পারে না।
তিনি আরও বলেন, যদি উক্ত জায়গায় ১৪৪ ধারার নিষেধাজ্ঞা প্রদান করার না হয়, তবে যে কোন মুহুর্তে একটি সাম্প্রদায়িক সংঘাত সহ যে কোন রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষ হতে পারে। তাই হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এদিকে হিন্দু সম্প্রদায়ের শতবর্ষী বসতবাড়ী উচ্ছেদ করার চেষ্টার প্রতিবাদে ৯জুলাই বিকাল ৪টায় কক্সবাজার শহরে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ ও হিন্দু বৌদ্ধ, খৃষ্টান ঐক্য পরিষদ উদ্যোগে এক বিক্ষোভ মিছিল করা হয়। মিছিলোত্তর প্রতিবাদ সমাবেশ জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবুল শর্মার সভাপতিত্বে ও সদর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক দাশ এর সঞ্চালনায় পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন, হিন্দু বৌদ্ধ খৃীষ্টান ঐক্য পরিষদ কক্সবাজার জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক চন্দন শর্মা, জেলা যুবলীগ সহ-সভাপতি শহিদুল হক সোহেল, ডাঃ পরিমল কান্তি দাশ, এডভোকেট বাপ্পী শর্মা, সাংবাদিক বলরাম দাশ অনুপম প্রমুখ।
হিন্দু নেতৃবৃন্দরা বলেন, আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে এই বিষয়ে প্রশাসনিক কার্যকরী কোন পদক্ষেপ গ্রহন করা না হলে, সারা বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন কঠোর কর্মসূচী গ্রহন করবেন।
আপনার মন্তব্য লিখুন... http://coxbangla.com/2015/07/%E0%A6%95%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%AC%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0-%E0%A6%B6%E0%A6%B9%E0%A6%B0%E0%A7%87-%E0%A6%B9%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A6%E0%A7%81-%E0%A6%B8%E0%A6%AE/
Subscribe to:
Posts (Atom)