এই সবের পোতিবাদ করবেন না কেউ --দেখুন হিন্দু-মুসলিম ভাই-ভাই, পাকিস্তানের পতাকা উড়িয়েছে তো কি হয়েছে... এসবকে দেশদ্রোহীতা বলবেন না, হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই আর ভাইরা কখনও দেশদ্রোহী হতে পারে না। আমি CBI তদন্ত চাই, এর পিছনে নিশ্চয় RSS,VHP এর হাত আছে, আমাদের মুসলিম ভাইরা ব্যাপক জাতিয়তাবাদী।
আমাকে খিস্তি দেবেন না কেউ আমি সেকুলার। হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, অন্ধ মোহে আমি আবদ্ধ।।
আজ পতাকা উড়িয়েছে, কাল যদি আমার বাড়ির মেয়েকে ধর্ষন করে, অপহরন করে, তাও বলব হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, আমার মেয়েকে ধর্ষন করেছে তো কি হয়েছে??
তবে আমার একটা প্রশ্ন ছিল হুজুর, হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই; তো ভাই ভায়ের মেয়েকে ধর্ষন করতে পারে?? আপনি করেছিলেন নাকি আপনার ভাইয়ের(মুসলিম) মেয়েকে ধর্ষন।? http://zeenews.india.com/bengali/nation/kashmir-eid_129657.html
''আমি গর্বিত,আমি হিন্দু" "দিব্যজ্ঞান নয় কান্ডজ্ঞান দরকার" This blog is about Hindu Religion.we are collecting posts from many pages of facebook.some time you think that we giving hate speeches but this is not true we just give information and news. https://m.facebook.com/WERHINDU https://m.facebook.com/nationslisthindu #NationalistHindu
Thursday, 23 July 2015
অস্ট্রেলিয়ায় ‘মুসলমানবিরোধী’ বিক্ষোভ: ‘বর্ণবাদবিরোধী’ সংগঠনের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ -Deshebideshe
অস্ট্রেলিয়ায় ‘মুসলমানবিরোধী’বিক্ষোভঃ-
‘রিক্লেইম অষ্ট্রেলিয়া’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে অষ্ট্রেলিয়ায় কথিত মুসলমানীকরণ-এর বিরোধিতা করে বিক্ষোভ করেছে কিছু সংগঠন। বিক্ষোভকারীরা ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দেয়।
ধীরে ধীরে গোটা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ছে মুসলমান বিরোধী, ইসলাম বিরোধী বিক্ষোভ।। আমরা আজ আর একা নই, পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ আজ আওয়াজ তুলছে বর্বর ইসলামের বিরুদ্ধে, তার নিষ্ঠুরতার বিরুদ্ধে।
শান্তি নামক মিথ্যাচারের পিছনে লুকানো রক্তাক্ত তরবারির বিরুদ্ধে আজ মানুষ আওয়াজ তুলছে।।
যেদিন পৃথিবীর সব অমুসলমান কোরান পড়ে ফেলবে, দেখবে সেখানে তাদের হত্যার নির্দেশ দেওয়া রয়েছে, সেদিন এই রক্তাক্ত, বর্বর ধর্মটি লোপ পাবে।
সবাই আওয়াজ তুলুন, ইসলাম ব্যান হোক।।
http://www.deshebideshe.com/news/details/54159
হিন্দু রাস্ট্র
ভারতকে হিন্দু রাস্ট্র বানানোর পরিকল্পনা চলছে বলে যারা গলা ফাটান তাদের উদ্দেশ্যে বলছিঃ
হিন্দুরাস্ট্রেরসাথে ইসলামিক রাস্টের কিছু মূল পার্থক্য আছে সেটা সবাইকে বুঝতে হবে।
নেপাল হিন্দুরাস্ট্র, সেখান থেকে কিন্তু কোনো মুসলমানকে পালাতে হয়নি।
কিন্তু অপরদিকে দিকে দেখুন পাকিস্তান, বাংলাদেশ সেখানে হিন্দুরা বলির পাঠার থেকেও অসহায়।।
হিন্দুরাস্ট্রে কারোর ধর্মবিপন্ন হয় না, কাউকে পালাতে হয় না, কারন হিন্দুসমাজ উদার। যদিও তার সেই উদারতার খেসারত তাকে দিতে হয়েছে বহুবার।
হিন্দুরাস্ট্রে সবাই স্বাধীনভাবে বেচে থাকতে পারে এবং মত প্রকাশের অধিকার রাখে, যেটা কোনো ইসলামিক রাস্ট্রে চোখে পড়ে না, কেউ সমালোচনা করলেই তার কল্লা নিয়ে নেওয়া হয়।
হিন্দুই ভারতীয়ত্ব। হিন্দুই ভারতের জাতীয়তাবাদ। কেন বললাম? কারন নেপাল হিন্দুরাস্ট্র কোনো ভারতীয় হিন্দুকে দেখতে পাবেন না নেপালের সমর্থনে ভারতে নেপালের জাতীয় পতাকা উড়াচ্ছে।
কিন্তু মুসলমানরা কি করছে? ইসলামিক রাস্ট পাকিস্তানের সমর্থনে পাকিস্তানের পতাকা উড়াচ্ছে সাথে সাথে জঙ্গি আইসিসের পতাকা উড়াচ্ছে, এটা কি এটাই প্রমান করে না যে দেশের প্রতি মুসলমানদের টান নেই, তারা পাকিস্তানপন্থি বেশিরভাগই, তারা জঙ্গিপন্থি??
তাহলে দেশের স্বার্থ কারা দেখবে? নিঃসন্দেহে হিন্দুরা।
হিন্দুসমাজের উদারতা সবাইকে স্বীকার করতে হবে।।
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি শ্রী অনুজ শর্মা
পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের ডিজি শ্রী অনুজ শর্মা একটি প্রেস কনফারেন্সের মাধ্যমে জানালেন, টুকটুকি নাকি থানায় এসে সশরীরে আত্মসমর্পণ করেছে! শুধু তাই নয় ... সে গড় গড় করে পুলিশকে এও বলেছে যে, বাবা-মায়ের অত্যাচারেই সে নাকি বাবুসোনা গাজীর সঙ্গে পালিয়ে গিয়েছিল!
তা সত্ত্বেও কতগুলো প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যাচ্ছে, ডিজি সাহেব।-
১. মেয়েটি যদি পালিয়েই যাবে, তবে রাত দেড়টার সময় ট্রান্সফরমারের জাম্পার নামিয়ে মেয়েটির বাড়ির সামনে বোমা মেরে তাকে বেঁধে নিয়ে যাবার কি প্রয়োজন ছিল?
২. বিয়ে যদি প্রেমেরই হবে, পুলিশ কেন এতোদিনেও মেয়েটির কোন হদিশ করতে পারলো না?
৩. ভালবসে মেয়ে ঘর ছেড়েছে বলেই কি নিরাপত্তার কারনে তার মা বাবাকে আজও কোলকাতায় হিন্দু সংহতির কর্ণধার শ্রী তপন ঘোষের আশ্রয়ে থাকতে হচ্ছে?
৪. সে যদি বাবা মায়ের অত্যাচারেই বাড়ী ছাড়ে, তবে ৭৮ দিন পরে কি এমন হল যে সে তার শ্বশুর বাড়ির সোহাগ ছেড়ে সোজা নাচতে নাচতে থানায় এসে হাজির হল?
পুলিশ সাহেব? ... আর কত নিচে নামবেন? দেওয়ালে যে পিঠ ঠেকে গেছে..... এমনি ভাবে আর কত দিন?? কাদের আপনি বাঁচাতে চাইলেন? আপনার নিজের বা রাজ্যের কোন মন্ত্রীর মেয়ে হলেও কি চিত্রটা কি এমনই হত? ..... ছিঃ!!
লিখেছেন রাজা দেবনাথ।।
India Russia Realation
ভারত - রাশিয়ার সম্পর্ক আরও একধাপ এগিয়ে গেলো ।এ বছরের মে মাসে ,ভারত রাশিয়ান KA-226 T লাইট ইউটিলিটি ,হেলিকপ্টার এর 100% টেকনোলোজি কিনে নেয় । এটি মোদীর MAKE IN INDIA নীতিকে সামনে রে বাস্তবায়ন করা হয়েছে । রাশিয়ার Rosoboronexpontএবং ভারতের HAL এর মধ্য ,চুক্তিটি প্রায় 874 মিলিয়ন ডলারে সম্পাদিত হয় ।
HAL এর এক কর্তা বলেন যে , আগামী দশ বছরে ,আমরা ইন্ডিয়াতে মোট 400 টি KA-226 T বানাবো ।তবে বর্তমানে 200 টি বানানোর ক্লিয়ারেন্স পাওয়া গেছে MOD থেকে । নেভীও এই রকম 100 টি হেলিকপ্টারের নেভাল ভার্সন পাওয়ার জন্য আগ্রহ প্রকাশ করেছে ।
বর্তমানে এই হেলিকপ্টার রাশিয়ান এয়ার ফোর্স ব্যাবহার করছে । ভারত , এটিকে নিজেদের , বাহিনীর পাশাপাশী ,ভারত ও রাশিয়ার বন্ধু রাস্ট্র গুলির কাছেও বিক্রি করতে পারবে ।
অত্যাধুনিক এই হেলি কপ্টার টিতে দুটি Arrius 2G1 ইঞ্জিন আছে ।এটি সর্বোচ্চ 220 km/h গতিবেগে 600 km অবদি যেতে পারে ।এটি 1500 kg পর্যন্ত ভার বহনে সক্ষম ।এটিতে দুজন পাইলট ও নয় জন সেনার বসার জায়গা আছে ।তবে এর সবচেয়ে ,বড় সুবিধা হল ,প্রয়োজনে এটির পেছনের অংশ টি খুলে নেওয়া যায় ।
মুসলমানরা হিন্দুদের কখনই ভাই বলে মনে করে না
মাঝে মাঝে মুসলমান কর্তৃক হিন্দুদের দু-চারটি দোকান ভাঙচুর,লুঠ হওয়ার প্রয়োজন আছে।
নাহলে এদের ঘুম ভাঙ্গবে না, না হলে এরা বুঝবে না যে মুসলমানরা হিন্দুদের কখনই ভাই বলে মনে করে না| হিন্দু-মুসলমান ভাই ভাই এই তত্ত্ব হিন্দুদের এক অলীক কল্পনা মাত্র, মুসলমানরা কখনই আমাদের ভাই হতে চায় না।
তারা আমাদের শাসন করতে চায়, আমাদের জিম্মী বানিয়ে রাখতে চায়।
আমরাই ওদের ভাই ভেবে লাই দিয়ে ওদের মাথায় তুলি।।
মুসলমান হিন্দুর ভাই হওয়ার যোগ্যতা রাখে না, আমাদের ধ্বংস করাই ওদের লক্ষ্য, ইসলামের লক্ষ্য।
Domjur Updateঃ
গতকাল হাওড়া জেলার ডোমজুরে যে দোকান ভাংচুর,লুটপাঠ চলে সেই ঘটনার সূত্রপাত হয় টিকিট বুকিংকে কেন্দ্র করে।
ডোমজুর হাসপাতালের বিপরীতে দোকানটিতে মোবাইল বিক্রি ও ট্রেনের টিকিট বুকিং করা হত, সেই টিকিট বুকিংকে কেন্দ্র করে ঝামেলার উতপত্তি ঘটে এবং দোকান মালিক থানায় অভিযোগ করলে, পুলিশ সেই মুসলিম যুবক কে আটক করে। তারপর ডোমজুর শেখ পাড়ার মুসলমানরা ডোমজুর থানায় আক্রমন করে, পুলিশকে মারধর করে এবং আটক যুবককে ছিনিয়ে নিয়ে চলে যায়।
যে দোকান মালিক অভিযোগ জানিয়েছিলেন তার দোকান ভাংচুর হয়, মোবাইল ও টাকা লুঠ করা হয়।
এবং জগতবল্লভপুর অঞ্চলের তৃনমূল বিধায়ক আবুল কাশেম মোল্লা সেই মুসলিম দুস্কৃতিদের পাশে দাড়িয়ে নিজেদের ছেলে বলে পুলিশকে চাপ দেয়। সাধারন মানুষ এর প্রতিবাদে আজ ডোমজুরে ২৪ঘন্টার বন্ধ ডেকেছে এবং আজ সব দোকানপাট বন্ধ রয়েছে ডোমজুরে।।
এখনও পর্যন্ত পুলিশ কাউকে গ্রেফতার করেনি উপর মহলের চাপে।।
Subscribe to:
Posts (Atom)